Oxygenated plant at night is able to fix the earth's surface and sky's magnetড

The second stage of creation is all creation from water in twin format. All creations from the black hole whose space field and anti-space field are twin oppositely charged magnets. Since all creation twin is a magnet imaginable.Another magnet opposite the first magnet creates a north south south north of the twin magnetic field.


The second stage of creation is all creation from water in twin format. All creations from the black hole whose space field and anti-space field are twin oppositely charged magnets. Since all creation twin is a magnet imaginable.Another magnet opposite the first magnet creates a north south south north of the twin magnetic field. It is a field of creation with four spins in it.Since the creation twin is its opposite in space, all the magnetic fields cancel each other out against the black hole, resulting in the creation twin object. As a result two north and two south come.They fission-fusion, fusion-fission twins at each other's poles, showing two rising and two setting dot points, creating two easts and two wests. The same rule applies to all creations. The world of creation of such twin bodies of total creation, whose creation has to continue using the twin charge.(This charge field can be extended as proved by Rakim University).When this charge ends, all the creations of the twin universe will merge into the black hole through the first region of the black hole, through the twin region of alpha beta gamma rays, or through the gaseous twin hydrogen helium, two Udaya, and two Ostchal reverses.When this charge is over, all the creations of the Twin Universe The alpha beta gamma rays of the first region of the black hole will re-create the twin region or the gaseous twin hydrogen helium will be formed and reverse the two Udai and two Ostachal and merge into the black hole.There is nothing without the existence of God. These have been long discussions.

We know that twin water has solid liquid and gaseous state. Two moons of the day and two of the night are formed from the twin fields of Venus and Uranus. These twins observe or supply the three states of water.This voltage is not fixed like our electrical voltage as mentioned many times. The zero bulb lights up from the extinguished state, then slowly increases to a maximum to produce more twin light beams, then extinguishes again to zero, or the black hole's two risings and two settings dot times.This voltage is not fixed like our electrical voltage as mentioned many times. The zero bulb burns from the extinguished state, then slowly increases to maximum to produce more twin light beams, then extinguishes again to zero, or the black hole at the point of time of two rising and two settings dots.

The individual iron in iron ore dissociates and is red outside the field of twin oxygen. which created Mars. The twin fields of this planet are also solid liquid and gaseous which are two moons of day and two moons of night.When the twin Earths began fission fusion on the surface of the two northern and two southern skeletal minerals, the virus created twin fields of bacteria whose fusion gave rise to the amoeba algae.The minerals of their twin bodies are formed by fission fusion with those skeletal planets. Which created our moon by creating anti-fields from the UV field of the area closest to the black hole to the twin field of the second layer of water from the metallic moon of that particular planet to the Earth's moon.Amoebae-algae production giant freshwater twin beam now in the anti-field of the surface. Anti-Field Spinning Virus Bacteria of Total Lunar Flux Created Twin Spinning Two North and Two South. which made the largest from the smallest moon. Each twin space also has its own moon.The seven colors of the rainbow are from the water twin field of the seven earth twins or the seven planetary twins with the six separate colors of the twins forming the oxygen twin green color which is the color of amoeba algae. And the rest are the color of the skeletal twin.

As the Twin Planetary Field has been destroyed, it is necessary to have seven colored plants in the environment to repair its Twin Surfaces. If organic fertilizers are used on the earth's surface, the wounds of the planets will be repaired quickly. Oxygen production plants should be planted more and more on the earth at night.Technology must be harnessed. Reclaim ponds, sink canals, bill rivers to create water resources in the vicinity of each and keep what is still left of them safely away from technology.

Where algal amoeba is spawning or jungles forming where diverse fauna are evident, opposite space or sky does not collapse or storm surges create wildfires. If bot pakur bamboo neem tal trees grow in your area then the oxygen twin magnet surface balances the sky so that the twin UV regions near the black hole cannot consume the land and sky.Because the earth's algae amoeba cells, which make up the surface, can give oxygen to the body of these plants, and their magnets cannot be tilted by NASA's disabled people.For four years, Rakim University of Bangladesh's data center has been saying, "Grow plants in an environment that gives oxygen at night." The burning of Los Angeles has taught NASA that the palm trees were unscathed in the fire. who give round the clock oxygen.

