Moon from twin spins of tiny amoeba algae respiration. Sum of Total Planetary Moon

Don't produce anything hybrid. All creation in black hole theory and dark matter theory is twin creation of two Udyachal and two Austachal which has the timing of twin opposite spins of the twin creation being done by the twin charge of the anti black hole fields beam.


Don't produce anything hybrid. All creation in black hole theory and dark matter theory is twin creation of two Udyachal and two Austachal which has the timing of twin opposite spins of the twin creation being done by the twin charge of the anti black hole fields beam.

For example, just in the case of broiler chicken eggs, calculate that the twin surface of the natural hen's egg - the celestial twin earth creates the twin spin with the timing that makes the planetary twin rotate, and the twin charge that is being created in it has a natural twin earth.Because it has twin minerals in its twin body, the planetary twin field can be created naturally. These eggs will hatch in a period of 21 days and nights. That is, during this period, Venus and Uranus are using the twin period of this egg to spin the twin earth, making the amoeba algae spin at such a speed that it opposes each other. which is normal.

Thus each bird has to prepare a different twin moon spinning or water twin charge field spinning, and twin earths naturally flow different twin matter and twin dark matter.Twins of individual species of plants and animals naturally interact with each other in these creations created by beam fields of twin charges separated by the black hole. For the creation for which no creation has contributed.

Naturally the Twin Planetary Field was created by the Great Creator in such a way that the hybrid production of the Lost Worlds outside was to be stopped.

Because instead of making chicken eggs in 21 days, in 1 day, you have to make holes in the twin planetary field settings. Or having to make anti-spin. That's why if you cut the setting of nature, these surface garbage are created and spread in 14 fields of two opposites. Which is the garbage of 7 twin planets.These twin worlds show human civilization horribly in the rift between university civilizations. Thus any hybrid moon twin would separate the twin moons naturally by creating a crack in the spinning field. And so those watching as the moon moves away are connected to the dwarf moon. Which is the dwarf part of North America, Europe, Asia, including the high places of all the countries, the bare areas of the mountains and the moon of the Space Agency where humans or Roberts have touched. Regions where people have twin hormonal or twin chromosomal disorders. They have lost the twin fields of the moon.

The twin fields of the moon were naturally divided into two by Muhammad (pbuh). Which is a blessing for the people of the end times because this rift of this Dwarf Twin Moon can destroy the Lost Twin of the Total River Sea Ocean with the Lost World by direct operation.And because of these cracks there are opportunities for treatment.

If the twin moons had not been split 1400 years ago. The activity of the anti-body or anti-planetary field as it exists in any species is directly linked to the twin body. The opposite space would come so close that the dark twin space that is the opposite sky in the middle of the twin field of amoeba algae would fade away and the language of the amoeba algae would be exchanged.

For example, when the era of Imam Mehdi and Hazrat Isa (AS) comes, the twin moon will not be divided again, those who are against the true religion of peace will betray them to the misguided and misguided people.Because the misguided Dajjal that is spoken of will last only one year and seventy four days. They are included in the list of doomed because 80℅ of humanity will be destroyed due to non-application of Universal Truth Science or Black Hole Science and Dark Matter Science.When the planetary twin field is halved. Earthquake in Myanmar did not apply black hole science. Hence no particular religion is spared from it.In Myanmar, 60 mosques were also destroyed amid extensive damage. That is, the theories that Prophet Muhammad (PBUH) has given in the Holy Qur'an and practically what he has said and done are all scientific for the benefit of all mankind and creation.Even if Juboraj of Rakim University is a Muslim, there is no opportunity to be against 'Rakim Science'. The explanation of the theory of this science has been discovered by taking the mistakes of the current science and showing these new theories to the entire world civilization. Which is known as the theory of Rakim University, Prannathpur Bangladesh.

In the upcoming Twin Earth, various beasts and insects will come out from the north and south in the holy words of Muhammad (pbuh). It means that people will still start doing anti-planetary activities as they are now, which people will not be able to survive anymore. This is because if they start the activity as they are now, the activity of the virus bacteria's anti-field amoeba algae cells will be poisoned and come out as the moon. Species of flora and fauna will quickly degenerate.Currently, 20% of the twin species that survive the world of amoeba algae in the twin field of hybrid organisms will be the natural offspring of their twin spinning. The hybrid anti-field activity of the twin species will be created by humans as of now. The result will be toxic fauna. People have to run away.Currently, 20% of the twin species that survive the world of amoeba algae in the twin field of hybrid organisms will be the natural offspring of their twin spinning. The hybrid anti-field activity of the twin species will be created by humans as of now.As a result, toxic extra fauna will be created within a few days. Their demand for drinking water will also increase.In a word, the biosphere of today's hybrid food processing twin fields will eat nature itself.There will be a short period of time in which the dissolution of all creation will take place. Since the moon will no longer be bisected.

