Scientists from all faculties are spinning closest to the core region of the black hole

I saw the ATN News report four hours ago about the fictional report of tectonic plates. which reports that the Tibetan rift is widening.and large changes have been observed at a depth of 100 km in India. And the same reports of the old days showing the burning of the inner core area are still going on.However, a thorough report of black hole science has been sent to these Western and Eastern researchers for several years.


I saw the ATN News report four hours ago about the fictional report of tectonic plates. which reports that the Tibetan rift is widening.and large changes have been observed at a depth of 100 km in India. And the same reports of the old days showing the burning of the inner core area are still going on.However, a thorough report of black hole science has been sent to these Western and Eastern researchers for several years. They are the ones in the disaster and it is for them that this disaster is being created the most.

And in terms of volume India's use of mechanical and electrical industries and mineral extraction would be 1/3 of China's skeletal space for them? Is India close to North America or Europe? Or near Japan, Taiwan, Hong Kong, Singapore, South Korea?Now if the researchers of these countries want to give a possible account of the loss of India in the Tibetan tectonic plate, can that report be called science? Or after a category of education?Isn't the paradox research confusing to those who themselves create the spinning anti-fields of their day and night worlds by placing them near the sparks of the core region of the black hole?

Everything in their own twin territory will disappear. But even if many cities in India are destroyed, most of the areas will remain intact.Calculate economic growth. India lags behind the mentioned territories. The black hole theory has blessed those who have brought middle class and lower class people into the per capita index.

The explanation of the black hole dark matter theory has also been given to them long ago about the Hunza province of Pakistan.The great disaster that is coming before the present unscientific civilization, if they do not know about the black hole, dark matter theory, even if they themselves will be destroyed, the vast territory adjacent to the province of Hunza will remain intact. It can be said with certainty that along with large areas of Afghanistan and large parts of India. Meanwhile, Myanmar too. Most of our small area of ​​Bangladesh is undergoing urbanization which is not at all in the environment of the world. Major cities including the capital have become skeletal. It has become a land of chemical fertilizers and pesticides.The amount of skeletal twin planetary fields created by smaller nations relative to size and keeping pace with the economic growth of civilization is about to halve the sum of our planetary twin field debris fields.As California's twin beam plates of oxygen have weakened Sparks grow near black holes. This spark, the twin field of UV radiation is going to ignite directly into the planetary twin debris.Similar and opposite volcanic earthquakes, landslides, natural disasters will occur in Anti-Fields with little rainfall. The ionic dissociation of oxygen will also decrease with chronic disease.That's why the people of the whole world are being asked to stay close to living by locking down the whole world. No vehicles or industries will operate.If the power supply is turned off at night except in an emergency, only the core area of ​​the twin planetary field black holes can be squeezed between the twin plates of the ozone layer and Saturn's ring plates. If you delay, everything will stop and the civilization of this unscientific garbage will stop and be destroyed.Not even a hobbyist flight will be able to take off in the sky in a matter of days.

However, in the comment box of the mentioned news of ATN News, the report on the black hole theory is given below. Presented for the kind awareness of all human civilizations ;

'The civilizations of those countries, including those laboratories, which publish research reports on these issues are in grave danger. Half of Earth's twin fields are disappearing into the black hole.Among them are North America, Europe, and most of the countries of the East, capitals and city-centered civilizations. U.S. fires are unexplained to the labs on whose behalf they provide knowledge about India's tectonic plates. Areas where the corona virus has hit and places where ultraviolet rays are emitted at night. And even if it forms in the day field, these places will soon disappear into the black hole. But living in those regions still sits with the old misleading reports of these tectonic plates.The Black Hole theory, The Dark matter theory, and all creation are made of twin beams of opposite charges. Evidence for these theories is presented. The two opposite objects, the Sun and the Pole Star, are the worlds of night and day respectively. See urgently in these theories how this ultra-violet ray is generated from the night and becomes the day sun opposite the equator and destroys nature. Increasing the twin fields of oxygen in the twin fields of the Earth is urgently needed to stop the fires in the United States.As this gas is depleted in the core region of the black hole, twin fields of ultraviolet rays, or rivers of fire, are emitted. At this moment, if the earth can be locked down for at least three days, then this fire can be covered and moved away by forming the opposite surface ozone layer of the United States.And only then will this fire be extinguished. If oxygen can enter the opposite space outside of it, it will also be closed. The same opposite field changes the Moon's twin magnetic fields every 14 days. Which is the twin transmission effect of oxygen nitrogen on the twin surface of the earth.Each planet's anti-field is made up of our twin surface minerals. The twin moons are formed by the flow of the twin water ions of Uranus and Venus through the anti-fields of these planets. That's why every month the territories of the earth get the twin fields of the moon of the new planet.This fire may stop even after 14 days. Because fission of water's ionic fields on the opposite surface of the Moon's twin can increase oxygen flow. And even then the fire will stop. But under no circumstances should a fire be allowed to burn in an area of ​​27,000 cubic miles at once.The anti-field of the twin nebula twin pulsars will begin to form from the quasar twin reactors of the black hole. Which is almost half of the oceans and most of the area, the garbage area of ​​the twin world, the corona virus inhabited area will disappear. Detailed website http://www.rakimuniversity.com X- @JuborajI Facebook -saiful.alam.73550? Or Saiful Islam (Md Saiful Alom Juboraj) thank you - Saiful Islam Juboraj'

