What is the core area and fire? Science Analysis of The Black Hole Theory.
The world's oxygen label is declining like a chronic disease. Scientific analysis of the black hole, the dark matter theory showing how to stop the current system of industrialized economies. Without managing Earth through lockdown, half of its planetary field is headed for extinction.
The world's oxygen label is declining like a chronic disease. Scientific analysis of the black hole, the dark matter theory showing how to stop the current system of industrialized economies. Without managing Earth through lockdown, half of its planetary field is headed for extinction. Because any movement of current civilization is on wrong teaching, the planetary twin fields are chronically destroyed.
The G-7 countries use the mineral resources or twin matter of the 6 skeletal planetary fields to create an anti-magnetic field that covers 40℅ of the entire Earth. And others do the rest.But of this 60℅ of the world, China alone now consumes almost the same amount as the G-7. And among the remaining 15℅, a significant amount is India and Russia. Although most of the twin matter inside the surface of Russia is now being used by these states.They learned to become a G-7 economic superpower by destroying their country's subsurface twin matter long ago. It runs through the near field of the black hole, isolating their country from the society and science-based environment of Earth.The black hole is the center of any twin object closest to the twin core where the stream of rays/fire is seen by these camera men with telescopes.
For example, the black hole is at the center of photon twin fields. But since it is not possible to isolate these photon twins, they define the central twin core region, which extends from smaller twin objects near the black hole to any range of twin objects in the twin universe.These analyzes are not known or heard in any lab or university of the current civilization. But for four years it has been pointed out in various ways that modern civilization's definition of science is wrong with everything that is not science.And Bangladeshi scientist Saiful Islam Juboraj's discovery of the definition of this absolute science is being asked to take the whole world in their university curriculum.
This photon twin is the origin of the warped matter beam of creation. These and if they are magnified, these twin and anti-twist electron twin proton twin or hydrogen twin helium twin beams come out and become our twin Earth beams which make their way every 12 hours on the twin surfaces of the Sun and Polaris. Others are twin Mercury, twin Mars, twin Jupiter, twin Saturn, twin Neptune, twin Pluto, or a member of the pole star group of each of their twins, the other being their Sun.
Electron twin beams proton twin beams or twin photon or twin stones are beamed like this polar star and sun in their labels. The essence is briefly stated.
Among all the countries in the world, the United States alone consumes one-seventh of the world's extracted oil. Which taught them to demonstrate the excellence of blacksmithing by Einstein Nikolas Tesla. Their rubish wants to drag their country out of the world.The United States, the closest country to the black hole, is on the No. 1 list, which for several years has been communicated to all presidents, including their running presidents, to all their labs and universities, and to thousands of American celebrities. An attempt has been made to inform not only this country but the entire world.
Warnings have been given time and time again and are still ongoing. The anarchic coron field being created by the US and its panelist G-7 has left the entire twin planetary field shrouded in the Earth's mantle or rainbow mantle and only 1/6 of the twin remaining to be destroyed. The twin part of this 1/6 part is also reduced. Because this report is two years old.
Many fires and volcanic eruptions have taken place in it. And the daily UV radiation that is being generated from the twin fields of the sun and polar stars is a maximum led by the G-7 and China.
Why America was called the world's No. 1 polluter Einstein Nikolas Tesla's garbage country a few years ago. Study Rakim University website. can understand See how the paradox of modern civilization has invalidated all theories of science.See the camera men of all space agencies, including NASA, taking pictures of the California wildfires. See and compare the appearance of Twin Ray Rivers or Photon Twin Rivers near the black hole. And look for a layer of ash on top of the molten rays (objects) where the quasar twinned. See also where their anti-field dark matter is covered by other parts of the US state ice.
Twin Bermuda Triangle Nicholas Tesla, Einstein, Hawking, Planck, Alfred Nobel Garbage Black Hole Anti-Field Twin. Also moving near China.
Why is the corona twin core area of the black hole forming around those who have and are working to get the Nobel Prize?
Oxygen's twin labels are being moved by the current blacksmith civilization expansion. Coronas are growing from all kinds of Earth twin objects. It is destroying virus anti field bacteria continuously. When organisms appear infected with viruses and bacteria.Viruses and bacteria that fail to form the surface as dark matter will simply disappear along with their twin territory into the black hole. As the oxygen twin field suddenly diminishes, the corona twin region expands, igniting flames as the nitrogen twin field loses its connection to the black hole with the oxygen twin field. Therefore, these fires are not extinguished with nitrogen. These fires continue until friction between the twin surfaces ceases, restoring the oxygen-nitrogen twin ionosphere connection. And their anti-field surface tends to be colder than usual.
