The Sun and the Pole Star are two opposite worlds different in each area
In The Black Hole and Dark matter theory, everything is a twin. The point is that the Earth is twinned separately for each area.
In The Black Hole and Dark matter theory, everything is a twin. The point is that the Earth is twinned separately for each area. The 6 skeletal twins of our twin planetary field are made up of 7 twin earths with amoeba algae coverage.For example, at the same time, the twin skeletal planets opposite Bangladesh that form the amoeba algae-covered Earth or Sun and Polaris are roughly 1,000 miles west of Argentina.If the Skeletal Planet twin fission fusion reactor supplies the Martian twin, but these two months for North America the Sun is not forming from the Martian twin.
Opposite Bangladesh and North America opposite the Kuiper and Asteroid Belts which indicate the two hemispheres of the equator. In that case, North America gets a different planet's furnace. And North America forms the Sun and Pole star twin of that different planet, roughly speaking the near and far Indian Ocean and Southern Ocean, including Australia.
Since the sun is 7 and the pole star is also 7 on the contrary, Bangladesh knows the 7 stars of the night sky opposite the sun as Saptarshimandal. And internationally called Ursha Major Little Deep and Deep Space Objects.In fact, the 7 stars of this little deep and deep space are the surface-sky sky-surface of the northern and southern hemispheres of the daytime and thus twin. The Twin Surface Sun of the Night Earth is dark so it can be seen as a Sun from the day.Thus 7 twins of the sun are 7 in the north and 7 in the southern hemisphere black hole twin field 14 fields. Then by 7 twin days and 7 twin nights the 7 parts of the world are separated in the whole world. The Skeletal Twins change the sun and solstice every two months with 6 seasons spanning 12 months.Those whose seasons are reduced to 4 or 3 have mineral anti-fields of 2 or 3 of the 6 skeletal twins on the planet. Their twin surfaces are finished with the minerals of those 2 or 3 twin planets. For example, Saturn's twin planets are those who run out of minerals and eat these rings.
We now have 6 seasons in Bangladesh. If the current civilization removes the minerals here, these 6 seasons will become five or 4. Which is currently 6 seasons properly not coming anymore to create the so called modernity. But there are still six seasons to say.
A lot of minerals are extracted from Myanmar by British, American and Canadian companies. That's why there was a terrible earthquake. Which is the twin surface sky here has been adjusted but not yet equal to the dwarf twin, planetary twin field like Europe North America.Thus, when suddenly halved, the Bermuda Triangle will merge from the twin man-made anti-black hole field to the dwarf Sun westward to the area near the Australian continent to the east, creating a temporary two rising two australs. Which will look like the last apocalypse. No urban civilizations or civilizations of technology or anti-planetary activities of these dwarf civilizations will exist in the twin fields of our planet. will be halved directly.
So those who are doing globalization are doing it on the unscientific theory of turning the natural world into a lost world. Stop these activities if you want to live.
