Mineral ore separation is dangerous

he US National Propulsion Lab is not on Earth's twin surface. These labs and all the US territories created twin fields of dwarf planets.


The US National Propulsion Lab is not on Earth's twin surface. These labs and all the US territories created twin fields of dwarf planets. They are getting awfully close to the black hole. What they know about black hole is like seeing an eddy in a river slough with the naked eye.

Each object is a twin. Any dark matter object cannot be seen with the naked eye or in any telescope or microscope. But each has its anti-field which is dark matter.These cause color changes or changes in light over time that indicate the presence of dark matter. 14 or 16 other fields are formed outside these single objects which are seen in the opposite sky through the telescope.If you look at natural objects like twin earths, these opposite objects can be seen from dwarf planets. Dwarf planets are seen again from the natural world.

The experiments of the present civilization have confirmed some things such as the earth's magnetic field has shifted, the earth is spinning. Saturn's rings are about to end in decay.The ozone layer is depleted and concentrated near the surface. The eastern side tilts slightly northward, casting blue on Mars. The opposite sky is filled with stench. Moon is moving away.

The ice is melting. Many species have become extinct. Corona virus is created. UV radiation is created. It is full of countless disorders. The theory required for learning these sciences is caused by the fallacy

This means that the infrastructure of the planetary field is broken due to lack of science education. Again, many are trying to settle the twin fields of other skeletal planets outside of Earth to welcome the great danger. As these planets are twin, the question of where their dark matter or anti-space will come.These questions are also answered in the black hole theory. Which is considered a valuable mineral resource and is being used as engineering tools in the university including chemistry, physics, biology, astrology, etc. Twin fission fusion of minerals from within the soil creates the alignment of the organism's body and tissue formation.

Again these are being used by the current civilization in the science of driving the light by showing the movement in the straight path. Which has become a dustbin of Einstein, Hawking, pollution and garbage.

The display of your country's minerals is the display field of your opposite celestial planet. They will produce specific levels of minerals in your body tissue by causing opposing twin fission fusions, and the mineralization of the natural environment. But today most of the earth's surface is like the garbage of New York, Tokyo.Removed minerals from your environment and separated their ores. These minerals would not cause fission fusion in your body, providing paradox-free evidence for the black hole theory.

However, to increase the demand for electricity, the civilization continues to mislead the human civilization with the title of scientist.

The most dangerous people are the Nobel laureate people of the moment. These common people are eating the heads of every civilization and society.Who are leading the destruction of the planet.

It is being said time and again to reduce the consumption of electricity in all sectors. Moreover, nature is taking all the parts produced from the planetary twin field, their movement to stop forever. Because these civilizations will disappear.

In the middle of the twin planetary fields of these civilizations, the areas where Neptune is formed or the deserts are now going to be the twin earths. New islands are being created in the ocean.The reason for this is that the Twin Surfaces of Electric Age Civilizations have become like New York, Tokyo, London, and the Twin Black Hole Fields have permanently blocked the movement of the Twin Fields of Oxygen Nitrogen.As the twin matter that they create on the twin surface is permanently closed, such twin earth surface and twin sky are being created in those places. This pile of garbage has spread over 1/3 of the Twin Earths or Twin Planetary Fields.This 1/3 place report was made by Rakim University because about two years ago civilizations based in Europe and North America showed that the single earth's magnet had shifted by 64 degrees. If this report is true, the 1/3 area has increased much more. If it is 1/2 then another doomsday will take place over the 1/2 planetary field of these Nobel laureates' garbage.

The decline of the hybridization era is about to take place. Again, in this case, it is normal to have questions. This is because the ore comes when the minerals are extracted. And the anti-field hybrid of this ore creates twin field matter on the twin surface. Hybridization from ores is caused by civilizations extracting minerals such as these to separate isotopes that are sources of radioactive and UV radiation. Aren't you afraid to even pronounce the word chemistry?

And do you understand what medical lights are creating? Complex twin surfaces that are dwarf twin planets. Jeb Bezos is dealing in dwarf twin planet anti-field products.

Study Rakim University, Prannathpur, Santahar, Bangladesh.

