Consequences and horrors of seeing reverse space dark matter in the Universal Truth Formula
In the black hole theory and in the dark matter theory, all creation is formulated as a twin that cannot be proven to be single. The world in the age of universal truth science.A science degree in any faculty of civilization is like a white paper. 80℅ of humanity is at risk of extinction in THE BLACK HOLE. Learn Science Fast.
In the black hole theory and in the dark matter theory, all creation is formulated as a twin that cannot be proven to be single. The world in the age of universal truth science.A science degree in any faculty of civilization is like a white paper. 80℅ of humanity is at risk of extinction in THE BLACK HOLE. Learn Science Fast.
For example, people cut the body of a plant with a sharp object and saw what was inside. There is no end to the attempts to dig into the soil to see such fauna and surface internals.
Yet another ionic field is used to bend the charged beam to see it differently, like a sharper weapon. But seeing these things as seen by Einstein, Hawking, Max Planck, civilization is on the way from problem to dire danger.They saw straight light rays and the quantum field model operated with the same voltage, cutting the universe in two opposite directions of the twin formulation, almost destroying it in half.
These destructions have destroyed the magnetic twin field. Such minerals are small planetary twin fields small-scale natural asteroids and Kuiper belt territories. When it is brought up in ore form, it is removed from Earth's living environment.Many have isolated them and discovered the basic substances. But there is no such thing as fundamental that is twin. And since they create separation on the surface, they will chemically react by fission and fusion as they are anti-nature.
Because the natural planetary twin field spinning cycle will take place in the twin earth as long as they are inside the twin earth body. Taking them out will reduce the spinning power.Thus the field chemistry of the twin earths; All faculties of biology, physics, soil science etc. are based on mistakes.
For example, after opening the coil of a fan, if small natural magnets are placed on the cover of the coil and two large magnets are placed on opposite sides of the fan fitting, then the fan rotates without the need of electricity, the twin planetary field spinning engine is running.That means that those who built laboratories with ore-charged beams and those who built laboratories with these tools are doomed, as well as those they advise.
That is why advice has been given from the world's first black hole model university, Rakim University Pranathpur, Santahar, Bangladesh, to declare closure of all science faculties of the current civilization.
Discovering a mountain bigger than any mountain or several times bigger or several thousand times bigger means that the earth covering your country is covered in anti matter and you can see the skeletons inside the body.
Current civilization will not be able to remove all the earth's mantle. Only half of it can. And then these inner mountains or skeletons will look like Everest thousands of times bigger. which has begun to be seen. And then the gaseous layer near the black hole will surround it from all sides. For example, craters like Hawaii, Los Angeles or other volcanic eruptions are increasing in size.
Again, living in the skeletal body of Europe, China, fix or increase the power range of the wave camera through the opposite sky, cutting through the surface as the opposite beam traverses the warped or curved path of the black hole, showing you the natural world where there is still a natural world.The world is tilting and it is showing these technologies of yours. This means seeing nature and skeletons with the naked eye. This is how the Lost World looks like it's made.
Thus the time of extinction of at least 80℅ of human civilization is fast approaching. When the interior of the Twin Earth's body is gradually coming out and seeing the skeleton of a mountain several times the size of Everest, it is because of the wrong theory of mankind.Isn't that what telescopes or seismic surveyors look like? Billions of science minds are not promoting these things on social media? Hope the theory of science has been discovered and there is only Rakim University in Bangladesh. All this is proved by the Holy Qur'an, a scientific book. Juboraj/2025.02.16.
