Extracting and stacking minerals brings the opposite planet closer. Can be climbed by ladder

Our planetary field, which is displayed in outer space every day and night, is mineralized both inside and outside our surface. Outer space is also called anti-surface in black hole theory (exospace). It has two Udayachals and two Astachals which alternately form our twin surface.As all creation is twin, we are also twin and connected in opposite spin to the twin space and twin anti space of each planet opposite us.


Our planetary field, which is displayed in outer space every day and night, is mineralized both inside and outside our surface. Outer space is also called anti-surface in black hole theory (exospace). It has two Udayachals and two Astachals which alternately form our twin surface.As all creation is twin, we are also twin and connected in opposite spin to the twin space and twin anti space of each planet opposite us. The point is that our body's minerals will be damaged in the same way that the surface is damaged by a thousand attempts, and our opposite is the opposite of the surface.Today's civilization taking spaceships into anti-space is like examining the bones of a healthy person every day by administering X-rays.Contrast the inner and outer structures of the living twin worlds of amoeba algae all over the world that you are dissecting every day. Your survival twin hormone that comes from the twin cells of the amoeba algae is also destroying it.The anti-space activities and technological innovations of the entire supposedly educated human civilization are shrinking the ionosphere (sky) and surface of your twin space. Even if someone tries to start the engine of a vehicle of any technology, the twin space of hydrogen will come out without oxygen.Which is the closest volcanic field to the black hole. Why is Rakim University telling you like this? 80℅ population of world civilization towards creating this out of control situation. It has to be said that the report of the theory says that technology and technology related urban civilization will disappear.

The way the scientists of Ai Technology's brain are picking up and stacking the minerals can reduce the anti-field magnetic field of these minerals, so you can climb to Mars or the Moon with any ladder. Some countries have also created such infrastructure. Amoeba or algae won't even come close. The generation will disappear.

In order to stop the technology, everyone has to abandon the city and go to the village and live on the village surface - sky, sky - surface. Then the label of oxygen will increase. Such is the case with the third stage of cancer of the human body, such as the surface of the Twin Earth.Four years ago, the tumor was caused by the corona virus. Cancer developed three years ago at the start of the war. In these three years, the war ended in the third stage. If this dwarf region of the planetary twin body's anti-magnetic field is abandoned, there will be a rapid change of direction, Insha'Allah.

It has been four years of observing the daily world data and informing the world civilization by creating reports like this every day.From previous articles on the origin of fire we learned that the black hole is the closest region to the twin field that has been burning since the beginning of the twin universe as a twin of hydrogen which is hydrogen plus minus and minus plus.Which is created from the fission of helium plus minus and minus plus. Oxygen borrows what is coming in urban civilization. Its source of supply is also struggling to provide natural twin earth. The oxygen twin engine of the black hole twin field has slowed down the anti black hole field engine of the twin users.

In some territories, the starting time of a large engine is decreasing in the twin fields of the oxygen source path at around two Udayachal and two Austachal. The volcanic region of the black hole can erupt in any area at any moment.Technology will burn the hydrogen region of the black hole in such a way that wherever you want to move safely, they will also burn because technology is there. Oxygen label is decreasing rapidly. If you start the engine of a private car or even a bike, the oxygen may become zero.Elon Musk will also lose the ability to launch any flights. Can't even start the factory engine.

