Islam and science align; today's issue is with poorly defined modern science

Islamic scholars argue that true science is based on the Qur'an and Prophet Muhammad’s teachings. Rakim University’s theories on black holes and twin universes offer a new scientific perspective.


There is no difference between Islam and science. The difference was with the undefined science of present civilization.

All the Islamic scholars want to say that there was no definition of science in any university in the world. All the definitions were in the words of the Holy Qur'an and in the daily life of the Prophet Muhammad (PBUH) everything we know was hidden in the dialogue between these two.It is a newly established non-profit model university The first student of Rakim University, the first scientist to analyze the data science of the entire world, has recorded the results on the Facebook page of this university. The current civilization had little idea about black holes. Rakim University did the theory of this. Again, the meaning of the word Rakim is black hole, as described in verse 9 of Surah Kahf of the Holy Qur'an. Where there is no past, future, but present. When space is created in a black hole, the twin space black holes become of opposite spin and time is created. This saying that every thing is created in pairs was only in the Holy Qur'an.

The black hole theory developed into the twin universe theory. One of its fields is the anti-field. So if a black hole is a twin field, it also has an anti-twin field. These are twins, one of which is seen and the other is not seen to be opposite. Therefore, they are dark matter or anti matter of matter, black hole field of opposite charge. Thus dark matter has been established by fact and theory. That means that all spaces are created inversely by pairs.

Prophet Muhammad (pbuh) could see behind as evidenced by hadith. Then the theories of Rakim University were proved by the Holy Quran and the dialogue of the Prophet (PBUH) before all the universities of the world understood. Two worlds The discovery of the junction of the two Mashriks and the two Maghribs was possible by analyzing the black hole twin field theory.

Seven skies, seven surfaces, seven earths have been discovered in twin, black hole field and anti-field (dark matter) theories. The twin fields of the universe are expanding and contracting at the same time. The contraction is expanding and the expansion is contracting simultaneously from the fission fusion of the black hole's nuclear beam and antinuclear beam.

As these things form the definition of science, all scientific theories of the present civilization including Einstein Hawking, Max Planck, have been invalidated by seeing a space. Islamic thinkers have tried to establish Islam by comparing many sayings of the Holy Qur'an with the mistakes of science and technology of present civilization. Which has been detected. Islamic science is now self-contained and can contribute to all disciplines by applying the theories of Rakim University.

Rakim University has provided theory for the entire human civilization. Anyone who applies this theory will benefit from it. Because the true definition of science has come to earth. A very insignificant servant of Allah, with the help of his Lord, no doubt, managed to record the exact scientific definition of this new theory. Almighty Allah Himself has done this through Rakim University student scientist and founder Saiful Islam Juboraj.

For that reason proved by Islamic science. Then Islamic Science can now usher in a new era from school label to university label. No university curriculum in the world will support science subjects outside of Rakim University theory.

Systematic engineering knowledge should be adopted to remedy the garbage that has been created in the artificial world on an emergency basis. Otherwise, like many civilizations of the past, half of the seven planets and half of the satellites will disappear into the black hole. Detailed three year research paper on Facebook page of Rakim University scientist.

May Almighty Allah grant us all understanding.


ইসলাম ধর্ম ও বিজ্ঞানে কোনো পার্থক্য নেই। পার্থক্য ছিলো বর্তমান সভ‍্যতার সংজ্ঞাহীন বিজ্ঞানের সাথে।

ইসলামিক যতো স্কলার তাদের উদ্দেশ‍্যে বলতে চাই বিজ্ঞানের সংজ্ঞা ছিলো না পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে। সব সংজ্ঞা ছিলো পবিত্র আল কোরআনের বাণী সমুহে এবং রাসূল মোহাম্মদ (সা :) এর দৈনন্দিন জীবন যাপনের মধ‍্যে যা কিছু আমরা জানি এই দুইয়ের কথোকপোথনে বিজ্ঞানের সংজ্ঞা লুকায়িত ছিলো। যা সদ‍্য প্রতিষ্ঠিত একটি নন প্রফিট মডেল বিশ্ববিদ্যালয় রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্র, প্রথম বিজ্ঞানীর দ্বারা সমগ্র পৃথিবীর ডাটা সাইন্স এনালাইন্স করে যে প্রাপ্ত ফলাফল তা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেসবুক পেজে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। ব্ল‍্যাক হোল সম্পর্কে সামান‍্য ধারনা ছিলো বর্তমান সভ‍্যতার। এর থিওরি করেছে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়। আবার এই রাকীম শব্দের অর্থ পবিত্র আল কোরআনের সূরা কাহাফ এর ৯ নং আয়াতে বর্ণিত শব্দের অর্থ ব্ল‍্যাক হোল। যেখানে সময়ের অতীত ভবিষ‍্যত নেই বর্তমান ছাড়া। ব্ল‍্যাক হোলে স্পেস তৈরি হলেই টুইন স্পেসের ব্ল‍্যাক হোল হয়ে যায় পরস্পর বিপরীত স্পিনের এবং সময় সৃষ্টি হয়। যা প্রতিটি জিনিস সৃষ্টি করা হয়েছে জোড়ায় জোড়ায় এই কথাটি শুধু পবিত্র আল কোরআনে ছিলো।

