It is true seen that oxygen is also produced from sea floor minerals
I read the news of Bangladesh print media Kalerkanth newspaper some time ago. In the dark ocean floor, some researchers have seen some matter that could form oxygen. Research so far suggests that oxygen is produced from algae and plants, but also from dark matter.They believe that oxygen also comes from these dark matter.
I read the news of Bangladesh print media Kalerkanth newspaper some time ago. In the dark ocean floor, some researchers have seen some matter that could form oxygen. Research so far suggests that oxygen is produced from algae and plants, but also from dark matter.They believe that oxygen also comes from these dark matter. Therefore, the algae, plant group is divided directly. And the possibility of inconsistency between science studies.After seeing such a report in the newspaper, an email was sent to Rakim University's google online feedback on behalf of Rakim University. Which is how any science journal in the whole world is called to correct the misinterpretation of all faculties.
What is written in Kalelkantha;
To understand this, the black hole theory, the dark matter theory and all creations must be understood as twin charges of opposite spins associated with the black hole. Single does not exist in the twin universe.You and I are all twins. Your Bashundhara Group office twin. Dhaka Twin. USA Russia Europe Japan China Twin. Their active activity is creating space dwarfs and causing them to become counter-dwarfs. They are leading the devouring of the Twin Natural Planetary Fields.Twins remove amoebas, algae from more than a third of Earth's fields, making them dwarf twins. (Written two thirds by mistake) The quarrel started with these skeletons of 6 twin planets twin matter (twin dark matter). When they fission, twin fields of oxygen are created on twin earths.And these skeletons are opposite to their oxides of matter, hydrazine, from whose fission nitrogen is formed, giving rise to the amoeba algae of the twin worlds. The twin surface of this amoeba algae is the existence of twin Earth life. All the flora and fauna of the twin worlds, their sum total is the aggregate of the total twin cells.The more this Field Twin builds up on Earth's surface, the stronger the twin bodies of flora and fauna will become. Monitor the status of chromosomes and report to Rakim University Pranathpur Santahar Bangladesh data center. The situation is very bad in industrialized countries.
In other words, amoeba and algae are rapidly losing surface as urban civilization rushes to educate industrialized genius. When you bring these anti-field dark twin matter to the surface, it immediately becomes a field. For these researchers, when dark matter is under the ocean, it becomes space matter.And those planets whose twin matter ores become dark matter again. By reversing the entire planetary field in this way, the inhabitants of the dwarf twin planetary field are now 80℅ human civilization. The details of these issues are expressed in the three theories mentioned in the article.If you see the result, you will have to flee the city. And you will understand that all the universities of the world should be locked. No theory of science exists in any university in the world today. Science has not yet begun. Einstein Hawking Planck Nicolas Tesla has no inventions. Their debris dwarfs the total planetary field. See the details of Sample University of Bangladesh which is the world's first black hole university website. Named Rakim University. web - http://www.rakimuniversity.com Mail - rakimuniversity@gmail.com
