Natural electricity makes the planet. Destroys artificial electricity.

In THE BLACK HOLE, DARK MATTER SCIENCE THEORY, the night world is called the Sun. The darker you keep it, the more energy the opposite space day Earth or Pole Star will supply. Besides, its energy is cut by creating UV. It destroys both surfaces. Electrified night and day functions.


In THE BLACK HOLE, DARK MATTER SCIENCE THEORY, the night world is called the Sun. The darker you keep it, the more energy the opposite space day Earth or Pole Star will supply. Besides, its energy is cut by creating UV. It destroys both surfaces. Electrified night and day functions.Thus recklessly urbanization is working against the natural world to create twin objects in the anti-black hole twin field. As a result, complex twin surfaces are created for both worlds.Because the twin earths of the day are doing the natural function with the darkness where it is. In this way two twin worlds are rotating in the same planetary twin field.

One of its twin garbage is the G-7, D-8, G-20 countries and their followers and competitors. And the other is the natural twin world. As these two twins become twins of different matter, two twin magnets are created in the middle of one twin, so our planetary twin field is spinning.Here artificial electrified twin fields are not just electric bulbs or industrialization, or vehicle fuel or lab test products and equipment.As minerals are being consumed they are generating artificial electricity by altering planetary twin field matter and also twin surface systems. Even if they are carried or moved, artificial electricity is consumed. Faster will consume more power.Many such coefficients have arisen in view of the endless unscientific needs of mankind.

Eating also consumes electricity in the digestion process. Walking consumes electricity. It is natural and normal as these are needed by human civilization and animal world.

What kind of science is Einstein Hawking Plank's garbage civilization practicing with the surface by spending so much without creating a twin surface for making natural electricity?

Amidst this, new nuisances have arisen like autistics seeking to inhabit the field of dark matter objects.Living in places where the mineral twin orbits in and out of the Earth's body as a planetary twin object creating day and night is the same as living with the mineral surrounding the twin earth's body continuously.

The same goes for living in Tokyo or living in New York. On the contrary, Tokyo and New York can be saved if half of the cities are destroyed and naturalized to make them smaller. Doing these two cities will not be enough. This is an example.It is said to deal with these tasks urgently under the leadership of G-7, D-8, G-20, BRICS countries. By delaying doing this, about half of the artificial Einstein junk has spun apart and tilted the planets.And as soon as the tectonic plate is split in half, these dwarf-skeletal twin magnetic fields will come together and get stuck at the dot points of each of their two peaks and two poles. Because then the world will not be with them.As a result, the twin sun and twin pole stars will not be formed, so the planetary objects will be bifurcated and disappear.As a result, the twin suns and twin pole stars will not be formed, so the objects will disappear into a twin half of the planetary debris.The inhabitants of the twin moons will be extinguished or extinguished by the twin object, twin gas hydrogen, twin helium of the early period of the twin universe creation, along with the artificial body of the twin surface like the United States and Japan.


ন‍্যাচারাল বিদ‍্যুত প্ল‍্যানেট তৈরি করে। কৃত্রিম বিদ‍্যুত ধ্বংস করে

ব্ল‍্যাক হোল ডার্ক ম‍্যাটার সাইন্স থিওরিতে রাতের পৃথিবীকে সূর্য বলে। একে যতো অন্ধকার রাখবেন বিপরীত স্পেস দিনের পৃথিবী বা পোল স্টার ততো ইনার্জি সাপ্লাই দিবে। এছাড়া ইউভি তৈরি করে এর ইনার্জি কাট হয়ে যায়। এতে উভয় সারফেস নষ্ট হয়। বিদ‍্যুতায়িত রাত দিনের ফাংশন করছে। একারণে বেপরোয়াভাবে নগরায়নগুলো ন‍্যাচারাল প‍ৃথিবীর বিরুদ্ধে কাজ করে এন্টি ব্ল‍্যাক হোল টুইন ফিল্ডের টুইন অবজেক্ট তৈরি করছে। ফলে উভয় পৃথিবীর জন‍্য কমপ্লেক্স টুইন সারফেস তৈরি করছে।কেননা দিনের টুইন পৃথিবী ন‍্যাচারাল ফাংশন করছে অন্ধকার যেখানে আছে তার সাথে। এভাবে একই প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডে টুইন দুটি করে পৃথিবী ঘুরছে।

