Planetary twin field construction method in the black hole science theory.
The Planetary Twin Field is tilted by the Dwarf Planet inhabitants of all the Science Faculty's misguided studies. All universities developed without theory should be converted into a study faculty. Which is black hole science study.Which in the light of black hole science and dark matter science, all creations in the twin formula, this civilization cannot survive much longer unless this twin dwarf planetary garbage is covered with twin oxygen flow. Because the weapons drills, technology sales are continuing.
The Planetary Twin Field is tilted by the Dwarf Planet inhabitants of all the Science Faculty's misguided studies. All universities developed without theory should be converted into a study faculty. Which is black hole science study.Which in the light of black hole science and dark matter science, all creations in the twin formula, this civilization cannot survive much longer unless this twin dwarf planetary garbage is covered with twin oxygen flow. Because the weapons drills, technology sales are continuing.
Nuclear bombs and more terrifying technologies are now available to almost everyone. However, two or three bomb blast sites remain on the surface of the twin worlds. In all the worlds there are very few places left to be half of the twin worlds of dwarven civilizations.
It will not be like Hiroshima Nagasaki where the twin fields or volcanic fields of alpha beta gamma rays near the black hole dwarfed the 4.4 square miles of Japan that replaced the Earth. 1945 and now 2025.Dwarf surfaces are formed in such a way that the ultraviolet rays from the mild to now very concentrated form most of the dwarf twin surfaces present civilizations. And the organizational structure of ultraviolet twin rays alpha beta gamma rays called analysis.You can easily determine where the dwarf twin formed by looking at the UV radiation region.
Rakim University's study repeatedly says that Europe, North America, China, Japan, Singapore, Taiwan, Hong Kong are fully manufactured. And all capital cities of the world are industrial zones, any lab, space agency, space station, cantonment, chemical or mineral surface.In any university, any vehicle and chemical fertilizer and pesticide application area. In forest areas or in villages where there is no oxygenated plants at night when the earth is the sun and at night.Again, where the anti-space water from inside the soil is being cultivated through tubes, the night creates this ray. Also creates electrified nights. Hybrids make anything that wants to go faster than normal.
Another twin dwarf world has been created in the middle of the twin earth near the black hole. The twin earth is rotating due to the dwarf anti-black hole twin field magnet or artificial twin earth created in the middle of the twin earth's black hole twin magnetic field.That is why the Total Planetary Twin Field sometimes appears as a skeleton and sometimes as an Earth. The field dwarfs of twin oxygen cannot be drawn from within the twin surface at night. And the day can not bring nitrogen. Alien sightings go viral when skeletons float in the sky when low tide comes only from the sky. Again, the flow of oxygen is more, in fact, it shows the world of the opposite sky.
Earth's twin nature creates the seasons from the natural black hole spin of the 6 twin skeletal bodies.And Dwarf Earth like USA or China has 6 planetary fields reversed. The fact that UV radiation is being produced means that 13 more magnetic fields are messed up in the black hole's spinning alignment.
That is, the twin light fields that are created in CERN labs or similar industrial or medical equipment diagnosis centers are trying to see the opposite space by creating an anti-field of light against the nature of the black hole.
That is, humans are creating concentrated ultraviolet rays. Like mineral twin ore separation, alpha beta gamma rays are separated again saying that these are not good to make or that these rays should be used with caution. These are now being used directly and indirectly in all parts of the world.
The use of mineral equipment surfaces has increased to such an extent that these are now 7 earth metals, non-metal twin bodies, twin ores, twin lights, 95 elemental names, twin disparate substances, and anti-earth matter.Which created an anti black hole field ray or surface in the center of the twin worlds as the concentration of light fluxes was destroyed, causing many elemental materials to be lost or rarefied, like many specie extinctions of the animal kingdom now known to civilization.
Living with these ore separations is the same thing as living with alpha beta gamma rays. The current university civilization has created such a complex situation. Opposite space is using more web rays to see aliens or mirages approaching, and everyone is doing it together. There is such a difference between being with a robot or a telescope or any other machine and when the Chinese president was a mountain shepherd in his early life that Mi Xi Jinping must be rescued from the danger zone of concentrated UV rays near the black hole.