Juboraj/2025.01.18


সব ফ‍্যাকাল্টির বিজ্ঞানীরাই ব্ল‍্যাক হোলের কোর এলাকার সবচেয়ে কাছে স্পিন করছে

টেকটোনিক প্লেটের কাল্পনিক প্রতিবেদন নিয়ে এটিএননিউজের চার ঘন্টা আগের প্রতিবেদন দেখলাম। যা তিব্বতীয় ফাটল বড় হয়ে যাওয়ার প্রতিবেদন।এবং ভারতের ১০০ কিলোমিটার গভীরে ব‍্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা হয়েছে। আর ভূঅভ‍্যন্তরীণ কোর এলাকার জলন্ত অগ্নি দেখিয়ে এসব পুরানো দিনের একই প্রতিবেদন দেখানো এখনও চলমান রয়েছে। অথচ ব্ল‍্যাক হোল বিজ্ঞানের পূঙ্খানুপুঙ্খ প্রতিবেদন এসব পশ্চিমা ও প্রাচ‍্যের গবেষকদের পাঠানো হয়ে আসছে কয়েক বছর হলো। মহাবিপদে আছে তারাই এবং তাদের জন‍্যই এই মহাবিপদ তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

আর আয়তনের তুলনায় ভারত যতোটা ম‍্যাকানিক‍্যাল ও ইলেক্ট্রিক‍্যাল ইন্ডাস্ট্রির ব‍্যবহার করছে এবং খনিজ উত্তোলন করেছে তা তাদের জন‍্য কঙ্কাল স্পেস যতোটা করেছে সেই তুলনায় চীনের ১|৩ অংশ হবে? উত্তর আমেরিকা বা ইউরোপের ধারে কাছে আছে ভারত? নাকি জাপান তাইওয়ান হংকং সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়ার ধারে কাছে? এখন এসব দেশের গবেষকগণ যদি তিব্বতীয় টেকটোনিক প্লেটে ভারতের ক্ষতির সম্ভাব‍্য হিসাব দিতে চায় তাহলে সেই প্রতিবেদনকে বিজ্ঞান বলা যাবে? নাকি শিক্ষার কোনো ক‍্যাটাগরিতে পরে? নিজেরা যারা ব্ল‍্যাক হোলের কোর এলাকার অগ্নিস্ফুলিঙ্গের কাছাকাছি দিয়ে তাদের দিবস ও রাতের পৃথিবীর স্পিনিং এন্টি ফিল্ড তৈরি করে আছে তাদের এমন প‍্যারাডক্স গবেষণা বিভ্রান্তিকর নয়কি?

তাদের নিজস্ব টুইন টেরিটোরির সবকিছু বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অথচ ভারতের অনেক শহর ধ্বংস হলেও অক্ষত থাকবে অধিকাংশ এলাকা। ইকোনোমিক গ্রথ হিসাব করুন। পিছিয়ে আছে ভারত উল্লেখিত টেরিটোরির তুলনায়। ব্ল‍্যাক হোল থিওরিতে আশির্বাদ হয়েছে যারা মধ‍্যবিত্ত এবং নিম্ন বিত্ত মানুষের এলাকাকে মাথা পিছু সূচকে এনেছে।

