Latest THE BLACK HOLE science THEORY & Prophet's (SA) end-time instructions

A brother from Bangladesh uploads beautiful videos on Facebook to advance life with Islamic discussions. But when it is tried to match all the wrong science-based things discovered by the present civilization with Islam, it has to be written because the absence of correct science of Islam is observed.Because the definition of science in Islam that came 1400 years ago has not been published.


A brother from Bangladesh uploads beautiful videos on Facebook to advance life with Islamic discussions. But when it is tried to match all the wrong science-based things discovered by the present civilization with Islam, it has to be written because the absence of correct science of Islam is observed.Because the definition of science in Islam that came 1400 years ago has not been published. The Holy Qur'an is a science which is said by Almighty Allah Himself.

If the theories discovered by the civilization were correct, due to the application of the obtained science, the disaster would not have come around. Half the planetary fields are those whose abnormal movements of technology are on the verge of being destroyed by normal day-to-day operations.A few days ago there was a rumor that there was a continuous sound in space which could be the voice of angels. Because Allah says that in all places of heaven and earth they are busy in worshiping Allah.

For a few days there has been talk of the world matter that there is a continuous sound in space which may be the voice of angels. Because Allah says, they are busy in worshiping Allah in all places of heaven and earth.If this sound was like that, then NASA and all civilizations with current technology would have disappeared by now. When the opposite of you is an alien, if you want to see that opposite space, you have to stop oxygen circulation in your body.Or should be like USA China Japan Europe. Where the scale of corona virus was the most and handsome.There, due to the daily activities of their factories, vehicles, chemical fertilisers, minerals, chemicals, electricity transmission business and other artificial activities, the black hole field connection of oxygen nitrogen has decreased greatly and the field of positive twin activity has increased.As it has now decreased further, the extent of the fire has increased. The UV radiation twin area is growing faster than ever before. Those who see aliens must catch fire from somewhere on the ground near the alien or somewhere in the opposite hemisphere or in space opposite to the one who sees it (opposite to the connection of day and night).

Because the space of oxygen nitrogen has become zero, X-ray rays are coming out by opening the lid of the black hole. If the light of Max Planck or Hawking Einstein had traveled straight, the alien who saw would have been destroyed himself by the region near the black hole. Similarly, the word twin also bends. If you do not understand the black hole science theory of how a NASA or such a space agency is destroying the twin mantle of the earth, their destruction will take place soon.

Many articles on these topics have simplified the science-based analysis of the black hole. A great danger is approaching.Natural fields are mined to construct buildings, and anti-asteroid anti-comets are mined to enlarge the dwarf region. Such a variety of technology uses and movements are cutting the opposite space twin that sounds like the natural soil is turning upside down.Those living in the Dwarf region see an expansion of the Hawking space as their Cancer or Dwarf Twin region expands.

Again it can be seen that the ice is approaching and the fire tornado is approaching at a speed of 33000 km. These wrong science theories are seeing the reality of reverse space dark matter from the evils of technology. But in such circumstances the natural world is also seen in the opposite space. which is shrinking and shrinking. Not seeing it.

NASA is fooling around with dark matter because of science's flawed theories. He himself is behaving like a fool and has made the world a fool too. Which brings extreme consequences to these civilizations.

Anyway, here's a summary of this morning's comment for world civilization by Rakim University on this brother's Islamic analysis Facebook comment box.

'The entire human race, including NASA, does not know the definition of science. In this definition,the black hole, the dark matter, and all creation are twin creations that come from the friction of opposite spins. A fuller analysis of the three scientific theories mentioned is in progress. It has been written for four years so far.Still a writing website and moved to X. There is no void in the twin spaces of space. All dark matter objects. All creations are twinned from the black hole and merge into black hole.All the star planets and the Sun are opposites of the planets that run through day and night as twin nebulae and twin pulsars of opposite charges. Proof of this is that if you enter the sun, you will get the night world of the opposite hemisphere and if you enter the pole star, you will get the day world.That is, Dhaka to Rio de Janeiro in less than 1 minute at 7.00 in the morning by space ship, Brazil at 7.01 minutes. The ionosphere is very close at this time. Heating conditions are also less. These planetary transit routes have been discovered and communicated to all.

