The theory of twin Universe don't consider the concept of Newton, Einstein's gravitational force

Nowhere in the universe is it possible to show the magnetism of an object of the smallest and largest magnitude. North South, South North Magnetic Field. Creation exists because the oppositely charged beam fields of the magnets burn each other off.


Nowhere in the universe is it possible to show the magnetism of an object of the smallest and largest magnitude. North South, South North Magnetic Field. Creation exists because the oppositely charged beam fields of the magnets burn each other off.

Their fuel reserves are in water which is the twin field of twin Venus and twin Uranus. Which is transmission and anti-transmission between twin moons. To store this water reserve, the ice cover must increase in the magnetic field of the twin poles, which strengthens the magnetic field of twin Venus and twin Uranus.

This water reserve uses twin oxygen and twin hydrogen through fission fusion. The amount of oxygen provided to plants at night must be created for plant growth and establishment. Now these should be returned to the forest area.Again the number of oxygenated plants at night should be 50℅ with the number of day to flow the fountain from the mountain. And the mountain must be declared abandoned from the wandering sphere of the human race.

In order to flow the fountains that will be created down the hill, the river must be created without obstacles to the sea. And along the banks of the river, arranged plants should be made. These rivers should flow locally as branch rivers. The canal bill should be restored.And every village should have multiple ponds. For example, if human habitable plants produce water by ionization of oxygen, that fresh water reservoir exists.

Plants that are given oxygen at night will produce water almost as much as during the day. Ponds or reservoirs will not dry up. And most importantly, creating plant habitats in this organic way will not create fission fusion magnetic twin fields of chemical poisons.

Even in the sea ocean, chemical products, mechanical fields doesn't need to be made, if the use of minerals is banned for the production of these chemical twin substances, the twin will not reverse the readings of the compass needle in all the places of the whole world, twin surface and twin sky.

Now the field at one end of the magnet is shifted by 64 degrees. That is the report of two years ago. Which has now been asked to be measured again by Rakim University. It's past 70 degrees for sure. The artificial magnetic field on the other side has shifted by 70 degrees.These are the twin fields of university garbage of present civilization.

Now this magnetic field north has two north south and south also south north magnetic field creating two suns and two polar stars in relation to earth.The fact is that North has split into North South and South has also split into South North. These black holes are contracting in their initial stages as evidenced by the two emergence and two collapse time points. Dilation means fission is taking place and contraction means fusion is taking place.

Now if north is east west, south is west east. So even before that magnetic field spark is two twins are making four objects opposite each other with respect to one of the Earth.When their anti-field creates the opposite world from one world, these twin asteroids and twin Kuiper belts are creating twin circles of twin poles. They are divided from North to East West and from South to West East. Which has bent the light beam from one central black hole into the same black hole again in two east and two west Uday and Ostachal. This bending of light is our ionosphere and label of creation. Analysis of two suns and two polar stars in the black hole field.

Which bends the light beam from the black hole into two eastern and two western rising and falling. Thus it is merging into the same black hole. This bending of light is our ionosphere and label of creation. Analysis of two suns and two polar stars in the black hole field.

Twin fission and twin fusion are occurring between the individual twin objects as none of them rotate in the same spin, creating 7 twin field objects. This did not happen by accident. These twin furnaces are burning because someone has created these twin mineral fuel elements. This is how the existence of the great Lord is revealed.

Let's read all articles of highest label from class one it will become very easy what is the definition of science in rakim university pranathpur, bangladesh study.

So we know that all creations are made from THE BLACK HOLE as twins. A photon is also a twin. Or as the earth is, so is the universe. One of its worlds is Pole star and the other is Sun. But they are also twins.To summarize the matter here, it can be shown that everything from the black hole to their specific ionosphere label exists in the exist space path. But at the same time the anti-exist is moving in the space way towards the black hole.In the case of any object and anti-object in existence there are two fissions and two fusions where they have lost the ability to move beyond the point of time from the two udayachal (risings) to the two astachal (settings).

