The creator has given the theory of science in the great calamity of creation

The unknown theory of the science of the Holy Qur'an has been discovered.The Black hole , dark matter, and all creation are twinned by opposites that cannot be proven single. If these theories are not known and not applied, the higher degree of Muslims prove to be uneducated.


The unknown theory of the science of the Holy Qur'an has been discovered.The Black hole , dark matter, and all creation are twinned by opposites that cannot be proven single. If these theories are not known and not applied, the higher degree of Muslims prove to be uneducated.Sun goes from south to north and from north to south. These scientific words are from Surah Kahf. All this meant that nuclear physics and space science studies were cancelled. It is not just that the fundamental law or principle of any faculty of science is not correct.The propagation of Islam will not be correct if the followers of Islam do not take these science definitions discovered in the Holy Qur'an in their speech. The science formed by the Holy Qur'an and Hadith is providing unique excellence in education.

What is Zulfi star, Surah at Tariq what comes at night? This is supposed to come from dark matter.And what is dark matter, by the words of Rakim in Surah kahaf, this means black hole, which reveals the theory of all the creations described in the Holy Qur'an. This has ranged from the smallest photon twin beam to the largest phase twin universe beam. Thus the opposite of each unit is dark matter.From the single black hole, all creations are moving in their two mashriq and two maghrib spinning states.

Therefore, all units or fundamental principles in creation have been removed, compared extensively with the definition of the unit or fundamental principle of the current civilization. That is why the theories of Einstein, Hawking, Planck, Nicolas Tesla are now trash in the dustbin. The West was the first to sink into this garbage. And then many areas, including some countries in the East, which now cover more than 1/3 of the planetary twin field. When it becomes 1/2, there is no more protection. At least 600 million of the 8 billion people in the biosphere and their twin habitats will be Zulfi stars.

The stars are also twin planets. One of its nebulae is pulsar dark matter in the opposite direction, making it a twin of one of the two hemispheres. The opposite hemisphere is similar in its opposite direction, which shows four nebulae pulsars, pulsar nebulae of a planet.They have three dark matter. Again, as the planet is twin in opposition to each other, its opposite planet is dark matter.These opposite planets are generating AC DC and DC AC currents by day and night, keeping their respective twin nebulas and twin pulsars in opposition to each other, creating ionosphere labels of fixed distance at 12-hour intervals (which is the case for Earth).

These two Udayachal (two mashriks) two Astachals (two maghribs) approach the black hole and create a river of twin DC current waves of twin light rays that travel up to the twin quasars and extinguish, creating a river of flame again.During these periods space ships or planes cannot be launched into the sky because the ionosphere label or opposite sky nebula is too close to the pulsar. Since both planets are close, launching from one will hit the other and destroy it.

Elon Musk's spaceship has a speed faster than the twin Earth's spinning speed. Or the twin space is created by spinning slower than the plane. Realize that the spinning speed of the twin earths is not even half of 1046.5 miles per hour.

In fact, they are at their largest in creation at midday and midafternoon, when the twin Earths appear as the sun and the pulsar as the nebula and pulsar. The volume of the nebula pulsar halves during two 3 and two 9 hours of daylight and nighttime clock hours. There have been many such discussions.You understand that the twin worlds swell up like a balloon from two gods. Four to eight twins. Again two Maghribs go quietly like a balloon without gas.

The eight twin earths or planets here are the smallest to the largest and the largest to the smallest. These objects are seen by the James Webb or Hubble Space Telescope cameramen at the same time of day and night as twin objects of different sizes. They spin around each other creating ripples like dust, adding and subtracting. The twin ionospheres burn in opposite friction. Because this ionosphere is covered inside and out by the twin nebula pulsars of oxygen and nitrogen, life survives.Here the twin formation of eight objects is shown here, then the number of the earth or the number of planets is not eight but seven. Pyramids and man-made Bermuda triangles are not like straight sides of triangles of DC current light rays. They are also crooked.Just as a river bends like a DNA RNA twin, the red light imaged by the DC current flow in the camera manned telescopes in space is also bent or caused by the black hole associated with the twin spin field.Triangularity is the foundation that the black hole is initially building on in the DC format, as it is a twin, resulting in six twin platforms.These are Mercury Mars Jupiter Saturn Neptune Pluto's Twin Nebula and Pulsar. And on top of them, the oxygen nitrogen twin and the twin nebula of the living body cover the pulsar inside, and alien bodies or skeletons of different sizes appear.And if you cover it with the outside, the most beautiful nature.

