Fire's origin. When hydrogen forms in the anti-spin of oxygen, the flame burns
When raw wood is dried, the fission of twin water space to oxygen - , oxygen + twin from anti space is stopped.In the raw state, the twin water plus minus, minus plus one part plus charge of the hydrogen twin in the volcanic twin region near the black hole, is magnetized with the minus charge of oxygen to become water and negative oxygen.The other part of water is minus charge of hydrogen with plus charge of oxygen. Only the direction has changed.
When raw wood is dried, the fission of twin water space to oxygen - , oxygen + twin from anti space is stopped.In the raw state, the twin water plus minus, minus plus one part plus charge of the hydrogen twin in the volcanic twin region near the black hole, is magnetized with the minus charge of oxygen to become water and negative oxygen.The other part of water is minus charge of hydrogen with plus charge of oxygen. Only the direction has changed. A twin gaseous field of hydrogen helium surrounds both sides of the twin field near the black hole due to the presence of water on the wet wooden twin surface.Since the spin of the water twin is held in opposite spin to the igneous twin field, the oxygen twin is always outside the igneous zone on both sides. The surface of the oxygen seems to have the opposite spin to that of the nitrogen of the skeleton planet. As a result, the surface is safe from fire.No match stick or friction can ignite wet wood even if desired.Because as much as the anti black hole field is created by friction, water and oxygen will decrease a little but the anti field of oxygen twin will be formed in excess of nitrogen - and nitrogen + and with a slight increase in temperature, the twin cover/layer of nitrogen will be created on top of the twin anti field of oxygen. As a result, the fire cannot be lit. If there is no water, the fire burns because the anti-field hydrogen twin of oxygen pulls the helium out from both sides.
This is an attempt to light a fire in nature if an anti-field is created or if the water dries up, it can be lit because the dry wood has become outer planet matter in the world of amoeba algae.Outer planets or inner planets that are mineral, can be ignited if oxygen is depleted by sparking, then the volcanic region of the black hole is exposed and the fire starts.The anti-field matter will continue to burn no matter what. This is the chemical reaction that can reduce the natural planetary field to cause a chemical artificial twin reaction.The surface of flora and fauna is so much oxygen nitrogen twin field cover that spins the twin earth's magnetic field, which covers the twin surface-sky and twin sky-surface of the volcanic region near the black hole through the twin bodies of amoeba algae.Which originates from water.
Now 80℅ of people living in present civilization do not have access to surface water. All are using anti surface water. Anyone have twin charge water on twin surface and sky or twin sky and surface? There is anti earth which is the anti field of skeletal planet. It has become like dry wood. The water that connects the surface sky with the flow of oxygen and nitrogen is being used up by the vehicle industry and power generation. Wondering where the nearest region to the black hole is.
A furnace of hell awaits. The two Udyachal Ostachals that meet at the dot point and create everything again are creating friction before or after the chain break of the dot point China, USA, Japan, Russia's deadly electrified mechanical twin fields.Amoeba algae are rare on half of the twin Earths. Which is being created by anti field water. As this water goes deeper, more electricity is needed to bring it to the surface. And the death of amoeba algae is increasing.
Do you understand where the urban civilization of the world should live? Those who have become scientists like Einstein Hawking Planck theory, or engineers like Nicholas Tesla, Thomas Alpha Edison, Alfred Nobel have been in danger.Global warming is not normal in the oceans either. Around the four countries that have been mentioned, huge man-made craters continue to form huge pyramid-shaped craters in the DC field opposite the countrie.In contrast to day and night, the amoeba in the AC field empties into the black hole field of algae. Anti-field skeleton fences make the whole world look like aliens.As if the two-way crossing is grinding to death. That is why flash floods are creating cyclones, typhoons, etc. These cyclones surround the twin regions of the volcanic field near the black hole.Cyclone pillars are seen twisting the amoeba algae inside, like a snake twisting its prey to burn the amoeba algae.