If the twin field of oxygen hydrogen is created by fissioning the water, the connection of oxygen and nitrogen of the twin surface of the earth can be restored, so the fire is extinguished in the water.
In this case, if the twin field of the fission reactor is stronger, increasing the oxygen twin field deficiency restores the twin nitrogen black hole connection. And from fusion, the black hole's corona region that creates the flame that can be seen is covered. This is called fire extinguishing. The oxygen produced from the water twin field creates an antimagnetic field and the hydrogen creates a black hole field connection with the nitrogen.While nitrogen's anti-field positive (plus) charge, interacts with oxygen from top to bottom of the surface. In this, the field of nitrogen becomes more connected and extinguishes the fire.
View and learn science definition Earth's first sample Black Hole / Dark Matter University, Rakim University, Prannathpur, Santahar, Bangladesh website, X and Facebook articles. Juboraj/2025.01.13
কোর এলাকা ও দাবানল কাকে বলে? ব্ল্যাক হোল থিওরির বিজ্ঞান বিশ্লেষণ
পৃথিবীতে অক্সিজেনের লেবেল ক্রনিক ডিজিজের মতো কমে যাচ্ছে। বর্তমান পদ্ধতির শিল্পোন্নত অর্থনীতি বন্ধ করার জন্য ব্ল্যাক হোল, ডার্ক ম্যাটার থিওরির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ দেখানো হচ্ছে। লক ডাউনের মাধ্যমে পৃথিবী পরিচালনা ব্যতিত এর প্ল্যানেটারি ফিল্ড অর্ধেক বিলুপ্তির পথে অগ্রসর হচ্ছে। যেহেতু বর্তমান সভ্যতার যেকোনো চলাফেরা ভুল শিক্ষায় চলছে।এজন্য ক্রনিকভাবে প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড ধ্বংস হচ্ছে।
জি-৭ রাষ্ট্র সমুহ খনিজ সম্পদ বা ৬ টি স্কেলেটাল প্ল্যানেটারি ফিল্ডের টুইন ম্যাটার এন্টি ম্যাগনেটিক ফিল্ড বানিয়ে ব্যবহার করে যা সমগ্র পৃথিবীর ৪০℅। আর বাঁকিটা করে অন্যান্যরা। কিন্তু এই ৬০ ℅ বিশ্বের মধ্যে চীন এখন একাই ব্যবহার করে জি-৭ এর পরিমাণের প্রায় সমান। আর বাঁকি ১৫℅ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভারত রাশিয়া। যদিও রাশিয়ার সারফেসের অভ্যন্তরীণ টুইন ম্যাটার সবচেয়ে বেশী এসব রাষ্ট্র এখন ব্যবহার করছে। ওরা ওদের দেশের সারফেসের অভ্যন্তরীণ টুইন ম্যাটার বহু আগেই ধ্বংস করে জি-৭ অর্থনৈতিক পরাশক্তি হওয়ার শিক্ষা গ্রহণ করেছে। এটি তাদের দেশ সমাজ ও বিজ্ঞান ভিত্তিক পৃথিবীর পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি ফিল্ড দিয়ে চলছে। ব্ল্যাক হোল যে কোনো টুইন অবজেক্টের কেন্দ্র যার সবচেয়ে কাছে টুইন কোর যেখানে রশ্মি/আগুণের নদী প্রবাহিত হতে দেখে থাকে টেলিস্কোপ দিয়ে এসব ক্যামেরা ম্যানরা।
যেমন ফোটন টুইনের কেন্দ্রেও ব্ল্যাক হোল থাকে।কিন্তু এই ফোটন টুইনকে বিচ্ছিন্ন করে দেখানো সম্ভব নয় বলে এরাই বৃহত্তর পরিসরে ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি ক্ষুদ্রতর টুইন অবজেক্ট থেকে টুইন মহাবিশ্বের যে কোনো পরিসরের টুইন অবজেক্টের এলাকায় বয়ে চলা কেন্দ্রীয় টুইন কোর এলাকা ব্যাখ্যা করে। এসব বিশ্লেষন বর্তমান সভ্যতার কোনো ল্যাব বা বিশ্ববিদ্যালয়ের জানা নেই বা শোনেনি কখনো। কিন্তু চার বছর হলো নানা ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, বর্তমান সভ্যতার বিজ্ঞানের সংজ্ঞার সবকিছুতে ভুল ছিলো যা বিজ্ঞান নয়। আর বাংলাদেশী বিজ্ঞানী সাইফুল ইসলাম যুবরাজের এই পরম বিজ্ঞানের সংজ্ঞা আবিস্কার সমগ্র পৃথিবীকে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিকুলামে নিতে বলা হয়ে আসছে।
