The economic burden of civilization is destroying the natural environment

Those with the highest indicators of economic growth have their countries or living environments closest to the black hole's core area.Because the indicators with which the civilization calculates these economic growths come from the production related to the fission and fusion reactions of the mechanical and electrical industries, because the rich communities of these growths have gone out of the world.


Those with the highest indicators of economic growth have their countries or living environments closest to the black hole's core area.Because the indicators with which the civilization calculates these economic growths come from the production related to the fission and fusion reactions of the mechanical and electrical industries, because the rich communities of these growths have gone out of the world. Their environment will soon be destroyed if not returned to Earth.This would be our planetary twin field broadly speaking. Half of our planetary twin field will be destroyed as established by the definition of black hole extinction.

The science produced by this Rakim University is so beautiful and wonderful that there is not the least paradox. Its study provides proof of the wonderful union between Creator and creation. If people could move and learn in the implementation of this theory, the world would be heaven. It was never destroyed.

People who believe in the Holy Qur'an did not know the information of the scientific theories described in it. which has been exposed.

If the diagnosis of some aspects of the current civilization coincides with the Holy Qur'an, it can be observed to express wonder about the Holy Qur'an.As a matter of fact, some of these practical diagnoses are surprising. And by knowing the theories of Rakim University and studying its scientific analysis, see what religion is about and what message it has told the human race to search for the right path.

As far as I understand as the founder, student and pen writer of Rakim University, He has not kept any secret of creation in twin format from the infinite knowledge of the great creator. Everything that happens in reality is explained by science.

Creates an anti-field of what is caused by something. It is good if it is scientific. And if science doesn't agree, it's bad.

The people of the past 3000-3500 years have not agreed with science. This happened because the theory of science was not known. All the scientists who have appeared in these several thousand years have had paradoxes in their theories which are not science.In that sense, the words of the full life of Muhammad (pbuh) were not implemented, and because the full chapter of the life of Jesus (pbuh) was not completed, the absolute science was not understood or the laboratory was not created to understand.

Apart from these two, innumerable people who have been born and left the world during this time have contributed to the world in various fields, some have destroyed the environment and some have improved the environment. Humanity is revealed in being able to make our mistakes worthy of God's forgiveness.

Religion for people, not people for religion. Black holes are infinite regions of present time which are rakim, dark matter is always called anti-field which twarik, and all creations are twins because of anti-fields. Apart from the Holy Qur'an, there is no religious book other than the best scientific theories ever discovered by Rakim University.

Half of the twin planetary fields last disappeared 3000-3500 years ago. If the manuscripts of the original books of that time had not been destroyed, if Islam means peace in Arabic, it would have been found as a similar synonym in the languages ​​of other ancient peoples. Such a theory has come before so that it can be said that the theory of Rakim University is consistent with the theory of the Holy Qur'an. And the explanations of these theories are warning the entire mankind scientifically. Without the application of these theories the present civilization would soon perish with half of this planetary twin field debris.

Here I want to remind one thing again that the two opposite worlds are day and night. Outside it is all skeletal, which is metallic, non-metallic twin planets. And these are the anti-fields of our minerals and they are free of viruses and bacteria. If they are there, they become natural planetary twin fields for human civilization and the living world.If the anti-field of the earth, like the field of Mars or the moon, is transmitted to life through virus bacteria, it will be a garbage field for human habitation. So put an end to such unscientific research and spaceship travel. Juboraj/2025.01.17


সভ‍্যতার ইকোনমিক গ্রথের হিসাব প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করছে

ইকোনমিক গ্রথ যাদের সবচেয়ে বেশি সূচক দেখায়, তাদের দেশ বা বসবাসের পরিবেশ সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয়ে গেছে ব্ল‍্যাক হোলের কোর এলাকার কাছে। কেননা সভ‍্যতা যেসব সূচক দিয়ে এই ইকোনমিক গ্রথের হিসাব করে থাকে এসব ম‍্যাকানিক‍্যাল ইলেক্ট্রিক‍্যাল ইন্ড্রাস্ট্রির ফিশন ফিউশন বিক্রিয়া সংশ্লিষ্ট প্রডাকশন থেকে আসে বলে এসব গ্রথের ধনী সম্প্রদায় যারা তারা পৃথিবীর বাহিরে চলে গেছে। এদের পরিবেশ পৃথিবীতে প্রত‍্যাবর্তন না করলে অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে। এটি হবে আমাদের প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের হিসাবে যা বিস্তৃত আকারে বলা হয়েছে। আমাদের প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের অর্ধেক ধ্বংস হয়ে যাবে যা ব্ল‍্যাক হোলে বিলুপ্তির সংজ্ঞায় প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

এই রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় প্রণীত সাইন্স এতো সুন্দর এবং চমৎকার যেখানে নূন‍্যতম প‍্যারাডক্স নেই। এর স্টাডি দ্বারা স্রষ্টা ও সৃষ্টির অপূর্ব মেলুবন্ধন নিহিত হয়ে যায়। যদি এই থিওরির ইম্প্লিমেন্টেশনে মানুষ চলতে ও শিখতে পারতো দুনিয়া বেহেস্ত হয়ে থাকতো। কখনো ধ্বংস হতো না।

পবিত্র আল কোরআন যারা বিশ্বাস করেন সেখানে বর্নিত বিজ্ঞানময় থিওরিগুলোর তথ‍্য মানুষের জানা ছিলো না। যা উন্মুক্ত হয়ে গেছে।

