Dubai's Flying Eagle Car; Fast artificial world, take a break.

Dubai's Flying Eagle Car sparks thoughts of an airborne utopia. Rakim University critiques modern science, highlighting the failure of quantum physics and the environmental damage caused by mismanagement of Earth’s twin fields


Topic: - Dubai's Flying Eagle Car. Fast-paced running of the artificial world. give a break

Many people think of a castle in the air after seeing the eagle type transport in the sky based in Dubai. Adding to the comment I made on one such person's viral social media page Writing in an attempt to add conjunctive analysis.

The Earth's twin field is charged by twin-fission fusion of opposite charge spins and anti-field beams, fusion-fission of oxygen anti-oxygen black hole field and nitrogen anti-nitrogen anti black hole field fission fusion organic inorganic black hole field fission fusion. The magnetic field and anti-field of these black holes are creating two opposite earth charges of the black hole field and anti-field of the surface and atmosphere by splitting and anti-splitting.

These Organism and Inorganism systems are in opposite spins of the earth's twin black hole engines relative to the circulation field of flora and fauna. As the animal world descends from life to death, its body forms the soil organism system. The same plant. But human civilization burns plants among these for fuel. And many civilizations burn human bodies.

Again this organism material brought fossil fuels up from the surface. So the function of oxygen nitrogen has become almost inactive. Again in plant reproduction, atmospheric matter causes nuclear and anti-nuclear beam reactions with soil organisms. Civilizations do not exist without the creation of chemical compounds or mineral resources that the antimatter of other planets react with the matter and antimatter of the Earth and the natural field of the Earth is compressed. The surface of the twin Earths is composed of a combination of the black hole fields and anti-fields of the seven twin planets. The interpretation of the magnetic field of these has been discussed earlier. Again at the beginning of creation the creator planted plants before creating mankind that is why our earth is still moving. This information is available in the scriptures.

This can also be proved in this way. New York City has neither the soil nor the atmosphere of Earth's natural twin fields. The twin of organic and inorganic black hole beam fields was lost hundreds of years ago. All the people declared to abandon this city, if they return to this city after forty years, then the people of the United States will get a twin earth of natural standard quality with fresh water source along with animal and plant life. Soil organisms will establish over all types of concrete coatings and even over any munitions.

The natural field is almost extinct in the field due to the lack of a scientific definition. Oxygen nitrogen source is supposed to be produced from plant field and anti field. That too, on the surface of the earth under the pressure of chemical fertilizers and chemists, through black hole transmission lines DC current and AC current flow in the two opposite worlds has caused deadlock. As engineering professions and physicists use undefined technology to apply single space theory, everything now looks like a pile of garbage. Anti-field objects take time to become visible to us because black holes bend light rays and make them visible to us at great distances. But we didn't realize that we are seeing the anti-field nearby with the addition of DC current. In fact, the anti-black hole field of the electron beam black hole is like looking at the electron beam from the middle of the positron beam. If you could enter there and see. Again, it is like seeing positrons from the electron beam of the black hole of the anti-atom beam. Which is just the twin fields of the twin magnets that make the DC current mean by day and night. Again as in the main DC current picture we see the sun during the day as the earth at night. And at night the earth of the day is in the sky as constant stars. I also see only the twin black holes on the surface of which the magnetic field is opposite to the sun or the polar stars. Its seven twin planets and twin moons together have 16 opposing black holes, which are only 2 of the space of the two Earths.

At this point the natural earth's twin fields do not have the natural ability to supply the power demands of artificial civilizations.Analysis of the theory of Rakim University is given as follows. Know the definition of science. An artificial Earth would have no technology if the poles moved from 64 degrees to 90 degrees. This 64 degree shift is from the natural world to the artificial world. Analysis of its anti-magnetic field black hole relationship has been mentioned several times in previous research papers. Quickly learn about science and prevent the extinction of this artificial human civilization. The details have been published on the Facebook page of Rakim University Bangladesh.

The opposite Earth's radiation storm (solar storm) is fiercely approaching. Want to stop? Want to stop tectonic plate rifts? If the twin fences of the planetary system become the large-scale asteroids and comets of the black hole field, the empty sky will be seen. Artificial territories in interplanetary systems cannot see Earth's black hole field and anti-field. A twin from another planet will appear. Twin bodies, twin surfaces, twin skies will merge into black holes. They are very unlucky.

Want to stop the ice melting? Want to remove the garbage from Earth's civilization? Want to fix the covid-19 black hole field and anti field alignment? Want to see the flow of fresh water on the surface of the earth again? Want to live in the natural world? Then learn Rakim University Science Definition. Implement the orders of signs of . Rakim University Bangladesh is sending a very urgent message. The artificial world is falling apart, it is said from the data analysis report of the entire world.