The Moon's magnetic twin field is effective in all things separate, including thirst. That is, the moon is formed in the cells of tiny amoeba algae and the sum of all the total is the moon.

Current civilizations have to give up hybrid living or fix these in Rakim theory. You have to go with what nature feeds you outside of chemical and nuclear twin beam activity. Besides, there is no way of escape ahead.

Shut down fake science practice immediately.Take all manpower nature construction work as profession. Not a hybrid. Stay away from the twin fields of machinery and technology. Because these dwarf fields will move to the early universe or volcanic region near the black hole as anti-fields.

Juboraj/2025.04.03


ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অ‍্যামিবা শৈবালের নি:শ্বাসের টূইন স্পিন থেকে চাঁদ। টোটালের সমষ্টি প্ল‍্যানেটারি চাঁদ

হাইব্রিড কোনো কিছু উৎপাদন করবেন না। ব্ল‍্যাক হোল থিওরি ও ডার্ক ম‍্যাটার থিওরিতে সব সৃষ্টি টুইনভাবে দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচল তৈরি করতে যে টুইন বিপরীত স্পিনের টাইমিং থাকে টুইন সৃষ্টির তা দ্রুত এন্টি ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড বিমের টুইন চার্জে ঘটানো হচ্ছে।

যেমন শুধু ব্রয়লার মুরগীর ডিমের ক্ষেত্রেই হিসাব করুন যে ন‍্যাচারাল মুরগীর ডিমের টুইন সারফেস- আকাশ টুইন পৃথিবী তৈরি করে যে টাইমিং নিয়ে টুইন স্পিন তৈরি করে প্ল‍্যানেটারি টুইনকে ঘুরাচ্ছে এতে যে টুইন চার্জ তৈরি হচ্ছে তা থাকলে ন‍্যাচারাল টুইন পৃথিবী থাকে। কেননা এর টুইন বডিতে টুইন মিনারেলস আছে বলে প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড ন‍্যাচারালি তৈরি করতে পারছে।

এই ডিম ফুটে বাচ্চা হবে ২১ দিবস -রাতের সময়কালে। অর্থাৎ এই সময়কালে ভেনাস ও ইউরেনাস এই ডিমের টুইন সময়কাল ব‍্যবহার করে টুইন পৃথিবীকে স্পিন করাচ্ছে বলে অ‍্যামিবা শৈবালের স্পিন এরকম গতিতে পরস্পর বিপরীতে তৈরি করছে। যা স্বাভাবিক।

এভাবে একেক পাখির ক্ষেত্রে একেক রকমের টুইন চাঁদের স্পিনিং বা পানির টুইন চার্জের ফিল্ড স্পিনিং প্রস্তুত করতে হয় এবং টুইন পৃথিবী ন‍্যাচারালি সেই রকম ভিন্ন ভিন্ন টুইন ম‍্যাটার ও টুইন ডার্ক ম‍‍্যাটার প্রবাহিত করছে। যা কিছু উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের পৃথক স্পেসিসের টুইন এসব সৃষ্টিতে ন‍্যাচারালি একে অপরের সাথে ব্ল‍্যাক হোল দ্বারা পৃথক টুইন চার্জের বিম ফিল্ড দ্বারা তৈরি। যে সৃষ্টির জন‍্য কোনো সৃষ্টির অবদান নেই এসব সৃষ্টির জন‍্য।

আমরা যদি ন‍্যাচারালি যেভাবে টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড তৈরি করা হয়েছে মহান সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক সেইভাবে টুইন ফিল্ড তৈরি করি তাহলে লস্ট ওয়ার্ল্ডের হাইব্রিড প্রডাক্শন বন্ধ করে দিতে হবে।