Juboraj/2024.12.31


খনিজ আকরিক সেপারেশন বিপদজনক

যুক্তরাষ্ট্রের ন‍্যাশনাল প্রপালসন ল‍্যাব পৃথিবীর টুইন সারফেসে নেই। এসব ল‍্যাব এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় সব এলাকা বামণ গ্রহের টুইন ফিল্ড তৈরি করেছে। এরা ভয়ঙ্কর ভাবে ব্ল‍্যাক হোলের কাছাকাছি চলে গেছে। ব্ল‍্যাক হোল সম্পর্কে ওরা যা জানে এসব খালি চোখে নদীর স্লোতে যে ঘূর্নি তৈরি হয় তা দেখার মতো। প্রত‍্যেকটি অবজেক্ট টুইন। যেকোনো ডার্ক ম‍্যাটার অবজেক্ট খালি চোখে বা টেলিস্কোপে কিংবা মাইক্রোস্কোপে কোনোভাবে দেখা যায় না। কিন্তু প্রত‍্যেকটির এন্টি! যা ডার্ক ম‍্যাটারের উপস্হিতি জানান দেয়। টেলিস্কোপ দিয়ে বিপরীত আকাশের যেসব অবজেক্ট দেখা হয় এসব সিঙ্গেলের বাহিরে আরও ১৪ টি বা ১৬ টি ফিল্ড তৈরি ; ন‍্যাচারাল পৃথিবী থেকে বামণ গ্রহ দেখা যায়।

বর্তমান সভ‍্যতার এক্সপেরিমেন্টে কিছু বিষয় নিশ্চিত হয়েছে যেমন পৃথিবীর ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড সরে গেছে, পৃথিবী কাত হয়ে ঘুরছে। শনির বলয় ক্ষয় হয়ে শেষ হতে চলেছে। ওজোন লেয়ার ক্ষয় হয়ে ছড়িয়ে গিয়ে সারফেসের কাছে কনসেনট্রেড হয়েছে। পূর্ব দিক নীচের দিকে উত্তরে হেলে পরেছে, মঙ্গল গ্রহে নীল ছড়াচ্ছে। বিপরীত আকাশ দূর্গন্ধে ছেয়ে গেছে। চাঁদ দূরে সরে যাচ্ছে। বরফ গলে যাচ্ছে। বহু স্পেসিস বিলুপ্ত হয়ে গেছে। করোনা ভাইরাস তৈরি হয়েছে।ইউভি রেডিয়েশন তৈরি হয়েছে। এরকম অসংখ‍্য ডিসঅর্ডারে পরিপূর্ণ হয়েছে। এসব বিজ্ঞান শিক্ষা গ্রহণের জন‍্যে যেসব থিওরির প্রয়োজন সেসব থিওরির ভুলের কারণে ঘটেছে।

এর মানে হলো বিজ্ঞান শিক্ষা হয়নি বলে প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের অবকাঠামো ভেঙ্গে পরেছে। আবার মহা বিপদকে ওয়েলকাম করার জন‍্য অনেকে পৃথিবীর বাহিরে অন‍্যান‍্য স্কেলেটাল প্ল‍্যানেটে বসতি স্হাপনের চেষ্টা করছেন। ঐসব প্ল‍্যনেট টুইন হওয়ায় ওদের ডার্ক ম‍্যাটার বা এন্টি স্পেস কোথায় প্রশ্ন আসবে। এসব প্রশ্নের উত্তরও দেওয়া হয়েছে ব্ল‍্যাক হোল থিওরিতে। যা মূল‍্যবান খনিজ সম্পদ মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন, ফিজিক্স, বায়োলজি, জোতির্বিদ‍্যা ইত‍্যাদিসহ সব ইঞ্জিনিয়ারিং টুলস হিসাবে ব‍্যবহার হচ্ছে। খনিজ সম্পদ মাটির অভ‍্যন্তর থেকে টুইন ফিশন ফিউশন ঘটিয়ে জীব জগতের বডির এলাইনমেন্ট তৈরি করে টিস‍্যুর বিন‍্যাস ঘটায়।

আবার এসবকে বর্তমান সভ‍্যতা আলোকে সোজা পথে গতিশীলতা দেখিয়ে চালানোর বিদ‍্যায় ব‍্যবহার করছে। যা আইনস্টাইন, হকিং, প্ল‍্যাকের দুষণ এবং আবর্জনার ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে।

আপনার দেশের খনিজগুলোর ডিসপ্লে আপনার বিপরীত আকাশের প্ল‍্যানেটের ডিসপ্লে ফিল্ড। এরা পরস্পর বিপরীত টুইন ফিশন ফিউশন ঘটিয়ে আপনার দেহের টিস‍্যুর নির্দিষ্ট মাত্রার খনিজ তৈরি করবে, আর ন‍্যাচারাল পরিবেশের খনিজের বিন‍্যাস করবে। কিন্তু নিউইয়র্ক, টোকিওর আবর্জনার মতো আজ অধিকাংশ পৃথিবীর সারফেস।

