From arctic circle to quasar pulsar nebula sun pole star these are our world
The two Suns and the two Pole Stars from the Arctic Twin Circle are the origin of our Twin Earth. This is easy to understand for those who have learned to take pictures with telescopes near the black hole.
From arctic circle to quasar pulsar nebula sun pole star these are our world
Splitting from the Arctic circle
The two Suns and the two Pole Stars from the Arctic Twin Circle are the origin of our Twin Earth. This is easy to understand for those who have learned to take pictures with telescopes near the black hole.These two twin polar regions first revealed the existence of four ash-like reactors just at the beginning of the quasar furnaces two Udaya and two Austachal. The dot is not the time. Dot point time is the entrance door to the black hole.Where the present tense flows and the non-existence of creation is revealed to creation.
The twin pulsars of this burn form a twin pulsar sun in the north and a twin in the north, the twin nebula in the south.And in the south, the Pole Star Twin Nebula is formed in the north, and the Pole Star (twin pulsar) is formed in the south of the Sun in the north. The resident of the hemisphere sees the opposite Sun or Pole Star. Each is seen to rise in the east at 12-hour intervals, one rising in the east and the other rising in the west.
But for each of Udaya (risings) and Austachle (settings) these twin opposite worlds go from opposite spinning to dot point spinless or non-existent repose, then the next repose the spinning direction changes as west rise becomes east. And the former shows east west.
This split and indivisible state of the arctic circle is from fission and fusion reactions, respectively, which are taking place in opposite directions at the same time. That is, fission is from fusion and fusion is from fission. These have been explained a lot.
How the arctic circle is north-east-west, and south-west-east creates two easts and two wests as the black hole bends the beam with its spin in the DC current system. which has been interpreted in many ways. Therefore, the straight path of light is canceled.
These arctic circles are called quasars. Make them 30 miles around your area. Sun and Pole Star will rise naturally. Study Black Hole Science from world's only model university, Rakim University, Pranathpur Bangladesh.Make it easy and prevent half of the planetary twin field from being destroyed.
Juboraj/2025.01.20
আর্কটিক সার্কেল থেকে কোয়েসার পালসার নেবুলা সূর্য পোলস্টার এসবই আমাদের পৃথিবী
আর্কটিক সার্কেল থেকে কোয়েসার পালসার নেবুলা সূর্য পোল স্টার এসবই আমাদের পৃথিবী
আর্কটিক টুইন সার্কেল থেকে দুটি সূর্য ও দুটি পোল স্টার আমাদের এই টুইন পৃথিবীর অরিজিন। এটি বুঝতে হলে ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি যারা দূরবীণ ক্যামেরায় ছবি তোলা শিখেছেন তাদের জন্য খুবই সহজ। এই দুই টুইন পোলার রিজিয়ন প্রথমে কোয়েসার চূল্লি দুই উদয় ও দুই অস্তাচলের জাস্ট শুরুতে চারটি ছাইয়ের মতো চুল্লির অস্তিত্ব প্রকাশ করে। ডট পয়েন্ট সময় নয়। ডট পয়েন্ট সময় ব্ল্যাক হোলের প্রবেশ দ্বার। যেখানে বর্তমান কাল প্রবাহিত হয় এবং সৃষ্টির অনস্তিত্বের প্রকাশ ঘটে সৃষ্টির কাছে।
এই পোড়া চারটি চূল্লির টুইন থেকে উত্তর থেকে এক টুইন পালসার সূর্য তৈরি করে উত্তরে অপর টুইন করে দক্ষিণের টুইন নিহারীকা। আর যে করে দক্ষিণে তার উত্তরে তৈরি হয় পোল স্টার টুইন নিহারীকা আর যার উত্তরে সূর্য তার দক্ষিণে পোল স্টার(টুইন পালসার)।যে যে গোলার্ধের বাসিন্দা তার বিপরীতের সূর্য বা পোল স্টার দেখে থাকে। প্রত্যেকে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে তা দেখে পূর্ব থেকে উদিত হতে যা পূর্ব থেকে উদিত হলে অপরটি পশ্চিম থেকে উদিত হওয়া দেখার কথা।
কিন্তু উদয় ও অস্তাচলে প্রত্যেকের জন্য এই দুই বিপরীত পৃথিবী পরস্পর বিপরীত স্পিনিং থেকে ডট পয়েন্টের স্পিনলেস বা অস্তিত্বহীন অবস্হার পরেই তা আগের অবস্হার স্পিনিং ডাইরেকশন পরিবর্তন হয়ে যায় বলে পশ্চিমের উদয় পূর্ব হয়ে যায়। আর আগের পূর্ব পশ্চিম দেখায়।
আর্কটিক সার্কেলের এই বিভাজন ও অবিভাজ্য অবস্হা যা যথাক্রমে ফিশন ও ফিউশন বিক্রিয়া থেকে একইসময় বিপরীত ভাবে সংঘটিত হচ্ছে।অর্থাৎ যা ফিশন হচ্ছে তা ফিউশন থেকে আর ফিউশন হচ্ছে ফিশন থেকে।
আর্কটিক সার্কেল কিভাবে উত্তর থেকে পূর্ব পশ্চিম, আর দক্ষিণ পশ্চিম পূর্ব হয় তা ডিসি কারেন্ট পদ্ধতিতে রশ্মিকে ব্ল্যাক হোল ওর স্পিন দিয়ে বাঁকিয়ে নিয়ে যায় বলে দুই পূর্ব দুই পশ্চিম সৃষ্টি করেছে। যা বহুভাবে ব্যাখ্যা হয়েছে। একারণে আলোর সোজা পথে চলা বাতিল হয়ে গেছে।
এসব আর্কটিক সার্কেলকে কোয়েসার বলে।এসব তৈরি করুন নিজের এলাকার চারিদিকের ৩০ মাইল ব্যাপী। সূর্য ও পোল স্টার স্বাভাবিকভাবে উঠবে। ব্ল্যাক হোল বিজ্ঞান স্টাডি করুন পৃথিবীর একমাত্র নমুণা বিশ্ববিদ্যালয়, রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়, প্রান্নাথপুর বাংলাদেশ থেকে।খুব সহজে করে দেখান এবং প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের অর্ধেক ধ্বংস হওয়া প্রতিরোধ করুন। যুবরাজ /২০.০১.২০২৫