Juboraj, a pen writer at Rakim University, while posting a research paper on Facebook, also attached a picture of him in which such plants are kept in the background to keep the Earth's magnet in place. NASA advertises that these plants remove air pollution. And Rakim University says that it is the wrong science practice of all the faculties of technology, NASA and civilization that create pollution in the atmosphere. And Los Angeles caught fire in Hawaii, Quebec, Japan, etc Juboraj/2025.03.14


রাতে অক্সিজেন দেয়া উদ্ভিদ পৃথিবীর সারফেস ও আকাশের ম‍্যাগনেট ঠিক রাখতে সক্ষম

সৃষ্টির দ্বিতীয় ধাপ পানি থেকে সব সৃষ্টি টুইন ফর্মেটে। ব্ল‍্যাক হোল থেকে সব সৃষ্টি যার স্পেস ফিল্ড ও এন্টি স্পেস ফিল্ড টুইন ভাবে বিপরীত চার্জের ম‍্যাগনেট। যেহেতু সব সৃষ্টি টুইন একটি ম‍্যাগনেট কল্পনাও করা যায় না। প্রথম ম‍্যাগনেটের সাথে বিপরীতভাবে আবার আরেকটি ম‍্যাগনেট দিয়ে টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডের উত্তর দক্ষিণ দক্ষিণ উত্তর তৈরি। এটি সৃষ্টির একটি ফিল্ড যার মধ‍্যে চারটি স্পিন ।যেহেতু সৃষ্টি টুইন সেহেতু এই স্পেসের এর বিপরীত আরেকটি হওয়ায় সব ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড ব্ল‍্যাক হোলের বিপরীতে পরস্পর বিপরীতে স্হাপন করায় সৃষ্টির টূইন অবজেক্ট প্রাপ্ত হচ্ছে। ফলে উত্তর দুটি দক্ষিণ দুটি আসে। এরা পরস্পর মেরুতে ফিশন- ফিউশন, ফিউশন-ফিশন টুইনভাবে করায় দুটি উদয় ও দু‍টি অস্তের ডট পয়েন্ট সময় দেখাচ্ছে যা দুটি পূর্ব ও দুটি পশ্চিম সৃষ্টি হচ্ছে। সব সৃষ্টির ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ‍্য। টোটাল সৃষ্টির এরকম টুইন বডির সৃষ্টিজগত যার টুইন চার্জ ব‍্যবহার করে চলতে হয় সৃষ্টিকে (এই চার্জ ফিল্ড বাড়ানো যায় যা রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় প্রমাণ করেছে)। এই চার্জ শেষ হলে টুইন ইউনিভার্সের সব সৃষ্টি ব্ল‍্যাক হোলের প্রথম অঞ্চলের আলফা বিটা গামা রশ্মির টুইন অঞ্চল আবার সৃষ্টি করবে বা গ‍্যাসিয়াস টুইন হাইড্রোজেন হিলিয়াম সৃষ্টি হয়ে দুই উদয় ও দুই অস্তাচলকে রিভার্স করে ব্ল‍্যাক হোলে মিলিয়ে যাবে। স্রষ্টার অস্তিত্ব ছাড়া কিছুই নেই। এসব দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

আমরা জানি ‍টুইন পানির কঠিন তরল ও বায়বীয় অবস্হা আছে। ভেনাস ও ইউরেনাসের টুইন ফিল্ড থেকে দিনের দুটি ও রাতের দুটি চাঁদ তৈরি হচ্ছে এই টুইন পানির তিন অবস্হাকে পর্যবেক্ষন করছে বা ভোল্টেজ সরবরাহ করছে। এই ভোল্টেজ আমাদের বিদ‍্যুতের ভোল্টেজের মতো ফিক্স্ট করে রাখার মতো নয় যা বার বার বলা হয়েছে। নেভানো অবস্হা থেকে জিরো বাল্ব জ্বলে এর পর তা ধীর গতিতে বেশি টুইন আলোর বিম তৈরি করতে করতে ম‍্যাক্সিমাম হয়ে আবার তা জিরো হয়ে নিভে যায় বা দুই উদয় ও দুই অস্তাচলের ডট সময় বিন্দুর ব্ল‍্যাক হোলে চলে যায়।