Juboraj/ 2025.04.01
সূর্য ও পোল স্টার দুই বিপরীত পৃথিবী প্রত্যেক এলাকায় পৃথক
ব্ল্যাক হোল এবং ডার্ক ম্যাটার থিওরিতে সবকিছু টুইন। বিষয়টি এমন যে পৃথিবী একেক এলাকার জন্য টুইন। আমাদের টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডের যে ৬ টি স্কেলেটাল টুইন এর উপর অ্যামিবা শৈবালের কভারেজ দিয়ে ৭ টি টুইন পৃথিবী তৈরি করা হয়েছে। যেমন একই সময়ে বাংলাদেশের বিপরীত দুই মাস যে টুইন স্কেলেটাল গ্রহ থাকে এর অ্যামিবা শৈবাল কভারেজের পৃথিবী বা সূর্য ও ধ্রুবতারার বিবরীত দিন রাত তৈরি করে তা আর্জেন্টিনা থেকে মোটামুটি ১০০০ মাইল পশ্চিমে হয়ে থাকে। স্কেলেটাল গ্রহের টুইন ফিশন ফিউশন চূল্লি সরবরাহ যদি মঙ্গলের টুইন করে তাহলে কিন্তু এই দুই মাস উত্তর আমেরিকার জন্য মঙ্গল গ্রহের টুইন থেকে সূর্য ধ্রুবতারা তৈরি হচ্ছে না।
বাংলাদেশের বিপরীত ও উত্তর আমেরিকা কাইপার ও এস্টরয়েড বেল্টের বিপরীত যা বিষুব রেখার দুই গোলার্ধ নির্দেশ করে। সেক্ষেত্রে উত্তর আমেরিকার ভিন্ন গ্রহের চূল্লি পেয়ে থাকে। এবং উত্তর আমেরিকা সেই ভিন্ন গ্রহের সূর্য ও ধ্রুবতারার টুইন তৈরি করে অস্ট্রেলিয়াসহ নিকটবর্তী ও দূরবর্তী ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগর মোটামুটিভাবে বলা যায়।
সূর্য যেহেতু ৭ টি ও পোল স্টারও বিপরীতে ৭টি যা বাংলাদেশ রাতের সূর্যের বিপরীত আকাশের ৭ টি তারাকে সপ্তর্ষীমন্ডল হিসাবে জানে। আর আন্তর্জাতিকভাবে বলা হয় উর্ষা মেজর লিটল ডিপ ও ডিপ স্পেস অবজেক্টস বলা হয়। আসলে এই লিটল ডিপ ও ডিপ স্পেসের যে ৭ টি তারা এরা দিনের পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের সারফেস-আকাশ আকাশ-সারফেস এবং এভাবে টুইন। রাতের পৃথিবীর টুইন সারফেস সূর্য অন্ধকার বলে একে দিন থেকে একটি সূর্য হিসাবে দেখা যায়। সূর্যের এভাবে ৭ টি টুইন যা উত্তরে ৭টি এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ৭ টি ব্ল্যাক হোল টুইন ফিল্ড ১৪ টি ফিল্ড। তাহলে ৭ টি টুইন দিন ও ৭টি টুইন রাত দ্বারা ৭ ভাগের পৃথিবী আলাদা আলাদা সমগ্র পৃথিবীতে। দুই মাস অন্তর অন্তর ১২ মাস জুড়ে ৬টি সিজন নিয়ে স্কেলেটাল টুইন সূর্য ও ধ্রুবতারা বদল করে। যাদের সিজন কমে ৪টি হয়েছে বা ৩টি হয়েছে তাদের গ্রহের ৬ টি স্কেলেটাল টুইনের ২ টির বা ৩টির খনিজ এন্টি ফিল্ড হয়ে গেছে। ওদের টুইন সারফেসে সেই ২ টি বা ৩ টি টুইন প্ল্যানেটের খনিজ তুলে শেষ করা হয়েছে। যেমন শনি টুইন গ্রহের খনিজ যারা শেষ করেছে তারাই এই বলয় খেয়ে ফেলেছে।
আমাদের বাংলাদেশে এখন ৬ টি সিজন আছে। যা বর্তমান সভ্যতা এখানকার খনিজ তুলে ফেললে এই ৬ টি সিজন পাঁচটি বা ৪ টি হয়ে যাবে। যা বর্তমানে ৬ টি সিজন ঠিকমতো এখন আর আসছে না কথিত আধুনিকতা তৈরির জন্য। তবে ছয়টি সিজন এখনও আছে বলা যায়।
মায়ানমার থেকে প্রচুর খনিজ উত্তোলন করা হচ্ছে ব্রিটিশ মার্কিন ও কানাডিয়ান কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে। যে কারণে ভয়াবহ ভূমিকম্প হলো। যা এখানকার টুইন সারফেস আকাশ এডজাস্ট হয়েছে কিন্তু এখনও ইউরোপ উত্তর আমেরিকার মতো ডোয়ার্ফ টুইন, প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের সমান হয়নি। এভাবে হঠাৎ অর্ধেক হয়ে গেলে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল মানব সৃষ্ট এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ডের টুইন থেকে ডোয়ার্ফের সূর্য পশ্চিম হয়ে পূর্বে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের নিকটবর্তী এলাকার সাথে সাময়িক দুই উদয় দুই অস্তাচল তৈরি করে মিলিত হবে। যাকে শেষ কেয়ামতের মতো দেখাবে।
কোনো শহুরে সভ্যতা বা প্রযুক্তির সভ্যতা বা এসব ডোয়ার্ফ সভ্যতার এন্টি প্ল্যানেটারি এক্টিভিটি আমাদের প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডে থাকবে না। সরাসরি অর্ধেক হয়ে যাবে।
কাজেই গ্লোবালাইজেশন যারা করছেন তারা ন্যাচারাল পৃথিবীকে লস্ট ওয়ার্ল্ডে পরিণত করার অবৈজ্ঞানিক থিওরিতে করছেন। বাঁচতে চাইলে এসব এক্টিভিটি বন্ধ করুন।
যুবরাজ /০১.০৪.২০২৫।