Each oppositely charged beam originates from the black hole and burns with each other as they meet at the black hole itself. Each of them is releasing natural mass or ozone.

Whatever the concentration of any object's twin beam, its opposite emits a beam of matter of equal and opposite charge, revealing the energy lifetime of both of them. Therefore, the theory of black hole dark matter considers the concept of Newton's gravitational force or Einstein's gravitational force to be invalid.

According to civilization's unscientific singularities, the biosphere can only be saved if the anti-field debris originating from the black hole can be burned by producing more fuel from the oxygen-nitrogen twin field. Details on website, X and Facebook.


যুগল মহাবিশ্ব তত্ত্ব নিউটন, আইনস্টাইনের মহাকর্ষীয় শক্তির ধারণাকে বিবেচনা করে না

মহাবিশ্বের কোথাও ক্ষুদ্রতম এবং বৃহত্তম পর্যায়ের কোনো অবজেক্টের ম‍্যাগনেট একটি দেখানো সম্ভব নয়। উত্তর দক্ষিণ, দক্ষিণ উত্তর ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড। ম‍্যাগনেটের যে পরস্পর বিপরীত চার্জের বিম ফিল্ড এরা পরস্পরকে চার্জ করে পোড়াচ্ছে বলে সৃষ্টির অস্তিত্ব টিকে আছে।

এদের জ্বালানির রিজার্ভ পানিতে আছে যা টুইন ভেনাস ও টুইন ইউরেনাসের টুইন ফিল্ড। যা টুইন চাঁদের মাধ‍্যমে ট্রান্সমিশন ও এন্টি ট্রান্সমিশন হয়ে আছে। এই পানির রিজার্ভকে মজুদ রাখতে হলে বরফের আচ্ছাদন টুইন মেরুর ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডে বাড়াতে হবে যা টুইন ভেনাস ও টুইন ইউরেনাসের ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড মজবুত হয়।

এই পানির রিজার্ভ ফিশন ফিউশনের মাধ‍্যমে টুইন অক্সিজেন ও টুইন হাইড্রোজেনের ব‍্যবস্হা করছে। উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিন‍্যাস্ত করার জন‍্য রাতে অক্সিজেন দেওয়া উদ্ভিদের উপস্হিতির পরিমাণ তৈরি করতে হবে। এখন এসবকে ফরেস্ট অঞ্চলে ফিরিয়ে দিতে হবে। আবার পাহাড় থেকে ঝর্না প্রবাহিত করার জন‍্য রাতে অক্সিজেন দেওয়া উদ্ভিদের সংখ‍্যা দিনের সংখ‍্যার সাথে ৫০℅ করতে হবে। আর পাহাড়কে মানব জাতির বিচরন ক্ষেত্র থেকে পরিত‍্যাক্ত ঘোষনা করতে হবে।

পাহাড় বেয়ে যে ঝর্না তৈরি হবে এই ঝর্নাধারা প্রবাহিত করার জন‍্য নদীর প্রতিবন্ধকতাহীন পরিবেশ সমুদ্র পর্যন্ত তৈরি করতে হবে। আর নদীর ধার ঘেঁষে বিন‍্যাসিত উদ্ভিদ তৈরি করতে হবে। এসব নদীকে লোকালয়ে প্রবাহিত করতে হবে শাখা নদী হিসা‍বে। খাল বিল পূনরুদ্ধার করাতে হবে । আর প্রতিটি গ্রামে একাধিক পুকুর ডোবা এসব রাখতে হবে। যেনো মনুষ‍্য বসবাসের স্হানে বিন‍্যাসিত উদ্ভিদ অক্সিজেনের আয়নোইজেশন দ্বারা পানি উৎপাদন করলে সেই মিঠা পানির রিজার্ভার থাকে।

