Building the Burj Khalifa would require several times the size of the plants fields
The era of the so-called scientific civilization or the civilization of the indirect blacksmith profession is going on. Science has no theory as to why Earth's twin ozone layers with the twin ionospheres of the twin skeleton planets are rapidly losing their twin field-forming spins as they move forward, leading to catastrophe for this civilization.
The era of the so-called scientific civilization or the civilization of the indirect blacksmith profession is going on. Science has no theory as to why Earth's twin ozone layers with the twin ionospheres of the twin skeleton planets are rapidly losing their twin field-forming spins as they move forward, leading to catastrophe for this civilization.In the meantime Saturn's twin rings have been lost which, for two months of the year, brings danger to those who are lost. These skeletal ionospheres have never been lost to those on Earth or whose surfaces contain these precious minerals.The problem is that these so-called blacksmith scientists show their weapons when necessary to extract these minerals, but they seem to be good at taking over those countries or regions and extracting them.But what they don't know is that if half the Earth's surface loses this mineral, the Sun will rise in the west and disappear from the black hole twin planetary field in the Packet of Black Smith scientists. Because they removed these minerals long ago.In other words, the mineral that is supposed to be in the anti-field of the twin mantle of the earth has been brought out and Sky scraper New York or Burj Khalifa has been created in which the body of the earth has been lost in the interior. They are the ones who lost the rings of this twin skeletal planet. In a word, all urban civilizations.
The twin of the ionosphere is necessary for life to survive. Otherwise the sky has shrunk or the surface has become too tight while the flow of the oxygen nitrogen twin field has almost disappeared. That is, the opposite space is very close, so it is convenient to move by stairs or by building an elevator.Which will not have the space to put this ladder, that is, if humanity does not leave these twin places, the anti-field near the black hole will go out and become a volcanic area below and above, which is a fire or a volcano.
Again, the fact that different structures are breaking or burning in this fire area, the surface free and sky free space above and below is formed, the opposite surface from the sky and the surface from the ground in the opposite direction, the anti-asteroid-comet twin has been formed.If there was a large banyan tree, neem, palm tree or bamboo that burned in a fire or volcano, then the twin surface of the earth would have been there, as a result of the oxygen-nitrogen twin and the twin surface-twin sky, there would not have been such a fire or the volcanic field would not have had the opportunity to grow there.
If you don't build a plant bigger than Burj Khalifa, Burj Khalifa will be destroyed by fire. Civilization is now in such a state of air purification that attempts are being made to create a 24-hour oxygen nitrogen plant in a tub at home.And the addition of Ai technology with blacksmith era living is creating pollution. Which is temporarily gaining some indoors, but before each building is built, if several plants of the specified type are built several times higher than that building, then it becomes the Earth's surface-sky magnetic twin field.The twin bodies of the giant plants are not as lifeless as the twin surfaces of the White House as they carry the anti-field/body or mineral dark matter of the twin earth. Anti-field examples of NASA or space activities, laboratory activities, or hybrid industrial activities are not included.Because they have been included in the Lost World long ago. These are immediately being given scientifically proven guidance and advice to build their Planetary Twin Fields by recalling the theory of Rakim University Bangladesh.
All over the Twin Earths mountains are now stripped bare of their outer covering by amoeba algae. These cities have been created by fencing and cutting it inside and the demand continues to increase day by day. This so-called scientist civilization did not put the world on the mountain.Cities have been built there by making uneducated tribals or tribes who have lived there before. Aboriginal people who were called uneducated were right. Because their contribution was associated with increased production of amoeba algae.As a result, rivers flowed from the mountains to the sea. Which Uranus and Venus used to act as anti-field dark matter.Now the researchers have to practically know how Uranus and Venus are flowing this twin field of water in the river sea ocean of the earth? And how the moon is working as a twin transformer?So if a wildfire like Los Angeles were to occur and allow the Lost World to survive, then the forecast would be flooding, not rain. That is, the large asteroid comet of opposite space or dark matter sea ocean or Uranus Venus water twin orbit will extinguish this fire.It's been said before that never happen within 30 miles of a fire in the Lost World. Then the East of the Lost World will become the West. If the solstice starts from the west and all the dwarf twins are destroyed, the west-east magnetic field of this anti-twin field will vanish to zero.
