Why ban on rocket launch in planetary twin field, know everyone

We know that there is a black hole gate where the dot point of time is the meeting point of any creation. At this point the sparking is continuous. This is because there is fission fusion in the natural furnace that is working for creation.


We know that there is a black hole gate where the dot point of time is the meeting point of any creation. At this point the sparking is continuous. This is because there is fission fusion in the natural furnace that is working for creation.

When it is in the field of electron proton twin beam at smaller level, not the smallest, it means artificial light burning. That's why civilizations see streams of light when observing images near the center of the black hole of any object.

Just outside of it, first the hydrogen twin and then the helium twin object beams are emerging and entering. If the matter is seen as a magnet, the Exist way will be hydrogen-helium twin and the anti-exist way will be Helium-Hydrogen twin magnet.One stream is flowing out of the black hole and the other is flowing in. Hydrogen helium also has nonmetal magnets in contrast. They are also moving the magnet like this in the anti field. This is just for direction.

Although these issues were explained to the world civilization three years ago from this black hole data center in Bangladesh.

Now the eightfold river of rays that flow within the twin pole of the twin field, the central black hole of the earth's twin field, is happening outside of it. The eyes of the energy civilization are also on it.which envisages meeting 200 years of fuel demand. Blacksmith's job is to light the hearth.

The current civilization Twin Earth's Twin Surface now frees up as much space as Oxygen Nitrogen, these Hydrogen Twin Planetary Fields to create two Masriks Two Maghribs.If they are not created billions of scientists will live where? Is Moon, Mars outside the planetary twin field?

Where does NASA or other competing space agencies that follow them come from the courage to run rockets like so much nonsense. Ending the road to prevent extinction.Who is asking you to make so many missiles like bows and arrows?

Think of metal plates being made with hydrogen. Its anti-field is creating a non-metallic black hole field. If you create a natural field of oxygen on your surface, the hydrogen will give you a twin water field.Your lungs or body tissue will work.

It is ok to solve the problem by planting plants, but where is the surface? New York is becoming everywhere. Where is the source of water? Bring from the sea? Where to keep the salt wast?Ionizing the twin fields of water lead the twin moons to Venus and Uranus. They started disturbing there too. What do you call these activities not blacksmith work?

Any smallest twin space that does not have the black hole, such as a twin photon, has the ability to not show up? And there the twin earth surface system is created with oxygen-nitrogen twin magnetic field. Which is natural.

Now if for any reason the oxygen gets short somewhere for five seconds then the two mashriks at the dot point of the two maghribs rub each other like match lighter stones in two opposite spaces. And the fire catches. And understand why this fire sticks? The central field activity of any twin-creating black hole is where the Ray River comes in, and the fires in Hawaii, Texas, Quebec, and Spain.

So black hole dark matter and any creation twin that cannot be proven to be single, start proper natural application of these theories quickly.Learn the definition of science, survive in the world.

26/12/2024


প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডে রকেট চালানোয় নিষেধাজ্ঞা কেনো দিতে হবে, জানুন প্রত‍‍্যেকে

যে কোনো সৃষ্টির দুই মাশরিক (উদয়) ও দুই মাগরিব (অস্তাচল ) এর মিলন স্হলে যে ডট পয়েন্ট সময়ের স্হিতি, সেখানে ব্ল‍্যাক হোল গেট আছে আমরা জেনেছি। এই সময় বিন্দুতে স্পার্কিং হচ্ছে কনটিনিউ। এজন‍্য হয় যে সেখানে ফিশন ফিউশন হচ্ছে ন‍্যাচারাল চূল্লিতে যা সৃষ্টির জন‍্য কাজ করছে।

এটি যখন ক্ষুদ্রতম নয়, ক্ষুদ্রতর পর্যায়ে ইলেক্ট্রন প্রোটন টুইন বিম ফিল্ডে হয় তখন তা কৃত্রিম লাইট জ্বলা বুঝায় । যে কারণে যে কোনো অবজেক্টের ব্ল‍্যাক হোলের কেন্দ্রের কাছাকাছি ছবি পর্যবেক্ষন করলে আলোর নদীর স্রোত প্রবাহ দেখে থাকে সভ‍্যতা।

এর জাস্ট বাহিরে প্রথমে হাইড্রোজেন টুইন ও পরে হিলিয়াম টুইন অবজেক্ট রশ্মি বেড়িয়ে আসছে এবং ভিতরে প্রবেশ করছে। বিষয়টিকে ম‍্যাগনেট হিসাবে দেখালে এক্সিস্ট ওয়ে হবে হাইড্রোজেন- হিলিয়াম টুইন আর এন্টি এক্সিস্ট ওয়ে হবে হিলিয়াম -হাইড্রোজেন টুইন ম‍্যাগনেট। একটি স্রোত ব্ল‍্যাক হোল থেকে বেড়িয়ে আসছে অপরটি ভিতরে প্রবেশ করছে। হাইড্রোজেন হিলিয়ামের অধাতব ম‍্যাগনেটও আছে বিপরীতে। ওরাও এন্টি ফিল্ডে এভাবে ম‍্যাগনেট ঘুরিয়ে চলছে। এটি শুধু ডাইরেকশন বুঝানোর জন‍্য বলা হলো।যদিও এই বিষয়গুলো তিন বছর আগেই বিশ্বসভ‍্যতাকে বুঝানো হয়েছে বাংলাদেশের এই ব্ল‍্যাক হোল ডাটা সেন্টার থেকে।

