Six planets. Skeleton mountain outside & inside, they're crushed into earth's surface
The sun is about to rise in the west over the countries and territories of billions of scientists.What are the suns and the pole stars? It has been four years for Western civilization to discover these theories of the black hole the dark matter and all creation twins and their scientific analysis is being communicated to the civilization in a way that is explained to a class one student.
The sun is about to rise in the west over the countries and territories of billions of scientists.What are the suns and the pole stars? It has been four years for Western civilization to discover these theories of the black hole the dark matter and all creation twins and their scientific analysis is being communicated to the civilization in a way that is explained to a class one student.
It was not left out to inform the heads of state. However, the current so-called false theory physicists have destroyed this planetary field of twin format. These scientist names are orbiting the field of the twin planets with their countries and generations bringing their territory closer to the black hole. In whose twin fields little twin earth rays are flowing. Just because of the lack of understanding of science, before the doomsday countries like USA, Europe, China, Japan, South Korea, Taiwan, Hong Kong, Singapore will completely disappear.You understand where these fake scientists were born. Urban civilization will also disappear.
The sun is the night world. If the plastics in China are in the environment, they will continue to wear UV in South America. In North America it will carry DC current. Their twin fields are such that their magnetic fields change during day and night.How long can the world of technology survive? What is the source of money in Europe, North America, Japan, China, South Korea, Taiwan, Hong Kong, Singapore? Diagnosing the human brain reveals high levels of plastic debris.Contrary to the normal command of the people of these countries 300 years ago, what do you expect from the present?
It is heard that many people have made palaces of gold. What does its void field connection do in an era of artificial shortage of oxygen nitrogen? It should not be difficult to understand.Six such skeletal planets are made up of magnets by different metallic non-metals on the day side and on the opposite side of the night side.which is twinned by six separate formations. Three of them north of the equator, three south of the equator are metal-non metal and non-metal metal DC currents, respectively, in the day-night field, three in the north are metal-metal south metal-metal connection.which is twinned by six separate formations. Three of them north of the equator, three south of the metallic non-metallic and non-metallic DC currents. Again with the Earth with them, the opposite day-night field has three non-metallic north respectively in the south metallic non-metallic connection which bends the twin radiation to east west.The connection between these two poles changes the magnetic field between day and night.
They are created by the opposing magnetic fields of the Earth's twin fields, reaching a maximum in the slow twin-charged light radiation from sunrise to the time between the two opposite days and nights.Then they reduced the radiation towards the two poles and went to zero at the dot point. The black hole theory defines a twin earth that if it is removed or the day and night of the twin earths are removed then the described 6 skeleton planets will appear connected to each other in a twin format.These are the mountains which are twin of stone, twin of gold, twin of diamond, twin of gas etc. six twins. Thus 6 twin planets. For example the earth is said to move. If this is removed, the spin of the skeletal twin planet will be stopped and the ionosphere will also be void and disappear into the black hole. When a creation loses spin or charge, its twin spin entanglement continues in reverse spin and unwinds like a knot of twin rays. Creation moves into the core region of the black hole and then vanishes into the black hole. The Anti-Existence Space Way is in effect.
If you conduct a space flight towards the Sun 1 hour after sunrise, you will reach the opposite Earth within a few minutes, 1 hour after sunset. 5 minutes from Dhaka to Rio de Janeiro or Buenos Aires. Because at this time the twin opposite ionospheres of both are very close together.The heat in the ionosphere is the twin core region of the black hole. Pole star on one side and sun on opposite side means two opposite worlds are being formed. You were on the pole star from where you set off. And when he went towards the sun, he went to the world of night.
This is how black hole science works in twin universe form. If the proton moves against the twin, you get the ionosphere of the anti-proton electron. Since the electron has a positron, you will get the opposite proton from here, which is the field of the anti-atom of the twin beam of the atom. They both spin opposite to each other.Electron label Ozone layer with positive skeletal planetary charge attachment burning through opposite Earth. Therefore, the positron beam of this electron is below the sky of human habitation or locality.