Juboraj/2025.03.26
বুর্জ খলিফা তৈরি করলে এর কয়েকগুণ বড় উদ্ভিদের ফিল্ড লাগবে
কথিত বিজ্ঞানী সভ্যতা বা পরোক্ষ কামার পেশার সভ্যতার যুগ চলছে। সাইন্সের থিওরি নেই যেকারণে গোঁজামিল দিয়ে চলতে চলতে পৃথিবীর টুইন ওজোন লেয়ারের সাথে টুইন কঙ্কাল গ্রহগুলোর টুইন আয়নোস্ফেয়ারের টুইন ফিল্ড ফর্মিং স্পিন দ্রুত লস করে চলেছে যা এই সভ্যতার জন্য মহাবিপদ এগিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে শনির টুইন বলয় হারিয়ে গেছে যা বছরের দুই মাস, যারা হারিয়েছে তাদের জন্য বিপদ নিয়ে এসেছে। পৃথিবীতে যারা আছে বা যাদের সারফেসে এই মহামূল্যবান খনিজ আছে তাদের জন্য এসব কঙ্কাল আয়নোস্ফেয়ার কখনো হারানো যায়নি। সমস্যা হলো এই ব্ল্যাকস্মিত কথিত বিজ্ঞানীরা এসব খনিজ তোলার জন্য প্রয়োজনে অস্ত্র প্রদর্শন করে হলেও সেসব দেশ বা অঞ্চলকে হস্তগত করে এসব তুলে ফেলার প্রদর্শী দেখাচ্ছে। কিন্তু ওরা জানে না যে অর্ধেক পৃথিবীর সারফেস এই খনিজ হারালে ব্ল্যাক স্মিত বিজ্ঞানীদের প্যাকেটে পশ্চিমে সূর্য উঠে বিলুপ্ত হয়ে যাবে এই ব্ল্যাক হোল টুইন প্ল্যানেটারী ফিল্ড থেকে। কেননা এসব খনিজ তারা অনেক আগে তুলে ফেলেছে। অর্থাৎ যে খনিজ থাকার কথা পৃথিবীর টুইন আবরনের এন্টি ফিল্ডে তা বাহিরে এনে স্কাই স্ক্র্যাপার নিউইয়র্ক বা বুর্জ খলিফা তৈরি হয়েছে যার অভ্যন্তরভাগে পৃথিবীর বডি হারিয়ে গেছে। এরাই হারিয়েছে এই টুইন স্কেলেটাল গ্রহের রিঙ। এক কথায় সকল শহুরে সভ্যতা।
আয়নোস্ফেয়ারের টুইন লাগে বসবাস করতে হলে জীবের বসবাস করতে হলে। তা না হলে আকাশ ছোট হয়ে গেছে বা সারফেসও টাইট হয়ে গেছে যখন অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ফিল্ডের প্রবাহ প্রায় হারিয়েছে। অর্থাৎ বিপরীত স্পেস খুব কাছাকাছি থাকায় মই দিয়ে বা লিফ্ট তৈরি করে চলাচল করার উপযোগী হয়েছে। যা এই মই লাগানোর স্পেসও থাকবে না অর্থাৎ মানবসভ্যতাকে এসব টুইন স্হান ত্যাগ না করলে ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী এন্টি ফিল্ড বেড়িয়ে নীচে এবং উপরে আগ্নেয় অঞ্চল হয়ে যাচ্ছে যা দাবানল বা আগ্নেয়গিরি।
আবার এই দাবানল অঞ্চলে বিভিন্ন স্হাপনা ভেঙ্গে পরছে বা যা আগুণে জলছে এই বিষয়টি উপর এবং নীচে যে সারফেস ফ্রি এবং আকাশমুক্ত অবস্হা তৈরি হয়ে থাকে তা আকাশ থেকে বিপরীত সারফেস এবং গ্রাউন্ড থেকে যে সারফেস পরস্পর বিপরীত ডাইরেকশনের এন্টি এস্টরয়েড- ধুমকেতুর টুইন তৈরি হয়েছে। যা দাবানল বা আগ্নেয়গিরিতে পুড়ে সেখানে যদি বৃহৎ বেনিয়েন ট্রি, নিম, তাল গাছ কিংবা বাঁশ ঝাড় থাকতো তাহলে পৃথিবীর টুইন সারফেস সেখানে থাকতো ফলে অক্সিজেন- নাইট্রোজেনের টুইন এবং টুইন সারফেস - টুইন আকাশ সেখানে থাকায় এমন দাবানল সৃষ্টি হতো না বা আগ্নেয় ফিল্ড সেখানে বেড় হওয়ার সুযোগ থাকতো না।
