AI technology delegation to Paris conference to make ICU beds soon

We know the difference between living and inanimate matter. Everything in creation is trapped in twin opposite spin charge beams of twin opposite spin. A part of the organism is making the Exist space way around to create. The other part is on the way to the black hole from around the middle of the anti-exist space way.


We know the difference between living and inanimate matter. Everything in creation is trapped in twin opposite spin charge beams of twin opposite spin. A part of the organism is making the Exist space way around to create. The other part is on the way to the black hole from around the middle of the anti-exist space way.Again, the opposite part of one part of the organism is moving the creation towards the anti-exist space way and the other part is moving against the anti-exist space way or the way of the exist space way.

Expanding the lungs, the Exist Space Way part of creation is coming out of the black hole. And when the lungs are compressed, the anti-exist is creating a space way on the way to the black hole. Obviously, another part of the lung in another body of the organism is similar to the first paragraph.

These beings are being created and dying due to the opposing spins of the 7 planetary twin fields creating spins in the Exist Spaceway and Anti-Exist Spaceway on the Twin Surface. Which is directed inwards and outwards in the direction of the two oppositely charged fields of the water black hole.Increasing reduction from top to bottom and bottom to top. Everywhere the black hole have their closest gaseous regions of hydrogen twin fields with oxygen coming from one surface and nitrogen forming from the opposite surface.From the surface where the nitrogen is being produced, the fusion of nitrogen hydrogen is ammonia and in the twin fission of ammonia, nitrogen hydrogen exit space way and anti-exist space way are created which can be called NH and HN when twin magnets are shown.

Again, when one of the twin fields of water is fissioned, the oxygen hydrogen exit space way and the anti-exist space way are created and the magnets HO and OH are created. The twin fields of opposite field water are OH and HO

Here the fission fusion of NH3 (+ -) and H20 (+ -) is not happening. As this fusion twin matter is also a twin, the magnetic twin fields are NH3(-+) and H2O(-+). As a result, fission fusion is happening from both sides as north and south are formed. The only difference is that whenever one pole of a magnet causes fission, the opposite pole is causing fusion. And when fusion occurs, its opposite is created by fission.

At the beginning of any twin formation, the region closest to the black hole is surrounded from inside and out by the gaseous plume. Just outside of the 14 fields are two opposite fields of water. And 12 fields of which 6 twin bodies are producing nitrogen.The water twin field Uranus and Venus are the largest twin objects in the planetary twin field. Which is equally and inversely decreasing in life from smaller to larger. Most of the body is twin inert or skeletal twin.Mechanized civilizations blindly unscientifically practice their body or surface and the twin surface of the body where they live or move around and opposite the oxygen twin field or negative twin charge head without any insight into whether or not they are able to properly create this item.

Any faculty of science is using so many research tools that the world is lost in their environment long ago. A few twin worlds stick out because the people who run these labs are themselves twin worlds by the twin darkness of viruses bacteria and germ bodies.The body that lives spins with the dwarf twin planet. Spinning of this dwarf twin planetary field, which is built in the twin field of twin charge, because twin body of oxygen is not created here, twin body of twin seven moons, twin seven suns and twin seven Ursha major stars (twin Saptarshimandal) are connected with the twin celestial path to breathe the twin body.

Living in these Dwarf Twins, they rush to grow their fields on Earth every day. Administratively, everyone is working together. Those whose daily activities are being conducted with the flora and fauna are also doing anti-environmental work every day in the so-called chemistry, physics, biological formulas.Among them is the attempt to globalize AI technology in the new chapter Paris. This 80℅ of humanity is going to the ICU because of the modern idleness. Their fate will soon stop breathing oxygen. Which will vanish with their wasted half twin planetary fields.Los Angeles can still be made habitable over time, even though the dwarf twin cities have been destroyed by oxygen deprivation.The city was within range of the oxygen supply of the twin fields of the twin worlds, so the fire was extinguished by the flow of it. The increase in twin fields of oxygen coming from anti-space is evidenced by the predicted flood before the fire is extinguished.