দুবাইয়ের উড়ন্ত ঈগল কার । কৃত্রিম পৃথিবীর দ্রুত গতির ছুটে চলা। বিরতি দিন।

দুবাইভিত্তিক আকাশে চলা ঈগল টাইপের ট্রান্সপোর্ট দেখে অনেকে আকাশ কুসুম ভাবছেন। এরকম একজনের সোশ‍্যাল মিডিয়ার ভাইরাল পেজে যে মন্তব‍্য দিয়েছি তাকে বর্ধিত করে আরও সংযোজিত এনালাইসিস যোগ করার প্রয়াসে লিখছি।

পৃথিবীর টুইন ফিল্ড পরস্পর বিপরীত চার্জের স্পিন ও এন্টি ফিল্ড বিমের টুইনের-ফিশন ফিউশন, ফিউশন- ফিশন থেকে অক্সিজেন এন্টি অক্সিজেনের ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ও নাইট্রোজেন এন্টি নাইট্রোজেনের এন্টি ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের ফিশন ফিউশন অর্গানিক ইনঅর্গানিক ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের ফিশন ফিউশন থেকে পৃথিবী চার্জ হচ্ছে। এসব ব্ল‍্যাক হোলের ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ড স্প্লিটিং এন্টি স্প্লিটিং করে সারফেস ও বায়ুমন্ডলের ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ডের দুই বিপরীত পৃথিবী চার্জ সৃষ্টি করছে।

এই অর্গানিজম ও ইনঅর্গানিজম সিস্টেম উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের বিচরন ক্ষেত্র সাপেক্ষ পৃথিবীর টুইন ব্ল‍্যাক হোল ইঞ্জিন পরস্পর বিপরীত স্পিনে আছে। প্রাণী জগত জীবণ থেকে মৃত‍্যুর কোলে ঢলে পরলে এর দেহ মাটির অর্গানিজম সিস্টেম তৈরি করে। তদ্রুপ উদ্ভিদ। কিন্তু মানব সভ‍্যতা এসবের মধ‍্যে উদ্ভিদ পুড়ে ফেলে জ্বালানী হিসাবে।আর মানবদেহও পুড়ে ফেলে অনেক সভ‍্যতা। আবার এই অর্গানিজম ম‍্যাটার ফসিল জ্বালানি সারফেস থেকে তুলে এনেছে। সুতরাং অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ফাংশন প্রায় ইনএক্টিভ হয়ে গেছে। আবার উদ্ভিদের প্রজননের ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডলীয় ম‍্যাটার মাটির অর্গানিজমের সাথে পারমাণবিক বিম ও এন্টি পারমাণবিক বিমের রিয়াক্শন ঘটিয়েছে। কেমিক‍্যাল কোম্পাউন্ড তৈরি ছাড়া সভ‍্যতার চলে না বা খনিজ সম্পদ যেগুলো অন‍্যান‍্য গ্রহের এন্টি ম‍্যাটার পৃথিবীর ম‍্যাটার ও এন্টি ম‍্যাটারের সাথে রিয়াক্শন করে পৃথিবীর ন‍্যাচারাল ফিল্ড সংকুচিত হয়ে গেছে।

টুইন পৃথিবীর সারফেস সাতটি টুইন গ্রহের ব্ল‍্যাক হোলের ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ডের কম্বিনেশনে গঠিত। এসবের ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডের ব‍্যাখ‍্যা ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে। আবার সৃষ্টির শুরুতে সৃষ্টি কর্তা মানবজাতি তৈরির আগে উদ্ভিদের আবাদ করেছেন যে পৃথিবী তাই আমাদের এখনও চলমান। ধর্ম গ্রন্হে এই তথ‍্য পাওয়া যায়।

বিষয়টি এভাবেও প্রমাণ করা যায়। নিউইয়র্ক সিটিতে পৃথিবীর ন‍্যাচারাল টুইন ফিল্ডের মাটিও নেই,বায়ুমন্ডলও নেই। অর্গানিক ও ইনঅর্গানিক ব্ল‍্যাক হোল বিম ফিল্ডের টুইন হারিয়েছে আরও শতাধিক বছর আগে। সব মানুষ এই সিটি পরিত‍্যাক্ত ঘোষনা করে, চল্লিশ বছর পর যদি এই শহরে আবার ফিরে আসে তাহলে প্রাণীজ ও উদ্ভিদ জগতসহ মিঠা পানির উৎস তৈরি হয়ে ন‍্যাচারাল স্ট‍্যান্ডার্ড মানের টুইন পৃথিবী পাবে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ। সব ধরনের কঙ্ক্রিটের আবরনের উপর দিয়ে এমনকি যে কোনো যুদ্ধাস্ত্রের উপর দিয়েও মাটির অর্গানিজম প্রতিষ্ঠা হবে।

