Create the black hole gate of eternal happiness for everyone's future
If the question is asked, how big is the boundary of the black hole? The answer will be that no one has the power to measure creation which has no beginning and end. Because all creation is twin-created like the seven planetary twin fields. The seven twin worlds are formed from the opposite spins of the combined opposite units of the amoeba plant viz.
If the question is asked, how big is the boundary of the black hole? The answer will be that no one has the power to measure creation which has no beginning and end. Because all creation is twin-created like the seven planetary twin fields. The seven twin worlds are formed from the opposite spins of the combined opposite units of the amoeba plant viz. As opposed to any species of animal or plant, the seven twin sky twin surfaces mean animals with a certain elasticity of volume, so the twin field of the earth means seven opposite planets or seven opposite earths.
In this way, the spin of the twin body is being held in the middle of the 14 fields like ours in the twin beam of a certain concentration. Through which the twin charges are created and reduced, two Udayachal (rising) and two Ostachale(setting) Parikrama (orbiting) are being held.
Now when these planetary twin fields go towards the creation of other twin fields in the galaxy, exos becomes the planetary twin of space. Of course, in the anti-twin field of these seven twins, the nebula pulsar twin is participating in the day and night of the Milky Way twin and the Andromeda twin.Our process of making oxygen has gone against it. And the concentration of the twin beams is separated and anti-fielded.
Again, the orbit of the galaxy day and night between them, the surface sky and the sky surface must have such a twin body that if the twin body is bigger than our planetary twin field, how big the twin space twin body has to be.These correspond to scriptures that are twins of the physical structure of angels. There are seven twin galaxies nearby, and seven twin massive objects in the nebula's pulsar belt, like our asteroid Kuiper.These correspond to scriptures that are twins of the physical structure of angels. The seven twin galaxies are again like our asteroid Kuiper or the seven twin massive objects in the nebula pulsar belt that are closer to us.Seven of their fourteen black hole fields are twin anti-spin galaxies spinning against each other. Send them back to the opposite field of the galaxy sky-surface surface sky. So how many Milky Way-Andromeda Andromeda-Milkyway-like fields have formed that resemble our asteroid comets?Those who are doing the so-called research on space should make it an out-of-research item. Because if the science study is not started on the black hole theory, it is time to watch the sun rise from the west.
That's why I started writing.Of course creation has boundaries but that boundary is also infinite but again there are fourteen universe fields as there are north and south hemispheres. The magnitude of each seven-level twin black hole field is estimated. These are being operated from our twin worlds. As discussed earlier.
Now the total sum of the twin fields of the total universe from the black hole to the dot point of two udayachals and two astachals is also converging into the black hole. Then the hours between day and night of the twin orbits of one day and one night are also infinite which is 6 hours of our twin earth.
What is the size of the black hole if all the twins are created from the same black hole? which is the invisible boundary to creation that runs through the present. This black hole is a single light filter that meets the twin light beam bodies of all organisms. And from there we are part of this creation and twin universe.
How big is the volcanic zone near the black hole? How big is the anti-body of the twin field of water or how big is the twin function of Uranus and Venus? Which makes the seven twin fields of each creation twin the surface sky sky surface. Is the opposite charge of opposite spin sustained by creating a beam?
The region near the black hole is also at the level of the twin ore beam of the smallest alpha beta gamma rays, which is the twin beam area of the gaseous layer of twin helium hydrogen hydrogen helium. In the anti-field of this beam, there are twin oxygens with black holes that are twinned with water.In helium fission, this water twin field is due to hydrogen on all four sides of the black hole. The oxygen in the field of two hydrogens on one side is Venus, while the opposite side is Uranus.Then again, from the anti-spin of the black hole of hydrogen from the other helium of the twin helium, two anti-Uranus and the opposite two anti-Venus from the two water twins. In this way, they have created the two surfaces of the ocean and the ocean and the sky.The anti-field of this oxide-containing beam contains hydrazine, which creates the fission field of the planet or mineral. The fusion of these fields is called the surface or skeleton. If this field is twinned, its anti-black hole field is nitrazin. They are circulating triangular twin field which is DC current twin flow.Triangular twins are the ones that create funnels for spinning black hole twin fields.
Running on their cover are minerals and species twin of amoeba algae. The black hole can be entered by death in many ways. Neither by volcanic regions nor by frigid regions. Let this anti black hole spin entrance be the black hole gate of eternal happiness for human civilization. O Almighty Allah, grant us the ability to enter this path scientifically through death.
