Twin-field DC current in the ray river near THE BLACK HOLE
What each of the Twin Cities looks like is Civilization. Twin objects from different lifeless planets have been hybridized between Earth. In the definition of Twin Planetary Field, humans are living in an environment close to the anti-field of another planet.They work with the twin suns and twin polar stars that the earth produces from its two twin fields.
What each of the Twin Cities looks like is Civilization. Twin objects from different lifeless planets have been hybridized between Earth. In the definition of Twin Planetary Field, humans are living in an environment close to the anti-field of another planet.They work with the twin suns and twin polar stars that the earth produces from its two twin fields.
But where the world is being formed, the vitamin D of the night world is found in the day world.And since there is no earth in the city, the city is drowning in UV radiation to get vitamin D.
The anti-black hole field of this UV radiation is causing hybridization of non metals.The fission and fusion twin reactors that form night (Sun) and day (Polar Stars) from the city have an unusually low field of oxygen nitrogen twin magnets. Which is a civilization of weak magnetic field. It must be increased compulsorily. Only then will the natural sun and natural solstice be created.There have been many discussions.
The cities are engulfed by the Lost Planetary Twin Field. Gaze into the night world of urban civilization. These cities dream of becoming London Paris New York. Along with urbanization, ponds and rivers are filling up.Plants are being destroyed. Black hole field oxygen nitrogen fission fusion reactor being dismantled.
Our Dhaka is a city with less UV radiation than any city in the US or Europe or China. A little less because the anti-field of the black hole of this city planet and their electricity consumption is less than their total sum. The skeleton magnet of this Dhaka city and the mini earth field of its surrounding area is a magnetic twin field.
Let us make a scientific analysis of the surface of the star and the surface of the sun which is formed by day and night. The city lies on the surface of the Sun while at night its surface is connected to the mini-Earth around it.Take Gazipur Safari Park. From this world nitrogen oxygen magnet connection is covered. From there, some of the city's oxygen needs are to be determined at night. The city's twin fields can't produce spinning oxygen twins at all. Because its fission fusion furnace is broken.Moreover, there is no end to the city's demand for oxygen and nitrogen. Because the city needs continuous electricity, which must be used for oil and gas, for city buildings, building bodies and technology bodies, mechanical bodies and their management. The city of weird was built on the corrupt model of urban civilization of the West.Their anti-black hole fields need a continuous source of oxygen and nitrogen to spin like Earth. Now, among the numerous sources of the world, what is the arrangement of plants in this safari park? Most of the plants in safari parks do not give off oxygen at night.Gazari wood plants in the safari park, let's say 5 tons of metallic field is being created by their number. And the banyan tree, neem and bamboo are numerically capable of producing 1/2 ton of matter by producing oxygen. This difference would not have been so great when there was no plant university or science study in Bangladesh. Because even 100 years ago, benyan tree, neem, bamboo plants were close to gazari plants. The source of oxygen came from river canal water and produced excess oxygen. Already in the middle of the safari park, it has become unhealthy to live at night. Now it is impossible to get any feed back of Dhaka night from this Ghazari forest. How are the needs of Dhaka or its surrounding areas being met? This is from south of the equator or from the Indian Ocean in the DC current formula. So is Ghazari forest.Now at night, oxygen is coming from the surface of the Indian Ocean or the Southern Hemisphere Sun. This must come from the black hole's spin from the south sun being in anti-spin with the north. Although its surroundings including Dhaka have the same spin direction source.Now it is daytime in South America on the opposite side of the surface ionosphere of this sun north of Dhaka. A lot of oxygen is coming from there. And it has to be obtained through constant stars. DC current has to be taken through the surface and AC current has to be taken through the ionosphere. The condition of most cities including Dhaka is similar. And the crop field is similarly being produced by UV twine in the fission fusion furnace of chemicals and pesticides by running DC current with chemicals. DC currents in cities are thus brought closer to the surface.DC currents are the twin fields that flow around the center of the black hole. And since the black hole twin rays produced from the fission fusion of oxygen nitrogen twin field reactors are not enough to absorb this DC current, this ray or UV twin field is coming out.
