Sun rises in the west when dark space appears or is seen
I saw the news on ATN News Bangladesh electronic media on 17.03.2025 at 10.30 pm. A group of researchers found that 780,000 years ago, the Earth's North Pole went to the South Pole or the South Pole went to the North Pole and inverted in their research.
This means they show the earth has expired at that time.So now it's time for the sun to rise in the west. Earthquakes and volcanoes increase when the magnetic poles are reversed. Various diseases are created. These things are also said in the Holy Qur'an of Muslims. Various scientific research papers have reported that this is going wrong.While these countries, researchers from online data centers and sample universities in Bangladesh, labs, universities and various social labels have been thoroughly told in the science analysis of the Universal Truth Theory. There is no civilization in the world that has not been reported there.The G-7 or G-20 member states whose leadership is causing this are the most informed. Still, the singularity stands on the theory. By which it is not possible to see any real face of creation in such misleading reports.
When the sun rises in the west and loses the exist space, this happens because the anti-exist space appears. Because anti-exist space is in the path of black holes. And exist space is in the way of creation. Exist space will keep coming if you keep the right environment for creation. Which is possible for mankind to make.
The sum of the twin cells of the twin bodies of all that is life in creation is equal to the twin fields of the amoeba algae. The twin magnetic fields of the surface and adjacent sky of the twin minerals they carry and the twin magnetic fields of the opposite sky and opposite surface are opposite.Night Northern Hemisphere:- Opposite Surface-Sky, Sky-Surface and Southern:- Sky-Surface, Surface-Sky connected. North of the Day:- Sky-Surface, Surface-Sky and south:- Surface-Sky becomes Sky-Surface. That is, the day north is opposite in charge to the night north. or south, magnetic field opposite to south.
That is, anything entangled like a knot in a rope of opposite spin to any charge ray twin whose ionosphere label appears sky and blank. Attached to this sky is another surface (which is twin dark matter) which is what you think of as the surface during the day becoming the sky at night or what you think of as the sky during the night becomes the surface.
However, what has been written in the comment box of this news in Bengali language, the exact two Bengali words are spelled below with corrections and I am presenting it to friends of all communities in the world;
'They do not know the theory of science. What the Holy Qur'an says will happen. But the Holy Qur'an is a scientific book, swearing by God Almighty. So there is a theory of science that has solutions to problems.The sun rose from the west last between 3000 and 3500 years ago. Because the civilization of that time was supposedly more advanced than now. For example, any urban civilization, including New York today, is saturated with the most unearthly twin matter due to the erroneous science studies of university studies of current civilization.Because any urban civilization comes from university studies. About half of the Earth's surface has formed such an environment. Oxygen is not produced anywhere in this environment. What is rare is that only university research runs out of that oxygen.Vehicle factories, production of anything hybrid, depleting surface water, use of chemicals and technology have destroyed the planetary twin field. The magnetic field of the lunar rover is connected to the Lost World.The oxygen surface of the earth is being destroyed even when looking at the opposite space by sending web rays to the opposite space. Which will not increase the production of oxygen nitrogen without the growth of amoeba algae. Such words have never been heard and known by the present civilization.
Lately known, a lifelong student of Bangladeshi has discovered black hole theory, dark matter theory and has shown that all creation is made up of oppositely charged beams of opposite black hole spins in twin format. Which cannot be single proof.The results obtained from the analysis of these theories have been reported to the world community through a free voluntary online data center for four years. By which the Holy Qur'an has been proved to be a scientific book.Because the Arabic meaning of The Black Hole is Rakim, which is from the word described in verse 9 of Surah Kahf of the Holy Qur'an. The word Tariq in Surah Tariq means The Dark Matter. And all the creations in pairs are the words of the Holy Qur'an.The whole world must know the analysis of the inventor's three theories mentioned in what is the explanation of these theories. Even the Islamic scholars do not know a word about this science of the Holy Qur'an.
What is on faith, is known as truth. But if you don't know the scientific explanation of the book, who is the great God, how was the atmosphere like smoky volcanic lava created at the beginning of creation, which is still in the region near the black hole.Then water is created, the surface is created, the sky is created, these ionospheres are spread out from the middle of the twin field beams, creating opposite pairs of charges for each creation, and when these charges are finished, the surface disappears, the sun rises from the west.If you understand a magnet, you must know about the spinning of the twin magnetic field of its twin black hole field. No report of science analysis of current civilization is accurate.The sun will rise in the west, surfacing those who are reporting on these issues, if they don't stop using these flawed analysis tools. The city must be declared abandoned for 40 years or 2/3 of the city must be demolished and the earth driven through it.Besides, the twin field of the earth where the earth is will soon cut off these places. And then the sun will rise in the west and disappear into the volcanic field near the black hole of the beginning of creation.which will begin with chapters on Einstein's world of junk and the demise of Einstein's fictional time machine. This black hole is always made up of the present tense when creation ceases to exist. The remaining half will be the twin worlds of Dajjal's current island-like environment.