Juboraj/2025.03.20
চিরসুখের ব্ল্যাক হোল গেট তৈরি করুন প্রত্যেকের ভবিষ্যতের জন্য
প্রশ্ন যদি করা হয় যে, ব্ল্যাক হোলের সীমানা কত বড়? উত্তর হবে যার কোনো শুরু শেষ মাপার ক্ষমতা সৃষ্টির কারো নেই। কেননা সব সৃষ্টি টুইনভাবে সৃষ্টি হয়েছে সাতটি প্ল্যানেটারী টুইন ফিল্ডের মতো। অ্যামিবা উদ্ভিদের সন্মিলিত পরস্পর বিপরীত ইউনিটের বিপরীত স্পিন থেকে সাতটি টুইন পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে যেমন। প্রাণীর যে কোনো স্পেসিস উদ্ভিদের বিপরীত হয়ে সাতটির টুইন আকাশ টুইন সারফেস যেমন সেই নির্দিষ্ট ইলাস্টিসিটির মতো আয়তনের প্রাণীকে বুঝায় তেমনই পৃথিবীর টুইন ফিল্ড বলতে সাতটি বিপরীত প্ল্যানেট বা সাতটি বিপরীত পৃথিবী।
এভাবে ১৪ টি ফিল্ডের মধ্যে আমাদের যেমন নির্দিষ্ট কনসেন্ট্রেশনের টুইন বিমের মাধ্যমে যা কিছু সৃষ্টি তার টুইন বডির স্পিন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।যার মাধ্যমে টুইন চার্জের সৃষ্টি হওয়া এবং কমে যাওয়ার মাধ্যমে দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলে পরিক্রমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এখন এসব প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ড যখন গ্যালাক্সিতে অন্য টুইন ফিল্ডের সৃষ্টির দিকে গেছে তখন এক্সোস স্পেসের প্ল্যানেটারী টুইন হয়ে গেছে। অবশ্যই এই সাতটি টুইনের এন্টি টুইন ফিল্ডে নিহারীকা পালসার টুইন চলাচল দ্বারা মিল্কীওয়ে টুইন ও এন্ড্রোমিডা টুইনের দিবস ও রাত্রিতে অংশ গ্রহণ করছে। আমাদের অক্সিজেন তৈরির যে প্রক্রিয়া তার বিরোধী হয়ে গেছে। আর টুইন বিমের কনসেন্ট্রেশন আলাদা হয়ে গেছে এবং এন্টি ফিল্ড হয়েছে।
আবার গ্যালাক্সির দিন ও রাতের যে পরিক্রমা এদের মাধ্যমে সারফেস আকাশ ও আকাশ সারফেসের জন্য এমন টুইন দেহের অধিকারী হতে হবে যে আমাদের প্ল্যানেটারী টুইন ফিল্ডের চেয়ে বড় টুইন দেহ হলে সেই টুইন স্পেসের টুইন দেহ কত বড় হতে হচ্ছে। এসব ধর্ম গ্রন্হের বাণীর সাথে মিলছে যা ফেরেস্তাদের শারীরিক অবকাঠামোর টুইন। সাতটি করে টুইন গ্যালিক্সীর আবার আমাদের এস্টরয়েড কাইপারের মতো বা নীহারিকা পালসার বেল্টের সাতটি টুইন বিশাল অবজেক্টের মতো যা আমাদের কাছাকাছি আছে। এদের চৌদ্দটি ব্ল্যাক হোল ফিল্ডের ৭ টি করে গ্যালাক্সির টুইন বিপরীত স্পিন পরস্পর বিপরীতে স্পিন করছে। ওদের আবার পাঠিয়ে দিন গ্যালাক্সির আকাশ -সারফেস সারফেস আকাশের বিপরীত ফিল্ডে। তাহলে কতগুলো মিল্কিওয়ে -এন্ড্রোমিডা এন্ড্রোমিডা-মিল্কিওয়ের মতো ফিল্ড তৈরি হয়েছে যা আমাদের এস্টরয়েড ধূমকেতুর মতো? স্পেস নিয়ে যারা কথিত গবেষণা করছেন এসবকে গবেষণার বাইরের আইটেম করতে হবে।কেননা ব্ল্যাক হোল থিওরতে সাইন্স স্টাডি শুরু না করলে বর্তমান সভ্যতার থিওরিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞানের সভ্যতা পশ্চিম থেকে সূর্য উঠা দেখার সময় হয়ে যাচ্ছে।