These four countries are cutting the anti-twin field or skeletal planetary field of nitrogen to draw the most oxygen to the twin surface of the entire earth.As their magnetic twin anti-field is not fixed and with these anti-planetary field is increasing by making dwarf twin. Like stacking minerals from one place to another and stacking from Earth to the Moon.These are the ones that tilt the twin planetary fields the most. DC current is more expensive than making a chainsaw like a reverse saw or increasing cracks. In which the region near the black hole is moving.We get them as UV. UV is causing fire in more cracks. This same AC current destroys the amoeba algal space and meets the oxygen nitrogen demand. That's why the DC current is sometimes seen to spin out of space during storms. Sky Surface, Surface Sky Twin Lightning is formed. These countries are creating earthquakes in the capitals and big cities of other countries. If Einstein Planck's speed of light were straight, the opposite of the city would have sunk into organic soil or water.Those who are busy with urbanization or creating technology cities and expanding technology with the help of these countries, the survival path of the four countries has gone into the most danger than others.Because the nature of those who are going to urbanization is destroyed when their total is half of the natural world, the danger is then. In the morning, the sun will rise from the west. Details on Rakim University website X and Facebook. Juboraj/2025.03.09
আগুণের উৎপত্তি। অক্সিজেনের এন্টি স্পিনে হাইড্রোজেন তৈরি হলে আগুণ জ্বলে
কাঁচা কাঠ শুকিয়ে ফেললে টুইন পানির স্পেসের ফিশন থেকে অক্সিজেন - , এন্টি স্পেস থেকে অক্সিজেন + টুইন উৎপাদন বন্ধ থাকে। কাঁচা অবস্হায় কাঠে টুইন পানির প্লাস মাইনাস, মাইনাস প্লাস ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী আগ্নেয় টুইন অঞ্চলের হাইড্রোজেন টুইনের এক পার্ট প্লাস চার্জ, অক্সিজেনের মাইনাস চার্জের সাথে ম্যাগনেট হয়ে পানি ও নেগেটিভ অক্সিজেন হয়ে আছে। পানির অপর পার্ট হাইড্রোজেনের মাইনাস চার্জের সাথে অক্সিজেনের প্লাস চার্জ হয়ে আছে। শুধু ডাইরেকশন পরিবর্তন হয়ে আছে। হাইড্রোজেন হিলিয়ামের টুইন গ্যাসিয়াস আগ্নেয় ফিল্ড ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী টুইন ফিল্ডের উভয় দিককে ঘিরে থাকে ভেজা কাঠের টুইন সারফেসে পানি থাকায়। আগ্নেয় টুইন ফিল্ডের বিপরীত স্পিনে টুইন পানির স্পিন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে অক্সিজেন টুইন দুই দিকেই আগ্নেয় অঞ্চলের বাহিরে থাকে সব সময়। অক্সিজেনের সারফেস লাগছে বিপরীত স্পিনের তাই কঙ্কাল গ্রহের নাইট্রোজেনের