When the aliens are skeletons. And cover it with Earth's mantle quickly
Bangladesh TV quoted the news published by the NatureJournal as saying that a mountain 100 times bigger than Everest has been discovered, which I saw on an online channel in Bangladesh this afternoon. 1500 articles have been given in these places all over the world including them.However, even after creating the conditions for destruction, scientists are putting the status of such underground bodies wrongly.
Bangladesh TV quoted the news published by the NatureJournal as saying that a mountain 100 times bigger than Everest has been discovered, which I saw on an online channel in Bangladesh this afternoon. 1500 articles have been given in these places all over the world including them.However, even after creating the conditions for destruction, scientists are putting the status of such underground bodies wrongly.When the paradox-free definition of science from Bangladesh ends the unknown chapter of creation.
The alignment of the twin planetary fields has been destroyed by these physicists in such a way that these labs must be destroyed or declared abandoned or the environment of the labs must be moved to a safe distance from the twin core area of the black hole which is called for by the black hole theory to be implemented immediately.However, the comments made in the comment box of the said channel in Bangladesh are as follows;
'The office of the journal Nature Journal resides in the dwarf polluted planetary twin field. And those who are watching these are also in the dwarf planet. What seismic wave analysis sees are wave twins, and what it sees is clearly dark matter and anti-planetary fields.The black hole theory of these has been discovered in Bangladesh. They have been informed for four years. If Nature Journal continues like this, the natural twin planetary field will soon cut off their dwarf twin.And the twin core region of the black hole will merge with the surface of the sky and the surface of the earth and disappear together. The area of this dwarf twin almost swallows North America, Europe, China, South Korea, Japan, Taiwan, Hong Kong, Singapore.And the entire Twin World urbanization. Sea Ocean Polar Region. 6 Skeletal Planet Twins how to make?
Their analysis is such that the Earth's twin mantle will be halved from them at any moment.The journal Nature will no longer be with Nature. It's going to be like Los Angeles at any moment. And if the Twin Earths or Twin Planetary Fields become half-dwarfs like Los Angeles, the ash will also be wiped off the map.The planetary dwarf twin will be swallowed by the black hole. The skeletal bodies of the 6 planets were seen in the sky during the day and at night they were fixed stars. Or is still happening. We see them as they illuminate each other oppositely.However, we are living on their surface, but we are living on the earth's two opposite charges, minerals and virus bacteria or on the surface.That is, the 6 skeletal twins rotate the magnet by the change of day and night in the polar ring in 6 months and create the opposite magnetic field, so the day and night change in the polar region. Earth's twin field is running on who? 6 skeletons with one magnet facing day and 6 facing night. And through it inside and outside the twin fields of oxygen nitrogen of opposite charge and the twin fields of Uranus and Venus or twin seas or twin oceans of gaseous, liquid and solid twin water flows.Earth's twin water field is about half destroyed and so is Earth's twin body. If the twin fields of oxygen nitrogen virus bacteria are not in the day and night fields, Mercury Mars Jupiter Saturn Neptune Pluto is the north-south, south-north pole skeleton. These are the mountains of our present twin worlds.Earth's twin orbits spin over 6 separate twin planets. Such a sick and uneducated human civilization has not come to earth in thousands of years. There is no territory of civilization that has not been informed by these scientific analyses.They are making necklaces, rings, spaceships by picking up such minerals or skeletal twins with a handsome income per head of machines, technology. Where is the world? Ask Elon Musk too. Or even ask a motorcycle manufacturer. Ask the Nobel committee members.A world of two types of charge, day and night, surrounds civilization is there Even if there is, how much is there? Check it out from online library of Rakim University. The days of these frivolous studies are fast ending.Soon these twin fields of primordial hydrogen gas, enveloped by the black hole's corona region, would burn up and obliterate half the planetary field's debris.
