Fasting lengthens the time of Resurrection | Rakim / Black Hole Science

When you were not in creation, your life was created because the 7 twin planets or the 7 twin organs from fission separation were united into one twin by fusion, proceeding from twin fission and twin fusion of twin viruses and twin bacteria.All of them are divided into two parts showing separation and fusion with each other by producing negative positive charge by their opposite spins.


When you were not in creation, your life was created because the 7 twin planets or the 7 twin organs from fission separation were united into one twin by fusion, proceeding from twin fission and twin fusion of twin viruses and twin bacteria.All of them are divided into two parts showing separation and fusion with each other by producing negative positive charge by their opposite spins.

In view of daily human food needs, the body of two worlds spends the amount of charge of 12 hours day and night to cause fission fusion and lose their twin space, if they do not eat for 12 hours, this charge will be surplus. That is, the twin planetary field will move towards growth.

It would first have two benefits, a food surplus. Second, planetary twin field spinning will increase their charge generation and increase the oxygen layer. This will reduce the disease rate of the world including humans. That is why God has made fasting obligatory for people.

Observance of the Fasting commands the longevity of all creations in the Twin Universe. That is why Almighty Allah has given mankind the highest status among creation.The amount of oxygen and nitrogen consumption from the surrounding field is being lost, these are not created by us. Which is being spent for our needs. We in the Total Planetary Twin Fields are now in dire straits due to systematic misapplication of essential needs causing environmental havoc.

Can 20℅ people of the whole world say who is playing a role in protecting the environment? 80℅ people cannot say. And if someone fasts, he can say that he has exceeded the charge. And if someone spends some time in prayer that he is spending while working, some of the charge is surplus.He who wastes time unnecessarily without work is of no use to the planetary twin field.

And civilization has institutionalized work in such a way that all work is a hybrid method of technology, none of which is a natural process.Earth's twin spins cause fusion and create fission by causing the beams to disperse and contract at fixed rates, creating a period of natural birth, body growth, followed by contraction death.On the contrary, the natural field is driven in reverse spin with the hybrid spin, and the natural field is burning in any direction of the dwarf twin according to the type of chemical reaction.

In the opposite sky there is always a twin family of objects of the 7 suns or 7 pole stars separated, just as they are in the fusion reaction, another family is actually the seven organs of our existence called the Earth.And the minerals that are accumulating in its body are considered valuable and are being cut by machines from the bottom and brought up and driven by machines and solar radiation is seen coming in the sky.However, due to their constant movement or persistence, the anti-matter that is being created on the twin earth in reverse spin fission fusion, i.e., the anti-ray activity has been going on since the extraction of minerals, they are showing that they are returning from the opposite space as the growth matter of our dwarf civilization. These are the asteroid comets of modern civilization's garbage. When the mineral's ore or organizational structure is broken, they appear to leave their respective planet's twin fields as debris asteroid comets, also dwarfed in the opposite space sky.And various diseases caused by viruses are created by the flow of soft alpha beta gamma rays (UV rays) in the human body. Earth's surface is like China Japan South Korea Singapore Taiwan Hong Kong and Western surface and all urban civilizations. But the percentage of Earth's flux with dwarfs still persists. A laboratory has been set up for this. How can a virus vaccine or medication cure this disease? Laboratory tools are also made from minerals. Don't laugh or cry when you see Ai technology business. Mechanical civilization will be natural human when? Los Angeles was engulfed by its volcanic mantle to be swallowed by the black hole.

Did it in Hawaii last year, did it in Quebec. Millions of scientists in the United States and China have installed virus production or ultraviolet ray production machines. Those who show magic to civilization. Illiterate needs to have a label. 80% of humanity will find it difficult to escape from the city

Figure out where your opposite space is spinning by turning the twin magnets.For this the twin field of the moon which is measuring the current transmission, anti-transmission of the twin flow of water (Venus and Uranus are placed in the body of the earth) which is the flow of the cellular twin field of the beams of the minerals twin or mini planet twins and how much spin the twin earth is providing you.