This accursed Dajjal will appear by the extinction of at least 80% of humanity using false science as Zulfi stars. Who is waiting for this accursed? Those who expect this through the extinction of 80% of human civilization can never create humanity on earth.They have been repeatedly warned about the religion of peace, which means Islam in Arabic. Planetary twin field repair which still exists is the world's first black hole university founded by the said student named Rakim University Pranathpur Santahar Bangladesh website -http://www.rakimuniversity.com
mail - rakimunivetsity@gmail.com Juboraj/2025.03.17 '
Juboraj/2025.03.18.
ডার্ক স্পেস উপস্হিত হলে বা দেখলে সূর্য পশ্চিমে উঠে
এটিএন নিউজ বাংলাদেশের ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় খবর দেখলাম ১৭.০৩.২০২৫ রাত ১০.৩০ টায়। একদল গবেষক ৭ লাখ ৮০ হাজার বছর আগে পৃথিবীর উত্তর মেরু দক্ষিণ মেরুতে বা দক্ষিণ মেরু উত্তর মেরুতে গিয়ে উল্টে গিয়েছিলো বলে তাদের গবেষণায় উঠে এসেছে। এর মানে দেখিয়েছেন তারা পৃথিবী সেই সময়ে এর মেয়াদ উত্তীর্ণ করেছে। কাজেই এখন পশ্চিম দিকে সূর্য ওঠার সময় হয়ে গেছে। চুম্বক মেরু উল্টে গেলে ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরি এসব বেড়ে যায়। নানারকম রোগ ব্যধি তৈরি হয়। এসব কথা মুসলিমদের পবিত্র আল কোরআনেও বলা আছে। এরকম রিপোর্ট করেছে যা বিভিন্ন বিজ্ঞান গবেষনা পত্র এভাবে এবং ভুলভাবে চলছে।যখন বাংলাদেশের অনলাইন ডাটা সেন্টার ও নমুনা ইউনিভার্সিটি থেকে এসব দেশ, গবেষকদের ল্যাব, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন সামাজিক লেবেলে ইউনিভার্সাল ট্রুথ থিওরির সাইন্স বিশ্লেষনে পূঙ্খানুপূঙ্খভাবে বলা হয়েছে। পৃথিবীর এমন কোনো সভ্যতা নেই যে সেখানে জানানো হয়নি। যাদের লিডিংয়ের কারণে এসব ঘটছে তারা জি-৭ বা জি-২০ এর সদস্য রাষ্ট্র এবং তাদের সবচেয়ে বেশি জানানো হয়েছে। এরপরও সিঙ্গুলারিটি তত্বের উপর দাঁড়িয়ে আছে। যার দ্বারা এমন বিভ্রান্তিকর রিপোর্টে সৃষ্টির কোনো বাস্তব চেহারাই দেখা সম্ভব নয়।
সূর্য পশ্চিমে উঠে এক্সিস্ট স্পেস হারালে এন্টি এক্সিস্ট স্পেস উপস্হিত হওয়ায় এমন হয়। কেননা এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ব্ল্যাক হোলের পথে থাকে। আর এক্সিস্ট স্পেস থাকে সৃষ্টির পথে। সৃষ্টির পথ তৈরির উপযুক্ত পরিবেশ রাখলে এক্সিস্ট স্পেস আসতেই থাকবে। যা মানবজাতির পক্ষে তৈরি সম্ভব।
সৃষ্টিতে জীবন যা আছে এদের টুইন বডির টুইন কোষের সমষ্টি অ্যামিবা শৈবালের টুইন ফিল্ডের সমান। এরা যে টুইন খনিজ বহন করে তার সারফেস ও নিকটবর্তী আকাশের টুইন ম্যাগনেটিক ফিল্ড ও বিপরীত আকাশ এবং বিপরীত সারফেসের টুইন ম্যাগনেটিক ফিল্ড পরস্পর বিপরীত। রাতের উত্তর গোলার্ধ:- পরস্পর বিপরীত সারফেস- আকাশ, আকাশ-সারফেস এবং দক্ষিণ:- আকাশ-সারফেস, সারফেস-আকাশ সংযুক্ত থাকে। দিনের উত্তর:- আকাশ-সারফেস, সারফেস-আকাশ আর দক্ষিণ :- সারফেস-আকাশ আকাশ-সারফেস হয়ে থাকে। অর্থাৎ দিনের উত্তর রাতের উত্তরের বিপরীত চার্জে থাকে। বা দক্ষিণ, দক্ষিণের বিপরীত ম্যাগনেটিক ফিল্ড।
