Analysis of The Black Hole Theory of Blue Moon, Red Moon, Solar Eclipse etc.

Due to the opposite spinning of the two opposite earths, the two suns of the two hemispheres and the two fixed stars are in opposite charge at the same time with the difference of day and night in the two hemispheres. We live on their surface. All stars and suns are called twin planets.We know these from the evidence of the black hole theory proved by Rakim University Pranathpur Bangladesh.


Due to the opposite spinning of the two opposite earths, the two suns of the two hemispheres and the two fixed stars are in opposite charge at the same time with the difference of day and night in the two hemispheres. We live on their surface. All stars and suns are called twin planets.We know these from the evidence of the black hole theory proved by Rakim University Pranathpur Bangladesh.

As the Sun and Polaris are opposite each of the twin planets, two by day and two by night, they make a total of 14 in our twin planetary field. Because the twin bodies of each skeletal planet have two opposite hemispheres, day and night. As a result there are 12 Suns and 12 Pole Stars from 6 Skeletals.The two suns and two polar stars of the twin space of amoeba algae on their cover are 14 suns and 14 polar stars.

Each Skeletal Twin flows for two months for each country and the 6 Skeletals alternate North South with asteroid Kuiper for 6 months and Kuiper asteroid for 6 months for a total of 12 months.For this, suppose that when Mars brings north and south of its anti-field, twin Venus and twin Uranus create charges in their furnaces for fission and fusion, forming the surface of amoeba algae.And the four moons of Mars bring ferrous oxide twins that are similar to water twins. They also have three forms solid liquid and gas. There the hydrazine twin beams reverse the iron to hydrogen.Since fission takes place in twin ferrous oxides. These twin hydrogen and twin oxygen twin earth amoeba algae surface water currents. This is how Earth and Earth's moons are formed by opposite spinning of Mars and Mars' moons. Which is the twin atmosphere of oxygen and nitrogen. This is how Earth and Earth's moons are formed by opposite spinning of Mars and Mars' moons. Which is an atmosphere of oxygen and nitrogen. The 6 skeletal planets, six of their colors and the green of the earth, the twin colors of the seven rainbows, are the day colors of the two opposite planets.

As our twin planetary twin field tilts or rotates in between the anti-twin magnetic field of the technology dwarf area penetrates the 360 ​​degree twin creating a 280 degree twin so the reception is greater.The portion of the daytime moon that enters the nighttime dwarf or twin Earth's surface is not in the correct position, and the Earth charges that portion, showing the appearance of the planet from which the moon is coming from fission.Because the twin surface of the skeleton under the polar ice is the surface of the moon. The shape or color of the planet's skeleton shows that it is creating an oxygen minimum. And as long as the night moon stays during the day, the sun is eclipsed.That is, the moon's spinning during the eclipse shows anti-spin, which shows the dwarf twin's lack of water or oxygen or the amoeba's lack of algae.

Because eclipsed areas show mineral deposits, there are problems with the planet's surface and sky.

Juboraj/2025.03.16


ব্লু মুন, রেড মুন, সূর্য গ্রহন ইত‍্যাদির ব্ল‍্যাক হোল থিওরির বিশ্লেষন

পরস্পর বিপরীত দুই পৃথিবীর বিপরীত স্পিনিং থেকে দুটি সূর্য দুই গোলার্ধের এবং দুটি ধ্রুবতারা দুই গোলার্ধে দিবস ও রাতের পার্থক্যে একই সময়ের বিপরীত চার্জে থাকে। এদের সারফেসেই আমাদের বসবাস। সকল তারকা ও সূর্যকে টুইন প্ল‍্যানেট বলে। এসব রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্নাথপুর বাংলাদেশের প্রমাণিত ব্ল‍্যাক হোল থিওরির প্রমাণ থেকে আমরা জেনেছি।

সূর্য‍ ও ধ্রুবতারা প্রত‍্যেকটি টুইন গ্রহের বিপরীত দুটি করে দিনের ও দুটি করে রাতের হওয়ায় আমাদের টুইন প্ল‍্যানেটারী ফিল্ডে মোট ১৪ টি করে। কেননা প্রত‍্যেকটি স্কেলেটাল গ্রহের টুইন বডির দিবস ও রাতের দুই বিপরীত গোলার্ধ রয়েছে। ফলে ৬ টি স্কেলেটাল থেকে ১২ টি সূর্য এবং ১২ টি ধ্রুবতারা রয়েছে। এদের কভারের উপরে অ‍্যামিবা শৈবালের টুইন স্পেসের যে দুটি সূর্য ও দুটি ধ্রুবতারা এই মোট সাত পৃথিবীর টুইন বা সাত গ্রহের টুইন মিলে ১৪ টি সূর্য ও ১৪ টি ধ্রুবতারা।