THERE IS NOTHING MORE BEAUTIFUL THAN ALLAH ALMIGHTY.

Those who show their views on social media or by creating laboratories institutionally in these matters cannot be called scientists because without knowing the theory, the entire human race has been seduced and filled with garbage in these matters and is giving our twin planetary field.Seeing the black hole in a twin sky is the same thing as seeing water eddies in a natural stream or river dam.

Dark matter objects rotating opposite to the water rotation cannot be seen even if desired. It appears that the dam has permanently disrupted the ionic field of the twin moons. By which Twin Venus and Twin Uranus have reduced the production of Twin Water and Twin Ice, though slightly. Details on website, X and Facebook.

The Great Creator has put the theory of science in the Great Disaster of His Great Creation which the Holy Qur'an is testifying to 1400 years ago. The difference between education and uneducation will repair the contamination of the planetary twin fields or burn away half the contamination.

Juboraj/ 2025.01.05


স্রষ্টা সৃষ্টির মহাবিপদে বিজ্ঞানের থিওরি দিয়ে রেখেছেন

পবিত্র আল কোরআনের বিজ্ঞান বিষয়ের অজানা থিওরি আবিস্কার হয়েছে । ব্ল‍্যাক হোল, ডার্ক ম‍্যাটার, আর সব সৃষ্টি পরস্পর বিপরীত দ্বারা টুইনভাবে তৈরি যা সিঙ্গেল প্রমাণ করা যায় না। এসব থিওরি সম্পর্কে না জানা এবং এদের প্রয়োগ না হলে মুসলিমদের উচ্চ ডিগ্রিধারীগণ অশিক্ষিত প্রমাণ হয়ে যায়। সূর্য দক্ষিণ থেকে উত্তরে যায় আবার উত্তর থেকে দক্ষিণে। এসব বৈজ্ঞানিক কথা সূরা কাহাফ এর। এসবের অর্থ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স ও স্পেস সাইন্স স্টাডি বাতিল করেছে। শূধু তাই নয় সাইন্সের কোনো ফ‍্যাকাল্টির ফান্ডামেন্টাল ল বা প্রিন্সিপল সঠিক নয়।

পবিত্র আল কোরআনের আবিস্কৃত এসব সাইন্স ডেফিনেশন ইসলাম ধর্মের অনূসারীগণ তাদের বক্তৃতায় না নিলে ইসলামের প্রচার সঠিক হবে না। পবিত্র আল কোরআন ও হাদীস দ্বারা গঠিত বিজ্ঞান শিক্ষার ক্ষেত্রে অনন‍্য শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করছে।

জুলফি তারকা কি, সূরা আত তারিকে রাতে কি আসে? এটি ডার্ক ম‍্যাটার আসা বূুঝানো হয়েছে। আর ডার্ক ম‍্যাটার কি তা সূরা কাহাফের রাকীম শব্দ দ্বারা ব্ল‍্যাক হোল বুঝায় যার থিওরির প্রকাশ ঘটায় পবিত্র কোরআনে বর্ণিত সব সৃষ্টি টুইন প্রমাণ হয়েছে। এটি হয়েছে ক্ষুদ্রতম ফোটন টুইন বিম থেকে বৃহত্তম পর্যায়ে টুইন ইউনিভার্স বিম পর্যন্ত। এভাবে প্রতিটি এককের বিপরীত ডার্ক ম‍্যাটার হয়েছে। সিঙ্গেল ব্ল‍্যাক হোল থেকে দুই হয়ে সব সৃষ্টি তাদের দুই মাশরিক ও দুই মাগরিবে স্পিনিং অবস্হায় চলাচল করছে।

একারণে এসম্পর্কিত বর্তমান সভ‍্যতার একক বা মৌলিক তত্বের ডেফিনেশনের সাথে ব‍্যাপকভাবে তুলনা করে সৃষ্টিতে থাকা সব একককে বা মৌলিক তত্বকে অপসারণ করা হয়েছে। যে কারণে আইনস্টাইন, হকিং, প্লাঙ্ক, নিকোলাস টেসলাদের মতবাদ এখন ডাস্টবিনের আবর্জনা। এ আবর্জনায় ডুবে গেছে পাশ্চাত‍্য সবচেয়ে আগে। আর পরে প্রাচ‍্যের কয়েকটি দেশসহ বহু এলাকা যা প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের ১/৩ এর চেয়ে বেশি অংশ জুড়ে এখন। ১/২ হয়ে গেলে আর রক্ষা নেই। ৮০০ কোটি মানুষের মধ‍্যে কমপক্ষে ৬০০ কোটি মানুষসহ জীবজগত আর এদের বসবাসের টুইন এলাকা জুলফি তারকা হবে।