The civilization at the beginning of the discovery of this dark matter called the god particle, which could not go any further, filled half of the twin universes with garbage, creating the conditions for extinction of the current false science civilization of all faculties.
For example, the two risings and two settings times of the twin formats of all separate creations are different but the dot point time is very short which is the present time of nearest area of the black hole. Now if the entire twin creation is non-existent, the twin is taken at the dot point of Udaya Astachal(Two Risings settings). And that is THE BLACK HOLE. Nothing remains. So who stayed?
This is the form of Creator. If there is nothing in creation, there is no past or future. There is only the present which is the black hole or Rakim and which reveals the sole existence of Almighty Allah here.
The particle theory was abandoned four years ago. All creation in the twin form of Exist Space Way and Anti Exist Space Way of Twin Rays. Four years was a long time to repair the planetary field. The universities and civilizations of the world have delayed much. Stopping the technology field at this point could stop the destruction.
Juboraj/2025.01.31
৬ টি গ্রহের একদিকে কঙ্কালের পাহাড় অপরদিকে এরা চূর্ন হয়ে পৃথিবীর সারফেস
কয়েক'শ কোটি বিজ্ঞানীদের দেশ ও টেরিটোরির উপর দিয়ে সূর্য পশ্চিমে উঠতে চলেছে। সূর্য ও ধ্রুবতারা কি এটি পশ্চিমা সভ্যতাকে চার বছর হলো ব্ল্যাক হোল ডার্ক ম্যাটার ও সব সৃষ্টি টুইন এসব থিওরি আবিস্কার করে এসবের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষন ক্লাস ওয়ানের শিক্ষার্থীকে যেভাবে বোঝানো হয় সেভাবে সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্র প্রধানদের জানাতেও বাদ রাখা হয়নি। অথচ বর্তমান কথিত ভূল থিওরির পদার্থ বিদ্যার আলোচকরা ধ্বংস করে ফেলেছে টুইন ফর্মেটের এই প্ল্যানেটারি ফিল্ড। এসব বিজ্ঞানী নামধারীরা ওদের দেশ ও প্রজন্মকে সহ ওদের টেরিটোরিকে ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি দিয়ে টুইন গ্রহের ফিল্ড পরিক্রমা করছে। যাদের টুইন ফিল্ডে সামান্য টুইন পৃথিবীর রশ্মি প্রবাহিত হচ্ছে। শুধু সাইন্স না বোঝার কারণে কেয়ামতের আগে ইউভি টুইনের রেডিও এক্টিভিটির বিপরীত অধাতবের আইসোটোপের আবর্জনাযুক্ত বিমের টুইন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চীন,জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকং, সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলো সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এসব ভূয়া বিজ্ঞানীদের জন্ম কোথায় হয়েছে বুঝতে পারছেন। নগরায়ন সভ্যতাও বিলুপ্ত হয়ে যাবে। টিকে থাকবে বর্তমান ভুল বিজ্ঞানের চর্চা যারা করেনি। তারা টিকে যাওয়া অর্ধেক টুইন পৃথিবীর বাসিন্দা হবে। প্লাস্টিক এমন একটি ধাতব এর সাথে ব্ল্যাক হোলের এন্টি ফিল্ড যখন ধাতব চার্জ করে থাকে তা হয় ইউভি। সূর্য কোথা থেকে এসব তৈরি করছে।