Juboraj /2025.03.2025'
সাগর তলের খনিজ থেকেও অক্সিজেন তৈরি হয় যা দেখেছেন তা সত্য
বাংলাদেশের প্রিন্ট মিডিয়া কালেরকন্ঠ পত্রিকার নিউজ কিছুক্ষন আগে পড়লাম। মহাসাগরের নীচে যে তল সেই অন্ধকার তলে কিছু গবেষক দেখেছে এমন কিছু ম্যাটার যা থেকে অক্সিজেন তৈরি হতে পারে। এতোদিনের গবেষণা শৈবাল ও উদ্ভিদ থেকে অক্সিজেন তৈরি হয় এমন ধারনার বাহিরে এসব ডার্ক ম্যাটার থেকেও হয়। অক্সিজেন এসব ডার্ক ম্যাটার থেকেও আসে বলে বিশ্বাস করছেন তারা। এজন্য শৈবাল, উদ্ভিদ গ্রুপ সরাসরি বিভক্ত হয়ে পরেছে। এবং সাইন্স স্টাডির মধ্যে অসংগতি থাকার সম্ভাবনা মনে করছে। পত্রিকার এমন রিপোর্ট দেখে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কালেরকন্ঠের গুগল অনলাইন ফিডব্যাকে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেইল করা হলো। যা এভাবে সমগ্র পৃথিবীর যে কোনো সাইন্স জার্নালকে সব ফ্যাকাল্টির ভুল ব্যাখ্যাকে সংশোধনের জন্য বলা হয়ে থাকে।
কালেরকন্ঠকে যা লেখা হলো ;
'এসব বুঝতে হলে ব্ল্যাক হোল থিওরি ডার্ক ম্যাটার থিওরি ও সব সৃষ্টি টুইন ফর্মেটৈ ব্ল্যাক হোল যুক্ত পরস্পর বিপরীত স্পিনের টুইন চার্জ দ্বারা তৈরি বুঝতে হবে। সিঙ্গেল বলতে কোনো সৃষ্টি নেই টুইন মহাবিশ্বে। আপনি আমি সকলে টুইন। আপনার বসুন্ধরা গ্রুপ অফিস টুইন। ঢাকা টুইন। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ইউরোপ জাপান চীন টুইন। এদের কর্মকান্ডের এক্টিভিটি ডোয়ার্ফ স্পেস তৈরি করছে এবং ওদের বিপরীত ডোয়ার্ফ হয়ে ওদের সাফার করাচ্ছে। ওরা টুইন ন্যাচারাল প্ল্যানেটারি ফিল্ড গ্রাস করে ফেলার নেতৃত্ব দিচ্ছে। টুইন পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশের বেশি ফিল্ড থেকে অ্যামিবা, শৈবাল সরিয়ে ফেলে ডোয়ার্ফ টুইন বানিয়েছে। (ভুলবশত দুই তৃতীয়াংশ লেখা হয়েছে) যা নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়েছে এসব কঙ্কাল ৬ টি টুইন গ্রহের টুইন ম্যাটার (টুইন ডার্ক ম্যাটার) নিয়ে । যাদের ফিশন হলে টুইন পৃথিবীতে অক্সিজেনের টুইন ফিল্ড তৈরি হয়। আর এসব কঙ্কাল যে ম্যাটারের তার অক্সাইডের বিপরীত হাইড্রাজিন যার ফিশন থেকে নাইট্রোজেন তৈরি হয়ে টুইন পৃথিবীর অ্যামিবা শৈবালের উৎপত্তি ঘটে। এই অ্যামিবা শৈবালের টুইন সারফেসই টুইন পৃথিবীর প্রাণের অস্তিত্ব। টুইন পৃথিবীর যতো উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত, এদের টোটাল যোগফল টোটাল টুইন কোষের সমষ্ঠি। এই ফিল্ড টুইন পৃথিবীর সারফেসে যতো বেশি তৈরি হবে ততো মজবুত হবে উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের টুইন বডি। ক্রমোজম এর অবস্হা পর্যবেক্ষন করে রিপোর্ট দিন রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্নাথপুর সান্তাহার বাংলাদেশ এর ডাটা সেন্টারকে। অবস্হা খুব খারাপ শিল্পোন্নত দেশের।
অর্থাৎ শহুরে সভ্যতা শিল্পোন্নত মেধার শিক্ষায় দৌড়াদৌড়ি করায় অ্যামিবা, শৈবাল তৈরি হওয়ার সারফেস দ্রুত হারাচ্ছে। আপনারা এসব এন্টি ফিল্ড ডার্ক টুইন ম্যাটার সারফেসে নিয়ে আসলে সাথে সাথে তা ফিল্ড হয়ে যায়। যা এসব গবেষকদের কাছে যখন ডার্ক ম্যাটার সমুদ্রের নীচে তা স্পেস ম্যাটার হয়ে যায়। আর যেসব গ্রহের টুইন ম্যাটারের আকরিক এরা সেসব গ্রহের আবার ডার্ক ম্যাটার হয়ে যায়। সমগ্র প্ল্যানেটারি ফিল্ডকে এভাবে উল্ট পালট করে ডোয়ার্ফ টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডের অধিবাসী এখন ৮০℅ মানব সভ্যতা। এসব বিষয়ের বিস্তারিত আর্টিকেল উল্লেখিত তিনটি থিওরিতে প্রকাশ করা হয়েছে। যার রেজাল্ট দেখলে আপনাদের শহর ছেড়ে পালাতে হবে। আর বুঝতে পারবেন পৃথিবীর সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে তালা লাগাতে হবে। কোনো সাইন্সের থিওরি বর্তমানে পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। সাইন্স শুরুই হয়নি। আইনস্টাইন হকিং প্ল্যাঙ্ক নিকোলাস টেসলার কোনো আবিস্কার নেই। এদের আবর্জনায় ছেয়ে গেছে টোটাল প্ল্যানেটারি ফিল্ড যা ডোয়ার্ফ। বিস্তারিত দেখুন বাংলাদেশের নমুনা ইউনিভার্সিটি যা পৃথিবীর প্রথম ব্লাক হোল ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট । যার নাম রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়/ ইউনিভার্সিটি। web - http://www.rakimuniversity.com মেইল - rakimuniversity@gmail.com যুবরাজ /১৮.০৩.২০২৫। '