What percentage of twin worlds do you take up in the environment?The sun pole star you are creating in your body with the hybrid twin food is going against the way the natural sun and pole star twin spins. And by spinning at high speed you are damaging yourself and the opposite surface inside one body and the 13 fields of the other 13 poles of the 7 twin planets are anti-spinning which is the destruction of the nature of the twin earth bodies. Since you are an urban person, you are destroying 13 poles for their production while treating the doctor with chemicals isolated from mineral ore, and after consuming these medicines, you are also shortening the 13 poles in the organs that you activate and rotate in your body.In fact, you shortened the length of 14 poles in your lifetime and quickly left the world, endangering generations. Thus the opposite space is approaching using oxygen to destroy its twin field. Who is doing this? Drug dealers and users will not understand the black hole theory.Because they lost time to think. It's time for healthy people who don't yet command Ai technology to think. If the hybrid mechanized civilization is healthy, the Planetary Twin Field will survive. Otherwise, the 14 poles of the dwarf twin will be closed very soon. Juboraj / 23.02.2025.


রোজা কেয়ামতের সময় দূরত্বকে দীর্ঘ করে। | রাকীম /ব্ল‍্যাক হোল সাইন্স

আপনি যখন সৃষ্টিতে ছিলেন না তখন টুইন ভাইরাস ও টুইন ব‍্যাকটেরিয়ার টুইন ফিশন ও টুইন ফিউশন থেকে চলমাণ যে ৭ টি টুইন গ্রহকে বা ৭টি টুইন অর্গানকে ফিশনের বিচ্ছিন্নতা থেকে একটির টুইনে ফিউশনের মাধ‍্যমে একত্রিত করে সেখানে জীবণ তৈরি হয়েছে বলে আপনার জীবণ তৈরি হয়ে এসেছে। এরা সকলে দুটি ভাগে বিভক্ত এদের পরস্পর বিপরীত স্পিন দ্বারা নেগেটিভ পজিটিভ চার্জ উৎপাদনের মাধ‍্যমে একে অপরকে বিচ্ছিন্নতা ও একত্রিত হওয়া দেখাচ্ছে।

প্রত‍্যহ মানুষের খাবারের চাহিদার প্রেক্ষিতে ফিশন ফিউশন ঘটাতে ১২ ঘন্টার দিবস রাতের দুই পৃথিবীর বডি যে পরিমাণ চার্জ খরচ করে নিজেদের টুইন স্পেস লস করে, ১২ ঘন্টা না খেয়ে থাকলেন তাহলে এই চার্জ উদ্বৃত্ত হবে। অর্থাৎ টুইন প্ল‍্যানেটারী ফিল্ড বৃদ্ধির দিকে অগ্রসর হবে।

এতে প্রথমতো দুটি লাভ একটি খাদ‍্য উৎবৃত্ত হবে। দ্বিতীয়ত প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড স্পিনিং ওদের চার্জ উৎপাদন বৃদ্ধি করে অক্সিজেন লেয়ার বাড়াবে। এতে মানুষসহ জীবজগতের পৃথিবীর রোগের হার কমে যাবে। এজন‍্যই স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের জন‍্য ফাস্টিং ফরজ করে দেওয়া হয়েছে। ফাস্টিংয়ের নির্দেশ পালন করলে টুইন মহাবিশ্বের সব সৃষ্টির বেশিদিন টিকে থাকার জন‍্য কাজ করা হয়। এজন‍্যই মহান আল্লাহ মানবজাতিকে সৃষ্টির মধ‍্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়েছেন।

চারিপাশে থেকে যে পরিমাণ অক্সিজেন নাইট্রোজেন খরচ করে ফিল্ড লস করা হচ্ছে এসব আমাদের দ্বারা সৃষ্টি করা হয়নি। যা খরচ করা হচ্ছে আমাদের প্রয়োজনের জন‍্য। পরিবেশে বিপর্যয় ঘটিয়ে প্রয়োজনীয় চাহিদার পদ্ধতিগত ভুল প্রয়োগে এখন মহা‍বিপদে পরে গেছি আমরা টোটাল প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডে।

পরিবেশ রক্ষায় কে কোন ভূমিকা রাখছে এই কথা সমগ্র পৃথিবীর ২০℅ মানুষও কি বলতে পারবে? ৮০℅ মানুষ বলতে পারবে না। আবার কেউ যদি রোজা রাখে তাহলে সে বলতে পারবে চার্জ উৎবৃত্ত করেছে। আবার কেউ কাজ করতে গিয়ে যে চার্জ খরচ করছে সে যদি প্রার্থনায় কিছু সময় কাটাচ্ছে তখন কিছু চার্জ উৎবৃত্ত করছে। যে কাজ ছাড়া অপ্রয়োজনে সময় নষ্ট করছে সেতো প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের কোনো কাজেই আসছে না।

