Twin Earth's magnetic twin is the reason the field is bent & virus' definition
Brikshabandhu YouTube channel was saying that the radiation of atomic bomb does not reach deep into the roots of the bamboo tree which does not happen in the case of other trees.
Brikshabandhu YouTube channel was saying that the radiation of atomic bomb does not reach deep into the roots of the bamboo tree which does not happen in the case of other trees. One such wonder plant is bamboo. Which has no scientific explanation. He could not know the answer to these words because the current civilization does not know the definition of science.
He has the highest degree of the university in Botany.
Plants, including bamboo, which supply oxygen to the two opposite worlds of day and night, twin space twin earth's magnetic field directly north south, south north.But plants that oxygenate only the day world but do not oxygenate the opposite and separate world of night show a compass magnet with their magnetic twin fields transposed to the former.
This is such a dark twin matter science that if you don't read the analysis of the black hole theory, the twin universe theory discovered by Bangladeshi scientist, you have not learned even 0℅ of science. Because science education has not been studied in any faculty of the current civilization, it is leading this civilization to extinction.
However, he was talking about bamboo. In such plants during the day, when oxygen is produced from the north, nitrogen comes from the south, just like during the day and at night, the opposite happens, but when nitrogen is produced from the black hole field in the north, oxygen comes from the south.Their twin fields would directly form twin spheres or twin balls, but both of them would explode in the middle of the day or the middle of the night and merge into black holes if there were only such plants on the twin surface of the entire earth. Which did not reveal the existence of creation.And those who only give oxygen during the day keep it off at night, so they become metallic. Although metallic, their anti-fields produce nonmetallic dark matter. They are working on the surface construction by the magnetic field they create with the sun.Again, by absorbing oxygen, their anti-field reverses the oxygen's twin magnetic field at night. As a result, the magnetic field of the bamboo like plants are cut by fission and fusion, creating the tissues of the living world.
This results in direct twin north twin south magnetic twin field bending. Which we can understand in case of compass. A compass cannot give readings where these plants are not present or are not arranged.
After such an article to understand these things, you will not be able to understand the sources invented by Rakim University. But if you want to learn science, you have to study online library of Rakim University. Otherwise, it will not be possible to prevent the extinction of the current civilization in the black hole.May the great creator give everyone the gift of understanding.
Now twin world engineering science of botany, biology has reached to the point that 1000 years ago people were more educated than today.Because at that time, mankind did not produce UV radiation. Botany and biology are producing these now. They are also responsible for the environmental disaster because the student teachers of these two faculties destroyed the oxygenated plants at night.
Their night world, which is creating the black hole field of the sun, has no plants to provide oxygen. Just absorb. Elon Musk's rocket.absorbs or eats, Electrified cities eats. Night office eats. The night sky, artificial surface, water vehicles eat.Factories that run at night eat. Electrified cities, restaurants, markets, street lighting also eat. Weapons, engineering education eat, these cannot be finished. That is why the number of articles written in four years has exceeded 1400.
I have also written a lot on this social media page such as Cambridge Oxford Harvard, Moscow, Peking, Hiroshima Nagasaki and many other universities. what will happen Again the virus panic has started in China. This happens as the concentration of these UV rays increases.
Mechanization and chemical production, mineral extraction, and expanding technology are causing rivers of radiation from the central region of the black hole to engulf the West. and partly to the east.
