Present fake science have made twin earth bodies like unhealthy skeletons

Territories of the world that are extracting minerals and exporting these to countries where they are selling them to others in the comfort of their own homes.And those who are carrying these through the road are constantly taking a specific path and using the magnetic field of the skeletal planet on the surface and destroying the opposite magnetic field of the earth and doing fission fusion or chemical reaction.


Territories of the world that are extracting minerals and exporting these to countries where they are selling them to others in the comfort of their own homes.And those who are carrying these through the road are constantly taking a specific path and using the magnetic field of the skeletal planet on the surface and destroying the opposite magnetic field of the earth and doing fission fusion or chemical reaction.When these minerals are brought to the Earth's surface, the magnetic field changes, which destroys the asteroid-comet form against the Earth's twin magnetic field. When the physicists get to it, they spread it by fission fusion at high speed through their own lab industrial belt or any vehicle.

Earth's civilization is in such danger that the faster these can be done, the more skillful they are and they are thought to be scientists. Disaster surrounds these scientists while the definition of science has been discovered for four years and they have no headache. continues to do the same.

Below and above the bed of those that have lifted the minerals thins the coverage area of ​​Earth's oxygen nitrogen virus bacteria, and what is in the interior of the bed's anti-field bed shows up in the opposite sky's ionosphere as the planet's skeletal body.Since there are anti cot objects, it is covered by inverting the cot coverage (with opposite charge beam). For example by making the night the sun or the day by making the fixed stars. Any form of it is formed after 12 hours to live on the surface of the Sun and asteroids.

The Earth is twin-opposite. They are our Sun and the Pole Star. These suns and fixed stars change every month. Which in 12 months, the sun of 6 twin planets is made by the earth as its sun. Every day 30x30x30=27000 cubic miles of twin quasar or twin ashes burners are seen at two udayachal (risings) and two austachal(settings) dots.Civilization did not know the news of this dot time. World civilization is getting to know that the black hole the dark matter and all creation twin formula was discovered by a Bangladeshi named Saiful Islam Juboraj. Just as a country that picks up minerals is getting the internal charge of its country's surface on the Earth's surface through the interior and opposite sky.

Europe, North America, Japan, China, Singapore, South Korea, Taiwan, Hong Kong, Israel, all territories are said to be toxic and uninhabitable places, whether or not minerals are picked up, they have been in their world for hundreds of years, fission, fusion and chemical analysis of minerals. did led to the conclusion that nothing has a twin body in the natural world. And other major city capitals and urbanized civilizations on earth, twin polar regions, twin seas, twin skies, and twin skies. which is spread over almost half of the entire twin worlds. Their twin worlds have become almost dwarf twin planets.

Since in the black hole formula, dark matter is the opposite of itself and cannot be seen. If another is in a diseased or specified territory, the natural twin will be seen in the sky as its magnetic field is rotated.Again, because half of the surface pus or cancer has not spread, there is also a dwarf planet at different times of the year due to the lack of flow of oxygen nitrogen twins.

Then it is clearly understood that the way in which the internal organs of the diseased people are damaged and diagnosed by taking pictures, what is being seen in the various telescope cameras of civilization is the truth. But the difference between dwarf and natural skeletal planets is not understood.It has been proven that the countries with the highest per capita income are the ones living on the dwarf twin planets. That is why Mr. Biden has been called autistic. Because four years ago he and his administration were innumerably understood to fix the planetary field with his own country and four other countries of world civilization Russia England China India.

