Twin moons germinating amoeba algae

Hope we understand about the surface of Twin Earth. It is like the twin body field of any animal or plant. Just as there are minerals in their bodies, living twin bodies or surface earth also have minerals. All twin creations from the invisible black hole.


Hope we understand about the surface of Twin Earth. It is like the twin body field of any animal or plant. Just as there are minerals in their bodies, living twin bodies or surface earth also have minerals. All twin creations from the invisible black hole. Ore-shaped twin fields Just as all planets have twin fields as minerals, so do plants and animals. Without the oxygen plus minus twin, there is no water plus minus twin charge beam.As a result, the twin fields of Venus and Uranus cannot make the twin planets spin. For example, the twin minerals in the bodies of plants and animals or skeletal planetary twin matter die as the twin spin ceases.Here in each plant and animal twin cell structure twin ionospheres are formed whose spinning fields are regulated by two Udayachals and two Ostachals at fixed minimum to largest time periods.Because the twin magnetic field of the two north and two south poles on the earth or the area of ​​30 miles of each area is still active at the beginning and end of the day, the plus minus field of water is flowing due to the change of heating relaxation from the fission fusion of the twin poles.As a result, the planets show 14 opposite spins in the two opposing fields, the twin fluxes of oxygen and nitrogen changing day and night magnetic fields.

As we walk on our surface we are walking across the twin surface which means uninterrupted movement up to the ozone twin layer which is the ionosphere we can walk in the sky.The lower sky means anti-space with the ground, we move like the anti-body moves in the opposite direction. Without this opposite space, it is impossible to make your movement.

The point can be cleared from an unrealistic example. For example, the twin surface of the United States is made with gold or iron or silver or with these three minerals, the entire surface of 20 inches. Then the country's oxygen production will stop. Suppose the oxygen coming from the twin connection of the Atlantic and Pacific oceans is also cut off. Let's assume that everyone used oxygen devices to save their lives.All the tests were conducted for three hours. In this, these metallic skeleton planets of the United States will become nitrogen because there is no ionosphere of oxygen, and the opposite of the United States was a skeleton that would have nitrogen space.which will come by the alternation of day and night. However, if there is no oxygen, there will be no nitrogen as there will be no recourse for nitrogen to take up space. It's just an unrealistic example of what a spacefaring current civilization is on its journey to say. Even then, the metallic space created by the United States, the opposite metallic or alien side will also lose spin and the sky side will close and join together. No one will be left behind.

Now if a little oxygen flows in, the three opposite planets of nitrogen can actually be said to have come a little bit farther, which is possible to jump up or climb a ladder.If anyone thinks of starting a small copter engine instead of going up the slow reverse space ladder. Then as soon as the engine is started, the sky of oxygen is exhausted and the opposite planet is buried.

I gave this example because the so-called developed countries of Twin Earth have built technology machinery and cities with mineral resources, so the surface of Twin Earth has been lost in many areas, and oxygen production in their fields is being interrupted.And the opposite space has come so close that it is possible to move by building an elevator or even by building a bridge to travel to the opposite planet in the sky at certain times of the day and night.

The spread of technology without such a delusional theory will start burning in the fire of the black hole of the hydrogen positive twin, losing the oxygen twin negative field and the technology dependent continental and oceanic regions.

The twin anti-space of the black hole theory is like the skeletal twin negative positive field under the ocean water, on the floor of which the water of the twin charge of a space flows, the opposite of the floor is the atmosphere of the twin sky and is a magnet of reverse spin.If you leak Mars' skeletal twin, you'll see water pouring from the sky. This is how we get water at the tip tap. Because you're going under, over or around water tankers when you're in anti-space with a space ship. But there is water inside or in the opposite sky of Mars which is the surface of the Earth.

So is the moon. Beneath the Earth's ice is the Moon's surface showing the rate of twin fields of birth and death of amoeba algae by the twin spins of virus bacteria. Since their body is also rich in minerals, this virus bacterium shows anti-field skeleton body or nitrogen twin body or anti-field rate transmission of life.The Moon's twin transmission is completely different, with Uranus and Venus soaking the cells in the twin fields at certain temperatures to create life in the fission fusion of their twin fields.

This is how we learned to germinate different seeds at specific temperatures by soaking them in water. Juboraj/2025.03.12.