লোহার আকরিকের পৃথক লোহা বিচ্ছিন হয়ে টুইন অক্সিজেনের ফিল্ডের বাহিরে লাল। যা মঙ্গল গ্রহ তৈরি করেছে। এ গ্রহের টুইন ফিল্ডও কঠিন তরল ও বায়বীয় যা দিনের দুটি ও রাতের দুটি চাঁদ। টুইন পৃথিবী যখন দুই উত্তর ও দুই দক্ষিণের স্কেলেটাল খনিজ গুলোর সারফেসের উপর ফিশন ফিউশন শুরু করে তখন ভাইরাস ব‍্যাকটেরিয়ার টুইন ফিল্ড তৈরি করে যার ফিউশন থেকে অ‍্যামিবা শৈবালের জন্ম হয়। এদের টুইন বডির খনিজগুলো ঐসব স্কেলটাল গ্রহের সাথে ফিশন ফিউশন হয়ে তৈরি হয়। যা ব্ল‍্যাক হোলের সবচেয়ে নিকটবর্তী এলাকার ইউভি ফিল্ড থেকে দ্বিতীয় স্তর পানির টুইন ফিল্ডে ঐ নির্দিষ্ট গ্রহের মেটালিক চাঁদ থেকে পৃথিবীর চাঁদের সাথে এন্টি ফিল্ড তৈরি করে আমাদের চাঁদ তৈরি করেছে। অ‍্যামিবা- শৈবাল উৎপাদনের বিশাল পরিবেশ মিঠা পানির টুইন বিম এখন সারফেসের এন্টি ফিল্ডে। টোটাল চাঁদের প্রবাহের এন্টি ফিল্ড স্পিনিং ভাইরাস ব‍্যাকটেরিয়ার টুইন স্পিনিং তৈরি করেছে দুই উত্তর ও দুই দক্ষিণে। যা ক্ষুদ্রতম চাঁদ থেকে বৃহত্তম তৈরি করেছে। প্রতিটির টুইন স্পেসের নিজস্ব আকারের চাঁদও আছে। রঙধনুর যে সাতটি রঙ তা পানির টুইন ফিল্ড থেকে সাত পৃথিবীর টুইন বা সাত গ্রহের টুইন যার ছয়টির পৃথক রঙে টুইনের সাথে অক্সিজেনের টুইন সবুজ রঙ তৈরি হচ্ছে যা অ‍্যামিবা শৈবালের রঙ। আর বাঁকি গুলো স্কেলেটাল টুইনের রঙ।

টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে এর টুইন সারফেস মেরামত করতে সাতটি রঙের উদ্ভিদ পরিবেশে থাকা জরুরি। এদের দিয়ে জৈব সারের পৃথিবীর সারফেস হলে প্ল‍্যানেট গুলোর ক্ষত দ্রুত মেরামত হবে।রাতের পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের উদ্ভিদ বেশি বেশি লাগাতে হবে। প্রযুক্তির লাগামকে টেনে ধরতে হবে। প্রত‍্যেকের নিকটবর্তী অঞ্চলে পানির ব‍্যবস্হা তৈরির জন‍্য পুকুর ডোবা খাল বিল নদী উদ্ধার করুন এবং এদের যা এখনও অবশিষ্ট আছে তাকে প্রযুক্তি থেকে দূরে নিরাপদে রাখুন।

যেখানে শ‍্যাওলা অ‍্যামিবা জন্ম হচ্ছে বা জঙ্গল তৈরি হচ্ছে যেখানে বিচিত্র প্রাণীজগতের উপস্হিতি দৃশ‍্যমাণ করে সেখানে বিপরীত স্পেস বা আকাশ ভেঙ্গে পরে না বা ঝড় জলোচ্ছাস দাবানল তৈরি করে না। যদি বট পাকুর বাঁশ নিম তাল জাতীয় গাছ আপনার এলাকায় তৈরি করেন তাহলে অক্সিজেনের টুইন ম‍্যাগনেট সারফেস আকাশকে ব‍্যালান্স করে ফলে ব্ল‍্যাক হোলের নিকটবর্তী টুইন ইউভি অঞ্চল ভূমি ও আকাশকে গ্রাস করতে পারে না।

কেননা সারফেস তৈরির যে উপাদান পৃথিবীর শ‍্যাওলা অ‍্যামিবার কোষ এসব উদ্ভিদের দেহে, আর চব্বিশ ঘন্টা অক্সিজেন দিতে পারে বলে এদের ম‍্যাগনেট নাসার প্রতিবন্ধীরা কাত করতে পারে না। চার বছর হলো বাংলাদেশের রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাটা সেন্টার বলে আসছে রাতে অক্সিজেন দেয় এমন উদ্ভিদ পরিবেশে বৃদ্ধি করুন।

লস এঞ্জেলেসের সব পুড়ে ছাই করে নাসাকে শিক্ষা দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে দাবানলে তাল গাছ অক্ষত ছিলো। যারা চব্বিশ ঘন্টা অক্সিজেন দেয়। রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলম লেখক যুবরাজ ফেসবুকে রিসার্চ পেপার পোস্ট দেওয়ার সময় তার ছবিও সংযুক্ত রাখে যেখানে পৃথিবীর ম‍্যাগনেট ঠিক রাখার জন‍্য এ ধরনের উদ্ভিদকে ব‍্যাক গ্রাউন্ডে রাখা হয়। নাসা এসব উদ্ভিদ বাতাসের পলুশন দূর করে বলে প্রচার করে । আর রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় বলে বায়ুমন্ডলে পলুশন তৈরি করে প্রযুক্তি, নাসা ও সভ‍্যতার সব ফ‍্যাকাল্টির ভুল সাইন্স প্র‍্যাক্টিস । এবং লস এঞ্জেলেস হাওয়াই,কুইবেক জাপানে আগুণ ধরায় ইত‍্যাদি।