This is explained by the image of Bangladesh. Take this example to each continent. Take to the ocean then compare the twin fields of West and East. How long has any head of state or university kept them alive?
All religions, including Buddhists, Christians, Muslims, Hindus, and Jews, have been taught that they are simultaneously responsible for the creation of half of the planetary twin field's garbage. All the space agencies are going west with the black hole close by. And the situation in the East is also very bad.
To create the world, God first sat on water. Then Almighty Allah created these six twin skeletal planetary fields in six days from water.He sat on the throne on the seventh day. That is, on the seventh day, The Almighty Allah, He kindly sat on the throne for us to manage the twin fields of our world.His eternal essence is manifested in and out of the planetary 6 twins which are habitable biomes in the twin planetary and exoplanetary fields. Some of them are under field magnet and some are under anti-field magnet. And thus our twin universe.
Ocean and Pole Twin Field Objects Venus and Uranus Twin Field Water is undergoing additional fission to form the Civilization Dwarf Planet Twin Field. Water is also decreasing due to excess consumption of oxygen. Due to which the ice reserve is melting.
ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি রশ্মি নদীর টুইন ফিল্ড ডিসি কারেন্ট
প্রত্যেকটি টুইন শহর দেখতে কেমন হয়েছে সভ্যতার। পৃথিবীর মাঝে সংকরায়ন ঘটানো হয়েছে বিভিন্ন জীবহীন প্ল্যানেটের টুইন অবজেক্ট। যা টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডের সংজ্ঞায় পৃথিবীতে থেকেও অন্য গ্রহের এন্টি ফিল্ডের কাছাকাছি পরিবেশে বসবাস করছে মানুষ । পৃথিবী ওর দুটি টুইন ফিল্ড থেকে যে টুইন সূর্য ও টুইন ধ্রুবতারা তৈরি করে তা দিয়েই ওদের কাজ চলছে।
কিন্তু পৃথিবী যেখানে তৈরি হচ্ছে সেখানে রাতের পৃথিবীর ভিটামিন ডি পাওয়া যায় দিনের পৃথিবীতে। আর শহরে পৃথিবী না থাকায় ভিটামিন ডি সংগ্রহ করতে গেলে তেজস্ক্রিয় রেডিয়েশন ইউভিতে জলসে যাচ্ছে শহর।
এই ইউভি রেডিয়েশনের এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ড অধাতবের সংকরায়ন ঘটিয়ে চলেছে। শহর থেকে যে রাত (সূর্য) এবং দিন (ধ্রুবতারা) তৈরি হয় এদের ফিশন ও ফিউশন টুইন চূল্লিতে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ম্যাগনেটের ফিল্ড অস্বাভাবিকভাবে কম। যা দূর্বল ম্যাগনেটিক ফিল্ডের সভ্যতা। এটি বৃদ্ধি করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। তবেই ন্যাচারাল সূর্য ও ন্যাচারাল ধ্রুবতারা তৈরি হবে।এসব আলোচনা অনেক হয়েছে।