পাকিস্তানের হুনজা প্রদেশ সম্পর্কেও ব্ল‍্যাক হোল ডার্ক ম‍্যাটার থিওরির ব‍্যাখ‍্যা তাদের কাছে অনেক আগে দেওয়া হয়েছে। যে মহাবিপর্যয় বর্তমান অবৈজ্ঞানিক সভ‍্যতার সামনে এসে যাচ্ছে তারা এই ব্ল‍্যাক হোল ডার্ক ম‍্যাটার থিওরি না জানায় নিজেরাই ধ্বংস হলেও হুনজা প্রদেশ সংলগ্ন বিশাল টেরিটোরি অক্ষত থাকবে। তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় আফগানিস্তানের বিশাল এলাকা এবং ভারতের বিশাল অংশ। এদিকে মায়ানমারও। ক্ষুদ্র আয়তনের আমাদের বাংলাদেশের বেশিরভাগ এলাকা নগরায়নের মধ‍্যে পরে যাচ্ছে যা মোটেও পৃথিবীর পরিবেশে নেই। রাজধানীসহ বড় বড় শহর স্কেলেটাল হয়ে গেছে। রাসায়নিক সার, কীট নাশক প্রয়োগের দেশ হয়ে গেছে। ছোট ছোট দেশগুলো আয়তনের তুলনায় যতোটা স্কেলেটাল টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড তৈরি করেছে এবং সভ‍্যতার ইকোনোমিক গ্রথের সাথে পাল্লা দিয়ে চলেছে এসবই আমাদের প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের আবর্জনাযুক্ত ফিল্ডের যোগফলকে অর্ধেকে পরিণত করতে চলেছে। ক‍্যালিফোর্নিয়ায় অক্সিজেনের টুইন বিমের প্লেট ক্ষীণ হয়ে পরেছে বলে ব্ল‍্যাক হোলের কাছাকাছি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বেড় হচ্ছে। এই স্ফুলিঙ্গ, ইউভি রেডিয়েশনের টুইন ফিল্ড সরাসরি দাবানল হয়ে প্ল‍্যানেটারি টুইন আবর্জনায় ঘটাতে চলেছে। এন্টি ফিল্ডেও একই রকম এবং বিপরীত রকম আগ্নেয়গিরি ভূমিকম্প ভূমিধ্বস কোথাও ছোটখাটো বৃষ্টিপাতসহ না না প্রকৃতিক বিপর্যয় সংঘটিত হবে । অক্সিজেনের আয়নিক বিশ্লেষন হওয়ার ক্ষেত্রও ক্রনিক ডিজিজের মতো কমে যাবে।

যে কারণে এখনই সমগ্র পৃথিবীতে লক ডাউন দিয়ে সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে বসবাসের কাছাকাছি থাকতে বলা হচ্ছে। কোনো ধরনের যানবাহন বা ইন্ডাস্ট্রি চলবে না। রাতে বিদ‍্যুত সরবরাহ ইমার্জন্সী ছাড়া বন্ধ থাকবে তাহলে কেবল টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের ব্ল‍্যাক হোলের কোর এলাকাকে ওজোন লেয়ারের টুইন প্লেট ও শনির বলয় প্লেটের মাধ‍্যমে চাপা দেওয়া যেতে পারে। দেরি করলে এমনিতেই সব বন্ধ হয়ে যাবে তখন আর এই অবৈজ্ঞানিক আবর্জনার সভ‍্যতা এমনিতেই থেমে ধ্বংস হয়ে যাবে। শখের একটি ফ্ল‍াইটও আকাশে উড্ডয়ন করতে পারবে না কয়েকদিনের মধ‍্যে এমন পরিস্হিতি হয়ে যাবে।

যাহোক এটিএন নিউজের উল্লেখিত খবরের কোমেন্ট বক্সে যে প্রতিবেদন ব্ল‍্যাক হোল থিওরিতে হয় তা নিম্নরূপে দিয়েছি। সকল মানব সভ‍্যতার প্রতি সদয় অবগতির জন‍্য তুলে ধরলাম ;