তারকা গুলোও টুইন প্লানেট। এর একটি নীহারিকা যে ডাইরেকশনে এর বিপরীতে পালসার ডার্ক ম‍্যাটার যুক্ত হয়ে এটি দুই গোলার্ধের একটির টুইন তৈরি করে। বিপরীত গোলার্ধ এর সম্পূর্ণ বিপরীত ডাইরকশন হওয়ায় অনুরূপ হয়েছে যা একটি গ্রহের চারটি নীহারিকা পালসার, পালসার নীহারিকা দেখায়।এদের তিনটি ডার্ক ম‍্যাটার থাকছে। আবার গ্রহ পরস্পর বিপরীতভাবে টুইন হওয়ায় এর বিপরীত গ্রহ ডার্ক ম‍্যাটার। এই বিপরীত গ্রহ দিন ও রাতের দ্বারা এসি ডিসি ও ডিসি এসি কারেন্ট তৈরি করছে এদের প্রত‍্যেকের নীহারিকা ও পালসারকে পরস্পর বিপরীতে রেখে যা নির্দিষ্ট দূরত্বের আয়নোস্ফেয়ার লেবেল তৈরি করে ১২ ঘন্টার ব‍্যবধানে ( যা পৃথিবীর ক্ষেত্রে)। এরা দুই উদয়াচল (দুই মাশরিক) দুই অস্তাচলে (দুই মাগরিব) ব্ল‍্যাক হোলের কাছাকাছি গিয়ে টুইন আলোক রশ্মির টুইন ডিসি কারেন্টের ঢেউয়ের নদী তৈরি করে যা টুইন কোয়েসার পর্যন্ত গিয়ে নিভে, আবার নদীর ফ্লেম তৈরি হয়।

এসময়কাল গুলোতে আয়নোস্ফেয়ার লেবেল বা বিপরীত আকাশের নীহারিকা পালসার খুব কাছাকাছি থাকায় স্পেস শিপ বা প্লেন আকাশে লঞ্চ করানো যায় না। উভয় প্ল‍্যানেটের দূরত্ব কাছাকাছি থাকায় একটি থেকে লঞ্চ করলে অপরটিতে আঘাত করে ধ্বংস হয়ে যাবে।

টুইন পৃথিবীর স্পিনিং গতির চেয়ে এলন মাস্কের স্পেস শীপের গতি বেশি থাকে। অথবা প্লেনের চেয়েও ধীর গতিতে টুইন স্পেস স্পিন করে তৈরি হয়। বুঝতেই পারছেন টুইন পৃথিবীর স্পিনিং গতিও ঘন্টায় ১০৪৬.৫ মাইলের অর্ধেক সঠিক নয়।

আসলে মধ‍্য দিন ও মধ‍্য দুপুরে যখন টুইন পৃথিবী সূর্য ও ধ্রবতারা হিসাবে নীহারিকা ও পালসার দেখায় তখন ওরা বৃহত্তম থাকে। দিনের ও রাতের ঘড়ির সময়ের দুইটি ৩ ও দুইটি ৯ ঘন্টার সময় নীহারিকা পালসারের আয়তন অর্ধেক হয়ে যায়। এরকম অনেক আলোচনা করা হয়েছে। বুঝতেই পারছেন বেলুনের মতো ফুলে উঠে টুইন পৃথিবী দুই মাশরিক থেকে। চারটি থেকে আটটি টুইনে। আবার দুই মাগরিবে চুপষে যায় গ‍্যাসহীন বেলুনের মতো।