Juboraj/2025.01.28
এলিয়েন যখন কঙ্কাল। এবং একে পৃথিবীর চাদর দিয়ে ঢেকে দিন দ্রুত
এভারেস্টের চেয়ে ১০০ গুণ বড় পাহাড়ের সন্ধান পেয়েছেন বলে ন্যাচারাল জার্নালের প্রকাশিত খবরকে উদ্ধৃত করা বাংলাদেশের টেলিভ হয়েছে যা বাংলাদেশের অনলাইন একটি চ্যানেলে খবর দেখলাম আজকের বিকেলে। ১৫০০ টি আর্টিকেল এদেরসহ সমগ্র পৃথিবীর এসব স্হানে দেওয়া হয়েছে। অথচ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরিস্হিতি তৈরি হওয়ার পরও এমন ধরনের ভূ অভ্যন্তরীন বডিগুলো ভুলভাবে দেখে বিজ্ঞানী স্ট্যাটাস লাগাচ্ছেন।
টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডের এলাইনমেন্ট এমনভাবে এসব ফিজিসিস্ট নামধারীগণ ধ্বংস করেছেন যে, এসব ল্যাবকে ধ্বংস করতে হবে অথবা পরিত্যাক্ত ঘোষনা করতে হবে অথবা ল্যাবের পরিবেশকে ব্ল্যাক হোলের টুইন কোর এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে করতে হবে যা ব্ল্যাক হোল থিওরি দ্বারা অবিলম্বে কার্যকর করতে বলা হয়েছে। যখন বাংলাদেশ থেকে বিজ্ঞানের প্যারাডক্সমুক্ত সংজ্ঞায় সৃষ্টিতত্ব সম্পর্কে অজানা অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হয়েছে। যাহোক বাংলাদেশের উক্ত চ্যানেলের প্রচারিত কমেন্ট বক্সে একই ধরনের সংবাদের প্রেক্ষিতে যে কমেন্ট করা হলো তা নিম্নরূপ ;
'ন্যাচার জার্নাল যে পত্রিকা অফিস এই অফিসটি ডোয়ার্ফ দূষিত প্ল্যানেটারী টুইন ফিল্ডে বসবাস করে। আবার যারা এসব দেখছে ওরাও ডোয়ার্ফ প্ল্যানেটে। যেসব জিনিস সিসমিক ওয়েভ বিশ্লেষনে দেখছে সেসব ওয়েভ টুইন এবং যা দেখছে সেসব সুস্পষ্টভাবে ডার্ক ম্যাটার এবং গ্রহের এন্টি ফিল্ড। এসবের ব্ল্যাক হোল থিওরি আবিস্কার হয়েছে বাংলাদেশে। ওদের জানানো হচ্ছে চার বছর ধরে। ন্যাচার জার্নাল এভাবে চললে ন্যাচারাল টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ড অচিরেই ওদের ডোয়ার্ফ টুইনকে কাট করে দিবে। আর ব্ল্যাক হোলের টুইন কোর এলাকা আকাশের সারফেস দিয়ে এবং ভূমির সারফেস দিয়ে একসাথে হয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ডোয়ার্ফ টুইনের এরিয়া উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া জাপান তাইওয়ান হংকং সিঙ্গাপুরকে প্রায় গিলে ফেলেছে। আর সমগ্র টুইন পৃথিবীর নগরায়নকে। সাগর মহাসাগর পোলার রিজিয়নকে। ৬ টি স্কেলেটাল প্ল্যানেট টুইন কিভাবে তৈরি?