রাতে অক্সিজেন দেওয়া উদ্ভিদ দিনের সাথে প্রায় সমান থাকলে পানি তৈরি হবে। পুকুর বা জলাশয় শুকাবে না। আর সবচেয়ে মূখ‍্য বিষয় এভাবে জৈব উপায়ে উদ্ভিদের আবাসস্হল তৈরি করলে রাসায়নিক পয়জনের ফিশন ফিউশন ম‍্যাগেটিক টুইন ফিল্ড তৈরি করবে না।

সাগর মহাসাগরেও কেমিক‍্যাল প্রডাক্ট, যান্ত্রিকতার ক্ষেত্র তৈরি প্রয়োজন ব‍্যতিত রেখে এসব রাসায়নিক টুইন পদার্থ উৎপাদনের জন‍্য খনিজ ব‍্যবহার নিষিদ্ধ করলে টুইন সমগ্র পৃথিবীর সকল স্হান টুইন সারফেস ও টুইন আকাশে কম্পাসের কাঁটা উল্টা পাল্টা রিডিং করবে না।

বর্তমানে ম‍্যাগনেটের এক প্রান্তের ফিল্ড ৬৪ ডিগ্রি সরে গেছে। তাও দুবছর আগের রিপোর্ট। যা এখন আবার মাপতে বলা হয়েছে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। এটি ৭০ ডিগ্রি পার হয়ে গেছে নিশ্চিতভাবে বলা যায়। যা অপর প্রান্তের কৃত্রিম ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডও ৭০ ডিগ্রী স্হানান্তর হয়েছে। এসব বর্তমান সভ‍্যতার বিশ্ববিদ্যালয়ের আবর্জনার টুইন ফিল্ড।

এখন এই চৌম্বক ক্ষেত্রের উত্তরের দুটি উত্তর দক্ষিণ এবং দক্ষিণেরও দক্ষিণ‍ উত্তর ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড যা পৃথিবীর ক্ষেত্রে দুটি সূর্য ও দুটি ধ্রুবতারা তৈরি করছে। বিষয়টি এমন যে উত্তর বিদীর্ন হয়ে উত্তর দক্ষিণ এবং দক্ষিণও বিদীর্ণ হয়ে দক্ষিণ উত্তর হয়েছে। এসব ব্ল‍্যাক হোলের ইনিশিয়াল স্টেজে সংকোচন কার্যকর হচ্ছে যা প্রমাণ করা হয়েছে দুই উদয় ও দুই অস্তাচলের সময় বিন্দু দ্বারা। বিদীর্ন হচ্ছে মানে ফিশন ঘটছে আর সংকোচন হচ্ছে মানে ফিউশন ঘটছে।

এখন উত্তর বিদীর্ন হলে পূর্ব পশ্চিম, দক্ষিণ হচ্ছে পশ্চিম পূর্ব। তাহলে পূর্বেও যে ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড স্পার্ক হচ্ছে দুটি টুইনের এরা পৃথিবীর একটির ক্ষেত্রে দুটি করে চারটি অবজেক্টকে পরস্পর বিপরীত দৃশ‍্যমান করছে। এদের এন্টি ফিল্ড এক পৃথিবী থেকে বিপরীত পৃথিবী তৈরি করলে এই টুইন এস্টরয়েড ও টুইন কাইপার বেল্ট তৈরি করছে যা টুইন মেরুর টুইন বৃত্ত বলে। এরা উত্তর থেকে বিভক্ত হয়েছে পূর্ব পশ্চিম এবং দক্ষিণ থেকেও বিভক্ত হয়েছে পশ্চিম পূর্বে। যা আলোক রশ্মিকে ব্ল‍্যাক হোল থেকে বাঁকিয়ে নিয়ে গেছে দুই পূর্ব ও দুই পশ্চিমের উদয় ও অস্তাচলে। এভাবে তা একই ব্ল‍্যাক হোলে মিলিয়ে যাচ্ছে। এই যে আলোর বাঁক এটিই আমাদের আয়নোস্ফেয়ার এবং সৃষ্টির লেবেল। ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের দুই সূর্য ও দুই ধ্রুবতারার বিশ্লেষন।