Therefore, the capital and city of all the countries of the world, including Washington New York, should be declared abandoned and the village should be made a twin world by small changes. And if the city remains abandoned for 40 to 50 years, it will create a natural forest area for each country during this period.Allah Almighty asked the angels to bring soil from the earth during the creation of man. Humans were not created with the first 6 twin skeleton planets soil was brought. Forty years later made us from the soil.Rainfall on that ground The process of creation of life is described in the Holy Quran, which is fully analyzed in the black hole theory discovered by Rakim University.And we still have a chance to create that world because the skeletal dwarf part that current civilizations live with now abandons it, the amoeba algae will grow, and from it will grow a variety of organisms and fauna.They will provide the magnetic twin fields of the XX, XY chromosomes of our next living twin earth.
Because even though there is a flood in Saudi with disaster rains, the flow of flood in the desert is creating XX XY rapidly and it is fusing to form germs. Human living environment is being prepared in advance.
Of course, each government should acquire these urban areas and make them restricted areas and prohibit the entry of people.
Dwarf Twin will be fine. Collect detailed twin planetary field construction methods from Rakim University's Analysis of The Black Hole The Dark Matter Theory online library. Juboraj/2025.02.22
প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড নির্মাণ পদ্ধতি ব্ল্যাক হোল বিজ্ঞান তত্বে
প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডকে কাত করে ফেলেছে সব সাইন্স ফ্যাকাল্টির ভুল স্টাডির ডোয়ার্ফ প্ল্যানেটের বাসিন্দারা। থিওরি ছাড়া গড়ে উঠা সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি এক ফ্যাকাল্টিতে রূপান্তর করতে হবে। যা ব্ল্যাক হোল সাইন্স আর ডার্ক ম্যাটার সাইন্সের আলোকে সব সৃষ্টি টুইন ফর্মূলায় এই টুইন ডোয়ার্ফ প্ল্যানেটারি আবর্জনাকে টুইন অক্সিজেন প্রবাহ দিয়ে ঢেকে দেওয়া ছাড়া এই সভ্যতা টিকে থাকতে পারবে না আর বেশি দিন। কেননা অস্ত্রের মহড়া, প্রযুক্তি বিক্রি বৃদ্ধির ছেলেখেলা অব্যাহত আছে।
পারমাণবিক বোমা এবং আরও ভয়ংকর প্রযুক্তি এখন প্রায় সবার হাতে। যাইহোক, যমজ জগতের পৃষ্ঠে দুই বা তিনটি বোমা বিস্ফোরণের স্থান অবশিষ্ট রয়েছে। সমস্ত পৃথিবীতে বামন সভ্যতার যমজ পৃথিবীর অর্ধেক হওয়ার খুব সামান্য স্থান অবশিষ্ট রয়েছে।
বিষয়টি হিরোসিমা নাগাসাকির মতো হবে না যে সামান্য এলাকায় ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী আলফা বিটা গামা রশ্মির টুইন ফিল্ড বা আগ্নেয়ফিল্ড বেড়িয়ে এসে জাপানের ৪.৪ বর্গমাইল এলাকায় পৃথিবী রিপ্লেস করে ডোয়ার্ফ বানিয়েছিলো। ১৯৪৫ সাল আর এখন ২০২৫ সাল। ডোয়ার্ফ সারফেস এমনভাবে তৈরি হয়েছে যে মৃদু থেকে এখন আলট্রাভায়োলেট রে অনেক কনসেন্ট্রেটেড অধিকাংশ ডোয়ার্ফ টুইন সারফেস তৈরি করে বর্তমান সভ্যতা। আর আলট্রাভায়োলেট টুইন রে আলফা বিটা গামা রশ্মির সাংগঠনিক স্ট্রাক্চার যা এনালাইসিস বলে। ডোয়ার্ফ টুইন কোথায় কোথায় সৃষ্টি হয়েছে তা ইউভি রেডিয়েশন অঞ্চল দেখে সহজেই নির্ধারন করতে পারেন।
রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি বার বার বলছে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, চীন, জাপান, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, হংকংয়ে পূর্নভাবে তৈরি করে। আর করে পৃথিবীর সকল রাজধানী শহর ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন, যে কোনো ল্যাব, স্পেস এজেন্সী, স্পেস স্টেশন, ক্যান্টনমেন্ট, কেমিক্যাল যেখানে বা খনিজ সারফেস যেখানে। যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে, যেকোন যানবাহন আর রাসায়নিক সার ও পেস্টিসাইড প্রয়োগের এলাকা। বনাঞ্চলে বা গ্রামে তৈরি করে রাতে যখন পৃথিবীই সূর্য এবং রাতে অক্সিজেন দেওয়া উদ্ভিদ না থাকে যেসব এলাকায়। আবার যেখানে মাটির অভ্যন্তর থেকে এন্টি স্পেসের পানি নলকুপ দিয়ে তুলে চাষাবাদ করা হচ্ছে সেখানে রাত এই রে তৈরি করে। বিদ্যুতায়িত রাতও তৈরি করে। হাইব্রিড যে কোনো কিছু তৈরি করে যা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রত করতে চাইলে।
ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি দিয়ে টুইন পৃথিবীর মধ্যে আর একটি টুইন ডোয়ার্ফ পৃথিবী তৈরি হয়েছে যারা টুইন পৃথিবীর ব্ল্যাক হোল টুইন ম্যাগনেটিক ফিল্ডের মধ্যে ডোয়ার্ফ এন্টি ব্ল্যাক হোল টুইন ফিল্ড ম্যাগনেট বা কৃত্রিম টুইন পৃথিবী তৈরি করায় টুইন পৃথিবী কাত হয়ে ঘুরছে। যে কারণে টোটাল প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডকে কখনো কঙ্কাল আকারে দেখা যাচ্ছে কখনো পৃথিবী আকারে দেখা যাচ্ছে। টুইন অক্সিজেনের ফিল্ড ডোয়ার্ফ টুইন সারফেসের অভ্যন্তর থেকে বেড় করে আনতে পারে না রাতে। এবং দিনে আনতে পারে না নাইট্রোজেন। শুধু আকাশ দিয়ে আসায় যখন কম প্রবাহ আসে কঙ্কাল আকাশে ভেসে উঠলে এলিয়েন দেখা ভাইরাল হয়। আবার অক্সিজেনের প্রবাহ বেশি আসলে বিপরীত আকাশের পৃথিবী দেখায়।
পৃথিবীর টুইন ন্যাচার ৬ টি টুইন স্কেলেটাল বডির স্বাভাবিক ব্ল্যাক হোল স্পিন থেকে যে জীবজগত তৈরি করে তা সিজন তৈরি করে। আর ডোয়ার্ফ পৃথিবী যুক্তরাষ্ট্রের মতো বা চীনের মতো সেখানে ৬ টি প্ল্যানেটারি ফিল্ডকে উলট পালট করে ফেলা হয়েছে। যে কারণে ইউভি রেডিয়েশন তৈরি হচ্ছে মানে আরও ১৩ টি ম্যাগনেটিক ফিল্ডের ব্ল্যাক হোল স্পিনিং এলাইনমেন্টে গোন্ডগোল তৈরি হয়ে আছে।
অর্থাৎ সার্ন ল্যাব বা এজাতীয় শিল্প কিংবা চিকিৎসা সরঞ্জামের ডায়াগনোসিস সেন্টারগুলোতে যেসব টুইন আলোর ফিল্ড তৈরি করা হয় তা ব্ল্যাক হোলের পৃথিবীর ন্যাচার যেভাবে ফিল্ড তৈরি করে তার বিরুদ্ধে আলোর এন্টি ফিল্ড তৈরি করে বিপরীত স্পেস দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অর্থাৎ মানুষই আলট্রাভায়োলেট রে তৈরি করছে কনসেন্ট্রেটেড আকারে। খনিজের টুইন আকরিক সেপারশনের মতো আলফা বিটা গামা রশ্মি পৃথক করছে আবার বলছে এসব তৈরি করা ভালো না বা এসব রে সাবধানতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। এসব এখন পৃথিবীর অলিগলিতে ব্যবহার হচ্ছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে।
