The law prohibiting people from traveling to mountains, polar rings, forests is necessary

Ban tourist travel to Everest region. Restore the mountain areas of the entire world to the condition of 200 years ago. Remove human habitation. Every state has to take these responsibilities. These high poled twin fields must be protected. For river water flow.Ban human travel to the Twin Arctic Circle.


Ban tourist travel to Everest region. Restore the mountain areas of the entire world to the condition of 200 years ago. Remove human habitation. Every state has to take these responsibilities. These high poled twin fields must be protected. For river water flow.Ban human travel to the Twin Arctic Circle. If the Twin Oceans spin, Uranus and Venus will twin spin. If human entry is denied, they will become twin streams of water, twin streams of earth.Uranus Twin and Venus Twin beautifully simultaneously with the two opposites of the two hemispheres the four moons of the twin magnetic fields connecting to the four fields of the twin earth will maintain the river flow scale.

Human civilization has to ensure the flow of rivers without interruption. Restrict human travel to replant the balance of what forests still have in the country. And restore those that existed at least 200 years ago and are no longer there. The state has to do these things.Create surface water reservoirs for cultivation. Create balance plants. A source of water will be created. Shut down 90℅ of machinery industry. Use man power to diversify flora and fauna. Trim and unprofessionalize the man power of politics.Make the office court smaller and closer to living. Reduce traffic. Practice walking. Reduce concrete placement. Break down the city and enter the charge of the twin earths. Limit any electricity use and turn it off at night except for emergencies. Reduce long distance trade. Stop mining. Change the economic indicators. Build resources by turning each country's living surface into a twin surface of Earth. Avoid foreign currency flow dependency policy of all countries foreign debt dollar pound ruble etc.Half of the planetary twin field is on the verge of extinction if there is no vegetation and the breathing flow of flora and fauna or biosphere around you.

During the dry season, the amount of water being extracted from the ground in agriculture, industry, and urban life has created small cracks in the surface of the soil in agricultural and forest areas. There is no water moisture in these soil cracks. The moon cannot cause water fusion in these soils, so fission does not occur. Cracks also occur due to lack of plant structure. There is no water moisture in these soil cracks. The moon cannot cause water fusion in these soils, so fission does not occur. The concrete surface in the city is separated from the anti-fields of the planets or minerals.The fresh water twin space twin Earth's skeletal system interacts with the various twin matter beams to enter the dwarf planet's twin field. The supply chain of the twin magnetic fields of oxygen and nitrogen is disrupted in the day and night ground in a twin transmission of opposites within.

Again, artificial electricity has to be used for artificial irrigation. This also has to take the charge of the twin earth with the anti-twin field. The above points can increase the field of the dwarf twin planets to less than 1/6th of the natural field of the twin planets as is often said. I talked about the twin cracks in the soil. Very close to these cracks, there is a twin flow of UV light adjacent to the black hole, which is burning as laser twin at any time. Let's make this a little more clear. Twin water fission fusion does not occur in dry regions. As a result, fission fusion of oxygen nitrogen is not there.Although in the sky, nitrogen oxygen comes from the opposite world and comes from the surrounding during the day. As planes and spaceships travel in space and space-accelerating vehicles travel, the negative charge twin or magnetic twin field flow of oxygen nitrogen suddenly turns zero.And that's when the laser beam came out from these cracks. The oxygen supply chain is in critical condition across many remote areas where this occurs. Now whenever the flame catches, the oxygen vacuum continues and the laser beam continues its work. How do you close this field with nitrogen?

Nitrogen is the twin of oxygen in the atmosphere. As the oxygen has moved to the anti field, its anti field surface is burning because it is hydrogen. And when nitrogen is sputtering, this nitrogen is creating a twin field of black hole with hydrogen.which produces odorous NH3 on fusion. Fission occurs and hydrogen remains as nitrogen.Oxygen comes from the anti field and ignites this hydrogen on the surface. Which acts as dark matter energy. Oxygen deprivation continues.If there was a 24-hour oxygenated plant here, the laser beam would not travel through the twin fields of both grounds because of oxygen.

Quick Study Rakim University Scientific Analysis of Theory. Play a role in saving mankind from the catastrophe of the Twin Planetary Fields. May Almighty Allah grant everyone the right understanding of science.
Yuvraj /23.01.2025-Rakim University


পাহাড়, পোলার রিং, বনাঞ্চলে মানুষের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আইন জরুরি