বিপরীত স্পেস ডার্ক ম্যাটার দেখার পরিণতি ও ভয়াবহতা ইউনিভার্সাল ট্রুথ ফর্মূলায়
ব্ল্যাক হোল থিওরিতে এবং ডার্ক ম্যাটার থিওরিতে সব সৃষ্টি টুইন ফর্মুলেটেড যা সিঙ্গেল প্রমাণ করা যায় না। ইউনিভার্সাল ট্রুথ সাইন্সের যুগে পৃথিবী। সভ্যতার যেকোনো ফ্যাকাল্টির সাইন্স ডিগ্রি সাদা কাগজের মতো। ৮০℅ মানবসভ্যতা ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে।
মানুষ যেমন যে কোনো একটি ধারালো কিছু দিয়ে উদ্ভিদের দেহ কেটে খন্ড বিখন্ড করে ওর ভিতরে কি আছে তা বেড় করে দেখেছে। সেরকম প্রাণীজগত ও সারফেসের অভ্যন্তরীণ বিষয় মাটি খুঁড়ে দেখার চেষ্টার শেষ নেই।
আবার আরও একটি আয়নিক ফিল্ডের চার্জিত রশ্মিকে বাঁকিয়েও তা ভিন্নরূপে দেখার অভ্যাস তৈরি হয়েছে যা আরও ধারালো অস্ত্রের মতো। কিন্তু এসব দেখা আইনস্টাইন, হকিং, ম্যাক্স প্ল্যাঙ্করা যে চোখে যেভাবে দেখেছেন সেভাবে দেখছেন বলে সমস্যা থেকে ভয়াবহ বিপদের পথে সভ্যতা। ওরা সোজা আলোক রশ্মিকে চালিয়ে দেখেছেন এবং কোয়ান্টাম ফিল্ড মডেল একই ভোল্টেজ দিয়ে পরিচালনা করে টুইন ফর্মূলেশনের ইউনিভার্স দুই বিপরীত দিকই কেটে ফেলে প্রায় অর্ধেক ধ্বংস করে ফেলেছেন।
এসব ধ্বংস বলতে ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড নষ্ট করে ফেলেছেন। যেমন খনিজগুলো একেকটি ক্ষুদ্র প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড ছোট্ট পরিসরের ন্যাচারাল এস্টরয়েড ও কাইপার বেল্ট টেরিটোরি। এটিকে যখন উপরে তুলে আনা হয় আকরিক আকারে এবং তা পৃথিবীর জীব বসবাসের পরিবেশকে সরিয়ে আনা হলো। আবার এদের বিচ্ছিন্ন করে মৌলিক পদার্থের আবিস্কারক হয়েছেন অনেকেই। কিন্তু এভাবে মৌলিক বলতে কোনো কিছু নেই যা টুইন। আর এরা সারফেসে তুলে এভাবে বিচ্ছিন্নতা তৈরি করায় এমনিতেই এন্টি ন্যাচার হওয়ায় রাসায়নিকভাবে ফিশন ফিউশন বিক্রিয়া করবেই।
কেননা ন্যাচারাল প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড স্পিনিং পরিক্রমা ততোক্ষন অনুষ্ঠিত হবে টুইন পৃথিবীতে যতোক্ষন এরা টুইন পৃথিবীর বডির ভিতরে থাকবে।এদের বাহির করে আনলে স্পিন করার শক্তি কমতে থাকবে। এভাবেই টুইন পৃথিবীর ফিল্ড রসায়ন; বায়োলজি, পদার্থ, সয়েল সাইন্স ইত্যাদি সব ফ্যাকাল্টির সকলে ভুলের উপর প্রতিষ্ঠিত।
যেমন একটি ফ্যানের কয়েল খুলে যদি ছোট ছোট ন্যাচারাল ম্যাগনেট কয়েলের কভারের উপর চারিদিকে লাগিয়ে ফ্যান ফিটিং করে ফ্যানের বাহিরে বিপরীত দিকে দুটি বড় ম্যাগনেট লাগানো হয় তাহলে যেমন ইলেক্ট্রিসিটির প্রয়োজন ছাড়া ফ্যান ঘুরতে থাকে বিষয়টি এমনভাবে টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডের স্পিনিং ইঞ্জিন চলছে। তার মানে আকরিকের চার্জ রশ্মি নিয়ে যারা পরীক্ষাগার তৈরি করেছেন এবং এসব টুলস দিয়ে যারা গবেষণাগার তৈরি করেছেন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ওরা নিজেও এবং ওরা যাদের পরামর্শ দিচ্ছেন তারাও।