অর্থাৎ যে কোনো চার্জ রশ্মির টুইনের বিপরীত স্পিনের দড়ির গিটের মতো আটকানো সবকিছু যার আয়নোস্ফেয়ার লেবেলকে আকাশ এবং ফাঁকা দেখায়। এই আকাশের সাথে আর একটি সারফেস লাগানো আছে (যা টুইন ডার্ক ম্যাটার) দিনে যাকে সারফেস মনে করছেন রাতে তা আকাশ হয়ে যাচ্ছে বা দিনে যাকে আকাশ মনে করছেন রাতে তা সারফেস হয়ে যাচ্ছে।
যাহোক এই নিউজটির কমেন্ট বক্সে যা লিখা হয়েছে বাংলা ভাষায় তার হুবহু দুটি বাংলা শব্দের বানান ভুল সংশোধনসহ নিম্নরূপ এবং পৃথিবীর সকল সম্প্রদায়ের বন্ধুদের জন্য তুলে ধরছি.;
'এরা জানেই না বিজ্ঞানের থিওরি। পবিত্র আল কোরআন যা বলেছে তা সেইরূপ ঘটবে। কিন্তু পবিত্র আল কোরআন বিজ্ঞানময় গ্রন্হ কসম করে বলেছেন মহান আল্লাহ। তাহলে সেখানে বিজ্ঞানের এমন এমন কোনো থিওরি আছে যার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান আছে। সূর্য পশ্চিম থেকে উঠেছে গতো ৩০০০ বছর থেকে ৩৫০০ বছরের মধ্যে সর্বশেষ। কেননা সেই সময়ের সভ্যতা এখনকার চেয়েও কথিত উন্নত ছিলো। যেমন এখনকার নিউইয়র্ক সহ যে কোনো নগর সভ্যতা যেমন সবচেয়ে অপার্থিব টুইন ম্যাটারে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে যা বর্তমান সভ্যতার বিশ্ববিদ্যালয় স্টাডির ভুল সাইন্স স্টাডির কারণে। কেননা যেকোন নগর সভ্যতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি থেকে এসেছে। পৃথিবীর সারফেসের প্রায় অর্ধেক এরকম পরিবেশ তৈরি করেছে। এই পরিবেশের কোথাও অক্সিজেন তৈরি হয় না। যা খুবই সামান্য হয় তা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার কাজেই সেই অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়। যানবাহন ফ্যাক্টরি, হাইব্রিড যে কোনো কিছূ উৎপাদন, সারফেস ওয়াটার শেষ করা, কেমিক্যাল ও প্রযুক্তির ব্যবহার প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডকে ধ্বংস করে ফেলেছে।চাঁদের যে স্হানে যানবাহন যায় সেই স্হানের ম্যাগনেটিক ফিল্ড এসব লস্ট ওয়ার্লডের সাথে কানেক্টেড। বিপরীত স্পেসে ওয়েব রশ্মি পাঠিয়ে বিপরীত স্পেস দেখতে গিয়েও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর অক্সিজেনের সারফেস। যা অ্যামিবা শৈবালের বৃদ্ধি না ঘটলে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি হবে না। এমন কথাগুলো বর্তমান সভ্যতা কোনোদিন শোনেনি এবং জানেওনি।
ইদানিং জানছে, বাংলাদেশী একজন চিরকালীন ছাত্র ব্ল্যাক হোল থিওরি, ডার্ক ম্যাটার থিওরি আবিস্কার করে দেখিয়ে দিয়েছে যে সব সৃষ্টি টুইন ফর্মেটে পরস্পর বিপরীত ব্ল্যাক হোল স্পিনের বিপরীত চার্জের বিম দিয়ে তৈরি। যা সিঙ্গেল প্রমাণই করা যায় না। এসব থিওরির বিশ্লেষন থেকে প্রাপ্ত ফলাফল চারবছর হলো ফ্রি স্বেচ্ছাসেবী অনলাইন ডাটা সেন্টারের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায়কে জানানো হয়েছে। যার দ্বারা পবিত্র আল কোরআন বিজ্ঞানময় গ্রন্হ প্রমাণিত হয়েছে। কেননা ব্ল্যাক হোলের আরবী অর্থ রাকীম যা পবিত্র আল কোরআনের সূরা কাহাফ এর ৯ নং আয়াতে বর্নিত শব্দের দ্বারা হয়েছে। সূরা তারিক এর তারিক শব্দের অর্থ ডার্ক ম্যাটার। আর সব সৃষ্টি জোড়ায় জোড়ায় এসব