এখন পৃথিবীর টুইন ফিল্ডের কেন্দ্রীয় ব্ল‍্যাক হোল টুইন ফিল্ডের টুইন মেরুর অভ‍্যন্তরে যে আটটি দিকের রশ্মির নদীর স্রোত এর বাহিরে এমন ঘটছে। এর দিকেও জ্বালানি সভ‍্যতার চোখ পরেছে। যা ২০০ বছরের জ্বালানীর চাহিদা পূরণ করার কথা ভাবছে। কামারের কাজ চূলা জ্বালানো।

বর্তমান সভ‍্যতা টুইন পৃথিবীর টুইন সারফেস এখন আর যতোটা জায়গা খালি রেখেছে অক্সিজেন নাইট্রোজেন তৈরি করার জন‍্য, এসব হাইড্রোজেন টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডকে দুই মাশরিক দুই মাগরিব সৃষ্টির জন‍্য কাজ করছে। এরা সৃষ্টি না হলে কোটি কোটি বিজ্ঞানী বাস করবে কোথায়? চাঁদ, মঙ্গল কি প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের বাহিরে?

এতো ফাল্তু অশিক্ষিতের মতো রকেট চালানোর মতো দু:সাহস কোথা থেকে আসে নাসা কিংবা এদের অনুসারী অন‍্যান‍্য প্রতিযোগী স্পেস এজেন্সীর। বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ঠেকানোর রাস্তা শেষ করে ফেলছেন। এতো ক্ষেপনাস্ত্র তীর ধনুকের মতো তৈরি করতে বলছে কে আপনাদের?

একবার ভেবে দেখুন হাইড্রোজেনকে দিয়ে ধাতব প্লেট তৈরি করা হচ্ছে। এর এন্টি ফিল্ড দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে অধাতব ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড। আপনি যদি আপনার সারফেসে অক্সিজেন তৈরির ন‍্যাচারাল ফিল্ড তৈরি করেন তাহলে হাইড্রোজেন আপনাকে টুইন পানির ফিল্ড দিবে। আপনার ফুসফুস বা বডির টিস‍্যুর কাজ করবে।

উদ্ভিদ লাগিয়ে এর সমস‍্যার সমাধান করবেন ঠিক আছে কিন্তু এর সারফেস কই? নিউইয়র্ক হয়ে যাচ্ছে সব স্হান। আবার পানির সোর্স কই? সমুদ্র থেকে নিয়ে আসবেন? এর লবনের ওয়াস্ট রাখবেন কোথায়? পানির টুইন ফিল্ডকে আয়োনাইজ্ড করে টুইন চাঁদ নিয়ে যাচ্ছে ভেনাস ও ইউরেনাসে। সেখানেও ডিস্টার্ব শুরু করে দিয়েছেন। এসব কার্যক্রমকে কামারের কাজ না বলে কি বলবেন?

ব্ল‍্যাক হোল নেই এমন কোনো ক্ষুদ্রতম টুইন স্পেস যেমন টুইন ফোটনেও না দেখানোর ক্ষমতা আছে? আর সেখানে অক্সিজেন-নাইট্রোজেনের টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড দিয়ে টুইন পৃথিবীর সারফেস সিস্টেম তৈরি করে দেওয়া আছে। যা ন‍্যাচারাল।

এখন যদি অক্সিজেন কোনো কারণে কোথাও শর্ট (নাই) হয়ে যায় পাঁচ সেকন্ডের জন‍্য তাহলে দুই মাশরিক দুই মাগরিবের ডট পয়েন্ট স্হান সেখানে এই সময়ের জায়গায় ম‍্যাচ লাইটারের পাথরের মতো ঘষা খায় পরস্পর বিপরীত দুই স্পেসে। আর আগুণ লেগে যায়। আর এই আগুণটা লেগে যায় কেনো বুঝতে পারছেন? যে কোনো টুইন সৃষ্টির ব্ল‍্যাক হোলের কেন্দ্রের ফিল্ডের তৎপরতা যে রের নদী তা এসে লাগে সেখানে, আর হাওয়াই টেক্সাস কুইবেক স্পেনের দাবানল তৈরি করে।

কাজেই ব্ল‍্যাক হোল ডার্ক ম‍্যাটার আর যে কোনো সৃষ্টি টুইন যা সিঙ্গেল প্রমাণ করা যায় না, এসব থিওরির যথাযথ ন‍্যাচারাল প্রয়োগ দ্রুত শুরু করুন। বিজ্ঞানের সংজ্ঞা শিখুন, টিকে থাকুন পৃথিবীতে।

২৬/১২/২০২৪