যেজন্য লেখার শুরু করেছিলাম। সৃষ্টির অবশ্যই সীমানা আছে কিন্তু সেই সীমাও অসীম কিন্তু আবার চৌদ্দটি মহাবিশ্বের ফিল্ড রয়েছে যেহেতু উত্তর দক্ষিণ গোলার্ধ আছে। প্রতিটি সাত স্তরের টুইন ব্ল্যাক হোল ফিল্ডের বিশালত্ব আন্দাজ করা যাচ্ছে। এসব পরিচালিত হচ্ছে আমাদের টুইন পৃথিবী থেকে। ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।
এখন টোটাল মহাবিশ্বের টুইন ফিল্ডের মোট যোগফল ব্ল্যাক হোল থেকে দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের ডট পয়েন্ট সময় বিন্দুও ব্ল্যাক হোলে মিলিত হচ্ছে। তাহলে এক দিবস ও এক রাত্রির টুইন পরিক্রমার মধ্য দিবস ও মধ্য রাত্রির সময় ঘন্টাও অসীম যা আমাদের টুইন পৃথিবীর তা ৬ ঘন্টা।
সব টুইন সৃষ্টি একই ব্ল্যাক হোল থেকে সৃষ্টি হলে ব্ল্যাক হোলের পরিমাপ কতো? যা সৃষ্টির কাছে অদৃশ্য সীমানা যা বর্তমান কালে চলে। এই ব্ল্যাক হোল একক আলোর ফিল্ট যা সকল জীবের টুইন আলোর বিমের বডি গিয়ে মিলিত হয়েছে। এবং আর সেখান থেকে আমাদের এই সৃষ্টি এবং টুইন মহাবিশ্বের অংশ আমরা।
ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী আগ্নেয় অঞ্চল কতো বড়? পানির টুইন ফিল্ডের এন্টি বডি কতো বড় বা ইউরেনাস ভেনাসের টুইন ফাংশন কতো বড় ? যা প্রত্যেকটি সৃষ্টির সাতটি টুইন ফিল্ডকে সারফেস আকাশ আকাশ সারফেসের টূইন করে পরস্পর বিপরীত স্পিনের বিপরীত চার্জ বিম তৈরি করে টিকে আছে?
ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী অঞ্চল এমন যা ক্ষুদ্রতম আলফা বিটা গামা রশ্মির টুইন আকরিকের বিমের স্তরেও আছে যা গ্যাসিয়াস স্তরের টুইন হিলিয়াম হাইড্রোজেন হাইড্রোজেন হিলিয়ামের টুইন বিম এলাকা। এই বিমের এন্টি ফিল্ডে ব্ল্যাক হোল যুক্ত টুইন অক্সিজেন আছে যা পানির টুইন হয়েছে। হিলিয়ামের ফিশনে ব্ল্যাক হোলের চারটি দিকে হাইড্রোজেন থাকায় এই পানির টুইন ফিল্ড। একদিকে দুটি হাইড্রোজেনের ফিল্ডে যে অক্সিজেন তা ভেনাস হলে বিপরীত দিকেরটি ইউরেনাস। তাহলে আবার টুইন হিলিয়ামের অপর হিলিয়াম থেকে যে হাইড্রোজেনের ব্ল্যাক হোলের এন্টি স্পিন তা থেকে দুটি এন্টি ইউরেনাস এবং এর বিপরীত দুটি পানির টুইন থেকে এন্টি ভেনাস।এভাবে এরা টুইন এবং সাগর মহাসাগরের দুটি সারফেস ও আকাশ তৈরি করেছে। যে কোনো অক্সাইড যুক্ত এই বিমের এন্টি ফিল্ডে হাইড্রাজিন আছে যা গ্রহ বা খনিজের ফিশন ফিল্ড তৈরি হয়। এই ফিল্ডের ফিউশনকে সারফেস বা কঙ্কাল বলে । এই ফিল্ডকে টুইন করলে এর এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ড হয় নাইট্রাজিন। ট্রায়াঙ্গুলার টুইন এজন্য যে সব সৃষ্টির টুইন ফিল্ড ব্ল্যাক হোল স্পিনিংয়ের জন্য ফানেল তৈরি করতে হয়। এদের কভারে চলছে অ্যামিবা শৈবালের খনিজ এবং স্পেসিস টুইন। বহু পথে ব্ল্যাক হোলে প্রবেশ করা যায় মৃত্যু দ্বারা। আগ্নেয় অঞ্চল দ্বারা বা হিমশীতল অঞ্চল দ্বারা না হোক। এই এন্টি ব্ল্যাক হোল স্পিনের প্রবেশ পথ চিরসুখের ব্ল্যাক হোল গেট হোক মানব সভ্যতার। এই পথ বৈজ্ঞানিকভাবে চিনে মৃত্যুর দ্বারা প্রবেশ করার তৌফিক দান করুন হে মহান আল্লাহ । যুবরাজ /২০.০৩.২০২৫