টুইন ফিশন ও টুইন ফিউশন ঘটছে যেসব পৃথক টুইন অবজেক্টের মধ‍্যে এরা কেউ একই স্পিনে ঘুরবে না বলে ৭ টি টুইন ফিল্ডের অবজেক্ট তৈরি হয়েছে। এসব এমনি এমনি হয়নি কোনোভাবে। কেউ এসব টুইন খনিজ জ্বালানি উপাদান সৃষ্টি করে দিয়েছেন বলে এসব টুইন চূল্লি জ্বলছে। এভাবেই মহান স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রকাশ করছে।

ক্লাস ওয়ান থেকে সর্বোচ্চ লেবেলের সব আর্টিকেল পড়ে আসুন খুব সহজ হয়ে যাবে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্নাথপুর, বাংলাদেশ স্টাডিতে সাইন্সের সংজ্ঞা কি বলছে।

তাহলে আমরা জেনেছি যে ব্ল‍্যাক হোল থেকে সব সৃষ্টি তৈরি হচ্ছে টুইন হয়ে। যা ফোটন তাও টুইন । অথবা যা পৃথিবী তাও তাই, মহাবিশ্বও তাই। এর একটি পৃথিবী ধ্রুবতারা হলে অপরটি সূর্য। কিন্তু এরাও টুইন। এখানে বিষয়টিকে সংক্ষেপ করলে দেখানো যায় যে সব কিছু ব্ল‍্যাক হোল থেকে বেড়িয়ে ওদের নির্দিষ্ট আয়নোস্ফেয়ার লেবেল পর্যন্ত এক্সিস্ট স্পেস ওয়েতে থাকে। কিন্তু একই সাথে ব্ল‍্যাক হোলের দিকে এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়েতে চলছে। যে কোনো অবজেক্ট ও এন্টি অবজেক্টের ক্ষেত্রে অস্তিত্বে যা কিছু দুটি ফিশন ও দুটি ফিউশনে এরা দুই উদয় থেকে দুই অস্তাচলের যে সময় বিন্দু এর বাহিরে চলার ক্ষমতা হারিয়ে আছে।

ব্ল‍্যাক হোল থেকে প্রত‍্যেকটির বিপরীত চার্জ বিম উৎপত্তি হয়ে ব্ল‍্যাক হোলেই মিলিত হচ্ছে বলে একের সাথে অপরটি পুড়ে চলেছে। এতে প্রত‍্যেকটির ন‍্যাচারাল ভর বা ওজোন প্রকাশ করছে।

যে কোনো অবজেক্টের টুইন রশ্মির কনসেন্ট্রেশন যতোই হক ওর বিপরীতও একই রকম এবং বিপরীত চার্জের ম‍্যাটার বিম প্রকাশ করে যা এদের উভয়ের পোড়ার শক্তির স্হায়িত্বকাল প্রকাশ করছে। এজন‍্য ব্ল‍্যাক হোল ডার্ক ম‍্যাটার থিওরি মহাকর্ষ বল ও মাধ‍্যাকর্ষন বলের ধারনা বাতিল বলে গণ‍্য করে।

সভ‍্যতার অবৈজ্ঞানিক সিঙ্গুলারাটি তত্বে যা ব্ল‍্যাক হোল থেকে এন্টি ফিল্ডের আবর্জনার উৎপত্তি করছে তা যদি অক্সিজেন-নাইট্রোজেনের টুইন ফিল্ডের বেশি বেশি জ্বালানি উৎপাদন করে তা দিয়ে পুড়ে ফেলা যায় তাহলেই কেবল জীবজগত উদ্ধার হতে পারে। বিস্তারিত ওয়েবসাইট, X ও ফেসবুকে।