A distinction has been made between healthy and unhealthy territory. The three mentioned theories established the definition of science and established the science of creation which is capable of guiding mankind for all time. thank you Juboraj/2025.01.27


অসুস্হ কঙ্কাল সার মানুষের মতো টুইন পৃথিবীর দেহ করেছে বর্তমান ফেক সাইন্স

পৃথিবীর যেসব টেরিটোরি খনিজ তুলে ফেলছে এবং এসব এক্সপোর্ট করছে যাদের দেশে তারা নিজের ঘরের শুয়ে থাকার খাটকে অন‍্যের কাছে বিক্রি করছে। আবার যারা এসব যে রাস্তা দিয়ে বহন করে নিয়ে যাচ্ছে তা অনবরত একটি নির্দিষ্ট পথ এবং যেখানে নিয়ে গিয়ে ব‍্যবহার করছে সেখানেও স্কেলেটাল গ্রহের ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড সারফেসে নিয়ে পৃথিবীর বিপরীত ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড স্হাপন করে ফিশন ফিউশন বা রাসায়নিক বিক্রিয়া করাচ্ছে। এসব খনিজ পৃথিবীর সারফেসে তুললে এমনিতেই এমনিতেই ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড পরিবর্তন হয়ে যায়।যা পৃথিবীর টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডের বিরুদ্ধে এস্টরয়েড -কমেট আকারে স্হাপন করে। ফিজিসিস্টদের কাছে গেলে একে দ্রত গতিতে ফিশন ফিউশন করে ছড়িয়ে দেয় নিজস্ব ল‍্যাব ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেল্ট কিংবা যে কোনো যানবাহনের মাধ‍্যমে।

পৃথিবীর সভ‍্যতা এমন বিপদে পরেছে যে এসব যতো দ্রুত করা যায় তার ততো দক্ষতা এবং এরা বিজ্ঞানী। চারিদিকে ডিজাস্টার এসব বিজ্ঞানীদের ঘিরে ফেলেছে অথচ বিজ্ঞানের সংজ্ঞা আবিস্কার হয়েছে চারবছর হলো তাদের কোনো মাথা ব‍্যথা নেই। একই কাজ করেই চলেছে।

যারা খনিজ তুলে ফেলেছে তাদের খাটের নীচ এবং উপর দিয়ে পৃথিবীর অক্সিজেন নাইট্রোজেন ভাইরাস ব‍্যাক্টেরিয়ার কভারেজ এরিয়া পাতলা করেছে এবং খাটের এন্টি ফিল্ড খাটের অভ‍্যন্তরীণ ম‍্যাটারে কি কি আছে তা বিপরীত আকাশের আয়নোস্ফেয়ারে দেখানো হচ্ছে গ্রহের স্কেলেটাল বডি হিসাবে। সেখানে এন্টি খাটের অবজেক্টগুলো থাকায় তা খাটের কভারেজকে উল্টে দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে (বিপরীত চার্জ বিম দিয়ে)। যেমন রাতকে সূর্য বানিয়ে বা দিনকে ধ্রবতারা বানিয়ে। এর যে কোনো ফর্ম আমরা ১২ ঘন্টা পর পর সূর্য ও ধ্রবতারার সারফেসে বসবাসের জন‍্য তৈরি হয়।

যে পৃথিবী টুইনভাবে বিপরীত এরা আমাদের সূর্য ও ধ্রুবতারা। এসব সূর্য ও ধ্রুবতারা প্রতিমাসে পরিবর্তন হয়। যা ১২ মাসে ৬ টি টুইন গ্রহের সূর্যকে পৃথিবী ওর সূর্য বানায়। প্রতিদিন ৩০×৩০×৩০=২৭০০০ কিউবিক মাইলের টুইন কোয়েসার বা ভষ্ম বার্নার দুই উদয় ও দুই অস্তাচল ডট বিন্দু সময়ে দেখা যায়। এই ডট সময়ের খবর সভ‍্যতা জানতো না। ব্ল‍্যাক হোল ডার্ক ম‍্যাটার আর সব সৃষ্টি টুইন ফর্মূলা একজন বাংলাদেশী যার নাম সাইফুল ইসলাম যুবরাজ আবিস্কার করেছেন বলে বিশ্বসভ‍্যতা জানতে পারছে । যে যেমনভাবে খনিজ তুলেছে সেদেশ সেভাবে তার দেশের সারফেসের অভ‍্যন্তরীন চার্জ পৃথিবীর সারফেসে পাচ্ছে যা অভ‍্যন্তর দিয়ে ও বিপরীত আকাশ দিয়ে।