এখানে যে আটটি টুইন পৃথিবী বা প্লেনেট এই যে ছোট্ট থেকে বড় এবং বড় থেকে ছোট্ট হচ্ছে এসব অবজেক্টগুলোকে দিনে রাতের একই সময়ের দ্বারা জেমস ওয়েব বা হাবল স্পেস দূরবীন ক‍্যমেরাম‍্যনরা বিভিন্ন আকারেরটুইন অবজেক্টের ছুটাছুটি দেখে থাকেন। এরা ধূলার মতো ঢেউ তৈরি করে এভাবে একে অপরের সাথে স্পিন করতে করতে যোগ হচ্ছে বিয়োগ হচ্ছে। টুইন আয়নোস্ফেয়ারের ঘর্ষনে জ্বলছে । এই আয়নোস্ফেয়ার লেবেল অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের টুইন নীহারিকা পালসারের আবরনে ভিতর বাহির দিয়ে ঢাকা থাকায় জীবজতের টিকে থাকা। এখানে যে বহিস্হভাবে আটটি অবজেক্টের টুইন তৈরি দেখানো হলো তাহলে পৃথিবীর সংখ‍্যা বা প্ল‍্যানেটের সংখ‍্যা আটটি নয় সাতটি। পিরামিড আর কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়া বারমুডাট্রায়াঙ্গেল এসব ডিসি কারেন্টের আলোক রশ্মির ট্রায়াঙ্গেলের সোজা বাহুর মত নয়। এরাও বাঁকা। নদী যেমন বাঁকা হয়ে প্রবাহিত ডিএনএ আরএনএ টুইনের মতো ঠিক তেমনে ডিসি কারেন্ট প্রবাহের লোহিত রশ্মির যে চিত্র ধরা পরছে স্পেসে ব‍্যবহৃত ক‍্যামেরা ম‍্যানদের দূরবীনে এটিও বাঁকিয়ে চলছে বা টুইন স্পিন ফিল্ডে যুক্ত ব্ল‍্যাক হোল দ্বারা ঘটছে। ব্ল‍্যাক হোল প্রাথমিকভাবে যে ভিত্তি তৈরি করে দিচ্ছে ট্রায়াঙ্গুলারিটি ডিসি ফর্মেটে, এটি টুইন হওয়ায় ছয়টি টুইন প্লাটফর্ম পাওয়া যায়। এরাই বুধ মঙ্গল বৃহস্পতি শনি নেপ্চুন প্লুটোদের টুইন নীহারিকা ও পালসার। আর এদের উপর দিয়ে অক্সিজেন নাইট্রোজেন টুইন এবং জীবদেহের টুইন নীহারিকা পালসারকে ভিতর দিয়ে ঢাকলে বিভিন্ন আকারের এলিয়েন বডি বা কঙ্কাল দেখা দেয়। আর বাহির দিয়ে ঢেকে দিলে মোস্ট বিউটিফুল ন‍্যাচার।

মহান আল্লাহর চেয়ে সবচেয়ে সুন্দর কোনো কিছু নেই।

এসব বিষয়ে যারা যাদের দেখা সোশ‍্যাল মিডিয়ায় বা গবেষণাগার তৈরি করে প্রতিষ্ঠানিকভাবে দেখাচ্ছেন তাদের বিজ্ঞানী এজন‍্য বলা যাচ্ছে না কারণ থিওরি না জেনে এসব বিষয়ে সমগ্র মানবজাতি প্রলুব্ধ হয়ে আবর্জনায় পূর্ণ করে দিয়েছে এবং দিচ্ছে আমাদের টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডকে। টুইন আকাশে ব্ল‍্যাক হোল দেখা আর ন‍্যাচারাল স্রোতে বা নদীর বাঁধের স্রোতে পানির ঘূর্নি দেখা একই কথার মতো।

ইচ্ছা করলেও পানির ঘূর্নির বিপরীত ঘূর্নি ডার্ক ম‍্যাটার অবজেক্ট দেখা যাবে না। এটি দেখতে হলে বাঁধেরটি স্হায়ীভাবে টুইন চাঁদের আয়নিক ফিল্ডকে সামান‍্য বিঘ্ন তৈরি করে দিয়েছে। যার দ্বারা সামান‍্য হলেও টুইন ভেনাস ও টূইন ইউরেনাসের টুইন পানি ও টুইন বরফ উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। বিস্তারিত ওয়েবসাইট,X ও ফেসবুকে।

মহান স্রষ্টা তাঁর মহান সৃষ্টির মহাবিপদে বিজ্ঞানের থিওরি দিয়ে রেখেছেন যা পবিত্র আল কোরআন সাক্ষ্য প্রদান করছে ১৪০০ বছর আগেই। শিক্ষা ও অশিক্ষার পার্থক্য দ্বারা প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের দুষণ মেরামত হবে অথবা অর্ধেক দূষণ পুড়িয়ে ধ্বংস করে ফেলা হবে।

যুবরাজ /০৫.০১.২০২৫