Love people every day. Stay away from AI technology tendencies

Black hole dark matter theory was discovered from Bangladesh. All creation exists in twin format with opposite charges in the twin field of the universe. No matter what cars or space ships or ships or fighter planes or copters or cities are called mechanical, they are a terrible type of corona virus or any type of virus vehicle and twin space that has created a complete anti-magnetic field with nature.


Black hole dark matter theory was discovered from Bangladesh. All creation exists in twin format with opposite charges in the twin field of the universe. No matter what cars or space ships or ships or fighter planes or copters or cities are called mechanical, they are a terrible type of corona virus or any type of virus vehicle and twin space that has created a complete anti-magnetic field with nature.

Ultraviolet twin ray generation field. Analyzing these universal truth science theories, it has been found that people who have been users of these vehicles are directly or indirectly sick within a few days. Autism took him first.The brain's commands are constantly evolving to create Earth's anti-space. The place where they live has permanently cut off the twin surface of the earth by occupying the twin space of AI technology.And when the engine starts, the structure of the fuel used before its purification is completely opposite to the Twin Skeletal planet, the anti-magnetic field of the planets is created first by taking the place where people live, then their structure is separated, then the bones of that planet are also separated.That is why they are fueled now. These fuels are now spinning the twin Earths in opposite directions.That's why their telescope cameras noticed a solar storm coming towards them.Not only that, the vehicles that were built as expensive, but also the twin spaces of various ores were used on the twin surface of the earth, so the places where people lived, which were fixed on the strong pillars by the twin beams, also became shaky in the same way.

Many believe that Greece's technology was extremely powerful thousands of years ago, whose ruins still inspire people.But as the current teaching is going on a complete reverse journey, soon when 80℅ of humanity will disappear directly and indirectly with these AI technologies, then the lower surface will be lost by the upper surface north south east west black hole near the area and create fusion of twin hydrogen twin helium.A year from now when the technologyless twin worlds are created by the activities of the aurora region, the natural worlds will fall on any existing city rather than any of the mentioned technologies or Greece.Because of that the city will sink deep into the ground or the sky-flowing ocean will come and then the city will form the surface of the ocean or the volcanic lava will form mountains or the pyramids will be burned by the DC area near the black hole field or the desert sand will come through the sky and bring the city down, etc.

What will the results of observing people live in the next world without technology? Have they never seen how rockets work? How does the train go, etc.? Thus the past civilization has disappeared and the current world civilization has come close to that end.

Civilizations have developed along rivers, ports, seas, and oceans when rainwater is supposed to run off without touching their settlements. Again the situation is the same at the foothills of the country. Abnormal rainfall has taught these townships to create barriers to the flow of watercourses.These cities appear to form the flowing stream of the river itself. Even then, the universities are forcing their students to be certified as scientists.

Urban waste and sediments: Floods caused by sudden high concentrations of oxygen pick up the streams that flow beneath the city. So many organic and chemical substances can simultaneously maintain the twin surface of the nearby ocean water?Water becoming alkaline and acidic is also destroying the biodiversity of marine aquatic life. After the flood, when the fish floats or comes to the shore, the social media goes viral due to the tendency of these fish to eat.

If the cities were not built for people to live in piles together, such toxic pollution of garbage would never have happened. NASA activity equals the pollution of a small city. Which is just all the space transport agencies How much opposite space stinks together is hard to imagine.Now NASA itself is the cause of stench when this organization says that we have been successful in researching technology to remove the stench of space, then all the manpower involved can be said to be healthy? Their brains will be properly controlled if they are kept in a natural island for a few years.

Quickly destroy the twin worlds within by demolishing or abandoning enough cities to sustain human habitation. Create a natural spring in the mountains. Naturalize the village too. The area of ​​r = 30 miles of π r 2 is the area of ​​yourself and your neighbors.The Sun and Pole Star of this area are your Earth. Its lower surface and opposite celestial surface make up your day and night. Determine your area by seeing how the day is approaching and how the night is approaching. Organizational Formula will be available on Rakim University website X and Facebook. Juboraj/2025.02.14


প্রতিদিন মানুষকে ভালোবাসুন। AI টেকনোলজি টেনডেন্সী থেকে দূরে থাকুন

ব্ল‍্যাক হোল ডার্ক ম‍্যাটার থিওরি আবিস্কার হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। সব সৃষ্টি টুইন ফর্মেটে পরস্পর বিপরীত চার্জ করে টিকে থাকে মহাবিশ্বের টুইন ফিল্ডে। যেসব কার কিংবা স্পেস শিপ কিংবা জাহাজ কিংবা ফাইটার প্লেন কিংবা কপ্টার কিংবা শহর যাই যান্ত্রিক বলুন না কেনো এরা ভয়ানক রকমের করোনা ভাইরাস বা যে কোনো তৈরির ভাইরাস যান ও টুইন স্পেস যা ন‍্যাচারের সাথে সম্পূর্ণ এন্টি ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে আছে ।