'যারা এসব বিষয়ের গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করছে ভয়াবহ বিপদে আছে সেসব গবেষণাগারসহ সেসব দেশের সভ‍্যতা। পৃথিবীর টুইন ফিল্ডের অর্ধেক বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ব্ল‍্যাক হোলে। এর মধ‍্যে উত্তর আমেরিকা ইউরোপ সমগ্র ও প্রাচ‍্যের অধিকাংশ দেশ, রাজধানী ও শহরকেন্দ্রিক সভ‍্যতা। যুক্তরাষ্ট্রের দাবানল সম্পর্কেই ব‍্যাখ‍্যা নেই যাদের কাছে যেসব গবেষণাগারের পক্ষ থেকে তারা ভারতের টেকটোনিক প্লেট বিষয়ে জ্ঞান দেয়। যেসব অঞ্চলে করোনা ভাইরাস আঘাত করেছিলো আর যেসব স্হানে আলট্রাভায়োলেট রের উদগীরণ করে রাত। এবং দিনের ফিল্ডেও তা তৈরি হয়, এসব স্হান অচিরেই ব্ল‍্যাক হোলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অথচ সেসব অঞ্চলে বসবাস করে এসব টেকটোনিক প্লেটের পুরানো দিনের বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট নিয়ে এখনও বসে আছে। ব্ল‍্যাক হোল থিওরি ডার্ক ম‍্যাটার থিওরি আর সব সৃষ্টি টুইনভাবে পরস্পর বিপরীত চার্জ বিমের তৈরি। এসব থিওরির প্রমাণ উপস্হাপন করা হয়েছে। সূর্য ও ধ্রুবতারা এই দুই বিপরীত অবজেক্টই যথাক্রমে রাত ও দিনের পৃথিবী। রাত থেকে কিভাবে এই আল্ট্রা ভায়োলেট রে তৈরি হয় আর বিষুব রেখার বিপরীতে দিনের সূর্য হয়ে তা ন‍্যাচার ধ্বংস করেছে তা এসব থিওরিতে জরুরি ভিত্তিতে দেখুন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবানল বন্ধ করতে জরুরি দরকার পৃথিবীর টুইন ফিল্ডে অক্সিজেনের টুইন ফিল্ড বৃদ্ধি করা। ব্ল‍্যাক হোলের কোর অঞ্চলে এই গ‍্যাসের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় আলট্রাভায়োলেট রের টুইন ফিল্ড বা আগুণের নদী বেড়িয়ে আসছে। এই মুহুর্তে যদি পৃথিবীতে লক ডাউন দেওয়া যায় অন্তত তিন দিনের তাহলে এই আগুণ ঢেকে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীত সারফেস ওজোন লেয়ার তৈরি করে দূরে সরে যেতে পারে। আর তখনই কেবল এই দাবানল নিভবে। এর বাহিরে যদি বিপরীত স্পেসে অক্সিজেন প্রবেশ করতে পারে তাহলেও বন্ধ হবে। একই বিপরীত ফিল্ড প্রতি ১৪ দিবসে চাঁদের টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড পরিবর্তন করে। যা অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ট্রান্সমিশন পৃথিবীর টুইন সারফেসে ইফেক্ট হয়। প্রত‍্যেকটি গ্রহের এন্টি ফিল্ড আমাদের টুইন সারফেসের খনিজ থেকে তৈরি হয়ে আছে। এসব গ্রহের এন্টি ফিল্ড দিয়ে ইউরেনাস ও ভেনাসের টুইন পানির আয়ন প্রবাহিত হয়ে টুইন চাঁদ তৈরি হয়ে আছে। সে কারণে প্রতিমাসে পৃথিবীর টেরিটোরিগুলো নতুন নতুন গ্রহের চাঁদের টুইন ফিল্ড পেয়ে থাকে।এই দাবানল ১৪ দিন পরও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কেননা পরস্পর বিপরীত সারফেসের চাঁদের টুইন পানির আয়নিক ফিল্ডের ফিশনে অক্সিজেনের প্রবাহ বেড়ে যেতে পারে। আর তাহলেও দাবানল বন্ধ হবে। কিন্তু কোনো অবস্হায় এক সাথে ২৭০০০ কিউবিক মাইল এলাকায় আগুণ জ্বলতে দেওয়া উচিত হবে না। ব্ল‍্যাক হোলের কোয়েসার টুইন চূল্লি থেকে টুইন নিহারিকা টুইন পালসারের এন্টি ফিল্ড তৈরি হওয়া শুরু হয়ে যাবে। যা মহাসমুদ্রের প্রায় অর্ধেক আর স্হলভাগের অধিকাংশ মিলে টুইন পৃথিবীর গার্বেজ অঞ্চল করোনা ভাইরাস অধ‍্যুষিত এলাকা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। বিস্তারিত ওয়েবসাইট http://www.rakimuniversity.com X- @JuborajI ফেসবুক -saiful.alam.73550? অথবা Saiful Islam(Md Saiful Alom Juboraj) ধন‍্যবাদ - সাইফুল ইসলাম যুবরাজ'

যুবরাজ /১৮.০১.২০২৫