The entire Planetary Twin Field is in dire danger from the California wildfires

USA is the damned illiterate nation of North America. The origin of a NATO community's twin dwarf planet creation that spans the entire Atlantic to Europe as a repository for complex chemical waste. This has made the Mediterranean Sea adjacent and the whole of Europe the inhabitants of the twin planets of this same garbage.


USA is the damned illiterate nation of North America. The origin of a NATO community's twin dwarf planet creation that spans the entire Atlantic to Europe as a repository for complex chemical waste. This has made the Mediterranean Sea adjacent and the whole of Europe the inhabitants of the twin planets of this same garbage.

Now many countries and civilizations including China, Japan, South Korea, Taiwan, Hong Kong, Singapore have joined them.The garbage field they live in is rapidly expanding. They consider themselves a very educated and advanced race. In fact, those who live in these territories are not in the twin world.

Singapore 100 years ago can define what and how the world is.China can give sixty years ago. But the paradox is that science, on the whole, is in great trouble, using minerals as chemicals as the Black Smith civilization pleases. The natural twin sees the Earth now as two separate skies of opposite charges.

As these civilizations now see themselves 64 degrees away from the magnetic twin field created by the twin earth's black hole field, it can be said that the earth's magnetic field has shifted dangerously.But they thought they were in the world with territories like St. Martin or the Amazon or the Congo forest area or Africa. Never that. To return to Earth, the space ship must stop launching forever. Mining must be stopped forever.The industry is no longer viable. Electricity cannot be used at night. The mechanical age must be stopped.

Entire city civilizations must either be evacuated or demolished to create nature if time and opportunity allow.The mentioned countries, including the United States, are passing close to the black hole. Radio active radiation or UV radiation is emitted from the twin surfaces of the mentioned countries. To stop these will start to decrease now if a seven day lock down is imposed on the entire world. Its impact will begin.The river of fire that can be seen flowing around the black hole is constantly expanding due to the leakage of a very small amount of oxygen nitrogen coating the twin black hole fields. This leakage means that the ozone layer of the ionosphere breaks through.Because all creation is bound by twin, the ozone layer is held in place by connecting the opposite Earth's surface. whose anti-field forms Saturn's rings. Saturn's rings are there, along with the ozone layer, and within the Earth's surface is Saturn as a mineral.

Thus the planet's antimagnetic fields are twin Earth's twin cots. Above and below this bed, day and night, with the sun and the pole star, we spin in and out against each other.Surrounding us are two oppositely charged earths that exist creating a twin magnetic field envelope of oxygen-nitrogen above and below. Do you understand what is happening in the United States?The label of this oxygen is so low that the twin surface burns and the twin oxygen coating is removed, leaving the twin light rays from around the black hole.The other field of this twin is creating an ice field in another state.

This has previously been suggested in the article on the cause of Saturn's ring destruction, as the thin covering of the ozone twin label is removed, resulting in an irregular barrier to UV rays. Civilization has been understood for four years. My country could not raise this paradox-free theory of science to the world civilization, nor did it go viral.All US universities have been notified. Universities in many countries including England, Germany, France, Russia, China, Japan, Korea, India, Pakistan, Saudi Arabia and UAE have been informed.

If the United States burns like this, the magnetic field is moving further and the chemicals that are being spread to put out the fire are moving the magnetic field of this territory further through the mentioned dwarf twin planets. Even after news of the 64 degree shift two years ago, mineral extraction and exploitation did not stop.And the munitions of war also created twin fields of chemical waste. The exercise is underway showing a fleet of warships. Is it at 64 degrees?It has increased a lot. And since the US itself is home to the polar twin point of the dwarf planet's twin field territory because the Bermuda Triangle is here, it has therefore moved closer to the black hole.

Rakim University Pranathpur Bangladesh has been talking about 70 degrees since a year ago. Because of the Ukraine Israel war. Now, as the California wildfires quickly move this magnet 90 degrees, half of the Twin Planetary Field mantle is being released from Earth's mantle.And then half of these twin worlds are separating. Where is the escape route of this uneducated civilization? At the fingertip of Prophet Muhammad (pbuh), one half of the bisected moon will separate from the twin dwarf planet and disappear.Along with this, the dwarf twin planet's 6 billion urban civilizations and hybrid life-worlds will be lost to the dwarf twin surface, losing the dust beam and entering the circle of burning twin UV radiation.