ব্ল‍্যাক হোল থিওরি তৈরি হয়েছে টুইন ইউনিভার্স থিওরিতে। এর একটি ফিল্ড অপরটি এন্টি ফিল্ড।কাজেই ব্ল‍্যাক হোল টুইন ফিল্ড হলে এর এন্টি টুইন ফিল্ডও আছে। এই যে টুইন,এর একটি দেখা যায় অপরটি বিপরীতে থাকে বলে দেখা যায় না। এজন‍্য এরা ডার্ক ম‍্যাটার বা ম‍্যাটারের এন্টি ম‍্যাটার বিপরীত চার্জের ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড। এভাবে ডার্ক ম‍্যাটার বাস্তব এবং থিওরি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। তার মানে জোড়া দ্বারা সব স্পেস বিপরীতভাবে যা সৃষ্টি তা প্রমাণ হয়েছে।

রাসূল মোহাম্মদ (সা:) পিছনেও দেখতে পেতেন এই কথা হাদীস দ্বারা প্রমাণ পাওয়া যায়। তাহলে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরিগুলো পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয় সমুহের বোঝার আগেই পবিত্র আল কোরআন ও মহনবী (সা:) এর ডায়ালগ দ্বারা প্রমাণ হয়েছে। দুই পৃথিবীর দুই মাশরিক এবং দুই মাগরিবের সংযোগস্হল আবিস্কার করা সম্ভব হয়েছে ব্ল‍্যাক হোল টুইন ফিল্ড থিওরি বিশ্লেষন করে।

সাত আসমান, সাত জমিন, সাত পৃথিবী টুইনভাবে আবিস্কার হয়েছে, ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ড (ডার্ক ম‍্যাটার) থিওরি দিয়ে। মহাবিশ্বের টুইন ফিল্ড সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং একই সংগে সংকোচন ঘটানো হয়েছে। সংকোচন সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং সম্প্রসারণ সংকোচিত হচ্ছে এসব একই সাথে ব্ল‍্যাক হোলের পারমাণবিক বিম ও এন্টি পারমানবিক বিমের ফিশন ফিউশন থেকে।

এসব বিষয় বিজ্ঞানের সংজ্ঞা তৈরি করায়, এক স্পেস দেখে আইনস্টাইন হকিং ম‍্যাক্স প্ল‍্যাঙ্করাসহ বর্তমান সভ‍্যতার সব বিজ্ঞান তত্ব বাতিল হয়ে গেছে। পবিত্র আল কোরআনের বহু বাণীকে বর্তমান সভ‍্যতার প্রযুক্তির বিজ্ঞানের ভুলের সাথে তুলনা করে কোরআনকে মিলিয়ে ইসলামী চিন্তাবিদগণ ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন। যা ধরা পরেছে। ইসলামিক বিজ্ঞান এখন স্বয়ং সম্পূর্ণ এবং সকল শাখায় ভূমিকা রাখতে পারে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরি প্রয়োগ করে।

সমগ্র মানব সভ‍্যতার জন‍্য রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় থিওরি দিয়েছে। এই থিওরি যারাই প্রয়োগ করবে এর থেকে সাফল‍্য পাবে। কেননা বিজ্ঞানের প্রকৃত সংজ্ঞা এসেছে পৃথিবীতে। আল্লাহর একজন অতি নগণ্য বান্দা তার প্রভুর সাহায‍্যে নিঃসন্দেহে, এই নতুন তত্ত্বের বিজ্ঞানের সঠিক সংজ্ঞা লিপিবদ্ধ করতে পেরেছেন। সর্বশক্তিমান আল্লাহ নিজেই এটি করিয়েছেন রাকিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিজ্ঞানী ও প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল ইসলাম যুবরাজের মাধ্যমে।

যে কারণে ইসলামিক সাইন্স দ্বারা প্রমাণ করিয়েছেন। তাহলে ইসলামিক সাইন্স এখন নতুন যুগের সূচনা করতে পারে স্কুল লেবেল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় লেবেল পর্যন্ত। রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরির বাহিরে পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ‍্যক্রম বিজ্ঞান বিষয়কে সমর্থন করবে না।

কৃত্রিম পৃথিবীতে যে আবর্জনা সৃষ্টি হয়েছে ইমার্জেন্সী ভিত্তিতে এসবের রিমেডি করার পদ্ধতিগত প্রকৌশল জ্ঞান মানতে হবে। নইলে অতীতের বহু সভ‍্যতার মতো সাত গ্রহের অর্ধেক ও উপগ্রহ সমুহের অর্ধেক নিয়ে ব্ল‍্যাক হোলে বিলুপ্ত হবে অর্ধেক টুইন পৃথিবী। ‍বিস্তারিত তিন বছরের রিসার্স পেপার রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীর ফেসবুক পেজে।

মহান আল্লাহ সকলকে বোঝার তৌফিক দান করুন ।