কেননা ২১ দিনে মুরগির ডিম তৈরি করার পরিবর্তে ১ দিনে করলে টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের সেটিংসে গর্ত করে করতে হবে। বা এন্টি স্পিন তৈরি করে করতে হচ্ছে। যেকারণে ন‍্যাচারের সেটিং কেটে ফেললে এসব সারফেস আবর্জনা তৈরি হয়ে দুই বিপরীতের ১৪ টি ফিল্ডে ছড়িয়ে যাচ্ছে। যা ৭টি টুইন প্ল‍্যানেটের আবর্জনা। এসব টুইন পৃথিবীর সাথে বিশ্ববিদ্যালয় সভ‍্যতার ফাটল ইতিমধ‍্যে ভয়ানকভাবে মানব সভ‍্যতাকে দেখাচ্ছে। এভাবে যে কোনো হাইব্রিড চাঁদের টুইন স্পিনিং ফিল্ডে ফাটল সৃষ্টি করে টুইন চাঁদ আলাদা করবে স্বাভাবিকভাবে। এবং তাই চাঁদ দূরে সরে যাচ্ছে বলে যারা দেখছে তারা ডোয়ার্ফ চাঁদের সাথে সংযুক্ত হয়েছে। যা ডোয়ার্ফ অংশ উত্তর আমেরিকা ইউরোপ এশিয়াসহ সকল দেশের উঁচু স্হান, পাহাড়ের নগ্ন অবস্হা এবং স্পেস এজেন্সীর চাঁদের যেখানে মানুষ বা রোবর্টের স্পর্শ তৈরি হয়েছে। যেসব অঞ্চলের মানুষের টুইন হরমোনাল বা টুইন ক্রমোজোমের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এরা চাঁদের টুইন ফিল্ড হারিয়েছে।

চাঁদের টুইন ফিল্ড দুটি ভাগে ন‍্যাচারালি ভাগ করে দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ (সা:) কর্তৃক। যা শেষ যুগের মানুষগুলোর জন‍্য আশির্বাদ এজন‍্য যে এই ডোয়ার্ফ টুইন চাঁদের এই ফাটলের কারণে টোটাল নদী সাগর মহাসাগরের লস্ট টুইনকে সরাসরি অপারেশন করে লস্ট ওয়ার্ল্ডের সাথে বিলুপ্ত করা যাবে। এবং এই ফাটলের কারণে চিকিৎসার সুযোগ আছে।

যদি ১৪০০ বছর আগে টুইন চাঁদ দ্বিখন্ডিত না করা হতো। যে কোনো স্পেসিসের বর্তমানের মতো এন্টি বডি বা এন্টি প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের কার্যকলাপ সরাসরি টুইন বডির সাথে গেঁথে যেতো। বিপরীত স্পেস এতোদিন কাছাকাছি এসে যেতো যেমন এ‍্যামিবা শৈবালের টুইন ফিল্ডের মধ‍্যে যে ডার্ক টুইন স্পেস বিপরীত আকাশ হয়ে আছে তা ক্ষীণ হয়ে অ‍্যামিবা শৈবালের ভাষা আদান প্রদান হতো।

যেমন ইমাম মেহেদী ও হযরত ঈসা (আ: ) এর যুগ সামনে যখন আসবে তখন টুইন চাঁদ আর দ্বিখন্ডিত করা হবে না বলে সত‍্য শান্তির ধর্মের বিরোধী যারা তাদের ধরিয়ে দেবে বিপথগামী পথভ্রষ্ট লোকজনদের। কেননা যে পথভ্রষ্ট দাজ্জাল আসার কথা বলা হয়েছে এর টিকে থাকার সময়কাল মাত্র এক বছর চোয়াত্তর দিন। এরা ধ্বংসপ্রাপ্তদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত এজন‍্য যে ইউনিভার্সাল ট্রুথ সাইন্স বা ব্ল‍্যাক হোল সাইন্স ও ডার্ক ম‍্যাটার সাইন্সের প্রয়োগ না করার কারণে ৮০℅ মানবসভ‍্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে। যখন প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড অর্ধেক হয়ে যাবে। মায়ানমারে যে ভূমিকম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্ল‍্যাক হোল সাইন্সের প্রয়োগ করেনি বিশ্বসভ‍্যতা। একারণে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম এ থেকে রেহায় পায়নি। মিয়ানমারে ব‍্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ‍্যে ৬০টি মসজিদও ধ্বংস হয়ে গেছে। অর্থাৎ রাসূল মোহাম্মদ (সা:) যেসব থিওরি দিয়ে গেছেন যা পবিত্র আল কোরআনে ও প্র‍্যাক্টিক‍্যালি যা তিনি বলে গেছেন এবং করে গেছেন তা সবই বিজ্ঞানসম্মত সকল মানবসভ‍্যতা ও সৃষ্টির কল‍্যাণের জন‍্য। রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের যুবরাজ মুসলিম হলেও 'রাকীম সাইন্স' বিরোধী হওয়ার সুযোগ নেই। এই বিজ্ঞানের থিওরির ব‍্যাখ‍্যা আবিস্কার হয়েছে বর্তমান সাইন্সের ভুল গুলো ধরে নতুন এসব থিওরি করে দেখানো হয়েছে সমগ্র বিশ্ব সভ‍্যতাকে। যা রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়,প্রান্নাথপুর বাংলাদেশের থিওরি নামে পরিচিত।