যে কারণে বর্তমান সভ্যতার সকল সাইন্স ফ্যাকাল্টি বন্ধ ঘোষনা করতে নির্দেশসহ পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে পৃথিবীর প্রথম কোনো ব্ল্যাক হোল নমুণা ইউনিভার্সিটি, রাকীম ইউনিভার্সিটি প্রান্নাথপুর, সান্তাহার, বাংলাদেশ থেকে।
যে কোনো পাহাড়ের চেয়ে বড় বা কয়েকগুণ বড় কিংবা কয়েক হাজারগুণ বড় পাহাড় আবিস্কার হচ্ছে মানে আপনার দেশের যে পৃথিবীর আবরন ছিলো তা এন্টি ম্যাটারে ঢেকে যাচ্ছে আর বডির ভিতরের কঙ্কালগুলো দেখতে পাচ্ছেন।
সমস্ত পৃথিবীর আবরন সরিয়ে ফেলতে পারবে না বর্তমান সভ্যতা।পারবে অর্ধেক। আর তখন এসব ভিতরের পাহাড় বা কঙ্কাল কয়েক হাজার গুণ বড় আকারে এভারেস্টের মতো দেখা যাবে। যা দেখা শুরু হয়েছে। +আর তখন ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী গ্যাসিয়াস স্তর চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলবে। যেমন দাবানল বা আগ্নেয়গিরির সারফেসের মুখ ছোট থেকে বড় হচ্ছে।
সমস্ত পৃথিবীর আবরন সরিয়ে ফেলতে পারবে না বর্তমান সভ্যতা।পারবে অর্ধেক। আর তখন এসব ভিতরের পাহাড় বা কঙ্কাল কয়েক হাজার গুণ বড় আকারে এভারেস্টের মতো দেখা যাবে। যা দেখা শুরু হয়েছে। আর তখন ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী গ্যাসিয়াস স্তর চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলবে। যেমন হাওয়াই, লস এঞ্জেলেসের মতো দাবানলের মুখ বা অন্যান্য আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের পরিধি বৃদ্ধি হচ্ছে।
আবার ইউরোপ, চীনের কঙ্কাল বডিতে বসবাস করে বিপরীত আকাশ দিয়ে ওয়েভ ক্যামেরার পাওয়ার রেঞ্জ ফিক্সট করে বা বৃদ্ধি করে বিপরীত রশ্মির ব্ল্যাক হোলের প্যাঁচানো বা বাঁকানো পথ বেয়ে যাবার সময় সারফেস কেটে ফেলে আপনাকে ন্যাচারাল পৃথিবী দেখাচ্ছে যেখানে এখনও ন্যাচারাল পৃথিবী আছে। পৃথিবী কাত হয়ে ঘুরছে এটি আপনার এসব প্রযুক্তি দেখাচ্ছে। এর মানে খালি চোখে ন্যাচারও দেখছেন ও কঙ্কালও দেখছেন। লস্ট ওয়ার্ল্ড তৈরি হয়েছে বলে এভাবে দেখছেন।
এভাবে কমপক্ষে ৮০℅ মানব সভ্যতার বিলুপ্তির সময় দ্রুত এগিয়ে আসছে। যখন টুইন পৃথিবীর বডির ভিতরটা ক্রমেই বেড়িয়ে আসছে আর এভারেস্টের কয়েকগুণ বড় পাহাড়ের কঙ্কাল দেখতে পাচ্ছে মানবসভ্যতা ভুল থিওরিতে চলার কারণে। টেলিস্কোপধারী অথবা সিসমিক সার্ভেয়াররা এরকম দেখাচ্ছেন না? সোশ্যাল মিডিয়ায় কোটি কোটি বিজ্ঞান মনস্করা এসব প্রচার করছেন না? বিজ্ঞানের থিওরি থেকে কোনো প্রযুক্তি হয় নি। থিওরি রয়েছে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে। এসবকে প্রমাণ করছে পবিত্র আল কোরআন বিজ্ঞানময় গ্রন্হ। যুবরাজ/১৬.০২.২০২৫।