Consequences and survival pathways for countries that lose seasonal variation.
Take photos through the window with daylight outside. If you point the camera at the window, your picture will appear. The empty space or sky inside will appear dark. If the resolution of the camera is high then something can be seen behind the picture in the room like a skeleton.
Take photos through the window with daylight outside. If you point the camera at the window, your picture will appear. The empty space or sky inside will appear dark. If the resolution of the camera is high then something can be seen behind the picture in the room like a skeleton.
Again point the camera towards the room in low light and take your picture. As the opposite world outside the window is the dark sun, the sky that you see in the camera image is created by nature behind you.
Again, in the sky where the night world is the sun during the day, tilt your camera towards the sun and take your picture in the sky. Above an inch of the surface is the sky or atmosphere. Then your image will rise and the sky will show its image as nature.Now if you take your picture with the camera facing the sun, your picture will be dark.
The charge wave you are using in the camera is the opposite charge of the Twin Earth's charge.What you see is Nature. Here it is clearly understood that the darkness is the sun. Therefore, the camera's charge reverses the anti-black hole field of the twin charge beam.
All that passes as dark matter in a telescope's wave camera is the sun, and all that is bright is the pole star. Surface of sun - sky is dark and surface of pole star - sky is light. That is, the positive twin charge (metallic) of the Sun holds the negative (non-metallic) twin of the pole star.
All the space agency cameramen (not a single scientist) with telescopes looking at the anti-space field beam produced by the camera are the opposite. Seeing dark matter as matter and matter as dark matter.In the interest of seeing opposite space using so many anti-black hole field wave cameras, the twin planetary field is being destroyed and the dwarf twin is fast becoming. The total satellite system came from these space agencies and the practice of unscientific theories of physics.
The maximum extent of our planetary twin field surface - sky to sky - surface is no more than 1200 miles. Since the ionosphere labels 30 miles at the bottom and 600 miles at the top. And in five seconds it is possible to travel from one planet to another planet with a vehicle at a specific time of day or night in Rakim theory.
And the Nobel laureate idiots of Physics and Space Agency are fooling the human civilization by showing the distance of Ursha Major Twin Box stars or planets to be several million light years.
Dividing the day and night of the entire twin earth into two parts, the sky-surface and surface-sky of the 6 skeletal twin planets (mineral twin bodies) lay the bed imagining them as bare mountains. Think there is no living world. Arrange each twin of Mercury Mars Jupiter Saturn Neptune Pluto in order from north to south.It is the night of one hemisphere. Now it would take days to create this hemispheric sky and to do that the planets would have to be aligned north to south creating the asteroid Kuiper or placed opposite the equator. In this, the East West Sun and Pole Star form the opposite hemisphere of one hemisphere of each planet.
Now, if you want to decorate the night by South North, you have to decorate the mentioned 6 planets by South North. Now they need the sky and it will take days and it will make the Kuiper asteroid or west east opposite the equator. There are clearly 6 plus surfaces and minus surfaces of the day in the northern and southern hemispheres. And there is a minus and a plus in the night surface sky. The second being west east, the first became east west and two easts and two wests.
That is, due to the charge difference between day and night, the opposite charge beam is connecting the sky and the surface in a twin way through light and darkness or dark matter.
In this planetary twin field, the twin charge of creation required to sustain our biosphere is produced by the twin coverage of amoeba algae. And the twin species of animal and plant life are the twin surface-twin sky or twin atmospheres of creation.When the charge ends where the spinning twin field closes, everything originating from the black hole will disappear into the black hole itself. There are no twin surfaces nor twin skies.
Since the mentioned 6 skeleton twin planets are minerals and cut these minerals to create anti bodies, some territories have gone so deep that they can no longer lift and because the opposite field is against the black hole, the 12 sky surface seasons of those twin mineral planets do not become 6 within 12 months.The larger the mining pits, the larger the Bermuda Triangle is formed near them. The holes are filled with dwarf twins. And if there is an earthquake, it fills up a bit. But the twin body moves somewhat closer to the black hole. Or the surface sky shrinks.And where larger cities are elevated by dwarf twins, anti-black holes are created by larger craters opposite them, sending charges skyward.