এর বিশ্লেষন এদের দিতে দিতে অবস্হা এমন পর্যায়ে যে পৃথিবীর টুইন চাদরের প্রলেপ ওদের উপর থেকে অর্ধেক হয়ে সরে যাবে যে কোনো মুহুর্তে। ন্যাচার জার্নালের আর ন্যাচারের সাথে থাকা হবে না। লসএঞ্জেলেসের মতো হয়ে যাবে যে কোনো মুহুর্তে। আর যদি টুইন পৃথিবী বা টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ড অর্ধেক ডোয়ার্ভ হয়ে যায় লস এঞ্জেলেসের মতো হলে মানচিত্র থেকে ছাইও মুছে যাবে। ন্যাচার জার্নালের আর ন্যাচারের সাথে থাকা হবে না। লসএঞ্জেলেসের মতো হয়ে যাবে যে কোনো মুহুর্তে। আর যদি টুইন পৃথিবী বা টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ড অর্ধেক ডোয়ার্ড হয়ে যায় লস এঞ্জেলেসের মতো হয় মানচিত্র থেকে ছাইও মুছে যাবে। প্ল্যানেটারি ডোয়ার্ফ টুইন ব্ল্যাক হোল গিলে খাবে। ৬ টি প্ল্যানেটের স্কেলেটাল বডি আকাশে দেখা যেতো দিনে আর রাতে তা ধ্রুবতারা হতো। বা হচ্ছে এখনও। এরা পরস্পরকে বিপরীতভাবে আলোকিত করে বলে আমরা এদের দেখি। অথচ আমরা এদের সারফেসের উপরেই বসবাস করছি কিন্তু পৃথিবীর পরস্পর বিপরীত দুই চার্জের খনিজ ও ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার উপর দিয়ে বা সারফেস দিয়ে বসবাস করছি। অর্থাৎ ৬ টি স্কেলেটাল টুইন ওরা ৬ মাসে পোলার রিংয়ে দিবস ও রাতের পরিবর্তন দ্বারা ম্যাগনেট ঘুরিয়ে ফেলে আবার বিপরীত ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে চলে বলে দিন ও রাতের পরিবর্তন হয় পোলার অঞ্চলে। পৃথিবীর টুইন ফিল্ড কার উপর দিয়ে চলছে? ৬ টি কঙ্কালের এক ম্যাগনেট দিনের দিকে অপর ৬ টি রাতের দিকে। আর এর ভিতর ও বাহির দিয়ে পরস্পর বিপরীত চার্জের অক্সিজেন নাইট্রোজেনের টুইন ফিল্ড এবং ইউরেনাস ও ভেনাসের টুইন ফিল্ড বা টুইন সাগর বা টুইন মহাসাগরের গ্যাসিয়াস,তরল ও কঠিন টুইন পানির প্রবাহ। পৃথিবীর টুইন পানির ফিল্ড প্রায় অর্ধেক ধ্বংস এবং পৃথিবীর টুইন বডিও তাই। অক্সিজেন নাইট্রোজেন ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার টুইন ফিল্ড যদি দিবস ও রাতের ফিল্ডে না থাকলে বুধ মঙ্গল বৃহস্পতি শনি নেপচুন প্লুটোর উত্তর-দক্ষিণ, দক্ষিণ - উত্তর মেরু কঙ্কাল হয়ে পরে থাকে। এরাই আমাদের বর্তমানের টুইন পৃথিবীর পাহাড়। ৬ টি পৃথক টুইন প্ল্যানেটের উপর পৃথিবীর টুইন আবরন স্পিন করছে। এতো অসুস্হ ও অশিক্ষিত মানব সভ্যতা কয়েক হাজার বছরের মধ্যে পৃথিবীতে আসেনি। সভ্যতার এমন কোনো টেরিটোরি নেই যাদের এসব বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষন জানানো হয়নি। ওরা মেশিন, প্রযুক্তির মাথা পিছু হ্যান্ডসাম আয় দিয়ে বা এরকম খনিজ তুলে বা স্কেলেটাল টুইন তুলে এনে গলার মালা, রিং, স্পেসশিপ বানাচ্ছে। পৃথিবী কই? ইলন মাস্ককেও জিজ্ঞাসা করুন। অথবা একজন মটর সাইকেল নির্মাতাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করুন। নোবেল কমিটি মেম্বারদের জিজ্ঞাসা করুন। সভ্যতার চারিপাশে দিবস রাত্রির দুই ধরনের চার্জের পৃথিবী আছেতো ? আর থাকলেও কতোটুকু আছে। দেখে নিন রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের অন লাইন লাইব্রেরী থেকে। এসব ফালতু গবেষণার দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে দ্রুত। এসব অচিরেই ব্ল্যাক হোলের করোনা অঞ্চল দ্বারা ঘেরাও হয়ে সৃষ্টির শুরুর হাইড্রোজেন গ্যাসের টুইন ফিল্ড জ্বলে উঠে অর্ধেক প্ল্যানেটারী ফিল্ডের আবর্জনা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। যুবরাজ /২৮.০১.২০২৫