আলট্রাভায়োলেট টুইন রে তৈরির ক্ষেত্রস্হল। এসব ইউনিভার্সাল ট্রুথ সাইন্স থিওরির বিশ্ম্লেষন করে দেখা গেছে যে ব‍্যক্তি এসব যানে চলাচল করে ব‍্যবহারকারী হয়েছেন তারা প্রত‍্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কয়েকদিনের মধ‍্যে রোগাক্রান্ত। অটিজম রোগ সর্ব প্রথম তাকে গ্রাস করে। ব্রেইনের কমান্ড যা নির্দেশ করে তা পৃথিবীর এন্টি স্পেস তৈরির জন‍্য সদা সর্বদা উদ্ভূদ্ধ করতে থাকে। এরা যে স্হানে থাকে সেই স্হান স্হায়ীভাবে AI টেকনোলজির টুইন স্পেস দখল করে পৃথিবীর টুইন সারফেস স্হায়ীভাবে কেটে রেখেছে। আর যখন ইঞ্জিন স্টার্ট করে তখন যে জ্বালানি ব‍্যবহার করে এর পরিশোধনের পূর্বে যে গঠন তার সম্পূর্ণ বিপরীত টুইন স্কেলেটাল গ্রহকে মানুষ বসবাসের স্হানে নিয়ে প্রথমে গ্রহগুলোর এন্টি ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করানো হয়েছে এরপর এদের গঠন পৃথক করা হয়েছে তখন ঐ গ্রহের অস্হি সন্হিও যেনো আলাদা করা হয়েছে। যে কারণে ওরা এখন জ্বালানি হয়েছে। এসব জ্বালানি এখন টুইন পৃথিবীকে বিপরীতভাবে স্পিন করে কেটে ফেলছে। যে কারণে তাদের দূরবীণ ক‍্যামেরার নজরে এসেছে সোলার ঝড় ধেয়ে আসছে তাদের দিকে। শুধু তাই নয় দামী বলে যেসব যান নির্মাণ করা হয়েছে সেটিরও বিভিন্ন আকরিকের টুইন স্পেস পৃথিবীর টুইন সারফেসে ব‍্যবহার হওয়ায় মানুষ বসবাসের স্হানগুলো যে সূদৃঢ় পিলারের উপর টুইন রশ্মির মাধ‍্যমে আটকানো ছিলো তাও একইভাবে নড়বরে হয়ে গেছে।

অনেকে মনে করে থাকেন গ্রীসের টেকনোলজি কয়েক হাজার বছর আগে অত‍্যন্ত মজবুদ ছিলো যার ধ্বংসাবশেষ এখনও মানুষকে প্রেরণা যোগায়। অথচ যেভাবে বর্তমান শিক্ষার সম্পূর্ণ উল্টা যাত্রা চলছে তাতে অচিরেই যখন ৮০℅ মানবসভ‍্যতা বিলুপ্ত হবে প্রত‍্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এসব AI টেকনোলজির সাথে তখন নীচের সারফেস উপরের সারফেস উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম ব্ল‍্যাক হোলের নিকটবর্তী এলাকা দ্বারা গ্রাস করে টুইন হাইড্রোজেন, টুইন হিলিয়ামের ফিউশন তৈরি করে হারিয়ে যাবে। কিন্তু এক বছর বর্তমানের মতো অরোরা অঞ্চলের কার্যক্রম দ্বারা যখন প্রযুক্তিহীন টুইন পৃথিবী তৈরি হবে তখন উল্লেখিত কোনো টেকনোলজি বা গ্রীসের চেয়েও বর্তমান কোনো শহরের উপর ন‍্যাচারাল পৃথিবী এসে পরবে। যে কারণে শহরটি মাটির গভীরে চলে যাবে অথবা আকাশ দিয়ে বয়ে চলা মহাসাগর এসে পরে শহরটি মহাসাগরের সারফেস তৈরি করবে অথবা আগ্নেয় লাভা পরে পাহাড় তৈরি করবে অথবা ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের নিকটবর্তী ডিসি এলাকা দ্বারা পুড়ে পিরামিড তৈরি করবে বা মরুভূমির বালু আকাশ দিয়ে এসে শহরকে নীচে ফেলবে, ইত‍্যাদি অবস্হা হবে।