বর্তমান সভ‍্যতার কিছু কিছু বিষয়ের ডায়াগনোসিস পবিত্র আল কোরআনের সাথে মিলে গেলে পবিত্র আল কোরআন সম্পর্কে বিষ্ময় প্রকাশ করতে লক্ষ‍্য করা যায়। এসব প্র‍্যাকটিক‍্যাল ডায়াগনোসিস থেকে কিছু কিছু বিষ্মিত হওয়ার মতো ম‍্যাটার হয়েই এমনটি হয়ে থাকে। আর রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরিগুলো জেনে এর বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষনগুলো স্টাডি করে দেখুন যুগে যুগে ধর্ম কি নিয়ে এবং কোন বার্তা নিয়ে মানব জাতিকে সঠিক পথের অনুসন্ধান করতে বলেছে।

রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, ছাত্র ও কলম লেখক হিসাবে যতোটা বুঝতে পেরেছি মহান সৃষ্টিকর্তার অসীম জ্ঞানের মাঝ থেকে সৃষ্ট টুইন ফর্মেটে সৃষ্টির কোনো কিছুতে তিনি গোপনীয়তা রাখেননি। যা বাস্তবে ঘটে চলেছে তার সবকিছুই সাইন্স দ্বারা ব‍্যাখ‍্যা করে।

কোনো কিছুর দ্বারা যা ঘটানো হয় তার এন্টি ফিল্ড তৈরি করে। সেটি বিজ্ঞান সম্মত হলে তা ভালো। আর বিজ্ঞান সম্মত না হলে তা হয় খারাপ।

বিজ্ঞান সম্মত হয়ে চলেনি বিগত ৩০০০ -৩৫০০ বছরের মানুষগুলো। বিজ্ঞানের থিওরি জানা ছিলো না বলে এমন হয়েছে। এই কয়েক হাজার বছরের মধ‍্যে যতোগুলো বিজ্ঞানীর আবির্ভাব হয়েছে সকলের থিওরিতে প‍্যারাডক্স ছিলো যা বিজ্ঞান নয়। সেই অর্থে মোহাম্মদ (সা:) এর পূর্ণাঙ্গ জীবনের কথাগুলোর ইম্প্লিমেন্ট হয়নি, আর ঈসা (আ:) এর জীবনের পূর্ণাঙ্গ অধ‍্যায়ের সমাপ্ত হয়নি বলে পরম বিজ্ঞান সম্পর্কে বুঝতে পারেনি বা বুঝতে পারার জন‍্য গবেষণাগার তৈরি হয়নি।

এই দুইয়ের কথা বাদ দিলে, যারা পৃথিবীতে এই সময়ে জন্ম নিয়ে চলে গেছেন তাদের অগণিত মানুষ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পৃথিবীতে অবদান রেখেছেন কারো দ্বারা পরিবেশ বিপর্যয় হয়েছে এবং পরিবেশ উন্নতও হয়েছে। আমাদের ভুল ভ্রান্তিগুলো স্রষ্টার ক্ষমার যোগ‍্য করে তুলতে পারার মাঝে মানবতার প্রকাশ ঘটে।

মানুষের জন‍্য ধর্ম, ধর্মের জন‍্য মানুষ নয়। ব্ল‍্যাক হোল বর্তমান কালের অসীম অঞ্চল যা রাকীম ,ডার্ক ম‍্যাটারকে সব সময় এন্টি ফিল্ড বলে যা ত্বারিক, আর সব সৃষ্টির এন্টি ফিল্ড থাকায় সব টুইন। পবিত্র আল কোরআন ছাড়া আর কোনো ধর্ম গ্রন্হে নেই রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবিস্কৃত সর্বকালের শ্রেষ্ঠ এসব বিজ্ঞান তত্ব ।

৩০০০ -৩৫০০ বছর আগে অর্ধেক টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড শেষবার বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সেই সময়ের মূল গ্রন্হগুলোর পান্ডুলিপি বিলুপ্ত না হলে ইসলাম অর্থ আরবীতে শান্তি হলে অন‍্যান‍্য প্রাচীন মানুষগুলোর ভাষার ক্ষেত্রেও একইরূপ প্রতিশব্দ হিসাবে পাওয়া যেতো। এমন থিওরি আগেও এসেছিলো এজন‍্য বলা যায় যে, রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরি পবিত্র আল কোরআনের থিওরির সাথে মিলে গেছে। আর এসব থিওরির ব‍্যাখ‍্যা সমগ্র মানবজাতিকে বৈজ্ঞানিকভাবে সতর্ক করছে। এসব থিওরির প্রয়োগ ব‍্যতিত বর্তমান সভ‍্যতা অচিরেই এই প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড আবর্জনার অর্ধেক নিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

এখানে একটি বিষয় আবারও মনে করে দিতে চাই যে, দুই বিপরীত পৃথিবী দিবস ও রাত। এর বাহিরে সব স্কেলেটাল হয় যা ধাতব,অধাতব টুইন প্ল‍্যানেটের অন্তর্ভূক্ত। আর এরা আমাদের খনিজের এন্টি ফিল্ড এবং এরা ভাইরাস ব‍্যাকটেরিয়া মুক্ত.থাকলেই ন‍্যাচারাল প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড হয় মানব সভ‍্যতা ও জীবজগতের জন‍্য । মঙ্গল বা চাঁদের ফিল্ডের মতো পৃথিবীর এন্টি ফিল্ডে ভাইরাস ব‍্যাকটেরিয়ার মাধ‍্যমে প্রাণের সঞ্চার হলে মানুষ বসবাসের জন‍্য তা হবে আবর্জনার ফিল্ড। সুতরাং এমন অবৈজ্ঞানিক গবেষণা ও স্পেসশীপ নিয়ে ভ্রমণের পরিসমাপ্তি হোক। যুবরাজ / ১৭.০১.২০২৫