সাথে। ফলে আগুন থেকে নিরাপদ থাকে সারফেস। ইচ্ছা করলেও কোনো ম্যাচের কাঠি বা ঘর্ষন দ্বারা ভেজা কাঠকে জ্বালানো যায় না। কেননা যতোই ঘষার দ্বারা এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ড সৃষ্টি করেন পানি ও অক্সিজেন কিছুটা কমবে কিন্তু অক্সিজেন টুইনের এন্টি ফিল্ড নাইট্রোজেন - ও নাইট্রোজেন + এর আধিক্য তৈরি হয়ে তাপমাত্রার সামান্য বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেনের টুইন ঢাকনা/লেয়ার তৈরি করবে অক্সিজেনের টুইন এন্টি ফিল্ডের উপরে। ফলে আগুণ জ্বালানো যায় না। পানি না থাকলে অক্সিজেনের এন্টি ফিল্ড হাইড্রোজেন টুইন দু দিক থেকে হিলিয়ামকে নিয়ে বেড়িয়ে আসে বলে আগুণ জ্বলে।
এই যে আগুণ জ্বালানোর চেষ্টা এটি প্রকৃতিতে এন্টি ফিল্ড তৈরি করা হলে বা পানি শুকিয়ে ফেললে ওকে জ্বালানো যায় এজন্য যে শুকনো কাঠ তখন আউটার প্ল্যানেটের ম্যাটার হয়ে গেছে অ্যামিবা শৈবালের পৃথিবীতে। আউটার প্লেনেট বা ভূঅভ্যন্তরীণ প্ল্যানেট যা খনিজ, এদের জ্বালানো যায় যদি স্পার্কিং তৈরি করে অক্সিজেন শূন্য করা হয় তাহলে ব্ল্যাক হোলের আগ্নেয় অঞ্চল চলে আসে এবং আগুণের উৎপত্তি ঘটে। এন্টি ফিল্ড ম্যাটার যতোই দিবেন জ্বলতে থাকবে।এটিই রাসায়নিক বিক্রিয়া যা ন্যাচারালি প্ল্যানেটারী ফিল্ড ছোট করে রাসায়নিক কৃত্রিম টুইন বিক্রিয়া ঘটানো যায়।
উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের সারফেস এতো অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ফিল্ডের আবরণ যে টুইন পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে স্পিন করাচ্ছে, যা ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী আগ্নেয় অঞ্চলের টুইন সারফেস -আকাশ ও টুইন আকাশ-সারফেসকে ঢেকে রেখেছে অ্যামিবা শৈবালের টুইন বডি হয়ে। যার উৎপত্তি পানি থেকে।
এখন বর্তমান সভ্যতার মানুষগুলোর ৮০℅ এর মধ্যে যে যেখানেই বসবাস করছেন সারফেস ওয়াটার কারো ভাগে নেই। সকলে এন্টি সারফেসের পানি ব্যবহার করছেন। কারো টুইন সারফেস ও আকাশে বা টুইন আকাশ ও সারফেসে টুইন চার্জের পানি আছে? আছে এন্টি পৃথিবীতে যা স্কেলেটাল গ্রহের এন্টি ফিল্ড হয়ে। শুকনো কাঠের মতো হয়ে গেছে। যে পানি অক্সিজেন নাইট্রোজেনের প্রবাহ তৈরি করে সারফেস আকাশকে সংযুক্ত করে আছে তা যানবাহন ইন্ডাস্ট্রি ও বিদ্যুত জ্বালিয়ে শেষ করছেন। ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী অঞ্চল কোথায় আছে ভেবে দেখেছেন।
নরকের চূল্লি হয়ে অপেক্ষা করছে। দুই উদয়াচল অস্তাচল যে ডট পয়েন্টে হয়ে মিলিয়ে আবার সবকিছু তৈরি করে এর চেইন ব্রেক হয়ে হয়ে ডট পয়েন্টের আগে বা পরে ঘর্ষন তৈরি করছে চীন যুক্তরাষ্ট্র জাপান রাশিয়ার মারাত্মক বিদ্যুতায়িত যান্ত্রিক টুইন ফিল্ডগুলো। অ্যামিবা শৈবাল সামান্য আছে অর্ধেক টুইন পৃথিবীতে। যা আছে এন্টি ফিল্ডের পানি দ্বারা তৈরি হচ্ছে। এই পানি যতোই গভীরে যাচ্ছে ততোই এদের সারফেসে তুলে আনতে বেশি বিদ্যুতের প্রয়োজন হচ্ছে।আর অ্যামিবা শৈবালের মৃত্যু বেশি হচ্ছে।