Which was not even in the time of their recent ancestors. And the current fake science civilization is using manpower for such education.All Ai technologies of blacksmith civilization directly and indirectly which are all science faculty. With these shut downs, we have no choice but to enlarge the twin surface and twin sky to increase the twin charge beam. Our current globalization has closed all avenues for civilization to survive.
Headless Bill Gates has also started a business demonstration of this blacksmith technology Ai will be managed by Robort instead of humans and animals for the next 10 years. The Bermuda Twin Triangle of the United States will swallow North America first.
And this will be the beginning and end of the present fake science faculty merging two west and two east into the black hole. Which starts from West North America and goes through all the cities including various seas, oceans, Europe, Asia, the urban civilization of the continent of Australia and its nearby and distant regions, the twin water anti-field of the sea, river, ocean, will disappear by going eastward and creating an ostachal.
Now every fake science faculty countries doing anti-planetary activity or dwarf activity and increasing your territory in it, so match your east west or day and night twin surface and twin sky. Juboraj/2025.04 02
ঋতু বৈচিত্র হারানো দেশগুলোর পরিণতি ও সারভাইভাল পথ
বাহিরে দিনের আলো রেখে জানালা দিয়ে ছবি তুলুন। যদি ক্যামেরা জানালার দিকে রাখেন তাহলে আপনার ছবি আসবে। ভিতরে যে ফাঁকা স্হান বা আকাশ তা অন্ধকার দেখাবে। যদি ক্যামেরার রেজুলেশন বেশি থাকে তাহলে কঙ্কালের মতো ঘরে ছবির পিছনে কিছু দেখা যাবে।
আবার ক্যামেরা ঘরের দিকে কম আলোতে রেখে আপনার ছবি তুলুন। জানালার বাহিরে বিপরীত পৃথিবী অন্ধকার সূর্য হয়ে থাকায় ক্যামেরার ছবিতে যে আকাশ দেখতে পাবেন তার সব ছবি প্রাকৃতিতে যা তৈরি করে আছে সব আপনার পিছনে দেখতে পাবেন।
আবার আকাশে যে রাতের পৃথিবী দিনে সূর্য হয়ে থাকে তা যেদিকে হেলে থাকা অবস্হায় সূর্যের দিকে ক্যামেরা রেখে আকাশে আপনার ছবি তুলুন। সারফেসের এক ইঞ্চি উপরও আকাশ বা বায়ুমন্ডল। তাহলে আপনার ছবি উঠবে এবং আকাশ প্রকৃতি হয়ে ওর চিত্র দেখাবে। এখন ক্যামেরা সূর্যের বিপরীতে রেখে আপনার ছবি তুললে আপনার ছবি অন্ধকার হয়ে যাবে।
ক্যামেরায় যে চার্জ ওয়েভ ব্যবহার করছেন তা টুইন পৃথিবীর চার্জের বিপরীত চার্জ বলে যা দেখছেন তা ন্যাচারকে দেখছেন। এখানে পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে অন্ধকার যা তা সূর্য। একারণে যে ক্যামেরার চার্জ বিপরীত এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ড টুইন চার্জ বিম।