Our twin Earth surface sky and sky surface are opposite each other. If the technology Ai field is made up of all minerals then the planetary field has no ionosphere and no surface. Minerals from the organism's twin body also disappear into the black hole. Only life is disembodied. Juboraj/2025.03.11


খনিজ তুলে স্তুপাকার করলে এর বিপরীত প্ল‍্যানেট কাছে চলে আসে। মই দিয়ে উঠা যায়

আমাদের প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড যা আউটার স্পেসে প্রত‍্যহ দিবস ও রাতে যেভাবে ডিসপ্লে হয় তা খনিজ হয়ে আছে আমাদের সারফেসে। আউটার স্পেসকেও (এক্সোস্পেসও) এজন‍্য ব্ল‍্যাক হোল থিওরিতে এন্টি সারফেস বলা হচ্ছে। এটি দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলে অবস্হান পরিবর্তন করে আমাদের টুইন সারফেস তৈরি করেছে। সব সৃষ্টি টুইন হওয়ায় আমরাও টুইন এবং আমাদের বিপরীত প্রত‍্যেকটি গ্রহের টুইন স্পেস ও টুইন এন্টি স্পেসের সাথে বিপরীত স্পিনে সংযুক্ত । বিষয়টি এমন যে সারফেস যেভাবে নষ্ট হয় হাজার চেষ্টা করলেও আমাদের বডির খনিজ সেভাবে এবং সারফেসের বিপরীতের সাথে আমাদের বিপরীত সেভাবেই নষ্ট হবে। বর্তমান সভ‍্যতা যেভাবে এন্টি স্পেসে স্পেস শীপ নিয়ে যাচ্ছে তা প্রতিদিন একজন সুস্হ মানুষকে এক্সরে রশ্মি পরিচালনা করে তার হাড় পর্যবেক্ষন করছেন বলে ধরা যায়। সমগ্র পৃথিবীর অ‍্যামিবা শৈবালের যে জীবন্ত টুইন পৃথিবী এদের বিপরীতে যে অভ‍্যন্তরীণ ও বাহিরের স্ট্রাক্চার আপনি তা প্রতিদিন ব‍্যবচ্ছেদ করছেন। আপনার বেঁচে থাকার টুইন হরমোন যা অ‍্যামিবা শৈবালের টুইন কোষ হয়ে আসে সেটিও ধ্বংস করে ফেলছেন। সমগ্র কথিত শিক্ষিত মানব সভ‍্যতার যেসব এন্টি স্পেস এক্টিভিটি এবং নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন আপনার টুইন স্পেসের আয়নোস্ফেয়ার (আকাশ) ও সারফেস সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। কেউ আর কোনো প্রযুক্তির যানবাহনের ইঞ্জিন স্টার্ট দিতে গেলেও অক্সিজেন শূন‍্য হয়ে হাইড্রোজেনের টুইন স্পেস বেড়িয়ে আসবে। যা ব্ল‍্যাক হোলের সবচেয়ে কাছের আগ্নেয় ফিল্ড। রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় কেনো আপনাদের এভাবে বলছে ? এই আউট অব কন্ট্রোল পরিস্হিতি তৈরির দিকে বিশ্ব সভ‍্যতার ৮০℅ জনগোষ্ঠী। প্রযুক্তি ও প্রযুক্তি রিলেটেড এসব শহুরে সভ‍্যতার বিলুপ্তি ঘটবেই থিওরির রিপোর্টে বলছে বলে বলতে বাধ‍্য হচ্ছে।

খনিজকে যেভাবে তুলে এনে স্তুপাকার করছে Ai টেকনোলজির ব্রেইনের বিজ্ঞানীরা তাতে এসব খনিজের এন্টি ফিল্ড গ্রহের ম‍্যাগনেট দন্ড কমে যাওয়ায় যে কোনো একটি মই দিয়ে মঙ্গলে বা চাঁদে উঠতে পারবেন। এমন ইনফ্রাস্টাক্চারও তৈরি করেছে কোনো কোনো দেশ। অ‍্যামিবা বা শৈবাল ধারে কাছেও আসবে না। প্রজন্ম বিলূপ্ত হবে ।