বু্র্জ খলিফার চেয়ে বড় উদ্ভিদ তৈরি না করলে বুর্জ খলিফায় দাবানল সৃষ্টি হলে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। সভ্যতার এখন এমন অবস্হা এয়ার পরিস্কার করার কথা বলে ঘরে টবে ২৪ ঘন্টার অক্সিজেন নাইট্রোজেনের উদ্ভিদ তৈরি করার চেষ্টা চলছে। আর ব্ল্যাকস্মিত যুগের বসবাসের সাথে Ai প্রযুক্তির সংযোজন পলুশন তৈরি করছে। যা সাময়িক কিছুটা ঘরের ভিতরে লাভ হচ্ছে কিন্তু প্রতিটি বিল্ডিং তৈরির আগে ঐ বিল্ডিয়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি উচ্চতার উল্লেখিত টাইপের উদ্ভিদ অনেকগুলো তৈরি করলে তবেই তা পৃথিবীর সারফেস-আকাশ ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড হয়। বৃহৎ উদ্ভিদগুলোর টুইন বডি টুইন পৃথিবীর এন্টি ফিল্ড/বডি বা খনিজ ডার্ক ম্যাটার হিসাবে বহন করে বলে তা হোয়াইট হাউজের টুইন সারফেসের মতো প্রাণহীন নয়। নাসা বা স্পেস এক্টিভিটি, গবেষণাগার এক্টিভিটি বা হাইব্রিড ইন্ডাস্ট্রিয়াল এক্টিভিটির এন্টি ফিল্ড উদাহরনের মধ্যে রাখায় যায় না। কেননা এরা লস্ট ওয়ার্ল্ডের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেছে অনেক আগে। এসবকে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের থিওরি অনুস্মরণ করে অবিলম্বে তাদের প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড নির্মানের বৈজ্ঞানিক প্রমাণিত নির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সমগ্র টুইন পৃথিবীতে যতো পাহাড় এখন নগ্ন করা হয়েছে ওর বহিরাবরণ অ্যামিবা শৈবালকে সরিয়ে ফেলে। ওর ভিতরটা বেড় করে তা কেটে এনে এসব শহর তৈরি হয়েছে এবং অব্যাহত রয়েছে চাহিদা দিনে দিনে বৃদ্ধি করার । পাহাড়ে পৃথিবী রাখেনি এই কথিত সাইন্টিস্ট সভ্যতা। সেখানে কিছু আগেও যারা বসবাস করেছে তাদের অশিক্ষিত আদিবাসী বা উপজাতি বানিয়ে সেখানে শহর বানানো হয়েছে। আদিবাসী বলে যাদের অশিক্ষিত বলা হয়েছে ওরাই সঠিক ছিলো। কেননা অ্যামিবা শৈবালের উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে তাদের অবদান জড়িত ছিলো। ফলে ঝর্না প্রবাহিত হয়ে পাহাড় থেকে সমুদ্রে নদী তৈরি হতো। যা ইউরেনাস ও ভেনাস এন্টি ফিল্ড ডার্ক ম্যাটার হয়ে এই কাজ করতো। এখন গবেষকদের প্র্যাকটিক্যালি জানতেই হবে যে, ইউরেনাস ও ভেনাস পৃথিবীর নদী সাগর মহাসাগরে কিভাবে এই পানির টুইন ফিল্ড প্রবাহিত করছে? আর চাঁদ কিভাবে টুইন ট্রন্সফর্মার হয়ে কাজ করছে? তাহলে লস এঞ্জেলেসের মতো দাবানল সামনে আসলে যদি তা লস্ট ওয়ার্ল্ডকে সুযোগ দেয় টিকে থাকার তাহলে বন্যার পূর্বাভাস আসবে সেই সময় বৃষ্টির নয়। অর্থাৎ বিপরীত স্পেস বা ডার্ক ম্যাটার সাগর মহাসাগর বা ইউরেনাস ভেনাসের পানির টুইন ঘূর্নির বৃহৎ এস্টরয়েড ধূমকেতু এগিয়ে এসে তবে এই দাবানল নিভিয়ে দেবে। লস্ট ওয়ার্ল্ডে দাবানলের এড়িয়া ৩০ মাইল চারিদিকে যেনো কখনো না হয় ইতিপূর্বে বলা হয়েছে। তাহলে কিন্তু লস্ট ওয়ার্ল্ডের পূর্ব পশ্চিম হয়ে যাবে। সূর্যোদ্বয় পশ্চিম থেকে শুরু হয়ে আর সব ডোয়ার্ফ টুইন ধ্বংস হলে এই এন্টি টুইন ফিল্ডের পশ্চিম পূর্ব ম্যাগনেটিক ফিল্ড জিরো হয়ে মিলিয়ে যাবে। যুবরাজ /২৬.০৩.২০২৫।