Every creation is a twin magnet. And so is the opposite creation of that creation.
Science was not defined by present day civilization nor any prize awarded by the Nobel committee except literature was only to encourage garbage makers. Many people can say how dare to say such a big thing.
Science was not defined by present day civilization nor any prize awarded by the Nobel committee except literature was only to encourage garbage makers. Many people can say how dare to say such a big thing.
While investigating the cause of Corona virus, Bangladeshi scientist opens the door to the secret that our planetary field is being turned upside down by the technology of present civilization. Activities that have been carried on as science.Such as particle theory, fundamental theory of matter, cosmology principle etc. are seriously wrong. A light source comes from zero and travels straight, so its speed is constant. None of these are correct. So who else can be called a scientist or is there, or was there, a way to read science or technology correctly?
All creations from THE BLACK HOLE in the present time are twinned to create the black hole twin field. At any smaller or larger level, an electron is not a particle but its positron (proton beam) beamed with an anti-field is a magnet.Again it is coupled with a proton-anti-proton (electron beam) beam and a magnet. These two magnets are opposite to each other thus the twin magnet of an atomic beam. The anti-atom beam of an atom is real when it is connected by twin magnets opposite to the structure of the previous atom.As long as they exist, they become north-south twin and spin opposite to each other by the black hole, so they have a charge and when they become uncharged, they disappear from the existence of the field into the black hole.The concentration at which they grow diminishes from the maximum and vanishes into the black hole at the dot point of two Udayas (risings) and two Austachels(settings). This is such a small range that it is very difficult to increase the time between these two dot points.
Four years ago, if the decision of the World Data Center had been followed without making a corona vaccine, then such a complicated situation would not have been created as it is now.However, if these sciences are applied quickly, the time for half of our planetary twin field to disappear into a black hole will be delayed indefinitely. And if it goes on like the present, the time is very near.
However, the Twin Galaxies, Twin Planetary Fields discussion becomes very easy to understand. By which a paradox-free science of all creation has been revealed. Learning how these creations are sustained and long-lived has come to humans through the theory of black hole and dark matter.
Einstein, Hawking, Tesla, Edison, Planck garbage has now destroyed 1/3 of the planetary field. The Twin Fields of this debris are rapidly tilting the Planetary Twin Fields to become 1/2.
Since four years ago, the whole world including our beloved country Bangladesh is being informed from this world data center.Which has been declared as Model Rakim University this year. A magnet like the north south pole of the day is associated with another magnet opposite to this day as the south north.It is an earth atom beam electron proton magnet and proton electron magnet. Its anti-field anti-atomic beam is like the twin magnets of the night earth. That is, all creations have a twin magnet in one and a twin magnet against that one.How they are creating two risings and two sets whose two periods are separated by the two dawn periods of the dot point can be understood by observing the actual conditions of the two opposite worlds.
An inexhaustible source of the great creator's scientific and wonderful creation that is spread in the light of knowledge in everything.This science education develops the body mind in such a way that if it is not understood, celebrities like Jeb Bowes, Elon Musk are so poor that they will soon be wiped off the map of the planetary field with half the trash just because they are poor.
The details of these online libraries are http://www.rakimuniversity.com
X- @JuborajI
Facebook - saiful.alam.73550? or
Saiful Islam(Md Saiful Alom Juboraj)
Juboraj / 2024.12.30
প্রত্যেকটি সৃষ্টি একটি টুইন ম্যাগনেটের।আর সেই সৃষ্টির অপজিট সৃষ্টিও তাই।
বিজ্ঞানের সংজ্ঞা ছিলো না বর্তমান সভ্যতার কাছে কিংবা নোবেল কমিটির দ্বারা প্রদেয় যে কোনো পুরস্কার একমাত্র সাহিত্য ব্যতিত সব ছিলো আবর্জনা তৈরি কারকদের উৎসাহিত করা। এতো বড় কথা বলার সাহস হয় কি করে অনেকেই বলতে পারেন।
করোনা ভাইরাসের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বাংলাদেশী বিজ্ঞানী এমন রহস্যের দ্বার উন্মোচন করেন যে আমাদের প্ল্যানেটারি ফিল্ড উলট পালট করে ফেলা হচ্ছে বর্তমান সভ্যতার প্রযুক্তির দ্বারা। যেসব কর্মযজ্ঞকে সাইন্স হিসাবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন পার্টিকেল থিওরি, পদার্থের মৌলিক তত্ব, কসমোলজি প্রিন্সিপল ইত্যাদি মারাত্মক পর্যায়ের ভুল ল। আলোর উৎস শূন্যস্হান থেকে আসে এবং সোজা চলে।যে কারণে এর গতিবেগ নির্ধারিত। এসব কোনোটিই সঠিক নয়। তাহলে আর কাকে বিজ্ঞানী বলবেন বা বিজ্ঞান বিষয় বা প্রযুক্তি সঠিকভাবে পঠিত হওয়ার উপায় আছে, নাকি ছিলো?