The world's first black hole science model university named Rakim University Pranathpur Santahar is being promoted from Bangladesh. All the theories are supported by the Holy Quran. Since the Almighty Allah Himself declared the Holy Qur'an as scientific in Surah Yasin 1400 years ago.What science was here, and the Holy Prophet (PBUH) said at the time of his death that when you lose your way, cling to this Qur'an and my words. You will find your way. How true this saying is, without reading the article of Rakim University, there will be no minimum achievement in science.

The best scientist of all time is Hazrat Muhammad (PBUH). This pen writer of Rakim University is an insignificant follower of the Prophet (PBUH). And one of the least known servants of Almighty God. Visit Latest Science website address -rakimuniversity.com X-@JuborajI and every story behind my Facebook account till 20.12.2020. thank you Saiful Islam Juboraj Student and founder Rakim University Prince Palace Prannathpur Santahar From Bangladesh ' Juboraj/2025.02.04


অত‍্যাধুনিক ব্ল‍্যাক হোল সাইন্স থিওরি ও নবীজি (সা:) এর শেষ সময়ের নির্দেশ

বাংলাদেশের একজন ভাই ইসলামিক আলোচনা দিয়ে জীবণকে এগিয়ে নেওয়ার জন‍্য সুন্দর করে ফেস‍বুকে ভিডিও আপলোড দিয়ে থাকেন। কিন্তু বর্তমান সভ‍্যতার আবিস্কৃত সকল ভুল বিজ্ঞান ভিত্তিক বিষয়কে যখন ইসলাম দিয়ে মেলানোর চেষ্টা হয় তা ইসলামের সঠিক বিজ্ঞানের অনুপস্হিতি পরিলক্ষিত হওয়ায় লিখতে হচ্ছে । কেননা ইসলামে বিজ্ঞান বিষয়ের যে সংজ্ঞা ১৪০০ বছর আগে এসেছিলো তা প্রকাশিত হয়নি। পবিত্র আল কোরআন বিজ্ঞানময় যা মহান আল্লাহ নিজেই বলেছেন।

সভ‍্যতার আবিস্কৃত যেসব থিওরি, সেসব সঠিক হলে প্রাপ্ত বিজ্ঞানের প্রয়োগের কারণে চারিদিকে মহাবিপদ এগিয়ে আসতো না। যাদের প্রযুক্তির অস্বাভাবিক চলাফেরা স্বাভাবিক দৈনন্দিন কাজের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার পথে রয়েছে অর্ধেক প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড। কিছু দিন হলো টক অবদি ওয়ার্ল্ড বিষয় চলছে যে মহাকাশে একটানা শব্দ হচ্ছে যা ফেরেশতাদের কণ্ঠ হতে পারে। কারণ আল্লাহ বলেন, আসমান ও জমিনের সব জায়গায় তারা আল্লাহর ইবাদতে ব্যস্ত।

যদি এই সাউন্ড তাই হতো তাহলে বিলুপ্ত হয়ে যেতো নাসা ও বর্তমান প্রযুক্তির সকল সভ‍্যতা এতোদিন। আপনার বিপরীত যখন এলিয়েন তখন সেই বিপরীত স্পেসকে দেখতে চাইলে আপনার দেহে অক্সিজেন সঞ্চালন বন্ধ করতে হবে। অথবা যুক্তরাষ্ট্র চীন জাপান ইউরোপের মতো হতে হবে। যেখানে করোনা ভাইরাসের স্কেল সবচেয়ে বেশি ও হ‍্যান্ডসাম ছিলো। সেখানে তাদের ফ‍্যাক্টরি, ভেহিক‍্যাল, রাসায়নিক সার, খনিজ দ্রব‍্য, কেমিক‍্যাল, বিদ‍্যুত সঞ্চালন ব‍্যবস্হাসহ আরও অন‍্যান‍্য কৃত্রিম আর্টিফিশিয়াল এক্টিভিটির দৈনন্দিন কার্যকলাপের কারণে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড সংযোগ অত‍্যধিক কমে পজিটিভ টুইন এক্টিভিটির ফিল্ড বেড়ে যাওয়ায় হয়েছিলো। যা এখন আরও বেশী কমে যাওয়ায় দাবানলের ব‍্যপ্তি বেড়ে গেছে। পূর্বের যে কোনো সময়ের চেয়ে ইউভি রেডিয়েশন টুইন এরিয়া দ্রুত বড় হচ্ছে। যারা এলিয়েন দেখতে পাচ্ছে ধরতে হবে সেখান থেকে সেই এলিয়েনের কাছাকাছি ভূমিতে কোথাও বা বিপরীত গোলার্ধের কোথাও বা যে দেখছে তার বিপরীত স্পেসে (দিন রাত্রির সংযোগের বিপরীত) আগুণ লাগবে।