ইউরোপ উত্তর আমেরিকা জাপান চীন সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকং, ইসরায়েলের সমস্ত টেরিটোরিকে এজন‍্য বিষাক্ত ও মনুষ‍্য বসবাসের অযোগ‍্য স্হান বলা হচ্ছে যে খনিজ তুলে হোক আর না তুলে হোক এরা তাদের পৃথিবীতে দীর্ঘ কয়েক''শ বছর অবধি খনিজের ফিশন ফিউশন ও রাসায়নিক বিশ্লেষন করেছে। এমন অবস্হায় নিয়ে গেছে যে কোনো কিছুতে ন‍্যাচারাল পৃথিবীর টুইন বডি নেই। আর অন‍্যান পৃথিবীতে বড় বড় শহর রাজধানী ও নগরায়ন সভ‍্যতা, টুইন পোলার অঞ্চল,টুইন সাগর মহাসাগর ও টুইন আকাশের একই চিত্র। যা সমগ্র টুইন পৃথিবীর অর্ধেকের উপর প্রায় ছড়িয়ে গেছে। এদের টুইন পৃথিবী হয়ে গেছে ডোয়ার্ফ টুইন প্ল‍্যানেট প্রায়।

যেহেতু ব্ল‍্যাক হোল ফর্মূলায় নিজের বিপরীত ডার্ক ম‍্যাটার অপজিট এবং তাকে দেখা যায় না। যদি অন‍্য কোনো রোগাগ্রস্হ বা উল্লেখিত টেরিটোরিতে থাকেন তাহলে সেটির ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড ঘুরিয়ে বসবাস করায় ন‍্যাচারাল টুইন দেখবে আকাশে। আবার পুরোপুরি পুঁজ বা ক‍্যানসার বিস্তৃত হয়নি বলে সেখানে অক্সিজেন নাইট্রোজেন টুইনের প্রবাহের কম বেশির কারণে বছরের বিভিন্ন সময় ডোয়ার্ফ প্ল‍্যানেটও দেখে থাকে।

তাহলে পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে যেভাবে রোগাগ্রস্হ মানুষের অভ‍্যন্তরীন অর্গান ক্ষতিগ্রস্হ হলে ছবি তুলে যেভাবে ডায়াগনোসিস করা হয়ে থাকে বিষয়টি সভ‍্যতার বিভিন্ন দূরবীনের ক‍্যামেরায় যা দেখা হচ্ছে তা সত‍্যি। কিন্তু ডোয়ার্ফ এবং ন‍্যাচারাল স্কেলেটাল গ্রহের পার্থক্য বোঝা হয়নি। প্রমাণিত যে যারা মাথা পিছু সর্বোচ্চ আয়ের দেশ তারাই ডোয়ার্ফ টুইন প্ল‍্যানেটে বসবাস করছে। এজন‍্য মি বাইডেনকে অটিস্টিক বলা হয়েছে। কেননা চার বছর আগে তাঁকে এবং তাঁর এডমিনিস্ট্রেশনকে অসংখ্যভাবে বুঝানো হয়েছিলো তাঁর নিজের দেশ ও বিশ্ব সভ‍্যতার আরও চারটি দেশ রাশিয়া ইংল‍্যান্ড চীন ভারতকে নিয়ে প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড ঠিক করুন।

সুস্হ‍্য ও অসুস্হ টেরিটোরির পার্থক্য তৈরি হয়ে গেছে। উল্লেখিত তিনটি থিওরি বিজ্ঞানের সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং সৃষ্টিতত্বের বিজ্ঞানকে প্রতিষ্ঠিত করেছে যা সর্বকালের জন‍্য মানবজাতিকে পথ দেখাতে সক্ষম। ধন‍্যবাদ যুবরাজ/২৭.০১.২০২৫