সূর্যতো রাতের পৃথিবী। চীনে প্লাস্টিকের দ্রব্য পরিবেশে থাকলে দক্ষিণ আমেরিকায় ইউভি পরতে থাকবে। উত্তর আমেরিকায় তা ডিসি কারেন্ট নিয়ে যাবে। এদের টুইন ফিল্ড এমন যে দিবস ও রাতের দ্বারা এসবের ম্যাগনেটিক ফিল্ড পরিবর্তন হয়ে যায়। প্রযুক্তির পৃথিবী আর কতোটা সময় টিকে থাকতে পারবে? ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, জাপান, চীন,দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকং, সিঙ্গাপুরের অর্থের উৎস কি? মানুষের ব্রেইনের ডায়াগনোসিস করলে মাত্রার অনেক বেশি প্লাস্টিকের বর্জ পাওয়া যায়। এসব দেশের ৩০০ বছর আগের মানুষের স্বাভাবিক কমান্ডের বিপরীতে বর্তমানের কাছে কি আশা করবেন।
শোনা যাচ্ছে অনেকে স্বর্নের প্রাসাদ বানিয়েছেন। অক্সিজেন নাইট্রোজেনের কৃত্রিম সংকটের যুগে এর শূন্যস্হান ফিল্ড কানেকশন কি দিয়ে করে আছে। বুঝতে অসুবিধা থাকার কথা নয়। ছয়টি স্কেলেটাল এরকম প্ল্যানেট দিনের দিকে ও রাতের বিপরীত দিকে ধাতব অধাতবের পার্থক্য করে ম্যাগনেট তৈরি হয়ে আছে। যা ছয়টি পৃথক গঠনের দ্বারা টুইন। এদের তিনটি বিষুব রেখার উত্তরে, তিনটি দক্ষিণে ধাতব অধাতব ও অধাতব ধাতব ডিসি কারেন্ট হয়ে থাকে। আবার এদের সাথে পৃথিবী থাকায় বিপরীতে দিবস রাতের ফিল্ডে যথাক্রমে উত্তরে তিনটি হয় অধাতব ধাতব দক্ষিণে ধাতব অধাতব কানেকশনে থাকে যা টুইন বিকিরনকে বাঁকিয়ে পূর্ব পশ্চিম করে। এরা দুই উদয় থেকে যে কানেকশনে থাকে মধ্য দিন ও রাতের পর তা ম্যাগনেটিক ফিল্ড পরিবর্তন করে।
এদেরকে পৃথিবীর টুইন ফিল্ডের পরস্পর বিপরীত ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে উদয় থেকে দুই বিপরীত দিন ও রাতের মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত ধীর গতিতে টুইন চার্জিত আলোর বিকিরন তৈরি করে ম্যাক্সিমামে পৌঁছায়।এরপর এরা দুই অস্তাচলের দিকে বিকিরন কমিয়ে ফেলে ডট পয়েন্টে গিয়ে জিরো করে। ব্ল্যাক হোল থিওরির সংজ্ঞায় টুইন পৃথিবী যা এটি যদি সরিয়ে নেওয়া হয় বা টুইন পৃথিবীর দিবস ও রাতকে সরিয়ে নেওয়া হয় তাহলে বর্নিত ৬ টি কঙ্কাল গ্রহ টুইন ফর্মেটে পরস্পর বিপরীতে কানেক্টেড দেখা যাবে। এরাই পাহাড় যা পাথরের টুইন, স্বর্নের টুইন, হিরকের টুইন, গ্যাসের টুইন ইত্যাদি ছয়টি টুইন। এভাবে ৬ টি টুইন গ্রহ। উদাহরনের জন্য পৃথিবীকে সরানোর কথা বলা হয়েছে। যা সরানো হলে স্কেলেটাল টুইন গ্রহের স্পিন বন্ধ হয়ে আয়নোস্ফেয়ারও শূন্য হয়ে ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কোনো সৃষ্টি স্পিন বা চার্জ হারালে এদের টুইন স্পিনের আটকানো টুইন রশ্মির গিটের বাঁধনের মতো অবস্হান রিভার্স স্পিনে চলতে থাকে এবং খুলে যায়। সৃষ্টি ব্ল্যাক হোলের কোর এড়িয়ায় চলে যায় এরপর ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে কার্যকর হয়।