এই যে ফোটন টুইন এরাই সৃষ্টির অরিজিন প্যাঁচানো ম্যাটার বিম। এরা এবং এদের বড় করলে এরাই টুইনভাবে এবং বিপরীতভাবে পেঁচিয়ে ইলেক্ট্রন টুইন প্রোটন টুইন বা হাইড্রোজেন টুইন হিলিয়াম টুইন বিম হয়ে বেড়িয়ে এসে আমাদের টুইন পৃথিবীর বিম হয় যা সূর্য ও ধ্রুবতারার ঠুইন সারফেসে ১২ ঘন্টা পর পর চলার পথ তৈরি করে। অন্যরা হয়েছে টুইন বুধ , টুইন মঙ্গল, টুইন বৃহস্পতি, টুইন শনি, টুইন নেপচুন, টুইন প্লুটো বা ওদের প্রত্যেকটি টুইনের একটি পোল স্টার গ্রুপের সদস্য অপরটি ওদের সূর্য ।
ইলেক্ট্রন টুইন বিম প্রোটন টুইন বিম অথবা টুইন ফোটনও অথবা টুইন পাথরও এভাবে বিমযুক্ত ধ্রুবতারা ও সূর্য ওদের লেবেলে। সার সংক্ষেপে বলা হলো।
পৃথিবীর যতো রাষ্ট্র এদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে সমগ্র পৃথিবীর উত্তোলিত জ্বালানি তেলের এক সপ্তমাংশ ব্যবহার করে। যা তাদের কামার শিল্পের শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করার শিক্ষা দিয়েছে আইনস্টাইন নিকোলাস টেসলা। এদের আবর্জনা ওদের দেশকে পৃথিবী থেকে টেনে বাহিরে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। ব্ল্যাক হোলের সবচেয়ে কাছের দেশ যুক্তরাষ্ট্র, ১ নং তালিকার অন্তর্ভুক্ত যা কয়েক বছর হলো তাদের রানিং প্রেসিডেন্টসহ সকল প্রেসিডেন্টকেও জানানো হয়েছে, তাদের যত ল্যাব ও বিশ্ববিদ্যালয়কেও, মার্কিনী হাজার হাজার সেলিব্রিটিকেও। শুধু এই দেশকেই নয় সমগ্র পৃথিবীকে জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
বার বার সতর্ক করা হয়েছিলো এবং যা এখনও অব্যাহত আছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের প্যানেলভূক্ত জোট জি-৭ যে নৈরাজ্যকর করোনার ফিল্ড তৈরি করে চলেছে তাতে সমগ্র টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডকে পৃথিবীর আবরনে বা রঙধনুর আবরণে ঢাকা আর মাত্র ১/৬ ভাগ টুইন অংশ নষ্ট করার বাঁকি রেখেছে। এই ১/৬ অংশের টুইন পার্টও কমে গেছে। কেননা এই রিপোর্টটি দুই বছর আগের।
এর মধ্যে অনেকগুলো দাবানল আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত সংঘটিত হয়েছে। আর প্রতিদিন ইউভি রেডিয়েশন তৈরি করে চলেছে যা সূর্য ও ধ্রুবতারার টুইন ফিল্ড থেকে তৈরি করছে জি-৭ ও চীনের নেতৃত্বে ম্যাক্সিমাম।
পৃথিবীর ১ নং দুষিত আইনস্টাইন নিকোলাস টেসলার আবর্জনার দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে কেনো বলা হয়েছে কয়েক বছর আগে। স্টাডি করুন রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। বুঝতে পারবেন। বর্তমান সভ্যতার প্যারাডক্স বিজ্ঞানের সকল থিওরিকে বাতিল কিভাবে হয়েছে দেখুন। ক্যালিফোর্নিয়া দাবানলের ছবি তুলে দেখুন নাসাসহ সকল স্পেস এজেন্সীর ক্যামেরা ম্যানরা। দেখুন এবং মিলিয়ে দেখুন ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি টুইন রের নদী বা ফোটন টুইন নদীর চেহারা । আর দেখুন গলিত রের উপরে ছাইয়ের যে আবরণ হয়ে আছে যেখানে তা কোয়েসার টুইন হয়েছে কি না। এদের এন্টি ফিল্ড ডার্ক ম্যাটার কোথায় তাও দেখুন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গ রাজ্যের আইস দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে আছে।
টুইন বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিকোলাস টেসলা, আইনস্টাইন,হকিং, প্ল্যাঙ্ক, আলফ্রেড নোবেলদের আবর্জনার ব্ল্যাক হোল এন্টি ফিল্ড টুইন। চীনের কাছাকাছিও ঘুরছে।
নোবেল পুরস্কার যাদের কাছে আছে এবং যারা পাওয়ার চেষ্টায় কাজ করছেন কেনো তাদের চারিপাশে ব্ল্যাক হোলের করোনার কোর এলাকা তৈরি হচ্ছে ?