টুইন চাঁদ অঙ্কুরোদগম করছে অ‍্যামিবা শৈবালের

টুইন পৃথিবীর সারফেস সম্পর্কে আমরা বুঝতে পেরেছি আশা করি। এটি যে কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদের টুইন দেহের ফিল্ডের মতো। এদের বডিতে যেমন খনিজ আছে জীবন্ত টুইন দেহের বা সারফেসের পৃথিবীর ভিতরেও খনিজ আছে। অদৃশ‍্য ব্ল‍্যাক হোল থেকে সৃষ্টি সব টুইন সৃষ্টির। আকরিক আকারের টুইন ফিল্ড যেমন সব গ্রহের টুইন ফিল্ড খনিজ হিসাবে থাকে উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতও তাই। অক্সিজেন প্লাস মাইনাস টুইন না থাকলে পানি প্লাস মাইনাস টুইন চার্জ বিম থাকে না। ফলে ভেনাস ও ইউরেনাসের টুইন ফিল্ডও টুইন প্ল‍্যানেটগুলোকে স্পিন করাতে পারে না। যেমন উদ্ভিদ ও প্রাণী জগতের দেহের টুইন খনিজগুলো বা কঙ্কাল প্ল‍্যানেটারি টুইন ম‍্যাটারের টুইন স্পিন বন্ধ হয়ে যায় বলে মৃত‍্যু হয়ে যায়। এখানে প্রতিটি উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের টুইন কোষীয় বিন‍্যাসে টুইন আয়নোস্ফেয়ার তৈরি হয়ে আছে যাদের স্পিনিং ফিল্ড নির্ধারিত ক্ষুদ্রতম থেকে বৃহত্তম সময় কালে দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের মাধ‍্যমে নিয়ন্ত্রীত হয়ে আছে।

আমাদের দেহের যেসব খনিজ ও বায়ুমন্ডলীয় টুইন সারফেস আছে এটি ম‍্যাগনেট দন্ডের মতো অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের নেগেটিভ চার্জ টুইন ফিল্ডকে আমাদের সামনে দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে বলে এদের এন্টি ফিল্ড পজিটিভ চার্জ হাইড্রোজেন টুইন প্লাস বিপরীতে আছে। আমাদের জানা যে ম‍্যাগনেটিক এক স্পেসের ম‍্যাগনেট দন্ড এটি সেরকম হলেও এই দুই সমচার্জের বিমের উৎপত্তি অসম হওয়ায় এরা পরস্পর বিপরীত স্পিনে ব্ল‍্যাক হোলের পরস্পর স্পিন দ্বারা ফিল্ড তৈরি করে এবং প্রবাহ ফিল্ড তৈরি করে। কেননা দুই উত্তর ও দুই দক্ষিণ মেরুর পৃথিবীতে বা প্রত‍্যেকের এরিয়ার ৩০ মাইল ব‍্যসার্ধের যে টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড এখনও কার্যকর দেখায় দিনের শুরু ও শেষে তাতে টুইন মেরুর ফিশন ফিউশন থেকে হিটিং অবস্হার পরিবর্তনের কারণে পানির প্লাস মাইনাস ফিল্ড প্রবাহিত হয়ে চলেছে। ফলে প্ল‍্যানেটগুলো দু বিপরীতে ১৪ টি ফিল্ড পরস্পর বিপরীতে স্পিন দেখাচ্ছে যা অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের টুইন প্রবাহ দিবস ও রাতের ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড পরিবর্তিত হয়ে চলছে। আমরা আমাদের সারফেসে চলা মানে টুইন সারফেস বেয়ে চলছি যা ওজোন টুইন লেয়ার পর্যন্ত নির্বিঘ্ন চলাচলকে বুঝায় যা আয়নোস্ফেয়ার আছে বলে আকাশ পথে চলতে পারি। নিম্ন আকাশ বলতে ভূমির সাথে এন্টি স্পেস তৈরি করে আমরা চলি যেমন বিপরীত আকাশ পথে এন্টি বডি চলে এন্টি ডাইরেকশনে। এভাবে বিপরীত স্পেস তৈরি না থাকলে আপনার মুভমেন্ট করা অসম্ভব।

অবাস্তব একটি উদাহরন থেকে বিষয়টিকে ক্লিয়ার করা যেতে পারে। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের টুইন সারফেসকে স্বর্ন কিংবা লোহা অথবা রূপা দিয়ে অথবা এই তিনটি খনিজ দিয়ে ২০ ইঞ্চি পুরো সারফেস তৈরি করা হলো। তাহলে দেশটির অক্সিজেন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে। ধরুন আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের টুইন কানেকশন থেকে যে অক্সিজেন আসবে তাও বন্ধ করে দেওয়া হলো। এতে ধরুন সকলে অক্সিজেনের ডিভাইসে নিজেদের জীবন রক্ষার জন‍্য ব‍্যবস্হা করলো। সমস্ত পরীক্ষাটি তিন ঘন্টার জন‍্য করা হলো। এতে যুক্তরাষ্ট্রের এসব মেটালিক কঙ্কাল প্ল‍্যানেট নাইট্রোজেনের হয়ে যাবে অক্সিজেনের আয়নোস্ফেয়ার না থাকায়, আবার যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতেও কঙ্কাল ছিলো যা নাইট্রোজেনের স্পেস থাকবে। যা দিবস ও রাতের পরিবর্তনের দ্বারা আসবে। যদিও অক্সিজেন না থাকলে নাইট্রোজেনের স্পেস ধরার কোনো অবলম্বন থাকবে না বলে নাইট্রোজেনও থাকবে না। শুধুই অবাস্তব উদাহরন যা এক স্পেসের বর্তমান সভ‍্যতার জার্নি চলছে বলে এভাবে বলা। তাহলেও কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের যে মেটালিক স্পেস তৈরি হয়েছে বিপরীত মেটালিক বা এলিয়েন সাইডও স্পিন হারিয়ে আকাশ সাইড বন্ধ হয়ে এসে জোড়া লেগে যাবে। কেউ অবশিষ্ট থাকবে না চাপা পরে যাবে।