Suppose at this moment if the twin planetary field begins to disappear due to this fire in the United States, then California in the United States can be the next field of hot twin reactors under the polar ice of the Earth. Which is called quasar.And by the combined freezing of the states where the ice is frozen, the anti-field of the hot twin of the black hole will form the polar ice. And a large part of the surfaces will go under the ice. But this is just an example. Since the USA is a dwarf planet The country under it will therefore disappear.

The black hole spinning in a territory twin planetary field with the science definition would stop for a few seconds but start spinning again and survive.Few human civilizations will be half-formed and the biosphere is waiting for the same.

So the US is in dire straits one way at this point is to increase the oxygen label by locking down the entire world. Then UV radiation will slow down.In this case, oxygen coverage will increase. And this fire can be tried to stop with a lot of water. Besides, this fire can stop only if it rains. And if the lock down effect could pull the opposite space away from being dangerously close then this fire would be extinguished.

May Allah Almighty grant all the right knowledge. Juboraj/2025.01.14


ক‍্যালিফোর্নিয়ার দাবানলে ভয়াবহ বিপদের সম্মুখীন সমগ্র প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড

যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি অভিশপ্ত অশিক্ষিত জাতি। যারা জটিল কেমিক‍্যাল আবর্জনা তৈরির সূতিকাগার হিসাবে ইউরোপ পর্যন্ত সমগ্র আটলান্টিক হয়ে একটি ন‍্যাটো সম্প্রদায়ের টুইন বামণ গ্রহ সৃষ্টির উৎপত্তিস্হল। এর সাথে মেডিটেরিয়ান সি সংলগ্ন এলাকা ও সমগ্র ইউরোপকে এই আবর্জনার টুইন গ্রহের বাসিন্দায় পরিণত করেছে।

এখন এদের সাথে যুক্ত হয়ে চীন জাপান দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান হংকং সিঙ্গাপুরসহ বহু দেশ ও সভ‍্যতা। দ্রুত ওরা বড় হয়ে যাচ্ছে। এরা নিজেদের খুব শিক্ষিত ও উন্নত জাতি মনে করে। আদতে এসব টেরিটোরিতে যারা বসবাস করে এরা টুইন পৃথিবীতে নেই ।

পৃথিবী কি এবং কেমন এর সংজ্ঞা ১০০ বছর আগের সিঙ্গাপুর দিতে পারবে। চীন ষাট বছর আগেও দিতে পারবে। কিন্তু প‍্যারাডক্সকে বিজ্ঞান মনে করে মোটের উপর ব্ল‍্যাক স্মিথ সভ‍্যতা যেমন খুশি তেমনভাবে খনিজকে ক‍েমিক‍্যাল হিসাবে ব‍্যবহার করে এখন মহা বিপাকে পরে গেছে। ন‍্যাচারাল টুইন পৃথিবীকে এখন পরস্পর বিপরীত চার্জের দুই পৃথক আকাশের বিপরীত আকাশে দেখতে পায়।

টুইন পৃথিবীর ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড যে ম‍্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড সৃষ্টি করে আছে সেই টুইন ফিল্ড থেকে এখন এসব সভ‍্যতা নিজেদের ৬৪ ডিগ্রি দূরে দেখছে বলে বলতে পারছে পৃথিবীর ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড বিপদজনকভাবে স্হানান্তরিত হয়েছে। কিন্তু ওরা মনে করেছে ওদেরটা পৃথিবীতে আছে সেন্টমার্টিন কিংবা অ‍্যামাজন বা কঙ্গোর বনাঞ্চল এরিয়া বা আফ্রিকার মতো টেরিটোরির সাথে আছে। কখনো তা নয়। পৃথিবীতে ফিরতে হলে স্পেস শীপ চিরতরে লঞ্চ করানো বন্ধ করতে হবে। খনিজ উত্তোলন চিরতরে বন্ধ করতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি আর চালানো যাবে না। রাতে বিদ‍্যুত ব‍্যবহার করা যাবে না। যান্ত্রিক যুগকে থামিয়ে দিতে হবে।