বিজ্ঞানের সংজ্ঞা না থাকাতে ন‍্যাচারাল ফিল্ড স্হলভাগে প্রায় শেষ হয়ে গেছে। অক্সিজেন নাইট্রোজেনের উৎস উদ্ভিদের ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ড থেকে তৈরি হওয়ার কথা। সেটিও ভূ-উপরিভাগে কেমিক‍্যাল সার ও কেমিস্টদের দাপটে মাটির অভ‍্যন্তর দিয়ে ব্ল‍্যাক হোলের ট্রান্সমিশন লাইনের ডিসি কারেন্ট ও এসি কারেন্ট প্রবাহে দুই বিপরীত পৃথিবীতে অচলাবস্হা সৃষ্টি করেছে। যতো ইঞ্জিনিয়ারিং ব‍্যবস্হাপনা ও ফিজিসিস্টদের সংজ্ঞাহীন প্রযুক্তির ব‍্যবহার সিঙ্গেল স্পেসের তত্বের প্রয়োগে এখন সবকিছুতে আবর্জনার স্তুপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে । ব্ল‍্যাক হোল আলোক রশ্মি পেঁচিয়ে নিয়ে বহুদূর দিয়ে আমাদের দৃষ্টিগোচর করে বলে এন্টি ফিল্ডের বস্তু আমাদের দৃষ্টিগোচর হতে সময় লাগে। কিন্তু ডিসি কারেন্ট যোগে এন্টি ফিল্ড আমরা কাছাকাছি দেখছি বলে বুঝতে পারিনি। আসলে ইলেক্ট্রন বিমের ব্ল‍্যাক হোলের এন্টি ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড পজিট্রন বিমের মধ‍্যে থেকে ইলেক্ট্রন বিম দেখার মতো। যদি সেখানে প্রবেশ করে দেখা যেতো। আবার এন্টি পরমাণু বিমের ব্ল‍্যাক হোলের ইলেক্ট্রন বিম থেকে পজিট্রন দেখার মতো। যা শুধুই টুইন ম‍্যাগনেটের টুইন ফিল্ড যা ডিসি কারেন্ট মিন করে দিবস ও রাত দ্বারা।

আবার যেমন প্রধান ডিসি কারেন্ট পিক্চার সটে আমরা দিনে দেখছি সূর্যকে রাতের পৃথিবী হিসাবে। আর রাতে দিনের পৃথিবীকে ধ্রুবতারা হিসাবে আকাশে। তাও দেখছি শুধুই যে যে সারফেসে থাকে তার বিপরীত ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডের টুইন ব্ল‍্যাক হোল সূর্যকে বা ধ্রুবতারাকে। এর সাত টুইন গ্রহ ও টুইন উপগ্রহ মিলে ১৬ টি পরস্পর বিপরীত ব্ল‍্যাক হোলের যে স্পেস দুই পৃথিবীর তার মাত্র ২টি।

এই মুহুর্তে কৃত্রিম সভ‍্যতার বিদ‍্যুতের চাহিদা সাপ্লাইয়ের স্বাভাবিক সামর্থ নেই ন‍্যাচারাল পৃথিবীর টুইন ফিল্ডে। রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরির বিশ্লেষন এভাবে দেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞানের সংজ্ঞা জানুন। কৃত্রিম পৃথিবীর কোনো প্রযুক্তি থাকবে না যদি ৬৪ ডিগ্রি থেকে ৯০.ডিগ্রি পোল সরে যায়। এই ৬৪ ডিগ্রি স্হানান্তর হয়েছে ন‍্যাচারাল পৃথিবী থেকে কৃত্রিম পৃথিবী। এর এন্টি ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড ব্ল‍্যাক হোলের সম্পর্কের বিশ্লেষন কয়েকবার বলেছি আগের রিসার্স পেপার গুলোয়। দ্রুত বিজ্ঞান সম্পর্কে জানুন এবং এই কৃত্রিম মানব সভ‍্যতার বিলুপ্তি ঠেকান। রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ফেসবুক পেজে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে ।

বিপরীত পৃথিবীর রেডিয়েশন ঝড় (সৌর ঝড় ) ভয়ানকভাবে আসছে। থামাতে চান? টেকটোনিক প্লেটের ফাটল বন্ধ করতে চান? যা ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের বৃহৎ আকারের বিভিন্ন এস্টরয়েড ও ধূমকেতু হয়ে গ্রহ সিস্টেমের টুইন বেড় হলে মাঝে ফাঁকা আকাশ দেখা যাবে। গ্রহ সিস্টেমের মধ‍্যে কৃত্রিম টেরিটোরি গুলো পৃথিবীর ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ড দেখতে পাবে না। অন‍্য গ্রহের টুইন এসে হাজির হবে। টুইন দেহ, টুইন সারফেস, টুইন আকাশ ব্ল‍্যাক হোলে মিলিয়ে যাবে। বড়ই অভাগা তারা। শিক্ষিত হলে বোঝার কথা।

বরফ গলে যাওয়া থামাতে চান? পৃথিবীর সভ‍্যতার আবর্জনা সরিয়ে ফেলতে চান? কোভিড -১৯ ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ড এলাইনমেন্ট ঠিক করতে চান? পৃথিবীর সারফেসে মিঠা পানির প্রবাহ আবার দেখতে চান? ন‍্যাচারাল পৃথিবীতে বসবাস করতে চান? তাহলে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইন্স ডেফিনেশন শিখুন। এর সাইন্সের অর্ডার গুলি বাস্তবায়ন করুন। অতীব জরুরি বার্তা দিচ্ছে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ। কৃত্রিম পৃথিবী আলাদা হয়ে যাচ্ছে এসব সমগ্র পৃথিবীর ডাটা এনালাইসিস রিপোর্ট থেকে বলা হচ্ছে।