এখন সামান‍্য কিছু অক্সিজেন প্রবাহিত করলে বাস্তবে নাইট্রোজেনের বিপরীত তিনটি গ্রহ সামান‍্য কিছু দূরে এসেছে বলে বলা যায় যা লাফিয়ে উঠা যাচ্ছে বা মই দিয়ে উঠা সম্ভব। কেউ যদি মনে করে ধীর গতির বিপরীত স্পেস মই দিয়ে উঠার পরিবর্তে ছোট্ট একটি কপ্টার ইঞ্জিন স্টার্ট করে উঠবো। তাহলে ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার সাথে সাথে অক্সিজেনের যে আকাশ তা শেষ হয়ে বিপরীত গ্রহটি চাপা দিয়েছে।

এই উদাহরন এজন‍্য দিলাম যে টুইন পৃথিবীর কথিত উন্নত দেশ খনিজ সম্পদ দ্বারা প্রযুক্তি মেশিনারিজ আর শহর তৈরি করায় টুইন পৃথিবীর সারফেস বহু এলাকায় হারিয়েছে বলে নিজেদের ফিল্ডে অক্সিজেন উৎপাদন ব‍্যহত হচ্ছে। আর বিপরীত স্পেস এতো কাছাকাছি চলে এসেছে যে লিফ্ট তৈরি করে চলাচল করতে পারবে বা ব্রিজ নির্মাণ করেও আকাশের বিপরীত গ্রহে যাতায়াত করা সম্ভব দিবস ও রাতের নির্দিষ্ট সময়ে ।

এমন উদ্ভ্রান্তের মতো থিওরিবিহীন টেকনোলজির বিস্তার ততোক্ষনে অক্সিজেনের টুইন নেগেটিভ ফিল্ড হারিয়ে হাইড্রোজেন পজিটিভ টুইনের ব্ল‍্যাক হোলের আগুণে জ্বলা শুরু হয়ে যাবে প্রযুক্তি নির্ভর মহাদেশীয় ও মহাসাগরীয় অঞ্চলগুলো।

ব্ল‍্যাক হোল থিওরির টুইন এন্টি স্পেস এমন যে মহাসাগরের পানির নীচের যে কঙ্কাল টুইন নেগেটিভ পজিটিভ ফিল্ড আছে, যে তলে এক স্পেসের টুইন চার্জের পানি প্রবাহিত হয় তলটির বিপরীতকে টুইন আকাশের বায়ুমন্ডল করে উল্টা স্পিনের ম‍্যাগনেট হয়ে আছে। আপনি মঙ্গলগ্রহের স্কেলেটাল টুইনকে ফুটো করলে আকাশ থেকে পানি পরা দেখবেন। টিপ কলে যেভাবে আমরা পানি পাই বিষয়টি এমন। কেননা আপনি স্পেস শিপ নিয়ে যখন এন্টি স্পেসে যাচ্ছেন তখন পানির ট‍্যাঙ্কারের নীচে, উপরে বা চারিদিকে ঘুরছেন। কিন্তু পানি আছে ভিতরে বা মঙ্গল গ্রহের বিপরীত আকাশে যা পৃথিবীর সারফেস।

এভাবে চাঁদও তাই। পৃথিবীর বরফের নীচে আছে চাঁদের সারফেস যা ভাইরাস ব‍্যাকটেরিয়ার টুইন স্পিনের দ্বারা অ‍্যামিবা শৈবালের জন্ম মৃত‍্যুর টুইন ফিল্ডের রেট দেখাচ্ছে। এদের বডিও যেহেতু খনিজ সমৃদ্ধ এই ভাইরাস ব‍্যাকটিয়ার এন্টি ফিল্ড কঙ্কাল বডি বা নাইট্রোজেনের টুইন বডি বা জীবনের এন্টি ফিল্ডের রেট ট্রান্সমিশন করে দেখাচ্ছে। চাঁদের ট্রৃন্সমিশন সম্পূর্ণ আলাদা যা ইউরেনাস ও ভেনাসের টূইনে জীবকোষকে ভিজিয়ে রেখে নির্দিষ্ট টেম্পারেচার তৈরি এদের টুইন ফিল্ডের ফিশন ফিউশনে জীবনের উৎপত্তি হচ্ছে।

আমরা যেমন বিভিন্ন বীজকে পানিতে ভিজিয়ে রেখে নির্দিষ্ট টেম্পারেচারে অঙ্কুরোদগম করতে শিখেছি বিষয়টি এমন। যুবরাজ /১২ ০৩.২০২৫।