সমগ্র সিটি সভ‍্যতা হয় খালি করতে হবে নতুবা এদের ভেঙ্গে ন‍্যাচার তৈরি করতে হবে যদি সামনে সময় এবং সুযোগ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রসহ উল্লেখিত দেশগুলো ব্ল‍্যাক হোলের কাছাকাছি দিয়ে চলছে। তেজস্ক্রিয় রেডিয়েশন বা ইউভি রেডিয়েশন নির্গত হয় উল্লেখিত দেশগুলোর টুইন সারফেস থেকে। এসব বন্ধ করতে হলে এখনই কমতে শুরু করবে সমগ্র পৃথিবীতে সাত দিনের লক ডাউন দিন।এর ইমপ‍্যাক্ট শুরু হয়ে যাবে। ব্ল‍্যাক হোলের চারিপাশে যে আগুণের নদীর মতো প্রবাহিত হতে দেখা যায় তা খুবই স্বল্প পরিসরে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের প্রলেপ লিকেজ হয়ে অনবরত বেড় হয়ে আসছে। এই লিকেজ আয়নোস্ফেয়ারের ওজোন লেয়ার ফাঁকা হয়ে ভেদ করে আসা বুঝায়। সব সৃষ্টি টুইন দ্বারা আবদ্ধ হওয়ায় ওজোন লেয়ার যেখানে মনে করছেন সেখানে বিপরীত পৃথিবীর সারফেসের সংযোগ দিয়ে আটকানো আছে। যার এন্টি ফিল্ড শনির বলয় তৈরি করে আছে। শনির ‍বলয় সেখানে ওজোন লেয়ারের সাথে আছে আবার পৃথিবীর সারফেসের অভ‍্যন্তরে আছে খনিজ হিসাবে শনি গ্রহ।

এভাবে গ্রহের এন্টি ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডগুলো টুইন পৃথিবীর টুইন খাট। এই খাটের উপর এবং নীচ দিয়ে দিবস ও রাত সূর্য ও ধ্রুবতারার সাথে আমরা ভিতর ও বাহির দিয়ে পরস্পর বিপরীতে স্পিন করে আছি। আমাদের চারিদিকে নীচে উপরে অক্সিজেন-নাইট্রোজেনের টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ডের আবরন তৈরি করে টিকে আছি এমন দুইটি বিপরীত চার্জের পৃথিবীতে। বুঝতে পারছেন কি যুক্তরাষ্ট্রে কি ঘটছে? এই অক্সিজেনের লেবেল এতোই কম যে এই টুইন সারফেস পুড়ে এই টুইন অক্সিজেনের আবরন সরে যাচ্ছে বলে ব্ল‍্যাক হোলের চারিপাশ থেকে টুইন আলোর রে বেড়িয়ে আসছে। এই টুইনের অপর ফিল্ড অন‍্যান‍্য স্টেটের আইস ফিল্ড তৈরি করছে।

এই বিষয়টি ইতিপূর্বে শনির বলয় ধ্বংস হওয়ার কারণের আর্টিকেলে জানানো হয়েছে যে ওজোন টুইন লেবেলের পাতলা আবরন সরিয়ে যাওয়ায় অনর্গল বেড় হচ্ছে ইউভি রে। চার বছর হলো বুঝানো হচ্ছে সভ‍্যতাকে। আমার দেশও তুলতে পারেনি বিশ্ব সভ‍্যতার কাছে কিংবা ভাইরালও হয়নি বিজ্ঞানের প‍্যারাডক্সমুক্ত এই থিওরি। যুক্তরাষ্ট্রের সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে জানানো হয়েছে। ইংল‍্যান্ড জার্মানি ফ্রান্স রাশিয়া চীন জাপান কোরিয়া ভারত পাকিস্তান সৌদি আরব আমিরাতসহ বহু দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এভাবে পুড়লে ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড আরও সরছে আর আগুণ নেভাতে যেসব রাসায়নিক ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এই টেরিটোরির ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড আরও সরে যাচ্ছে উল্লেখিত বামণ টুইন গ্রহ হয়ে। দু বছর আগের ৬৪ ডিগ্রি স্হানান্তরিত হওয়ার খবরের পরও খনিজ উত্তোলন ও ব‍্যবহার থামেনি। আর যুদ্ধের বারুদও কেমিক‍্যাল আবর্জনার টুইন ফিল্ড সৃষ্টি করেছে। মহড়া প্রদর্শন চলেছে যুদ্ধ জাহাজের বহর দেখিয়ে। এটি কি ৬৪ ডিগ্রিতে আছে? বেড়ে গেছে অনেক। আর যুক্তরাষ্ট্র নিজেই যেহেতু বামণগ্রহের টুইন ফিল্ড টেরিটোরির মেরু টুইন বিন্দুর দেশ কেননা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এখানে, একারণে ব্ল‍্যাক হোলের আরও কাছে চলে গেছে।

রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্নাথপুর বাংলাদেশ ৭০ ডিগ্রির কথা বলে আসছে এক বছর আগে থেকে। ইউক্রেন ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে। এখন ক‍্যালিফোর্নিয়ার দা‍বানল এই ম‍্যাগনেটকে দ্রুত ৯০ ডিগ্রির দিকে নিয়ে গেলে অর্ধেক টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের আবরন পৃথিবীর আবরন মুক্ত হচ্ছে। আর তখন এই অর্ধেক টুইন পৃথিবী আলাদা হয়ে যাচ্ছে। পালানোর পথ কোথায় বর্তমান এই অশিক্ষিত সভ‍্যতার? রাসূল মোহাম্মদ (সা:) এর আঙ্গুলের ইশারায় দ্বিখন্ডিত চাঁদের এক অর্ধেকের টুইন বামণ গ্রহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এর সাথে বামণ টুইন গ্রহের ৬০০ কোটি শহুরে সভ‍্যতা ও হাইব্রিড জীব জগত বামণ টুইন সারফেসের সাথে ধূলিকণার বিম হারিয়ে জ্বলন্ত টুইন ইউভি রেডিয়েশনের সার্কেলে প্রবেশ করে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ধরুন এই মুহুর্তে যদি যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবানলের কারণে টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড বিলুপ্ত হতে শুরু করে তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের ক‍্যালিফোর্নিয়া হতে পারে নেক্সট পৃথিবীর মেরুর বরফের নীচের উত্তপ্ত টুইন চূল্লির ফিল্ড। যাকে কোয়েসার বলে। আর যেসব স্টেটে বরফ জমে আছে এদের সন্মিলিত জমাট দিয়ে এই ব্ল‍্যাক হোলের উত্তপ্ত টুইনের এন্টি ফিল্ড মেরুর বরফ তৈরি করবে।আর সারফেসগুলোর বিশাল অংশ বরফের নীচে চলে যাবে। কিন্তু এটি একটি কেবলই উদাহরণ। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র বামণ গ্রহ এর অন্তুর্ভূক্ত দেশ সুতরাং বিলুপ্তই হয়ে যাবে।

ব্ল‍্যাক হোল বিজ্ঞানের সংজ্ঞার সাথে যেসব টেরিটোরি টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডে স্পিন করছে এরা কয়েক সেকেন্ডের জন‍্য থেমে গেলেও আবার স্পিন করা শুরু করবে এবং সারভাইভ করবে। অল্প কিছু মানব সভ‍্যতা অর্ধেক আকৃতির হবে ও জীবজগতও একইরূপ অপেক্ষমাণ।

কাজেই যুক্তরাষ্ট্রের এই ভয়াবহ অবস্হায় উপায় একটি এই মুহুর্তে যে সমগ্র পৃথিবীতে লক ডাউন দিয়ে অক্সিজেনের লেবেল বাড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। তাহলে ইউভি রেডিয়েশন বেড়িয়ে আসার গতি কমে যাবে। এক্ষেত্রে অক্সিজেনের প্রলেপ বেড়ে যাবে। আর প্রচুর পানি দিয়ে এই দাবানল বন্ধের চেষ্টা করা যেতে পারে। এছাড়া যদি বৃষ্টি হয় তবেই এই দাবানল থামতে পারে। আর লক ডাউনের প্রভাবে বিপরীত স্পেস বিপদজনকভাবে নিকটবর্তী হওয়া থেকে দূরে সরে যেতে পারে তাহলে এই আগুণ এমনিতেই নিভে যাবে।

মহান আল্লাহ সকলকে সঠিক জ্ঞান দান করুন।
যুবরাজ /১৪.০১.২০২৫