কেননা অক্সিজেন নাইট্রোজেনের স্পেস শূন‍্য হয়েছে বলে এক্সরে রশ্মি ব্ল‍্যাক হোলের ঢাকনা খুলে বেড়িয়ে আসছে। ম‍্যাক্স প্ল‍্যাঙ্ক কিংবা হকিং আইনস্টাইনের আলো যদি সোজা চলতো তাহলে যে এলিয়েন দেখেছে তাকেই ব্ল‍্যাক হোলের নিকবর্তী অঞ্চল সোজা এসে ধ্বংস করতো। তদ্রুপ শব্দের টুইনও বাঁকিয়ে চলে।এক নাসা বা এজাতীয় স্পেস এজেন্সী কিভাবে ধ্বংস করছে পৃথিবীর টুইন আবরন এই ব্ল‍্যাক হোল সাইন্স থিওরি না বুঝলে এদের ধ্বংস হওয়া অচিরেই অনুষ্ঠিত হবে।

এসব বিষয়ের অনেক আর্টিকেল ব্ল‍্যাক হোল বিজ্ঞান ভিত্তিক বিশ্লেষন সহজ করে বলা হয়েছে। ক্রমেই মহা বিপদ এগিয়ে আসছে। ন‍্যাচারাল ফিল্ডের মাটি যেমন কেটে বিল্ডিং নির্মাণ করা হয় এতে মাটি কেটে এন্টি এস্টরয়েড এন্টি কোমেট বসানো হয় যা ডোয়ার্ফ অঞ্চলকে বড় করা হয়। এরকম নানা রকমের প্রযুক্তির ব‍্যবহার ও চলাচলে বিপরীত স্পেসের টুইন কেটে ফেলা হচ্ছে যা ন‍্যাচারাল সয়েল উলট পালট করার শব্দ করছে। যারা ডোয়ার্ফ অঞ্চলে বসবাস করছে ওরা হকিংয়ের এক স্পেসের সম্প্রসারণ দেখছে কেননা ওদের ক‍্যানসার বা ডোয়ার্ফ টুইন অঞ্চল বড় হওয়া দেখছে।

আবার এও দেখতে পাচ্ছে যে বরফ এগিয়ে আসছে ৩৩০০০ কিলোমিটার গতিতে আগুণের টর্নোডো এগিয়ে আসছে। এসব ভুল বিজ্ঞানের থিওরির প্রযুক্তির কুফল থেকে বিপরীত স্পেস ডার্ক ম‍্যাটার বাস্তব দেখছে। কিন্তু এমন পরিস্হিতিতে বিপরীত স্পেসে ন‍্যাচারাল পৃথিবীকেও দেখছে। যা সংকোচিত হয়ে ছোট হয়ে যাচ্ছে। এটি দেখছে না।বিজ্ঞানের ভুল থিওরির কারণে ভেলকিবাজি দেখছে নাসা। নিজেও বোকার মতো আচরন করছে আবার বিশ্ববাসীকেও বোকা বানিয়েছে। যা চরম পরিণতি ডেকে আনছে এসব সভ‍্যতাকে।

যাই হোক, এই ভাইয়ের ইসলামিক বিশ্লেষনের ফেসবুক কমেন্ট বক্সে রাকিম ইউনিভার্সিটির আজ সকালের মন্তব্যে বিশ্ব সভ্যতার জন‍্য সার সংক্ষেপ তুলে ধরছি।