সিটিগুলো লস্ট প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের অন্তুর্ভূক্ত হয়ে গেছে। নগর সভ্যতার রাতের পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখুন। এসব নগর লন্ডন প্যারিস নিউইয়র্ক হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। নগরায়নে সমানে পুকুর নদী জলাশয় ভরাট চলছে। উদ্ভিদ বিনাস করা হচ্ছে। ব্ল্যাক হোল ফিল্ডের অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ফিশন ফিউশন চুল্লি ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে।
আমাদের ঢাকা যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপ কিংবা চীনের যেকোনো শহরের চেয়ে কিঞ্চিৎ কম ইউভি রেডিয়েশনের শহর। এজন্য কিঞ্চিত কম যে এই শহরের গ্রহের ব্ল্যাক হোলের এন্টি ফিল্ড ও এদের ইলেক্ট্রিসিটি ব্যবহার তাদের চেয়ে সার্বিক যোগফলে কম। এই ঢাকা শহরটির কঙ্কালের ম্যাগনেট আর এর পাশ্ববর্তী এলাকার পৃথিবীর ফিল্ড একটি ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড। যা দিবস ও রাতের দ্বারা যে ধ্রুবতারার সারফেস ও সূর্যের সারফেস তৈরি করছে তার একটি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষন করা যাক। শহরটি সূর্যের সারফেসে থাকে যখন রাতে তখন এর সারফেস কানেক্টেড থাকে এর পাশ্ববর্তী মিনি পৃথিবীর সাথে। ধরুন গাজীপুর সাফারি পার্ক। এই পৃথিবী থেকে নাইট্রোজেন অক্সিজেনের ম্যাগনেটের কানেকশন পেয়ে থাকে ঢাকা। সেখান থেকে শহরটির অক্সিজেনের কিছু চাহিদা নিরূপণ করার কথা রাতে। শহরটির টুইন ফিল্ড স্পিনিং অক্সিজেনের টুইন তৈরি করতেই পারে না প্রায়। কেননা এর ফিশন ফিউশন চূল্লি ভাঙ্গা চোরা। অধিকন্তু শহরের অক্সিজেন নাইট্রোজেনের চাহিদার শেষ নেই।কেননা শহরের দরকার নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত যা তেল গ্যাসের জন্য, শহরের বিল্ডিংয়ের জন্য, বিল্ডিংয়ের বডি ও প্রযুক্তির বডি, যান্ত্রিক বডি ও এদের পরিচালনায় ব্যবহার করতেই হবে। আযব এই শহর পাশ্চাত্যের দুষিত মডেলের শহুরে সভ্যতায় গড়ে উঠেছে। এদের এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ডকে পৃথিবীর মতো স্পিন করাতে হলে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের নিরবিচ্ছিন্ন উৎসের প্রয়োজন। এখন পৃথিবীর অসংখ্য উৎসের মধ্যে এই সাফারি পার্কে উদ্ভিদের বিন্যাস কেমন। সাফারি পার্কে যেসব উদ্ভিদ আছে এদের অধিকাংশই রাতে অক্সিজেন দেয় না। সাফারি পার্কে যেসব গজারি কাঠের উদ্ভিদ, ধরুন এদের সংখ্যা দ্বারা ৫ টন মেটালিক ফিল্ড তৈরি হচ্ছে । আর বেনিয়েন ট্রি, নিম এবং বাঁশ এদের সংখ্যাগতভাবে ক্যাপাবল অক্সিজেন উৎপাদনের দ্বারা ম্যাটার উৎপাদন করে ১/২ টন। যখন বাংলাদেশে কোনো উদ্ভিদ বিশ্ববিদ্যালয় বা সাইন্স স্টাডি না থাকলে এই পার্থক্য এতো হতো না। কেননা এখন থেকে ১০০ বছর আগেও বেনিয়েন ট্রি,নিম, বাঁশ জাতীয় উদ্ভিদ গজারি জাতীয় উদ্ভিদের কাছাকাছি ছিলো। অক্সিজেনের উৎস নদী খাল বিলের পানি থেকে আসতো এবং তৈরি করতো এক্সেস অক্সিজেন। এখন এমনিতেই সাফারি পার্কের মধ্যে, রাতে বসবাস করা অস্বাস্থ্যকর হয়ে গেছে। এখন এই গজারি বন থেকে ঢাকার রাতের কোনো ফিড ব্যাক পাওয়া অসম্ভব। এখন ঢাকার চাহিদা বা এর পাশ্ববর্তী এলাকার চাহিদা কিভাবে পূরণ হচ্ছে? এটি হচ্ছে বিষুব রেখার দক্ষিণ থেকে বা ভারত মহাসাগর থেকে ডিসি কারেন্ট ফর্মূলায়। গজারি বনেরও তাই। এখন রাতে ভারত মহাসাগর বা দক্ষিণ গোলার্ধের সূর্যের সারফেস থেকে অক্সিজেন আসছে। এটিকে আসতে হলে দক্ষিণের সূর্য থেকে যে ব্ল্যাক হোলের স্পিন উত্তরের সাথে এন্টি স্পিনে ঘুরছে সেখান থেকে আসছে। যদিও ঢাকাসহ এর আশ পাশ একই স্পিন ডাইরেকশনের উৎসে থাকে। এখন ঢাকার উত্তরের এই সূর্যের সারফেস আয়নোস্ফেয়ারের উল্টা দিকে দক্ষিণ আমেরিকায় দিন হয়ে আছে। সেখান থেকে প্রচুর অক্সিজেন আসছে। আর এটিকে পেতে হচ্ছে ধ্রুবতারার মাধ্যমে। ডিসি কারেন্ট নিতে হয় সারফেসের মাধ্যমে।আর এসি কারেন্ট নিতে হচ্ছে আয়নোস্ফেয়ারের মাধ্যমে। ঢাকাসহ অধিকাংশ সিটির অবস্হা একইরকম। আর ফসলের মাঠও একইভাবে রাসায়নিক দিয়ে ডিসি কারেন্ট চলাচলে কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডের ফিশন ফিউশন চূল্লিতে ইউভি টুইন তৈরি হচ্ছে। শহরগুলোর ডিসি কারেন্টও এভাবে সারফেসের কাছাকাছি চলে এসেছে। ব্ল্যাক হোলের কেন্দ্রের চারিদিকে যে রের নদীর টুইন ফিল্ড এসব ডিসি কারেন্ট। আর এই ডিসি কারেন্ট এবজর্ব করতে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ফিল্ড চূল্লির ফিশন ফিউশন থেকে যে ব্ল্যাক হোল টুইন রশ্মি উৎপাদিত হচ্ছে তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় এই রে বা ইউভি টুইন ফিল্ড বেড়িয়ে আসছে।
এটি বাংলাদেশের চিত্র দিয়ে বুঝানো হলো। এই উদাহরন প্রত্যেকের মহাদেশে নিয়ে যান। মহাসাগরে নিয়ে যান এরপর পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের টুইন ফিল্ডে মিলিয়ে দেখুন। কোন রাষ্ট্র প্রধান বা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের টিকে থাকার সামর্থ কতোদিন রেখেছেন ।
বৌদ্ধ, খৃষ্টান, মুসলিম,হিন্দু, ইহুদিসহ সকল ধর্ম এমন শিক্ষা অর্জন করেছেন যে, প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের অর্ধেক আবর্জনা তৈরি হওয়ার কারণের কাজ সকলে মিলে একযোগে করছেন। ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি দিয়ে সকল স্পেস এজেন্সীসহ পাশ্চাত্য চলছে। এবং প্রাচ্যের অবস্হাও খুব খারাপ।
পৃথিবী সৃষ্টি করবেন বলে প্রথমে মহান আল্লাহ পানির উপর আসীন হলেন এরপর পানি থেকে ছয় দিনে এই ছয়টি টুইন স্কেলেটাল প্ল্যানেটারি ফিল্ড তৈরি করেছিলেন মহান আল্লাহ। সপ্তম দিনে আরশে আসীন হলেন। অর্থাৎ সপ্তম দিনে আমাদের পৃথিবীর টুইন ফিল্ড পরিচালনার জন্য দয়া করে আমাদের সিংহাসনে বসলেন মহান আল্লাহ। তাঁর চিরঞ্জীব সত্বা প্রকাশিত হলো প্ল্যানেটারি ৬ টি টুইনের ভিতর ও বাহির দিয়ে যা টুইন প্ল্যানেটারি ও এক্সো প্ল্যানেটারি ফিল্ডে বসবাস উপযোগী জীবজগত। এদের কেউ ফিল্ড ম্যাগনেটে কেউ এন্টি ফিল্ড ম্যাগনেটের অধীন। আর এভাবে আমাদের টুইন ইউনিভার্স।
মহাসাগর ও মেরুর টুইন ফিল্ডের অবজেক্ট ভেনাস ও ইউরেনাসের টুইন ফিল্ডের পানির অতিরিক্ত ফিশন ঘটানো হচ্ছে সভ্যতার বামণ গ্রহের টুইন ফিল্ড তৈরি করতে। পানিও কমে যাচ্ছে অক্সিজেনের অতিরিক্ত ব্যবহারের জন্য। যে কারণে বরফের রিজার্ভ নষ্ট হয়ে গলে যাচ্ছে।