প্রত‍্যেকটি স্কেলেটাল টুইন দুই মাস করে একেক দেশের জন‍্য প্রবাহিত হয়ে ৬ টি স্কেলেটাল উত্তর দক্ষিণ পরিবর্তন করে এস্টরয়েড কাইপারে ৬ মাস ও কাইপার এস্টরয়েডে ৬ মাস মোট ১২ মাস স্পিন করছে। এর জন‍্য ধরুন মঙ্গলকে যখন ওর এন্টি ফিল্ডের উত্তর ও দক্ষিণকে নিয়ে আসে টুইন ভেনাস ও টুইন ইউরেনাস তখন ওদের চুল্লীতে ফিশন ফিউশন করে চার্জ তৈরি করে অ‍্যামিবা শৈবালের সারফেসকে তৈরি করছে। আর মঙ্গলের চারটি চাঁদ ফেরাস অক্সাইডের টুইন নিয়ে আসে যা টুইন পানির মতো। ওদেরও তিনটি রূপ কঠিন তরল ও বায়বীয়। সেখানে আয়রনকে হাইড্রোজেনে রূপান্তর করে হাইড্রাজিন টুইন বিম বিপরীত দিকে আসে। মঙ্গল টুইনের ফিশন থেকে হাইড্রোজেন টুইন নাইট্রোজেন টুইন তৈরি হয় আর ওর বিপরীত দিকে ফেরাস অক্সাইড ভেঙ্গে হাইড্রোজেন অক্সিজেন তৈরি হয়। যেহেতু টুইন ফেরাস অক্সাইডে ফিশন অনুষ্ঠিত। এই টুইন হাইড্রোজেন ও টুইন অক্সিজেন টুইন পৃথিবীর অ‍্যামিবা শৈবালের সারফেসের পানি প্রবাহ। মঙ্গল ও মঙ্গলের চাঁদের বিপরীত স্পিনিংয়ে পৃথিবী ও পৃথিবীর চাঁদ এভাবে তৈরি হচ্ছে। যা অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের টুইন বায়ুমন্ডল। মঙ্গল ও মঙ্গলের চাঁদের বিপরীত স্পিনিংয়ে পৃথিবী ও পৃথিবীর চাঁদ এভাবে তৈরি হচ্ছে। যা অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের বায়ুমন্ডল। ৬টি স্কেলেটাল গ্রহ ওদের রঙের ছয়টি ও পৃথিবীর সবুজ মিলে সাতটি রঙধনুর টুইন রঙ আমাদের বিপরীত দুই পৃথিবীর দিনের রঙ।

যেহেতু আমাদের টুইন প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড কাত হয়ে ঘুরছে বা এর মধ‍্যে প্রযুক্তির ডোয়ার্ফ এলাকার এন্টি টুইন ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড ৩৬০ ডিগ্রির টুইনের মধ‍্যে ২৮০ ডিগ্রির টুইন তৈরি করে প্রবেশ করেছে এজন‍্য গ্রহণ বেশি বেশি হচ্ছে। দিনের চাঁদের যে অংশ রাতে আসে টুইন পৃথিবীর সারফেস সঠিক স্হানে না থাকায় সেই অংশে পৃথিবী চার্জ করে দেখে বলে চাঁদটি যে গ্রহের ফিশন থেকে আসছে সেই গ্রহের রূপ দেখিয়ে থাকে। কেননা মেরুর বরফের নীচে কঙ্কালের যে টুইন সারফেস সেটিই চাঁদের সারফেস। অক্সিজেন মিনিমাম তৈরি করছে বলে সেই গ্রহের কঙ্কালের রূপ দেখায়। আর রাতের চাঁদ দিনে যতোক্ষণ থাকে ততোক্ষণ সূর্যে গ্রহন দেখা যায়। অর্থাৎ ঐ গ্রহণ চলাকালে চাঁদের যে স্পিনিং থাকে তা এন্টি স্পিন দেখায় যা ডোয়ার্ফ টুইনের পানির অবস্হা বা অক্সিজেনের অবস্হা দেখাচ্ছে।

যেকারণে গ্রহণ লাগা এলাকাগুলো খনিজ সর্টেজ দেখায় সেই গ্রহের বা সার্ফেস ও আকাশে সমস‍্যা আছে। +

যুবরাজ / ১৬.০৩.২০২৫