আর সভ‍্যতা এমনভাবে কাজকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করেছে যে সব কাজ প্রযুক্তির হাইব্রিড পদ্ধতির যার কোনোটিই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নয়। পৃথিবীর টুইন স্পিন ফিউশন ঘটায় এবং ফিশন তৈরির মাধ‍্যমে নির্দিষ্ট হারে বিমের বিচ্ছুরন ও সংকোচন ঘটিয়ে ন‍্যাচারাল স্পিনে স্বাভাবিক জন্ম, দেহের বৃদ্ধি , এরপর সংকোচনে মৃত‍্যুর সময়কাল তৈরি করে। এর বিপরীতে হাইব্রেড স্পিন দিয়ে ন‍্যাচারাল ফিল্ডকে উল্টা স্পিনে চালিয়ে নাচারাল ফিল্ড পুড়ে ডোয়ার্ফ টুইনের যে কোনো এক দিকে নিয়ে যাচ্ছে ওদের কেমিক‍্যাল রিয়াকশনের ধরন আনুযায়ী।

বিপরীত দিকের আকাশে সব সময় ৭ টি সূর্য অথবা ৭ টি পোল স্টারের একটি টুইন ফ‍্যামেলি অবজেক্ট থাকে যেমন বিচ্ছিন্ন হয়ে, ঠিক তেমনি ওরা ফিউশন রিয়াকশনে অপর একটি ফ‍্যামিলি বাস্তবে আমাদের বসবাসের সাতটি অর্গান হয়ে আছে যার নাম পৃথিবী। আর এর বডির মধ‍্যে খনিজ যা জমা করছে তা মূল‍্যবান মনে করে যন্ত্র দিয়ে কেটে নীচ থেকে তুলে উপরে এনে মেশিন বানিয়ে চালনা করা হচ্ছে আর আকাশে সোলার রেডিয়েশন আসতে দেখা যাচ্ছে। অথচ এদের সব সময় চালনায় অথবা স্হির রাখায় এদের কারণে এন্টি ম‍্যাটার যা টুইন পৃথিবীতে তৈরি হচ্ছে উল্টা স্পিনের ফিশন ফিউশনে অর্থাৎ খনিজ তোলার পর থেকে এন্টি রশ্মির কার্যক্রম চলছে ওরা বিপরীত স্পেস থেকে আমাদের ডোয়ার্ফ সভ‍্যতার বৃদ্ধির ম‍্যাটার তৈরি হয়ে ফিরে আসা দেখাচ্ছে। এরাই অত‍্যাধুনিক সভ‍্যতার আবর্জনার এস্টরয়েড ধুমকেতু । খনিজের যে আকরিক বা সাংগঠনিক কাঠামো তা ভেঙ্গে ফেলা হলে ওরা স্ব স্ব গ্রহের টুইন ফিল্ডকে আবর্জনার এস্টরয়েড ধূমকেতু হয়ে চলে যেতে দেখা যায় ওরাও ডোয়ার্ফ হচ্ছে বিপরীত স্পেসের আকাশে। আর মানুষের বডিতে মৃদু আলফা বিটা গামা রশ্মির প্রবাহ( ইউভি রে) দ্বারা ভাইরাসজনিত নানা রোগ তৈরি হয়। পৃথিবীর সারফেস হয় চীন জাপান দক্ষিণ কোরিয়া সিঙ্গাপুর তাইওয়ান হংকং এবং ওয়েস্টার্ন সারফেসের মতো আর সকল নগর সভ‍্যতার মতো। কিন্তু ডোয়ার্ফের সাথে পৃথিবীর প্রবাহের পার্সেন্টেজ আছে বলে এখনও টিকে আছে। এসবের জন‍্য আবার গবেষণাগার তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাসের টীকা বা ঔষধ কিভাবে এই রোগ ভালো করবে। গবেষণাগারের যে টুলস তৈরি করা হচ্ছে তাও খনিজ দিয়ে। Ai টেকনোলজির ব‍্যবসা দেখলে হাসবেন না কাঁদবেন। যান্ত্রিক সভ‍্যতা ন‍্যাচারল মানুষ হবে কবে? ব্ল‍্যাক হোল গিলে খাওয়ার জন‍্য ওর আগ্নেয় স্তর লস এঞ্জেলেসকে গ্রাস করেছে।