খনিজ ইকুইপমেন্ট সারফেসে এমনভাবে ব্যবহার বেড়ে গেছে যে এসব এখন ৭ টি পৃথিবীর ধাতব, অধাতবের টুইন বডির টুইন আকরিকের টুইন আলোর প্যাঁচানো বিন্যাসকে পৃথক করতে গিয়ে ৯৫ টি মৌলিক নামের টুইন ভিন্নরকম পদার্থের এন্টি পৃথিবীর ম্যাটার তৈরি হয়েছে। যা টুইন পৃথিবীর মধ্যে এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ড রে বা সারফেস তৈরি করায় আলোর প্রবাহের কনসেন্ট্রেশন ধ্বংস হয়েছে বলে অনেক মৌলিক পদার্থ হারিয়ে গেছে বা বিরল হয়েছে যা প্রাণীজগতের অনেক স্পেসিল বিলুপ্তির মতো এখন সভ্যতা জানে।
এসব আকরিক সেপারেশন করে এদের সাথে থাকা আর আলফা বিটা গামা রশ্মির সাথে বসবাস করা একই কথা। এমন জটিল পরিস্হিতি তৈরি করেছে বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় সভ্যতা। বিপরীত স্পেস যতো এলিয়েন হয়ে বা মরীচিকা হয়ে এগিয়ে আসছে ওকে দেখার জন্য আরও ওয়েব রে ব্যবহার করছে এবং সবাই মিলে তা করছে। রোবট বা টেলিস্কোপ বা যে কোনো যন্ত্রের সাথে থাকা আর চীনের প্রেসিডেন্ট যখন প্রথম জীবনে পাহাড়ের রাখাল ছিলেন এই দুটি পরিবেশের মধ্যে এখন এতো পার্থক্য যে ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি ইউভি রের কনসেন্ট্রেটেড বিপদজনক এলাকা থেকে মি শি জিন পিংকে উদ্ধার করে আনতে হবে।
এজন্য ওয়াশিংটন নিউইয়র্কসহ পৃথিবীর সকল দেশের রাজধানী এবং শহরকে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করে গ্রামকে ছোটো খাটো পরিবর্তন দ্বারা টুইন পৃথিবী বানাতে হবে। আর ৪০ থেকে ৫০ বছর শহর যদি পরিত্যাক্ত অবস্হায় থাকে তা প্রত্যেক দেশের জন্য এই সময়ের মধ্যে ন্যাচারাল বনাঞ্চল তৈরি করবে। মহান আল্লাহ মানব সৃষ্টির সময় ফেরেশতাদের পৃথিবী থেকে সয়েল আনতে বলেছিলেন। প্রথমে 6টি যমজ কঙ্কালের গ্রহের মাটি আনা হয়েছিল বলে তা দিয়ে মানুষ সৃষ্টি হয়নি। চল্লিশ বছর পরের সয়েল থেকে তৈরি করেছিলেন আমাদের। সেই মাটিতে বৃষ্টিবর্ষন ও জীব তৈরির পদ্ধতি পবিত্র কোরআনে বর্ণিত আছে, যা রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবিস্কৃত ব্ল্যাক হোল থিওরিতে পূর্ণাঙ্গভাবে বিশ্লেষন করে দেখিয়েছে। এবং আমাদের এখনও সেই পৃথিবী তৈরি করার সুযোগ রয়েছে কেননা যে স্কেলেটাল ডোয়ার্ফ অংশের সাথে বর্তমান সভ্যতার বসবাস এখন তাকে পরিত্যক্ত করলে তাতে অ্যামিবা শ্যাওলা জমবে এবং তা থেকে বৈচিত্রপূর্ণ জীব ও প্রাণীজগত তৈরি হবে। এরা আমাদের পরবর্তী বসবাসের টুইন পৃথিবীর XX, XY ক্রোমজমের ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড সরবরাহ করবে।
কেননা সৌদিতে ডিজাস্টার বৃষ্টিপাতসহ বন্যা হলেও মরুভূমিতে বন্যার প্রবাহ দ্বারা XX XY তৈরি হচ্ছে দ্রুত আর তা ফিউশন হয়ে জীবাণু তৈরি করছে। মানুষ বসবাসের পরিবেশ আগাম তৈরি হচ্ছে।
অবশ্যই এসব শহর এলাকা প্রত্যেক সরকারকে একুয়্যার করে রেসট্রিক্টেড এরিয়া করে মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে হবে।
ডোয়ার্ফ টুইন ঠিক হয়ে যাবে। বিস্তারিত টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ড নির্মাণ পদ্ধতি রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্ল্যাক হোল ডার্ক ম্যাটার থিওরির বিশ্লেষন থেকে সংগ্রহ করুন।
যুবরাজ /২২.০২.২০২৫।