The normal production of bacteria is severely disrupted. Planetary Twin Fields on Catastrophe Path
From the World's First Sample of Black Hole or Dark Matter Science University, Rakim University Bangladesh Happy New Year.
From the World's First Sample of Black Hole or Dark Matter Science University, Rakim University Bangladesh Happy New Year.
It's been two years since 1/3 of Twin Earth was covered in the meaningless science junk of current civilization. Which is growing fast. 3 stages of cancer. First stage, to second stage and third stage. The third stage is actually called certain death.Just as the first two of the three stages can be safely operated on in some cases, the subject has moved towards the end of the second stage, the science junk of civilization.
This is not just on the surface of Twin Earth. The anti-field of this twin's body is also subtracting nature's yoga from the fields of the planets.
The number of natural twin objects in our total planetary twin field is 9. The twin fields are our platform on which mankind lives, our twin worlds. When you see it during the day, there are only 9 objects in the body of one world. When night comes, their anti-fields come to the separate world of night.
Since day and night are roughly 12 hours apart, they appear in the ionosphere opposite to the ionosphere produced by their black hole field. They are thus running as seven twins in our twin world. And the Venus and Uranus objects of water, the twin moons ionizing the twin fields of water by their respective twins.
This time interval is the lifetime of our twin earths or twin planetary fields that are creating the ionosphere. Measurement of Fission Fusion Twin Reactor Fuel Production Capacity Sources.
Its respiratory system is moved by the respiration of the organism. which rotates the turbines in twin. +As long as this bacteria's twin magnetic field can spin the twin earths, mankind is not extinct.As a result, if the twin field becomes equal to the twin field of inanimate matter, the magnetic field of the organism's breathing will not be able to rotate their magnets. Due to which charge generation will stop. As a result, the magnetic field of the twin inanimate matter will be separated from these natures like the United States, Europe, China, Japan.As a result, when the twin field becomes equal to the twin field of inanimate matter, the magnetic field of the organism's breathing will not be able to rotate their magnets. Due to which charge generation will stop. As a result, the magnetic field of the twin inanimate matter, which is similar to the United States, Europe, China, Japan,etc. these territories will separate from the bacteria.
It is possible to understand the condition of the planetary field of the environment of the areas which are being talked about by looking at the rate of bacteria production or application of hormonal medicine. A civilization like these cannot run without medicine or vaccine. These human civilizations are the fields of pollution of our planetary twin fields.Education minimum is not even on the label.
The extinction of these human species is evidenced by thorough analysis. But four hundred to five hundred crore people have become addicted to this false science and technology who do not understand how the consequences of entering the black hole are approaching!Repairing the surface of the twin earths or repairing the planetary field would require nearly stopping mechanics and technology. The use of all minerals should be stopped. The definition of Twin Earth should be known from Rakim University. There is no alternative for mankind.
Start applying black hole science and dark twin matter science theory to survive on earth with 2025 new year and clean up the garbage quickly by making occasional lock down mandatory like during corona time. Stop fighting. Bury all weapons underground. Forget enmity and be friends.