সূর্য উদিত হওয়ার ১ ঘন্টা পর সূর্য অভিমুখে স্পেস ফ্লাইট পরিচালনা করলেন তাহলে বিপরীতে সূর্যাস্তের ১ ঘন্টা পরের বিপরীত পৃথিবী পেয়ে যাবেন কয়েক মিনিটের মধ্যে। ৫ মিনিটে ঢাকা টু রিও ডি জেনিরো বা বুয়েন্স আয়ার্স ভ্রমণ করা যাচ্ছে। কেননা এই সময়ে উভয়ের টুইন বিপরীত আয়নোস্ফেয়ার খুব কাছে থাকে। আয়নোস্ফেয়ারে যে উত্তাপ তা ব্ল্যাক হোলের টুইন কোর অঞ্চল। এর একদিকে পোল স্টার বিপরীত দিকে সূর্য তৈরি হচ্ছে মানে দুই বিপরীত পৃথিবী তৈরি হচ্ছে। আপনি যেখান থেকে রওয়ানা দিলেন ছিলেন পোল স্টারে। আর যখন সূর্য অভিমুখে গেলেন তখন তা রাতের পৃথিবীতে গেলেন।
এভাবেই ব্ল্যাক হোল বিজ্ঞান টুইন ইউনিভার্স ফর্মে চলছে। প্রোটন টুইনের বিরুদ্ধে চললে এন্টি প্রোটন ইলেক্ট্রনের আয়নোস্ফেয়ার পেলেন।ইলেক্ট্রনের পজিট্রন থাকায় এখান থেকে বিপরীত দিকের প্রোটন পাবেন যা পরমাণুর টুইন বিমের এন্টি পরমাণুর ফিল্ড। এরা উভয়ে পরস্পর বিপরীতে স্পিন করছে। ইলেক্ট্রন লেবেল ওজোন লেয়ার এর সাথে পজিটিভ স্কেলেটাল গ্রহের চার্জের সংযুক্তি পুড়ছে বিপরীত পৃথিবী হয়ে। কাজেই এই ইলেক্ট্রনের পজিট্রন বিমের আকাশ বেয়ে নীচেই রয়েছে মানুষের বসবাস বা লোকালয় ।
গড পার্টিকেল বলতে এই ডার্ক ম্যাটার আবিস্কারের সূচনায় ছিলো সভ্যতা, যা আর এগিয়ে যেতে পারেনি বলে টুইন মহাবিশ্বের অর্ধেক আবর্জনায় পরিপূর্ণ হয়ে বিলুপ্তির পরিস্হিতি তৈরি করে ফেলেছে সকল ফ্যাকাল্টির বর্তমান ভুল বিজ্ঞান সভ্যতা। যেমন সব পৃথক সৃষ্টির টুইন ফর্মেটের যে দুই উদয় অস্ত টাইম তা পৃথক কিন্তু ডট পয়েন্ট সময় খুবই কম সময়ের যা ব্ল্যাক হোলের বর্তমান কাল এরিয়ার সবচেয়ে কাছে। এখন সমগ্র টুইন সৃষ্টিকে অস্তিত্বহীন করলে টুইন উদয় অস্তের ডট পয়েন্টে নিতে হয়। এবং তা হয় ব্ল্যাক হোল। কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। তাহলে কে থাকলো?
এটিই স্রষ্টার রূপ। সৃষ্টিতে কিছুই না থাকলে অতীতকাল ভবিষ্যত কাল থাকে না। থাকে শুধু বর্তমান কাল যা ব্ল্যাক হোল বা রাকীম এবং যা মহান আল্লাহর একক অস্তিত্ব প্রকাশ করে এখানে ।
পার্টিকেল থিওরি বাতিল হয়েছে চারবছর আগে। টুইন রশ্মির এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে ও এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়ের টুইন ফর্মে সব সৃষ্টি। চার বছর সময় অনেক ছিলো প্ল্যানেটারি ফিল্ড মেরামতের । অনেক বিলম্ব করেছে পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয় ও সভ্যতা। এই মুহুর্তে প্রযুক্তির ফিল্ডকে থামিয়ে দেওয়ায় থামাতে পারে ধ্বংস।
যুবরাজ / ৩১.০১.২০২৫