যে কোনো দূরবীণের ওয়েভ ক্যামেরায় ডার্ক ম্যাটার হিসাবে যা, তা সব সূর্য আর আলোকিত যা সব পোল স্টার। সূর্যের সারফেস - আকাশ অন্ধকার আর পোল স্টারের সারফেস- আকাশ আলোকিত। অর্থাৎ সূর্যের পজিটিভ টুইন চার্জ (মেটালিক) দিয়ে পোল স্টারের নেগেটিভ (নন মেটালিক) টুইনকে ধরে আছে। দূরবীণ নিয়ে স্পেস এজেন্সীর সকল ক্যামেরাম্যান (একজনও বিজ্ঞানী নয়) যা ক্যামেরায় এন্টি স্পেস ফিল্ড রশ্মি তৈরি করে দেখছে তা সব বিপরীত। ডার্ক ম্যাটারকে ম্যাটার হিসাবে দেখছে আর ম্যাটারকে ডার্ক ম্যাটার হিসাবে। এতো এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ড ওয়েভ ক্যামেরার ব্যবহার করে বিপরীত স্পেস দেখার আগ্রহে টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ড ধ্বংস হয়ে ডোয়ার্ফ টুইন হয়ে যাচ্ছে দ্রুত। টোটাল স্যাটেলাইট সিস্টেম এসব স্পেস এজেন্সী ও ফিজিক্সের অবৈজ্ঞানিক থিওরির প্র্যাকটিস থেকে এসেছে।
আমাদের প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড সারফেস - আকাশ থেকে বিপরীত আকাশ- সারফেসের সর্বোচ্চ সীমা ১২০০ মাইলের বেশি নয়। যেহেতু আয়নোস্ফেয়ার লেবেল নিম্নে ৩০ মাইল এবং সর্বোচ্চ ৬০০ মাইল। আর পাঁচ সেকেন্ডে দিন বা রাতের নির্দিষ্ট সময়ে যান নিয়ে এক প্ল্যানেট থেকে আরেক প্ল্যানেটে পরিভ্রমণ সম্ভব রাকীম থিওরিতে।
আর এই দূরত্বকে উর্ষা মেজর টুইন বক্স তারা বা প্ল্যানেটগুলোর দূরত্বকে কয়েক মিলিয়ন আলোক বর্ষ দেখিয়ে মানব সভ্যতাকে ঘোল খাইয়ে আসছে ফিজিক্স ও স্পেস এজেন্সীর নোবেল লরিয়েট মূর্খরা।
সমগ্র টুইন পৃথিবীর দিন ও রাতকে দুটি ভাগে ভাগ করে ৬ টি স্কেলেটাল টুইন প্ল্যানেটের (খনিজ টুইন বডি) আকাশ-সারফেস ও সারফেস- আকাশকে নগ্ন পাহাড়ের মতো কল্পনা করে খাট বিছিয়ে দেন। মনে করুন জীবের পৃথিবী নেই। তা বুধ মঙ্গল বৃহস্পতি শনি নেপ্চুন প্লুটোর প্রত্যেকটি টুইনকে উত্তর দক্ষিণ করে ক্রমান্বয়ে সাজান। এক গোলার্ধের রাত হলো তা। এখন এই গোলার্ধের আকাশ তৈরি করতে হলে দিন লাগবে এবং তা করতে হলে গ্রহগুলোকে এবার দক্ষিণ উত্তর করে সাজাতে হবে এস্টরয়েড কাইপার তৈরি করে বা বিষুব রেখার বিপরীতে রাখতে হবে। এতে পূর্ব পশ্চিমের সূর্য ও পোল স্টার তৈরি হলো প্রত্যেক গ্রহের এক গোলার্ধের বিপরীত গোলার্ধ।
এবার দক্ষিণ উত্তর করে রাত সাজাতে হলে উল্লেখিত ৬ টি গ্রহকে দক্ষিণ উত্তর করে সাজাতে হবে। এবার এদের আকাশ প্রয়োজন হওয়ায় দিন লাগবে এবং তা কাইপার এস্টরয়েড তৈরি করে বা বিষুব রেখার বিপরীতে পশ্চিম পূর্ব তৈরি হবে। এখানে স্পষ্টত উত্তর দক্ষিণ গোলার্ধে দিনের ৬ টি প্লাস সারফেস ও মাইনাস সারফেস থাকছে। এবং রাতের সারফেস আকাশে একটি মাইনাস অপরটি প্লাস থাকছে। দ্বিতীয়টি পশ্চিম পূর্ব হওয়ায় প্রথমটি পূর্ব পশ্চিম হয়ে দুই পূর্ব দুই পশ্চিমও হয়েছে।
অর্থাৎ দিন ও রাতের চার্জের পার্থক্যে বিপরীত চার্জ বিম আলো ও অন্ধকার বা ডার্ক ম্যাটার হয়ে টুইনভাবে আকাশ ও সারফেস সংযুক্ত করে চলছে।