আসন্ন টুইন পৃথিবীতে বিভিন্ন হিংস্র প্রাণী ও পোকামাকড় উত্তর দক্ষিণ থেকে বেড়িয়ে আসার কথা বলা হয়েছে মোহাম্মদ (সা:) এর পবিত্র বাণীতে। মানে মানুষ তখনও এন্টি প্ল‍্যানেটারি এক্টিভিটি বর্তমানের মতো করা শুরু করবে যা আর সারফাইভ করতে পারবে না মানুষ। এজন‍্য যে তাদের বর্তমানের মতো এক্টিভিটি শুরু করলেই ভাইরাস ব‍্যাকটেরিয়ার এন্টি ফিল্ড অ‍্যামিবা শৈবালের কোষের এক্টিভিটি বিষাক্ত হয়ে চাঁদ হয়ে বেড়িয়ে আসবে। উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের স্পেসিস দ্রুত বিকৃত হয়ে যাবে। বর্তমানে যে হাইব্রিড জীবের টুইন ফিল্ডের অ‍্যামিবা শৈবালের পৃথিবী থেকে বেঁচে যাওয়া যে ২০℅ টুইন স্পেসিস তাদের টুইন স্পিনিংয়ের ন‍্যাচারাল তৈরি হবে। মানুষ এখনকার মতো যা করবে হাইব্রিড এন্টি ফিল্ড এক্টিভিটি তৈরি হবে টুইন স্পেসিসের। ফলে কিছুদিনের মধ‍্যে বিষাক্ত অতিরিক্ত প্রাণীজগত তৈরি হবে। খাওয়ার পানির চাহিদাও ওদের বেড়ে যাবে। এক কথায় ন‍্যাচারকেই খেয়ে ফেলবে বর্তমান কালের হাইব্রিড খাবার প্রসেসিং টুইন ফিল্ডের জীবজগত। স্বল্পকালীন সময় থাকবে শেষ কেয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়ার। যেহেতু চাঁদ আর দ্বিখন্ডিত থাকবে না।

চাঁদের ম‍্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড সব কিছুতে পৃথক হয়ে কার্যকর যা তৃষ্ণার্ত হওয়াকেও বুঝায়। অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অ‍্যামিবা শৈবালের কোষেও চাঁদ তৈরি হয় আর সব টোটালের সমষ্টি চাঁদ।

বর্তমান সভ‍্যতার ডোয়ার্ফের বসবাস ত‍্যাগ করতে হবে অথবা এসবকে ঠিক করতে হবে রাকীম থিওরিতে। এছাড়া পালানোর কোনো পথ খোলা নেই।

অবিলম্বে ফেক সাইন্স প্র‍্যাকটিস শাট ডাউন করুন। সকল ম‍্যানপাওয়ার ন‍্যাচার নির্মাণের কাজকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করুন। হাইব্রিড নয়। মেশিনারিজ ও প্রযুক্তির টুইন ফিল্ড থেকে দূরে থাকুন। কেননা এসব ডোয়ার্ফ ফিল্ড ব্ল‍্যাক হোলের নিকটবর্তী মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরুর অঞ্চলে বা আগ্নেয়গিরির অঞ্চলে চলে যাবে এন্টি ফিল্ড হওয়ায়।

যুবরাজ /০৩.০৪.২০২৫।