হাওয়ায়কে করেছিলো গতবছর, করেছিলো কুইবেককে। ভাইরাস উৎপাদন বা আলট্রাভায়োলেট রে উৎপাদনের মেশিন বসিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে কয়েক কোটি বিজ্ঞানী। যারা ম‍্যাজিক দেখাচ্ছে সভ‍্যতাকে। অশিক্ষিতের একটি লেবেল থাকা দরকার। শহর ছেড়ে পালিয়ে আসার সময় পাওয়াও কঠিন হয়ে যাবে ৮০℅ মানবসভ‍্যতার।

প্রত‍্যেকে চিন্তা করে দেখুন আপনার বিপরীত স্পেস কোথায় কোথায় স্পিন করছে টুইন ম‍্যাগনেট ঘুরিয়ে। এর জন‍্য চাঁদের টুইন ফিল্ড যা পানির টুইন প্রবাহের কারেন্ট ট্রান্সমিশন, এন্টি ট্রান্সমিশন পরিমাপ করছে (ভেনাস ও ইউরেনাসকে পৃথিবীর বডিতে রাখা হয়েছে) যা মিনারেলস টুইন বা মিনি প্ল‍্যানেট টুইনগুলোর বিমের কোষীয় টুইন ফিল্ডের প্রবাহ কেমন এবং টুইন পৃথিবী আপনাকে কতটা স্পিন সরবরাহ করছে।

আপনি টুইন পৃথিবীর কতোটা পার্সেন্টেজ পরিবেশে নিয়ে আছেন। আপনার বডিতে হাইব্রিড টুইন খাবারে আপনি যে সূর্য পোল স্টার তৈরি করছেন তা ন‍্যাচারাল সূর্য ও পোল স্টার টুইন যেভাবে স্পিন করে তার বিরুদ্ধে করছেন। এবং বেশি গতিতে স্পিন করায় আপনার দ্বারা আপনার নিজের ক্ষতি ও যে বিপরীত সারফেস একটি বডির ভিতরে ও অপরটির ১৩ টি ফিল্ড ৭ টি টুইন গ্রহের ১৩ টি মেরুকে এন্টি স্পিনে ঘুরাচ্ছেন যা টুইন পৃথিবীর বডির ন‍্যাচারের ধ্বংস। আপনি শহুরে হওয়ায় জন্মের পর থেকে ডাক্তারের কাছে বিচ্ছিন্নকৃত খনিজ আকরিকের রাসায়নিক দিয়ে চিকিৎসা করতে গিয়ে এদের উৎপাদনের জন‍্যও ১৩ টি মেরুকে ধ্বংস করছেন আবার এসব ঔষধ খাওয়ার পর আপনার বডির যে অর্গানকে সচল করে ঘুরাচ্ছেন এতেও ১৩ টি মেরুকে ছোট করে ফেলছেন। আসলে আপনি জীবদ্দশায় ১৪ টি মেরুর দৈর্ঘ‍্যকে ছোট করে পৃথিবী থেকে দ্রুত চলে গেলেন প্রজন্মকে বিপদে ফেলে। এভাবে বিপরীত স্পেস এগিয়ে আসছে অক্সিজেনের ব‍্যবহারে এর টুইন ফিল্ড নি:শেষ করে ফেলছেন। এসব কারা করছে। মাদক ব‍্যবসায়ী ও সেবনকারীরা বুঝতে পারবে না ব্ল‍্যাক হোল থিওরি। কেননা ওরা ভাবার সময় হারিয়ে ফেলেছে। সুস্হ মানুষ যারা এখনও Ai টেকনোলজির কমান্ড তৈরে করে না তাদের ভাববার সময় হয়েছে। হাইব্রিড যান্ত্রিক সভ‍্যতা সুস্হ হলে প্ল‍্যানেটারী ফিল্ড টিকে থাকবে না হলে ডোয়ার্ফ টুইনের থাকবে ১৪ টি মেরু ক্লোজ হয়ে যাবে। যুবরাজ /২৩.০২.২০২৫।