এভারেস্ট এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষিদ্ধ করে দিন। সমগ্র পৃথিবীর পাহাড়ি এলাকাগুলো ২০০ বছর আগের অবস্হায় ফিরিয়ে আনুন। মনুষ‍্য বসবাস সরিয়ে নিন। প্রত‍্যেক রাষ্ট্রকে এসব দায়িত্ব নিতে হবে। এসব উঁচু খুঁটিযুক্ত টুইন ফিল্ডকে রক্ষা করতে হবে। নদীর পানি প্রবাহের জন‍্য। টুইন আর্কটিক সার্কেলকে মানুষের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিন। টুইন মহাসাগর স্পিন করলে ইউরেনাস ও ভেনাস টুইন স্পিন করবে। মানুষের প্রবেশ নিষেধ করলে এরা টুইন পানির টুইন পৃথিবীর ঝর্না ধারা হবে। ইউরেনাস টুইন ও ভেনাস টুইন সুন্দরভাবে একই সাথে দুই গোলার্ধের দুই বিপরীত সহ টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডের চারটি চাঁদ টুইন পৃথিবীর চারটি ফিল্ডে কানেক্ট হয়ে নদীর প্রবাহ স্কেল ম‍্যান্টেইন করবে।

মানব সভ‍্যতাকে নদীর প্রবাহ বাধাহীনভাবে প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। যার দেশে যতোটা বনাঞ্চল এখনও আছে সেসব ব‍্যালান্স উদ্ভিদে ভরিয়ে তোলার জন‍্য মানুষের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিন। এবং যাদের অন্তত: ২০০ বছর আগেও ছিলো এখন নেই সেসব পূনরুদ্ধার করুন। এসব কাজ রাষ্ট্রকে করতে হবে।

চাষাবাদ করতে সারফেসের পানির আধার তৈরি করুন। ব‍্যালান্স উদ্ভিদ তৈরি করুন। পানির উৎস তৈরি হবে। মেশিনারিজ শিল্প ৯০℅ বন্ধ করে দিন। ম‍্যান পাওয়ারকে উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের বৈচিত্র তৈরিতে কাজে লাগান। রাজনীতির ম‍্যান পাওয়ারের সংখ‍্যা ছেঁটে ফেলুন এবং অপেশাদার করুন। অফিস আদালত ছোট করুন এবং বসবাসের কাছাকাছি করুন। যান‍বাহন কমিয়ে ফেলুন। পায়ে হেঁটে চলার অভ‍্যাস করুন। কঙ্ক্রিট বিছানো কমে ফেলুন। শহরকে ভেঙ্গে ছোট করে টুইন পৃথিবীর চার্জ প্রবেশ করান।যেকোনো বিদ‍্যুতের ব‍্যবহার খুবই সীমিত করুন এবং রাতে ইমার্জৈন্সী ছাড়া নিভিয়ে রাখুন। দূরের বাণিজ‍্য কমিয়ে ফেলুন। খনিজ উত্তোলন বন্ধ করুন। অর্থনীতির সূচক বদলে ফেলুন। প্রত‍্যেক দেশের বসবাসের সারফেসকে পৃথিবীর টুইন সারফেসে পরিণত করে সম্পদ বানান । সকল দেশের বৈদেশিক ঋণ ডলার পাউন্ড রুবল ইত‍্যাদি ফরেন কারেন্সী প্রবাহ নির্ভরতার নীতি পরিহার করুন। উদ্ভিদ না থাকলে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত বা জীবজগতের শ্বাস প্রশ্বাসের প্রবাহ আপনার চারিপাশ্বে না থাকলে প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের অর্ধেক বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

শুকনো মৌসুমে চাষাবাদে, ইন্ডাস্ট্রিতে, শহুরে জীবণযাত্রায় যে পরিমাণ পানি ভূগর্ভ থেকে উত্তোলিত হচ্ছে চাষাবাদ ও বনাঞ্চলের মাটির চেহারায় ছোট বড় ফাটল তৈরি হয়েছে। এসব মাটির ফাটলে পানির আর্দ্রতা নেই। চাঁদ এসব মাটিতে পানির ফিউশন ঘটাতে পারে না যে কারণে ফিশনও ঘটে না। উদ্ভিদের ব‍িন‍্যাস না থাকায়ও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এসব মাটির ফাটলে পানির আর্দ্রতা নেই। চাঁদ এসব মাটিতে পানির ফিউশন ঘটাতে পারে না যে কারণে ফিশনও ঘটে না। শহরে কঙ্ক্রিট সারফেস আলাদা হয়ে গেছে প্ল‍্যানেটগুলোর এন্টি ফিল্ড থেকে বা খনিজ থেকে। সুপেয় পানির টুইন স্পেস টুইন পৃথিবীর স্কেলেটাল বিভিন্ন টুইন ম‍্যাটার বিমের সাথে বিক্রিয়া করে বামণ গ্রহের টুইন ফিল্ডের অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডের সাপ্লায় চেইন অভ‍্যন্তরীণ পরস্পর বিপরীত টুইন ট্রান্সমিশনে দিবস ও রাতের মাটিতে ব‍্যহত হচ্ছে।