প্রযুক্তিকে থামাতে হলে শহরকে পরিত‍্যাক্ত গোষনা করে সকলকে এখনই গ্রামে গিয়ে গ্রামের সারফেস -আকাশ, আকাশ -সারফেস ঠিক করে বসবাস করতে হবে। তাহলে অক্সিজেনের লেবেল বাড়বে। মানবদেহের ক‍্যানসারের তৃতীয় স্টেজ যেমন টুইন পৃথিবীর সারফেসের বিষয়টি এমন। চার বছর আগে করোনা ভাইরাসে টিউমার হয়েছিলো। তিন বছর আগে যুদ্ধ শুরুর মাধ‍্যমে ক‍্যানসার হয়ে যায়। এই তিন বছরে তৃতীয় স্টেজে গিয়ে যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে। প্ল‍্যানেটারি টুইন বডির এন্টি ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডের এই ডোয়ার্ফ অঞ্চল পরিত‍্যাক্ত হলে দ্রুত অবস্হার পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ।

প্রতিদিনের ওয়ার্ল্ড ডাটা পর্যবেক্ষন করে চারবছর হলো প্রতিদিন এভাবে রিপোর্ট থৈরি করে বিশ্বসভ‍্যতাকে জানানো হয়েছে।

আগুনের উৎপত্তি সম্পর্কে আগের আর্টিকেলগুলো পড়ে আমরা জানতে পেরেছি যে ব্ল‍্যাক হোল টুইন ফিল্ডের সবচেয়ে নিকটবর্তী অঞ্চল যা টুইন মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরু থেকে হাইড্রোজেনের টুইন হয়ে জ্বলছে যা হাইড্রোজেন প্ল‍্যাস মাইনাস ও মাইনাস প্লাস। যা হিলিয়াম প্লাস মাইনাস ও মাইনাস প্লাসের ফিশন থেকে তৈরি হচ্ছে। অক্সিজেন শহুরে সভ‍্যতায় যা আসছে ধার করে। তার সাপ্লাই উৎসও ন‍্যাচারাল টুইন পৃথিবী দিতে হিমসিম খাচ্ছে। ব্ল‍্যাক হোল টুইন ফিল্ডের এই অক্সিজেনের টুইন ইঞ্জিন স্লো করে ফেলেছে এই টুইন ব‍্যবহারকারীদের এন্টি ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ইঞ্জিন। কোনো কোনো টেরিটোরিতে একেবারেই দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের কাছাকাছি সময়ে বড় কোনো ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার সময় কমে যাচ্ছে অক্সিজেনের উৎস পথের টুইন ফিল্ডে। ব্ল‍্যাক হোলের আগ্নেয় অঞ্চল যে কোনো মুহুর্তে যে কোনো এলাকায় জ্বলে উঠতে পারে।

প্রযুক্তি এমনভাবে ব্ল‍্যাক হোলের হাইড্রোজেন অঞ্চল জ্বালিয়ে দেবে যে যে দিকেই নিরাপদে সরে যেতে চাইবেন তা প্রযুক্তি হয়ে আছে বলে ওরাও জ্বলবে। অক্সিজেনের লেবেল কমে যাচ্ছে দ্রুত। আপনি প্রাইভেট কারের ইঞ্জিন বা বাইকও স্টার্ট দিতে গেলে অক্সিজেন শূন‍্য হয়ে যেতে পারে । ইলন মাস্কের কোনো ফ্ল‍াইট স্টার্ট দেওয়ার ক্ষমতাও হারাবে। কারখানার ইঞ্জিনও স্টার্ট দিতে পারবেন না।

আমাদের টূইন পৃথিবীর সারফেস আকাশ ও আকাশ সারফেস পরস্পর বিপরীত। যদি সব খনিজ দিয়ে প্রযুক্তির Ai ফিল্ড তৈরি করা হয় তাহলে প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের আয়নোস্ফেয়ার থাকে না সারফেসও থাকে না। জীবের টুইন বডির খনিজও বিলুপ্ত হয়ে যায় ব্ল‍্যাক হোলে। শুধু জীবণটা থাকে দেহহীন হয়ে। যুবরাজ /১১.০৩.২০২৫।