এর একটি টুইন আবর্জনার যারা জি-৭,ডি-৮,জি-২০ দেশ ও এদের অনুসারী ও কম্পিটিটর মিলে বহুদেশ। আর অপরটি ন‍্যাচারাল টুইন পৃথিবী। এই দুই টুইন আলাদা ম‍্যাটারের টুইন হয়ে যাওয়ায় এক টুইনের মধ‍্যে দুটি টুইন ম‍্যাগনেট তৈরি হওয়ায় কাত হয়ে ঘুরছে আমাদের প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড। এখানে কৃত্রিম বিদ‍্যুতায়িত টুইন ফিল্ড বলতে শুধু ইলেক্ট্রিক বাল্ব নয় কিংবা ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন,বা ভেহিক‍্যালের জ্বালানী নয় অথবা ল‍্যাব টেস্টের প্রডাক্ট ও ইকুইপমেন্ট নয়। যতো খনিজ ব‍্যবহার হচ্ছে এরা প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড ম‍্যাটার এবং এরাও টুইন সারফেস সিস্টেম পরিবর্তন করে কৃত্রিম বিদ‍্যুত তৈরি করে খরচ করছে। এদের বহন করলে বা মুভ করালেও কৃত্রিম বিদ‍্যুত খরচ করে। আবার দ্রুত করালে বেশি বিদ‍্যুত খরচ হয়। এরকম বহু সহগ উত্থাপিত হয়েছে মানবসভ‍্যতার অফুরন্তু অবৈজ্ঞানিক চাহিদার প্রক্ষিতে।

আহার করলেও ডাইজেশন প্রক্রিয়ায় বিদ‍্যুত খরচ করা হয়। হাঁটা চলায় বিদ‍্যুত খরচ হয়। এসব মানব সভ‍্যতা ও প্রাণীজগতের প্রয়োজন বিধায় এটি ন‍্যাচারাল এবং স্বাভাবিক ।

ন‍্যাচারাল বিদ‍্যুত তৈরির টুইন সারফেস তৈরি না করে এতো খরচ করে সারফেস নিয়ে ধ্বংস হয়ে যাবেন এ কেমন বিজ্ঞানের চর্চা করছে আইনস্টাইন হকিং প্ল‍্যাঙ্কের আবর্জনার সভ‍্যতা?

এর মধ‍্যে নতুন উপদ্রপ তৈরি হয়েছে ডার্ক ম‍্যাটার অবজেক্টের ফিল্ডে গিয়ে বসবাস করতে চাচ্ছে অটিস্টিকের মতো। যে খনিজ টুইন পৃথিবীর বডির ভিতর ও বাহির দিয়ে প্ল‍্যানেটারি টুইন অবজেক্ট হিসাবে দিবস রাত তৈরি করে পরিক্রমণ করছে সেসব জায়গায় বসবাস করা মানে খনিজ চারিদিকে রেখে টুইন পৃথিবীর বডি কনটিনিউ কেটে নিয়ে বসবাস করা একই কথা।

টোকিওতে বসবাস করা বা নিউইয়র্কে বসবাস করলেও একই কথা হয়। বরং টোকিও ও নিউইয়র্ককে ছোট করে এসব শহরকে ন‍্যাচারাল করতে অর্ধেক স্হাপনা ধ্বংস করে ন‍্যাচারাল করা হলে ‍টিকে থাকা যায়। এই দুই শহরকে করলে শুধু হবে না। এটি একটি উদাহরন। এই কাজগুলো জরুরিভাবে মোকাবেলা করার কথা বলা হচ্ছে জি-৭,ডি-৮, জি-২০, ব্রিক্সের দেশগুলোর নেতৃত্বে। এসব করতে বিলম্ব করায় অর্ধেকের কাছাকাছি আর্টিফিশিয়াল আইনস্টাইনের আবর্জনা আলাদা হয়ে স্পিন করায় কাত হয়ে গেছে প্ল‍্যানেটগুলো। আর অর্ধেক হওয়া মাত্র টেকটোনিক প্লেট ফেটে আলাদা আলাদা হয়ে এরা ডোয়ার্ফ- স্কেলেটাল টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড একসাথে হয়ে ওদের প্রত‍্যেকের দুই উদয় ও দুই অস্তাচলের ডট পয়েন্টে আটকে যাবে। কেননা তখন এদের সাথে পৃথিবী থাকবে না। ফলে টুইন সূর্য ও টুইন পোল স্টার তৈরি হবে না বিধায় দ্বিখন্ডিত হয়ে প্ল‍্যানেটারির আবর্জনার এক টুইন অর্ধেক ‍বিলুপ্ত হয়ে যাবে অবজেক্টগুলো। টুইন চাঁদের বাসিন্দারা টুইন মহাবিশ্ব সৃষ্টির আদি সময়কালের টুইন অবজেক্ট, টুইন গ‍্যাস হাইড্রোজেন, টুইন হিলিয়াম হয়ে ধপ করে নিভে যাবে বা বিলুপ্ত হয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের মতো টুইন সারফেসের আর্টিফিশিয়াল বডিকে নিয়ে।