আবার যখন কৃত্রিমভাবে সেচ কার্য পরিচালনা করছেন কৃত্রিম ইলেক্ট্রিসিটির সাহায‍্য নিতে হচ্ছে। এটিও টুইন পৃথিবীর চার্জকে এন্টি টুইন ফিল্ড করে নিতে হচ্ছে। উপরিউক্ত যেসব বিষয়ের কথা বলা হয়েছে তা বামণ টুইন গ্রহের ফিল্ড টুইন গ্রহগুলোর ন‍্যাচারাল ফিল্ডকে আর ১/৬ অংশেরও কম বাড়াতে পারবে যা বার বার বলা হচ্ছে। আর এতেই এই অবৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির সকল কিছুর টুইন স্হান উপর নীচ পূর্ব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণে যা কিছু আছে সব ব্ল‍্যাক হোলে প্রবেশ করে অদৃশ‍ৎ হয়ে যাবে।

ধীর গতিতে চলার অভ‍্যাস করুন। টুইন পৃথিবীর স্পিনিং গতি কমিয়ে ফেলছেন বলে ব্ল‍্যাক হোলের কাছাকাছি চলে যাচ্ছেন। এই যে মাটির টুইন ফাটলের কথা বললাম এসব ফাটলের খুব কাছাকাছি ব্ল‍্যাক হোল সংলগ্ন ইউভির টুইন প্রবাহ চলছে যা যে কোনো সময় লেজার টুইন হয়ে আগুণ ধরিয়ে দিচ্ছে। বিষয়টিকে আর একটু পরিস্কার করা যাক। টুইন পানির ফিশন ফিউশন খড়া অঞ্চলে হচ্ছে না। ফলে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ফিশন ফিউশন সেখানে নেই বললেই চলে। যদিও আকাশ পথে নাইট্রোজেন অক্সিজেন বিপরীত পৃথিবী থেকে আসে ও দিনে আশে পাশে থেকে আসে। আকাশ পথে প্লেন চলায় ও স্পেসশীপ চলায় ও স্হানীয়ভাবে দ্রুত গতির যানবাহন চলায় নেগেটিভ চার্জ টুইন বা অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ম‍্যাগনেটিক টুইন ফিল্ডের প্রবাহ হঠাৎ জিরো হয়ে যায়। আর তখনই এসব ফাটল থেকে লেজার রশ্মি বেড়িয়ে পরে। এটি যে এলাকায় ঘটে মোটামুটি বলা যায় দূরবর্তী অনেক এলাকা জুড়ে অক্সিজেনের সাপ্লাই চেন সংকটাপন‍্য অবস্হায় থাকে। এখন যখনই আগুণ ধরে যায় তখন অক্সিজেনের শূন‍্য অবস্হা চলতে থাকে আর লেজার রশ্মি ওর কাজ করে চলে। আপনি নাইট্রোজেন দিয়ে এই ফিল্ড কিভাবে বন্ধ করবেন?

নাইট্রোজেনতো অক্সিজেনের টুইন হয়ে থাকে বায়ুমন্ডলে। অক্সিজেন এন্টি ফিল্ডে চলে গিয়েছে বলে এর এন্টি ফিল্ড সারফেসে হাইড্রোজেন হয়ে আছে বলে জ্বলছে। আর নাইট্রোজেন যখন ছিটিয়ে দিচ্ছেন তখন এই নাইট্রোজেন হাইড্রোজেনের সাথে ব্ল‍্যাক হোলের টুইন ফিল্ড তৈরি করছে। যা ফিউশনে দূর্গন্ধযুক্ত NH3 তৈরি করে। ফিশন ঘটে আবার হাইড্রোজেন নাইট্রোজেনই থাকে।

এন্টি ফিল্ড থেকে অক্সিজেন এসে সারফেসের এই হাইড্রোজেনকে জ্বালাতে থাকে। যা ডার্ক ম‍্যাটার ইনার্জী হিসাবে কাজ করে। অক্সিজেনের শূন‍্য অবস্হা চলতে থাকে। এন্টি ফিল্ড থেকে অক্সিজেন এসে সারফেসের এই হাইড্রোজেনকে জ্বালাতে থাকে। যা ডার্ক ম‍্যাটার ইনার্জী হিসাবে কাজ করে। অক্সিজেনের শূন‍্য অবস্হা চলতে থাকে। এখানে যদি ২৪ ঘন্টা অক্সিজেন দেওয়া উদ্ভিদ থাকতো তাহলে উভয় গ্রাউন্ড টুইন ফিল্ডে অক্সিজেন থাকায় সেখানে লেজার রশ্মি বেড় হতো না।

দ্রুত স্টাডি করুন রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষন । টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের মহাবিপদ থেকে মানবজাতিকে রক্ষায় ভূমিকা রাখুন। মহান আল্লাহ সকলকে সঠিকভাবে বিজ্ঞান বোঝার তৌফিক দান করুন।
যুবরাজ /২৩.০১.২০২৫-রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়