বুঝতে পারছেন কোথায় বসবাস করতে হবে পৃথিবীর শহুরে সভ্যতাকে? যে যতো এযুগের আইনস্টাইন হকিং প্ল্যাঙ্ক থিওরির মতো বিজ্ঞানী হয়েছেন, বা নিকোলাস টেসলা, থমাস আলফা এডিসন, আলফ্রেড নোবেলদের মতো ইঞ্জিনিয়ার হয়েছেন তারা ততো বিপদে পরে গেছেন। পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধির অবস্হা মহাসাগরেও স্বাভাবিক নেই। যে চারটি দেশের কথা বলা হলো তাদের আশে পাশে বিশাল কৃত্রিম গর্ত কনটিনিউ করছে যা দেশগুলোর বিপরীতে ডিসি ফিল্ডে পিরামিড আকৃতির বিশাল গর্ত হয়ে গেছে। দিবস ও রাতের বিপরীতে এসি ফিল্ডে অ্যামিবা শৈবালের ব্ল্যাক হোল ফিল্ডের ঘূর্নিতে খালি করে চলছে। এন্টি ফিল্ড কঙ্কাল বেড় করে সমগ্র পৃথিবীকে এলিয়েন হিসাবে দেখাচ্ছে। যেনো দুদিকের ক্রাসিং হলারে পিষিয়ে হত্যা করছে। যে কারণে হঠাৎ বন্যা ঘূর্নিঝড় সাইক্লোন টাইফুন ইত্যাদি তৈরি করছে। ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী আগ্নেয় ফিল্ডের টুইন অঞ্চল ঘিরে ধরে এসব ঘূর্নিঝড়কে। যা অ্যামিবা শৈবাল পোড়ানের জন্যে শাপের মতো শিকারকে পেঁচিয়ে ধরার মতো অ্যামিবা শৈবালকে ভিতরে ফেলে পেঁচিয়ে ধরা দেখা যায় ঘূর্নিঝড়ের পিলারকে ।
সমগ্র পৃথিবীর টুইন সারফেসকে এই চারটি দেশ সবচেয়ে বেশি অক্সিজেন টেনে আনতে নাইট্রোজেনের এন্টি টুইন ফিল্ড বা কঙ্কাল প্ল্যানেটারি ফিল্ড কেটে ফেলছে। এদের ম্যাগনেটিক টুইন এন্টি ফিল্ড ফিক্স্ট না হওয়ায় আর এসব দিয়ে এন্টি প্ল্যানেটারী ফিল্ড ডোয়ার্ফ টুইন তৈরি করে বৃদ্ধি করছে। এক স্হানের খনিজ আরেক স্হানে নিয়ে স্তুপাকার করা আর পৃথিবী থেকে চাঁদে স্তুপ তৈরি করার মতো। এরাই টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডকে সবচেয়ে বেশি কাত করেছে। ডিসি কারেন্টের বিপরীত করাতের মতো প্রত্যহ তৈরির চেয়ে খরচ বেশি করছে বা ফাটল বৃদ্ধি করছে। যার ভিতর ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী অঞ্চল চলে আসছে। এদের ইউভি হিসাবে আমরা পাই। বেশি ফাটলে দাবানল সৃষ্টি করছে ইউভি। এই একই এসি কারেন্টের অ্যামিবা শৈবালের স্পেসকে ধ্বংস করে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের চাহিদা মেটাচ্ছে। এজন্যই ঝড়ের সময় কখনো কখনো কখনো ডিসি কারেন্ট স্পেস বাহিরে পেঁচিয়ে ঘুরতে দেখা যায়। আকাশ সারফেস,সারফেস আকাশ টুইনে বজ্রপাত তৈরি হয়। ভূমিকম্প তৈরি করছে এসব দেশ অন্যান্য দেশের রাজধানী ও বড় বড় শহর। আইনস্টাইন প্ল্যাঙ্কের আলোর গতি সোজা হলে শহরের বিপরীত জৈব মাটির মধ্যে বা পানির মধ্যে ডুবে যেতো। যারা নগরায়ন বা প্রযুক্তির শহর তৈরি করতে ব্যস্ত এবং এসব দেশের সাহায্য নিয়ে প্রযুক্তির বিস্তৃতি ঘটাচ্ছেন দেশ চারটির সারভাইভাল পথ অন্যান্যদের চেয়ে সবচেয়ে বিপদের মধ্যে। কেননা যাদের কাছে নগরায়ন যাচ্ছে তাদের ন্যাচার ধ্বংস হয়ে এদের টোটাল যখন ন্যাচারাল পৃথিবীর অর্ধেক হচ্ছে বিপদটা তখন। সকালটা পশ্চিম দিয়ে সূর্য উঠা দেখাবে।বিস্তারিত রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট X ও ফেসবুকে।
যুবরাজ /০৯.০৩.২০২৫।