অক্সিজেনের টুইন লেবেল বর্তমান কামার সভ্যতার বিস্তৃতির দ্বারা সরে যাচ্ছে। সব ধরনের পৃথিবীর টুইন অবজেক্ট থেকে করোনা বেড় হয়ে আসছে। এটি ভাইরাস এন্টি ফিল্ড ব্যাকটেরিয়াকে কনটিনিউ বেড় করে এনে ধ্বংস করছে। যখন জীবজগত ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত দেখাচ্ছে। ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ডার্ক ম্যাটার হিসাবে যারা সারফেস তৈরি করে রাখতে পারবে না তারাই কেবল বিলুপ্ত হয়ে যাবে ব্ল্যাক হোলে। অক্সিজেনের টুইন ফিল্ড হঠাৎ কমে গেলে করোনা আগুণ ধরিয়ে দেয় যখন নাইট্রোজেনের টুইন ফিল্ড অক্সিজেনের সাথে সংযোগ হারায় । এজন্য এসব দাবানল নাইট্রোজেন দিয়ে নিভে না। যতোক্ষণ টুইন সারফেসের ঘর্ষন বন্ধ না হবে যা অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন আয়নোস্ফেয়ারের সংযোগ পুনস্হাপিত হবে ততোক্ষণ এসব দাবানল চলতেই থাকে । আর এদের এন্টি ফিল্ড সারফেস স্বাভাবিকের চেয়ে ঠান্ডা হতে থাকে।
পানিকে ফিশন ঘটিয়ে অক্সিজেন হাইড্রোজেনের টুইন ফিল্ড ঘটানো গেলে পৃথিবীর টুইন সারফেসের অক্সিজেন, নাইট্রোজেনের সংযোগ ফিরিয়ে আনা যায় বলে পানিতে আগুণ নিভে।
এক্ষেত্রে ফিশন চুল্লির টুইন ফিল্ড বেশি শক্তিশালী করলে অক্সিজেনের টুইন ফিল্ডের ঘাটতি বাড়িয়ে দিলে টুইন নাইট্রোজেনের ব্ল্যাক হোল সংযোগ পুনস্হাপিত হয়। এবং ফিউশন থেকে ব্ল্যাক হোলের যে করোনা অঞ্চল তৈরি করে আগুণ শিখা জ্বলা দেখা যায় তা ঢেকে যায়। এটিকে আগুণ নেভানো বলে। পানির টুইন ফিল্ড থেকে যে অক্সিজেন তৈরি করে তা এন্টি ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে আর হাইড্রোজেন নাইট্রোজেনের সাথে ব্ল্যাক হোল ফিল্ড কানেকশন তৈরি করে। যখন নাইট্রোজেনের এন্টি ফিল্ড পজিটিভ (প্লাস) চার্জ, অক্সিজেনের সাথে সারফেসের উপর থেকে নীচে সংযোগ স্হাপন করে। এতে নাইট্রোজেনের ফিল্ড বেশি কানেকশন হয়ে আগুণ নিভিয়ে দেয়।
দেখুন এবং বিজ্ঞানের সংজ্ঞা শিখুন পৃথিবীর প্রথম নমুনা ব্ল্যাক হোল / ডার্ক ম্যাটার ইউনিভার্সিটি, রাকীম ইউনিভার্সিটি, প্রান্নাথপুর, সান্তাহার, বাংলাদেশের ওয়েবসাইট,X ও ফেসবুক আর্টিকেল থেকে। যুবরাজ /১৩.০১.২০২৫