Aurora has come to China. Where the polar circle is moving forward, why is it moving forward, the rift in Tibet is getting bigger, these Rakim University's new formula has shown terrible evidence, but the false ranking universities of the West are not showing importance.Put the whole world on lockdown immediately, it is said over and over again. Bring the nighttime Earth's UV radiation production field down to zero. Reduce the anti-field hybridization of the polar star or daytime earth field to this anti-field of alpha, beta, gamma rays.They are creating viruses in living organisms. Details http://rakimuniversity.com
X- @JuborajI
And Facebook - saiful.alam.73550? Or Saiful Islam (Md Saiful Alom Juboraj)
thank you
Juboraj
Students, founder
Rakim University (a model of the world's first Black Hole Science and Dark Matter Science University)
Prannathpur,
Santahar
From Bangladesh
টুইন পৃথিবীর ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড বেঁকে থাকার কারণ এবং ভাইরাসের সংজ্ঞা
বৃক্ষবন্ধু ইউ টিউব চ্যানেলে বলা হচ্ছিলো পরমাণু বোমার রেডিয়েশন বাঁশ গাছের শিকড়ের গভীর পর্যন্ত পৌঁছায় না যা অন্যান্য বৃক্ষের ক্ষেত্রে তা ঘটে না। এরকম একটি আশচর্য উদ্ভিদ বাঁশ। যার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। বর্তমান সভ্যতা বিজ্ঞানের সংজ্ঞা জানে না বলে এসব কথার উত্তর তিনিই জানতে পারেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি বোটানিতে আছে তাঁর।
বাঁশসহ যেসব উদ্ভিদ দিনের এবং রাতের পরস্পর দুই বিপরীত পৃথিবীতে অক্সিজেন সাপ্লায় দেয় সেসব টুইন স্পেস টূইন পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে সরাসরি উত্তর দক্ষিণ, দক্ষিণ উত্তর করে। কিন্তু যেসব উদ্ভিদ শুধু দিনের পৃথিবীতে অক্সিজেন দেয় কিন্তু রাতের বিপরীত এবং আলাদা পৃথিবীতে অক্সিজেন দেয় না এদের ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড আগেরটির সাথে স্হানানতরিত দেখিয়ে কম্পাসের ম্যাগনেট শো করে।
এটি এমন একটি ডার্ক টূইন ম্যাটার সাইন্স যে বাংলাদেশী সাইন্টিস্টের আবিস্কৃত ব্ল্যাক হোল থিওরি, টুইন ইউনিভার্স থিওরির বিশ্লেষন না পড়ে থাকলে বিজ্ঞানের ০℅ও শেখেননি আপনারা। কেননা বর্তমান সভ্যতার কোনো ফ্যাকাল্টিতে সাইন্স শিক্ষার পঠন হয়নি বলে বিলুপ্তির পথে নিয়ে যাচ্ছে এই সভ্যতাকে।
যাহোক বাঁশ নিয়ে কথা বলছিলেন। এজাতীয় উদ্ভিদের দিনে উত্তর থেকে অক্সিজেন তৈরি হলে দক্ষিণ থেকে নাইট্রোজেন আসে যেমন দিনে ঠিক তেমনি রাতে উল্টাটা ঘটিয়েও উত্তরের ব্ল্যাক হোল ফিল্ড থেকে নাইট্রোজেন তৈরি হলে দক্ষিণ থেকে আসে অক্সিজেন । এদের যে টুইন ফিল্ড এরা সরাসরি টুইন গোলক বা টুইন বল তৈরি করবে কিন্তু এতে উভয়ে মধ্য দিন বা মধ্য রাত্রির যে ফিল্ড সেখানেই বিস্ফোরিত হয়ে ব্ল্যাক হোলে মিলিয়ে যেতো যদি সমগ্র পৃথিবীর টুইন সারফেসে শুধু এধরনের উদ্ভিদ থাকতো। যা সৃষ্টির অস্তিত্ব প্রকাশ করতো না। আবার শুধু দিনে যারা অক্সিজেন দেয় তারা রাতে বন্ধ রাখে ফলে এরা মেটালিক হয়ে যায়। মেটালিক হলেও এদের এন্টি ফিল্ড অধাতব ডার্ক ম্যাটার তৈরি করে। এরা দিনের সাথে যে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে আছে তা দ্বারা সারফেস নির্মানের কাজ করছে। আবার এরা অক্সিজেন শোষনের দ্বারাও এদের এন্টি ফিল্ড অক্সিজেনের টুইন ম্যাগনেটিক ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে রিভার্স করাচ্ছে রাতে। ফলে বাঁশ জাতীয় উদ্ভিদের ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে ফিশন ফিউশন করে কেটে নিয়ে জীব জগতের টিস্যুর ক্রিয়া ঘটাচ্ছে। এর ফলে সরাসরি টুইন উত্তর টুইন দক্ষিণের ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড বেঁকে যাচ্ছে। যা কম্পাসের ক্ষেত্রে আমরা বুঝতে পারি। যেখানে এসব উদ্ভিদের উপস্হিতি নেই বা বিন্যাস নেই সেখানে কম্পাস রিডিং দিতে পারে না।
এসব বিষয় বুঝতে এধরনের একটি আর্টিকেল পরে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবিস্কৃত সূত্রগুলোর বুঝতে পারবেন না। অথচ সাইন্স শিখতে হলে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের অন লাইন লাইব্রেরী স্টাডি করতেই হবে। অন্যথায় ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্তি ঠেকানো সম্ভব হবে না বর্তমান সভ্যতার।
মহান সৃষ্টিকর্তা যেনো সকলকে বোঝার তৌফিক দান করেন।
এখন টুইন পৃথিবীর বোটানি, বায়োলজির ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যা এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে এখন থেকে ১০০০ বছর আগের মানুষগুলো বর্তমানের চেয়ে অনেক শিক্ষিত ছিলো। এজন্য যে সেসময় ইউভি রেডিয়েশন তৈরি করতো না মানবসভ্যতা।এখন এসব তৈরি করছে বোটানি, বায়োলজিও। পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য এরাও দায়ী এজন্য যে রাতে অক্সিজেন দেওয়া উদ্ভিদের বিন্যাস নষ্ট করেছে এই দুই ফ্যাকাল্টির ছাত্র শিক্ষকরা। এদের রাতের পৃথিবী যে সূর্যের ব্ল্যাক হোল ফিল্ড তৈরি করছে সেখানে অক্সিজেন দেওয়ার উদ্ভিদ নাই বললেই চলে। শুধু শোষন করে। ইলন মাস্কের রকেটে শোষন করে বা খায়। বিদ্যুতিয়িত শহরে খায়। রাতের অফিসে খায়। রাতের আকাশ পথের,স্হলপথের ও জলপথের যানবাহনে খায়। রাতে চলা শিল্প করখানায় খায়। বিদ্যুতায়িত শহর, রেস্তোরা, মার্কেট রাস্তা ঘাটে খায়। যুদ্ধাস্ত্রে খায়, ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষায় খায়, এসব বলে শেষ করা যায় না। যে কারণে চার বছর ধরে লেখার আর্টিকেল সংখ্যা ১৪০০ টি ছাড়িয়ে গেছে। এই সোশ্যাল মিডিয়ার পেজটিতেও অনেক লিখেছি যেমন লেখা হয়েছে ক্যাম্ব্রিজ অক্সফোর্ড হার্ভার্ড, মস্কো, পিকিং, হিরোসিমা নাগাসাকিসহ অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে। কি যে হবে। আবারও ভাইরাসের আতঙ্ক চীনে শুরু হয়েছে। এসব ইউভির কনসেন্ট্রেশন আরও বাড়িয়ে যাওয়ায় এমন হচ্ছে।
যান্ত্রিকতা ও রাসায়নিক দ্রব্যের উৎপাদন, খনিজ উত্তোলনের হিড়িক পরেছে আর প্রযুক্তির সম্প্রসারনের কারণে ব্ল্যাক হোলের কেন্দ্রীয় এলাকার রশ্মির নদী গ্রাস করে ফেলছে পাশ্চাত্যকে। এবং প্রাচ্যকে পার্টলি।
চীনে চলে এসেছে অরোরা। মেরুর বৃত্ত কোথায় এগিয়ে আসছে, কেনো এগিয়ে আসছে, তিব্বতের ফাটল বৃহৎ হয়ে যাচ্ছে এসব রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ফর্মূলায় ভয়াবহ প্রমাণ দেখিয়েছে অথচ গুরুত্ব দেখাচ্ছে না পাশ্চাত্যের ভূয়া র্যাংকিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। অবিলম্বে সমগ্র পৃথিবীকে লক ডাউন দিয়ে দিয়ে পরিচালিত করুন,বার বার এ কথাটি বলা হচ্ছে। রাতের পৃথিবীর ইউভি রেডিয়েশন উৎপাদন ফিল্ড শূন্যে নামিয়ে আনুন। এর এন্টি ফিল্ড ধ্রুবতারা বা দিনের পৃথিবীর ফিল্ডকে আলফা, বিটা, গামা রশ্মির এই বিপরীত ফিল্ডে সংকরায়ন ঘটানো কমিয়ে ফেলুন।
এরা জীব জগতের দেহের ভাইরাস তৈরি করছে। বিস্তারিত http://rakimuniversity.com
X- @JuborajI
ও ফেসবুক - saiful.alam.73550? অথবা Saiful Islam( Md Saiful Alom Juboraj)
ধন্যবাদ
যুবরাজ
ছাত্র, প্রতিষ্ঠা
রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় (একটি নমুনা হিসাবে পৃথিবীর প্রথম ব্ল্যাক হোল সাইন্স ও ডার্ক ম্যাটার সাইন্স ইউনিভার্সিটি )
প্রান্নাথপুর,
সান্তাহার
বাংলাদেশ থেকে