'নাসাসহ সমগ্র মানবজাতি বিজ্ঞানের সংজ্ঞা জানে না। এই সংজ্ঞায় ব্ল‍্যাক হোল ডার্ক ম‍্যাটার আর সব সৃষ্টি টুইনভাবে সৃষ্টি যা পরস্পর বিপরীত স্পিনের ঘর্ষন থেকে আসছে। উল্লেখিত তিনটি বিজ্ঞান তত্বের পূর্নাঙ্গ বিশ্লেষন প্রকাশ চলছে। এ পর্যন্ত চার বছর হলো লেখা হচ্ছে। এখনও একটি লেখা ওয়েবসাইট ও X এ চলে গেছে। মহাকাশের টুইন স্পেসের কোনো স্হান শূন‍্য নেই। ডার্ক ম‍্যাটার অবজেক্ট সব। সব সৃষ্টি ব্ল‍্যাক হোল থেকে টুইনভাবে সৃষ্টি হয়ে ব্ল‍্যাক হোলেই মিলিত হচ্ছে। সকল স্টার প্ল‍্যানেট ও সূর্য সেই প্ল‍্যানেটের বিপরীত যা দিবস ও রাত দ্বারা পরস্পর বিপরীত চার্জের টুইন নীহারিকা ও টুইন পালসার হয়ে চলছে। এর প্রমাণ আপনি সূর্য তে প্রবেশ করলে রাতের পৃথিবী পাবেন বিপরীত গোলার্ধের আর ধ্রুবতারায় প্রবেশ করলে পাচ্ছেন দিনের পৃথিবী। অর্থাৎ ঢাকা টু রিও ডি জেনিরো ১ মিনিটের কম সময়ে সকাল ৭.০০ টায় স্পেস শিপে রওয়ানা দিলে ৭.০১ মিনিটে ব্লাজিল। আয়নোস্ফেয়ার এই সময় খুব কাছে থাকে।উত্তপ্ত অবস্হাও কম থাকে। এসব প্ল‍্যানেটারি ট্রাঞ্জিট রুট আবিস্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সকলকে। পৃথিবীর প্রথম কোনো ব্ল‍্যাক হোল সাইন্স নমুণা ইউনিভার্সিটি যার নাম রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্নাথপুর সান্তাহার বাংলাদেশ থেকে প্রচার চলছে। সকল থিওরিকে পবিত্র আল কোরআন সমর্থন করছে। যেহেতু মহান আল্লাহ ১৪০০ বছর আগে নিজেই সূরা ইয়াসিনে পবিত্র আল কোরআনকে বিজ্ঞানময় বলে কসম করে ঘোষনা দিয়েছিলেন। এখানে কি কি বিজ্ঞান ছিলো, আর মহানবী (সা:) ইন্তেকালের সময় বলেছিলেন যে যখন তোমরা পথ হারিয়ে ফেলবে তখন এই কোরআন এবং আমার কথা গুলো আঁকড়ে ধরো।পথ পেয়ে যা‍বে। এই কথাটি কেমনভাবে সত‍্য তা রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টিকেল না পড়লে বিজ্ঞানের কোনো মিনিমাম অর্জনও হবে না ।

সর্বকালের সৃষ্টিকুলের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হযরত মোহাম্মদ (সা:)। রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কলম লেখক নিতান্তই নগণ‍্য একজন রাসূল (সা:) এর অনুসারী। এবং মহান আল্লাহর সবচেয়ে কম জানা একজন চাকর। দেখুন অত‍্যাধুনিক সাইন্সের ঠিকানা ওয়েবসাইট -rakimuniversity.com X-@JuborajI ও ফেসবুক আমার এই একাউন্টের ২০.১২.২০২০ পর্যন্ত পিছনের প্রত‍্যেকটি গল্প। ধন‍্যবাদ সাইফুল ইসলাম যুবরাজ ছাত্র ও প্রতিষ্ঠাতা রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় প্রিন্স প‍্যালেস প্রান্নাথপুর সান্তাহার বাংলাদেশ থেকে' যুবরাজ /০৪.০২.২০২৫