আপনার পরিবেশ থেকে খনিজ সরিয়ে ফেলেছেন এবং এদের আকরিক সেপারেট করেছেন। এসব খনিজ আপনার দেহে ফিশন ফিউশ ঘটাবে না যা ব্ল‍্যাক হোল থিওরিতে প‍্যারাডক্সহীন প্রমাণ দিচ্ছে। তারপরেও বিদ‍্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির জন‍্য সভ‍্যতা বিজ্ঞানী খেতাব নিয়ে মানব সভ‍্যতাকে ভূল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা এখনও অব‍্যাহত রেখেছে।

সবচেয়ে বিপদজনক ব‍্যক্তিরা হলেন এই মুহুর্তের নোবেল লরিয়েট পিপল। এই সাধারন ব‍্যক্তিগুলো প্রত‍্যেকটি সভ‍্যতা ও সমাজের মাথা খেয়ে ফেলছে। যারা প্ল‍্যানেটের দুষনে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

বিদ‍্যুতের ব‍্যবহার সকল সেক্টরে কমিয়ে ফেলার কথা বার বার বলা হচ্ছে। তাছাড়া প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড থেকে উৎপাদিত সকল যন্ত্রাংশ , এদের চলাচল চিরতরে বন্ধের পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি। কেননা এসব সভ‍্যতা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

এসব সভ‍্যতার টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের মধ‍্যে যেসব এলাকায় নেপ্চুন তৈরি হয়ে আছে বা মরুভূমি সেসব এলাকা এখন টুইন পৃথিবী হতে চলেছে। নতুন নতুন দ্বীপ তৈরি হচ্ছে সাগর মহাসাগরে। এসব হওয়ার কারণ ইলেক্ট্রিক যুগের সভ‍্যতার টুইন সারফেস নিউইয়র্ক, টোকিও, লন্ডনের মতো হয়ে যাওয়ায় টুইন ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ফিল্ডের চলাচল প্রতিবন্ধকতা স্হায়ীরূপ ধারন করেছে। এরা টুইন সারফেসে যে টুইন ম‍্যাটার তৈরি করে তা স্হায়ীভাবে বন্ধ হওয়ায় এমন টুইন পৃথিবীর সারফেস ও টুইন আকাশ তৈরি হচ্ছে ঐসব স্হানে। এই আবর্জনার স্তুপ বিস্তৃত হয়ে গেছে ১/৩ টুইন পৃথিবী বা টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডে। এই ১/৩ স্হানের রিপোর্ট রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এজন‍্য যে প্রায় দুই বছর আগে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক সভ‍্যতা দেখিয়েছিলো যে সিঙ্গেল পৃথিবীর ম‍্যাগনেট ৬৪ ডিগ্রি সরে গেছে। এই রিপোর্ট সত‍্য হলে ১/৩ এলাকা আরও অনেক বেড়ে গেছে। যা ১/২ হলে কেয়ামতের আগে আর একটি কেয়ামত অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে এসব নোবেল লরিয়েটদের আবর্জনার ১/২ প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের।

সংকরায়ন যুগের পতন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আবার এ প্রশ্নও আসা স্বাভাবিক। এটি এজন‍্য যে খনিজ তুলে আনার সময় আকরিক আসে। আর এই আকরিকের এন্টি ফিল্ড সংকরের টুইন ফিল্ড ম‍্যাটার টুইন সারফেসে তৈরি করে। আকরিক থেকে সংকরায়ন ঘটাচ্ছে সভ‍্যতা খনিজ উত্তোলন করার কারণে যেমন এসব সেপারেট করাতে আইসোটোপ তৈরি হয়েছে যা রেডিও একটিভ এবং ইউভি রেডিয়েশনের উৎস। রসায়ন শব্দ উচ্চারন করতেও ভয়ের কারণ হচ্ছে না?

আর বৈদ‍্যতিক লাইট কি অবস্হা তৈরি করছে বুঝতে পারছেন? জটিল টুইন সারফেস যা বামণ টুইন গ্রহ। যেসব বামণ টুইন গ্রহের এন্টি ফিল্ডের পণ‍্য সামগ্রীর ব‍্যবসা করছেন জেব বেজোস।

রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়, প্রান্নাথপুর, সান্তাহার, বাংলাদেশ।

যুবরাজ /৩১.১২.২০২৪