এই প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডে আমাদের জীবজগতের বসবাস তৈরী করতে যে পরিমাণ সৃষ্টির টুইন চার্জ প্রয়োজন তা অ্যামিবা শৈবালের টুইন কভারেজের মাধ্যমে তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এবং প্রাণী ও উদ্ভিদ জগতের টুইন স্পেসিস সৃষ্টির টুইন সারফেস-টুইন আকাশ বা টুইন বায়ুমন্ডল। যে চার্জ শেষ হলে স্পিনিং টুইন ফিল্ড যেখানে বন্ধ হবে সেখানে ব্ল্যাক হোল থেকে উৎপত্তি হওয়া সবকিছু ব্ল্যাক হোলেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। টুইন সারফেসও থাকে না টুইন আকাশও থাকে না।
উল্লেখিত ৬ টি কঙ্কাল টুইন গ্রহগুলো যেহেতু খনিজ এবং এসব খনিজ কেটে কেটে এন্টি বডি তৈরি করে এতো গভীরে চলে গেছে কোনো কোনো টেরিটোরি যে আর তুলতে পারে না এবং বিপরীত ফিল্ড ব্ল্যাক হোলের বিপরীতে থাকায় আর সেই টুইন খনিজ গ্রহের ১২টি আকাশ সারফেসের সিজন তৈরি ১২ মাসের মধ্যে ৬ টি হয়ে আসে না। যার যেখানে খনিজ তোলার গর্ত যতো বড় তাদের কাছাকাছি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ততো বড় তৈরি হয়ে আছে। গর্তগুলো ডোয়ার্ফ টুইনে ভর্তি হয়ে আছে। আর ভূমিকম্প হলে কিছুটা পূরন হয়। কিন্তু টুইন বডি ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি কিছুটা হলেও চলে যায়। বা সারফেস আকাশ ছোট হয়ে যায়। আর যেখানে যতো বড় শহর ডোয়ার্ফ টুইন দিয়ে উঁচু করা হয়েছে ওদের বিপরীতে ততো বড় গর্ত দ্বারা এন্টি ব্ল্যাক হোল তৈরি হয়ে আকাশ পথে চার্জ নিয়ে আসে।
যা তাদের রিসেন্ট পূর্ব পুরুষের আমলেও ছিলো না। আর এমন শিক্ষার জন্য ম্যানপাওয়ার অকেজো করে চলছে বর্তমান ফেক সাইন্সের বিশ্বসভ্যতা।
কামার সভ্যতার সব Ai টেকনোলজি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যা সকল সাইন্স ফ্যাকাল্টি। এসব শাট ডাউন দিয়ে টুইন চার্জ বিম বৃদ্ধি করতে টুইন সারফেস ও টুইন আকাশ আমাদের বড় করা ছাড়া বিকল্প নেই। আমাদের বর্তমান গ্লোবালাইজেশন সভ্যতা টিকে থাকার সব পথ বন্ধ করে ফেলেছে।
মাথা খারাপ বিল গেট্সও এই কামার প্রযুক্তির Ai কে আগামী ১০ বছর মানুষ ও প্রাণীজগতের পরিবর্তে রোবর্ট দিয়ে পরিচালনার ব্যবসার প্রদর্শনী শুরু করেছেন। যা যুক্তরাষ্ট্রের বারমুড়া টুইন ট্রায়াঙ্গেল সবার আগে গিলে খাবে উত্তর আমেরিকাকে। এবং এটিই হবে বর্তমান ফেক সাইন্স ফ্যাকাল্টির দুই পশ্চিম এবং দুই পূর্ব ব্ল্যাক হোলে মিলিয়ে যাওয়ার শুরু ও শেষ। যা পশ্চিম উত্তর আমেরিকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সাগর, মহাসাগর, ইউরোপ, এশিয়া সহ সকল শহর হয়ে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের শহুরে সভ্যতা এবং এর নিকটবর্তী ও দূরবর্তী অঞ্চলের সাগর নদী মহাসাগরের টুইন পানির এন্টি ফিল্ড পূর্ব দিকে গিয়ে অস্তাচল তৈরি করে বিলুপ্ত হবে।
এখন প্রত্যেকটি ফেক সাইন্স ফ্যাকাল্টির দেশগুলোর এন্টি প্ল্যানেটারি এক্টিভিটি বা ডোয়ার্ফ এক্টিভিটি করছেন এবং তাতে আপনাদের টেরিটোরি বৃদ্ধি করছেন যেহেতু, এজন্য আপনাদের পূর্ব পশ্চিম বা দিবস ও রাতের টুইন সারফেস ও টুইন আকাশকে মিলিয়ে নিন।
যুবরাজ /০২.০৪.২০২৫।