পবিত্র আল কোরআনের কথা। এসব থিওরি হলে এসবের ব্যাখ্যা কি হয় তাতে উল্লেখিত আবিস্কারকের তিনটি থিওরির বিশ্লেষন জানতেই হবে সমগ্র বিশ্ববাসীকে। যারা ইসলামিক স্কলার তারাও পবিত্র আল কোরআনের এই বিজ্ঞানময়তা সম্পর্কে এক রত্তিও জানে না। বিশ্বাসের উপর যা, তা সত্য হিসাবে জেনেছে। কিন্তু গ্রন্হটির সাইন্টিফিক ব্যাখ্যা না জানলে মহান আল্লাহ কে, কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াসাচ্ছন্ন আগ্নেয় লাভার মতো পরিবেশ ছিলো সৃষ্টির শুরুতে যা এখনও আছে ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী অঞ্চলে। এরপর পানি সৃষ্টি হওয়া সারফেস সৃষ্টি হওয়া আকাশ সৃষ্টি হওয়া এসব আয়নোস্ফেয়ার টুইন ফিল্ড বিমের মধ্য থেকে প্যাঁচানো প্রত্যেকটি সৃষ্টির বিপরীত জোড়ার চার্জ সৃষ্টি করে চলা এবং এসব চার্জ শেষ হলে সারফেস বিলুপ্ত হয় পশ্চিম দিয়ে সূর্য উঠে। যা ম্যাগনেট বুঝলে এর টুইন ব্ল্যাক হোল ফিল্ডের টুইন ম্যাগনেটিক ফিল্ডের স্পিনিং সম্পর্কে জানতেই হবে। বর্তমান সভ্যতার বিজ্ঞান এনালাইসিসের কোনো রিপোর্ট সঠিক নয়। পশ্চিম থেকে সূর্য উঠবে যারা এসব বিষয়ের প্রতিবেদন করছে তাদের সারফেস দিয়ে, যদি তাদের এসব ভুল এনালাইসিস টুলস ব্যবহার থেকে বিরত না থাকে। ৪০ বছরের জন্য শহরকে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করতে হবে অথবা শহরের ২/৩ ভেঙ্গে ফেলে এর ভিতর দিয়ে পৃথিবী প্রবাহিত করতে হবে। এছাড়া যেখানে পৃথিবী আছে সেই পৃথিবীর টুইন ফিল্ড এসব স্হানকে অচিরেই ছেঁটে বাদ দেবে। আর তখন পশ্চিম দিয়ে সূর্য উঠে সৃষ্টির শুরুর ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী আগ্নেয় ফিল্ড হয়ে মিলিয়ে যাবে। তার আগে টুইন পানির তরল উত্তপ্ত বায়বীয় এবং কঠিন অবস্হার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় স্তরে প্রবেশ করে ব্ল্যাক হোলে মিলিয়ে যাবে। যা আইনস্টাইনের আবর্জনার পৃথিবী এবং আইনস্টাইনের কাল্পনিক টাইম মেশিনের বিলুপ্তির অধ্যায় শুরু হবে। এই ব্ল্যাক হোল সবসময় বর্তমান কাল দিয়ে তৈরি যখন সৃষ্টির অস্তিত্ব ধ্বংস হয়ে বিলুপ্ত হলে পাওয়া যায়। যে অর্ধেক থাকবে তা হবে দাজ্জ্বালের বর্তমান দ্বীপের মতো পরিবেশের টুইন পৃথিবী।
জুলফি তারকা হয়ে কমপক্ষে ৮০ % মানবসভ্যতার ভুল সাইন্স ব্যবহারকারীদের বিলুপ্তির দ্বারা এই অভিশপ্ত দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে।কারা এই অভিশপ্তের জন্য অপেক্ষা করছে? যারা ৮০℅ মানব সভ্যতার বিলুপ্তির মাধ্যমে এমন আশা করে তারা কখনো মানবতা তৈরি করতে পারে না পৃথিবীতে। এদের সম্পর্কে বার বার হুশিয়ারি করা হয়েছে শান্তির ধর্ম যার আরাবিক অর্থ ইসলাম। প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড মেরামতের যে যে অপসন এখনও আছে তা উল্লেখিত ছাত্রের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত পৃথিবীর প্রথম ব্ল্যাক হোল ইউনিভার্সিটি, নাম যার রাকীম ইউনিভার্সিটি প্রান্নাথপুর সান্তাহার বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট দেখুন - http://www.rakimuniversity.com
মেইল - rakimunivetsity@gmail.com যুবরাজ /১৭.০৩.২০২৫ '
যুবরাজ /১৮.০৩.২০২৫