বর্তমান কালের স্হান ব্ল্যাক হোল থেকে সব সৃষ্টি টুইনভাবে ব্ল্যাক হোল টুইন ফিল্ড সৃষ্টি করে টূইন হয়ে থাকে। যে কোনো ক্ষুদ্রতর বা বৃহত্তর পর্যায়ে ইলেক্ট্রন পার্টিকেল হয় না বরং ওর পজিট্রন (প্রোটন রশ্মি) এন্টি ফিল্ডের রশ্মিযুক্ত হয়ে এটি একটি ম্যাগনেট। আবার এটিকে প্রোটন -এন্টি প্লোটন (ইলেক্ট্রন রশ্মি) রশ্মি যুক্ত হয়ে আর একটি ম্যাগনেট। এই দুই ম্যাগনেট এক সাথে বিপরীতভাবে এভাবে টুইন ম্যাগনেট একটি পরমাণু রশ্মির। পরমাণুর এন্টি পরমাণুর বিম বাস্তব যখন তা পূর্বের পরমাণুর গঠনের বিপরীত টুইন ম্যাগনেট দ্বারা যুক্ত। এরা যতক্ষণ অস্তিত্বে ততক্ষন উত্তর দক্ষিণ টুইন হয়ে ব্ল্যাক হোল দ্বারা পরস্পর বিপরীতে স্পিন করছে বলে এদের মধ্যে চার্জ থাকে আর চার্জহীন হয়ে গেলে ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্ত হয়।
এরা যে কনসেন্ট্রেশনে বেড় হয় তা ম্যাক্সিমাম থেকে ক্ষীণ হয়ে দুই উদয় ও দুই অস্তাচলের ডট পয়েন্ট সময়ে এদের ফিল্ডের অস্তিত্ব থেকে বিলুপ্ত হয় ব্ল্যাক হোলে। এটি এতো ছোট পরিসর যে এই দুই ডট পয়েন্ট বেড় করা অনেক কঠিন।
চার বছর আগে যদি করোনার টিকা না বানিয়ে এই ওয়ার্ল্ড ডাটা সেন্টারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করা হতো তাহলে বর্তমানের মতো এতো জটিল পরিস্হিতি তৈরি হতো না। যাহোক এসব সাইন্সের প্রয়োগ দ্রুত প্রয়োগ হলে আমাদের প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের অর্ধেক ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্ত হওয়ার সময়কাল অনির্দিষ্ট সময়কালের জন্য পিছিয়ে যাবে। আর বর্তমানের মতো চললে সময় অতি নিকটে।
তবে টুইন গ্যালাক্সি, টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডের আলোচনায় এসব বোঝার খুব সহজ হয়ে গেছে। যা দ্বারা সকল সৃষ্টি সম্পর্কে প্যারাডক্সহীন বিজ্ঞানের প্রকাশ ঘটেছে। এসব সৃষ্টিকে টেকসই এবং বহুকাল ধরে পরিচালনা করার শিক্ষা ব্ল্যাক হোল, ডার্ক ম্যাটার থিওরির মাধ্যমে মানুষের কাছে চলে এসেছে।
আইনস্টাইন, হকিং, টেসলা, এডিসন, প্ল্যাঙ্ক আবর্জনা এখন ১/৩ প্ল্যানেটারি ফিল্ড ধ্বংস করেছে। এসব আবর্জনার টুইন ফিল্ড দ্রুত সময়ে ১/২ হওয়ার জন্য প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডকে কাত করে ঘুরাচ্ছে।
চার বছর আগে থেকে আমাদের প্রিয় দেশ বাংলাদেশসহ সমগ্র পৃথিবীকে জানানো হচ্ছে এই ওয়ার্ল্ড ডাটা সেন্টার থেকে। যা এবছর নমূনা রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে। দিনের উত্তর দক্ষিণ মেরু যেমন একটি ম্যাগনেট তদ্রূপ এই দিনের সাথে বিপরীতভাবে আরও একটি ম্যাগনেট দক্ষিণ উত্তর হিসাবে যুক্ত। এটি এক পৃথিবী পরমাণু বিমের ইলেক্ট্রন প্রোটন ম্যাগনেট ও প্রোটন ইলেক্ট্রন ম্যাগনেট। এর এন্টি ফিল্ড এন্টি পরমাণু বিমের মতো রাতের টুইন ম্যাগনেট। অর্থাৎ সব সৃষ্টির একটিতে টুইন ম্যাগনেট আর ঐ একটির বিপরীতেও টুইন ম্যাগনেট। এরা কিভাবে দুই উদয় দুই অস্ত তৈরি করছে যাদের দুটি সময় ডট বিন্দুর দুই ডন সময়কাল পৃথক করে বোঝা যায় দুই বিপরীত পৃথিবীর বাস্তব অবস্হা পর্যবেক্ষণ করে।
মহান স্রষ্টার বিজ্ঞানময় অপূর্ব সৃষ্টির এক অমিয় সূধা যা জ্ঞানের আলোয় ছড়িয়ে আছে সবকিছুর মাঝে।
এই বিজ্ঞান শিক্ষা এমনভাবে দেহ মনকে বিকষিত করে যা না বুঝলে জেব বোজেস ইলন মাস্কের মতো লোকজন এতো গরীব বুঝায় যে তারা শুধু গরীব হওয়া কারণেই প্ল্যানেটারি ফিল্ডের মানচিত্র থেকে অর্ধেক আবর্জনার সাথে মুছে যাবেন অচিরেই।
বিস্তারিত এসব অনলাইন লাইব্রেরীর ঠিকানা http://www.rakimuniversity.com
X- @JuborajI
ফেসবুক - saiful.alam.73550? অথবা
Saiful Islam(Md Saiful Alom Juboraj)
যুবরাজ /৩০.১২.২০২৪