প্রযুক্তিহীন পরের যে পৃথিবীর মানুষ বেঁচে থাকবে তাদের পর্যবেক্ষনে রেজাল্ট কি দাঁড়াবে? ওরা কি কখনো জেনেছে না দেখেছে রকেটে কিভাবে চলে? ট্রেন কিভাবে যায়,ইত‍্যাদি ? এভাবে অতীত সভ‍্যতা হারিয়ে গেছে এবং সেই অবস্হার কাছাকাছি চলে এসেছে বর্তমান বিশ্ব সভ‍্যতা।

নদী বন্দর সাগর মহাসাগর ঘেষে সভ‍্যতা তৈরি হয়েছে যখন বৃষ্টির পানি প্রবাহ হয়ে যাওয়ার কথা তাদের জনপদকে না ছুঁয়ে। আবার পাহাড়ের পাদ দেশ ঘেষেও একই অবস্হা। অস্বাভাবিক বৃষ্টির প্রবাহ এসব জনপদকে প্রবাহমান জলধারার ব‍্যবস্হাকে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে শিখিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সভ‍্যতা। এসব শহর নিজেই নদীর প্রবাহমান ধারা তৈরি করে দেখাচ্ছে। তারপরেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জোর করে সেখানকার অধ‍্যয়নকারীকে বিজ্ঞানী হিসাবে সার্টিফিকেট দিচ্ছে।

শহরের বর্জ ও পয়: প্রণালি যা শহরের নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সেসব উপরে তুলে ভেসে নিয়ে যাচ্ছে হঠাৎ বেশি অক্সিজেনের কনসেন্ট্রেশনে সৃষ্ট বন‍্যা। এক সাথে এতো জৈব ও রাসায়নিক নিকটবর্তী সাগর মহাসাগরের পানির টুইন সারফেসকে ঠিক রাখতে পারছে। পানি ক্ষারীয় ও এসিডিক হয়ে সামুদ্রিক জলজ প্রাণীদের জীববৈচিত্রও ধ্বংস করছে। বন‍্যা পরবর্তীতে মাছ ভেসে উঠলে বা তীরে আসলে এসব মাছ খাওয়ার প্রবনতায় সোশ‍্যাল মিডিয়া ভাইরাল করে।

এক সংগে গাদাগাদি করে মানুষের বসবাসে শহর নির্মাণ না হলে পয়:বর্জের এমন বিষাক্ত দুষন কখনো হতো না। নাসার এক্টিভিটির মতো একটি ছোট খাটো শহরের দূষনের সমান। যা শুধু সব স্পেস ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মিলে কি পরিমাণ বিপরীত স্পেসের দূর্গন্ধের কারণ যা কল্পনা করাও কঠিন। এখন নাসা নিজেই দূর্গন্ধের কারণ যখন তখন এই প্রতিষ্ঠান যদি বলে আমরা স্পেসের দূর্গন্ধ দূর করতে প্রযুক্তির গবেষনা করে সাকসেসফুল হয়েছি তাহলে এর সাথে সম্পৃক্ত সকল জনবলকে সুস্হ‍্য বলা যায়? এদের ব্রেইনের চিকিৎসা একমাত্র কোনো ন‍্যাচারাল দ্বীপে কয়েকবছর রাখলে ওদের ব্রেইন ঠিকমতো কমান্ড করবে।

মানবসভ‍্যতার বসবাসকে টিকিয়ে রাখতে শহর পরিমাণমতো ভেঙ্গে ফেলে অথবা পরিত‍্যক্ত করে এর ভিতর দিয়ে টুইন পৃথিবী স্হাপন করুন অনতিবিলম্বে। পাহাড়ে প্রকৃতির ঝর্না তৈরি করুন। গ্রামকেও ন‍্যাচারাল করুন। π r 2 এর r= ৩০ মাইল এরিয়া আপনার নিজের ও প্রতিবেশিদের এলাকা। এই এলাকার সূর্য ও পোল স্টার আপনার পৃথিবী। এর নিম্ন সারফেস ও বিপরীত আকাশের সারফেস আপনার দিবস ও রাত তৈরি করে। দিন কিভাবে আসছে আর রাত কিভাবে আসছে তা দেখে ঠিক করুন আপনার এলাকা। রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট X ও ফেসবুকে সাংগঠনিক ফর্মূলা পেয়ে যাবেন। যুবরাজ /১৪.০২.২০২৫