Juboraj/ 2025.01.01
ব্যাকটেরিয়ার স্বাভাবিক উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যহত। মহাবিপদের পথে প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড
পৃথিবীর প্রথম নমুনা ব্ল্যাক হোল বা ডার্ক ম্যাটার সাইন্স ইউনিভার্সিটি, রাকীম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
বর্তমান সভ্যতার সংজ্ঞাহীন সাইন্স আবর্জনায় ১/৩ টুইন পৃথিবী ছেয়ে গেছে দুবছর হলো। যা বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রুত। ক্যানসারের ৩টি স্টেজ। প্রথম স্টেজ, থেকে দ্বিতীয় স্টেজ এবং তৃতীয় স্টেজ। তৃতীয় স্টেজ আসলে যেমন মৃত্যু নিশ্চিত বলা হয়ে থাকে। তিনটি ধাপের প্রথম দুটি যেমন কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন করে নিরাপদ হতে পারে মানুষ, বিষয়টি এরকম দ্বিতীয় স্টেজের শেষের দিকে চলে গেছে সভ্যতার সাইন্স আবর্জনা।
এবিষয়টি শুধু টুইন পৃথিবীর সারফেসে নয়। এই টুইনের বডির এন্টি ফিল্ড প্ল্যানেটগুলোর ফিল্ডেও ন্যাচার যোগ বিয়োগ হচ্ছে। আমাদের টোটাল প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের ন্যাচারাল টুইন অবজেক্টগুলোর সংখ্যা ৯ টি ধরে যে টুইন ফিল্ড এরাই আমাদের প্লাটফর্ম যা মানবজাতির বসবাস আমাদের এই টুইন পৃথিবী। একে যখন দিনে দেখছেন তখন যে এক পৃথিবী তখন ৯ টি অবজেক্টই থাকে এর বডিতে।আবার যখন রাত আসে তখন এদের এন্টি ফিল্ড চলে আসে রাতের পৃথক পৃথিবীতে।
দিন এবং রাত মোটামুটিভাবে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে থাকায় এদের ব্ল্যাক হোল ফিল্ড যে আয়নোস্ফেয়ার তৈরি করে তার বিপরীত আয়নোস্ফেয়ারে এদের দেখা যায়। ওরা এভাবে আমাদের টুইন পৃথিবীতে সাতটি টুইন হয়ে চলছে। আর পানির যে ভেনাস ও ইউরেনাস অবজেক্ট, এদের প্রত্যকের টুইন দ্বারা টুইন চাঁদ পানির টুইন ফিল্ড আয়নাইজ্ড করছে।
এই যে টাইমের ব্যবধান এই সময়কালটুকু যে আয়নোস্ফেয়ার তৈরি করছে এটিই আমাদের টুইন পৃথিবীর বা টুইন প্ল্যনেটারি ফিল্ডের আয়ু। ফিশন ফিউশন টুইন চূল্লির জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষমতার উৎসের পরিমাপ। এর শ্বাস প্রশ্বাস যন্ত্র জীবজগতের শ্বাস প্রশ্বাস দ্বারা ঘুরছে। যা টুইনভাবে টারবাইন ঘুরিয়ে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়ার টুইন ম্যাগনেটিক ফিল্ড যতোদিন টুইন পৃথিবীকে স্পিন করতে পারবে মানবজাতির বিলুপ্তি ততদিন হচ্ছে না। যেহেতু জীব ও জড় জগতের ম্যাগনেট টুইন ব্ল্যাক হোল ফিল্ড জড়ের টুইন ফিল্ডের সমান হয়ে গেলে এদের ম্যাগনেটকে ঘুরতে পারবে না বলে জীবের শ্বাস প্রশ্বাসের ম্যাগনেটিক ফিল্ড চার্জ থেমে যাবে। ফলে টুইন ফিল্ড জড় পদার্থের টুইন ফিল্ডের সমান হয়ে গেলে এদের ম্যাগনেটকে ঘুরাতে পারবে না জীবের শ্বাস প্রশ্বাসের ম্যাগনেটিক ফিল্ড। যে কারণে চার্জ উৎপাদন থেমে যাবে। ফলে টুইন জড় পদার্থের ম্যাগনেটিক ফিল্ড যা যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপ চীন জাপানের মতো, এসব টেরিটোরি ব্যাকটেরিয়া থেকে আলাদা হয়ে যাবে।
যেসব এলাকার কথা বলা হয়ে আসছে সেসব এলাকার ব্যাকটেরিয়া বা হরমোনাল ঔষধ প্রয়োগের হার দেখেই বোঝা সম্ভব তাদের প্ল্যানেটারি ফিল্ডের অবস্হা । মেডিসিন বা ভ্যাকসিন ছাড়া চলা সম্ভব হয় না এসব সভ্যতার। আমাদের এই প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের দুষণের ক্ষেত্রস্হল এসব মানব সভ্যতা। শিক্ষার মিনিমাম লেবেলেও নেই।
মানবজাতির বিলুপ্তি হচ্ছে যার পূঙ্খানুপূঙ্খ বিশ্লেষনের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। অথচ চার'শ থেকে পাঁচ'শ কোটি মানুষ এই ভূল সাইন্স ও প্রযুক্তির নেশায় আসক্ত হয়ে গেছে যারা বুঝতে পারছেনা কেমনভাবে ব্ল্যক হোলে প্রবেশের পরিণতি এগিয়ে আসছে! টুইন পৃথিবীর সারফেস মেরামত ব্যতিত বা প্ল্যানেটারি ফিল্ড মেরামত করতে হলে যান্ত্রিকতা ও প্রযুক্তিকে প্রায় থামিয়ে দিতে হবে। সকল খনিজের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। টুইন পৃথিবীর সংজ্ঞা সম্পর্কে জানতে হবে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এর কোনো বিকল্প নেই মানবজাতির সামনে।
২০২৫ নতুন বছর দিয়ে পৃথিবীতে টিকে থাকার ব্ল্যাক হোল বিজ্ঞান ও ডার্ক টূইন ম্যাটার বিজ্ঞানের থিওরির প্রয়োগ শুরু করুন এবং তা করোনাকালীন সময়ের মতো মাঝে মাঝে লক ডাউন ম্যানডেটরীভাবে দিয়ে দ্রুত আবর্জনা পরিস্কার করে ফেলুন। যুদ্ধ বন্ধ করুন।সব অস্ত্র মাটির নীচে পুঁতে ফেলুন। শত্রুতা ভুলে পরস্পর বন্ধু হোন।
যুবরাজ /০১.০১.২০২৫