In this case, including Paris, Europe, North America, China, Japan, South Korea, Singapore, Hong Kong, Taiwan, and those who have created waste in the twin moon and other twin planet fields, how will they escape to earth if they are split in half. Even if your escape vehicle is still alive at the moment, the vehicle will pull the oxygen charge from the start and the oxygen vacuum will be instantly created to take you with the detachment wherever you are.

So why do you have to install deep tubewells around you to raise water? The Moon or Venus and Neptune aspects are not creating your environment. The twin opposite sky pulsars or nebulae form the twin charge beams coming from the Earth where it is still drifting.If you are in this pulsar you see the nebula if you are in the nebula you see the pulsar. Seeing them means your Twin Surface is indirectly powered by AI technology. Seeing these anti-spaces means seeing an alien body. If it is dark matter, fire or disaster will not appear in your space. The water that you are fetching from deep tubewells is of anti-field earth. Not in your tube well placement area.

That world will be yours if you build a water reservoir there. And by creating a surface around it by decomposing plants and animals, you can create food plants that can produce oxygen in the two opposite worlds of day and night and bring the animal world into that environment.Then the water will never dry up.

The way to escape from the city and come to the village is also being closed. Stop operating any artificial or artificial vehicles or such industries. Totally stop mineral extraction. Flow the world through towns and villages. Come from ICU to normal bed. The hospital will release only then. Juborah/2025.02.15


প‍্যারিস কনফারেন্সে এআই টেকনোলজি প্রতিনিধিদলের জন‍্য শীঘ্রই আইসিইউ বেড তৈরি করতে হবে।

জীব ও জড় পদার্থের পার্থক্য আমরা জানি। সৃষ্টিতে যা কিছু তা টুইনভাবে বিপরীত স্পিনের চার্জ বিমের টুইন বিপরীত স্পিনে আটকানো। জীবের এক অংশ সৃষ্টির জন‍্য এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে চারিদিক দিয়ে তৈরি করছে। অপর অংশ এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়ের মাধ‍্যমে চারিদিক থেকে ব্ল‍্যাক হোলের পথে। আবার জীবের এক অংশের বিপরীত অংশ সৃষ্টিকে এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়ের দিকে আর অপর অংশের এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়ের বিপরীতে বা এক্সিস্ট স্পেস ওয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছে।

ফুসফুসকে প্রসারিত করতে গেলে সৃষ্টির এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে অংশ ব্ল‍্যাক হোল থেকে বেড়িয়ে আসছে। আর ফুসফুস সংকুচিত হলে ব্ল‍্যাক হোলের পথে এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে তৈরি করছে। স্পষ্টত জীবের অপর বডির ফুসফুসের আর একটি পার্ট প্রথম প‍্যারাগ্রাফের মতো।

এই জীবগুলো তৈরি হচ্ছে এবং মৃত‍্যুর দিকে যাচ্ছে ৭ টি প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের পরস্পর বিপরীত স্পিন থেকে টুইন সারফেসে এক্সিস্ট স্পেসওয়ে ও এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়েতে স্পিন তৈরির কারণে। যা পানির পরস্পর বিপরীত দুই চার্জের ফিল্ড ব্ল‍্যাক হোলের পথে ভিতর বাহির ও বাহির ভিতর করে পরিচালিত হচ্ছে। যা উপর থেকে নীচে এবং নীচ থেকে উপরে প্রতিনিয়ত কমানো বাড়ানো হচ্ছে। উপর থেকে নীচে এবং নীচ থেকে উপরে প্রতিনিয়ত কমানো বাড়ানো হচ্ছে। সব স্হানে ব্ল‍্যাক হোল যার সবচেয়ে নিকটবর্তী গ‍্যাসিয়াস অঞ্চলে হাইড্রোজেনের টুইন ফিল্ডের অক্সিজেন আসছে এক সারফেস থেকে আর এর বিপরীত সারফেস থেকে তৈরি হচ্ছে নাইট্রোজেন। যে সারফেস থেকে নাইট্রোজেন তৈরি হচ্ছে সেখানে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেনের ফিউশন থেকে হচ্ছে এ‍্যামোনিয়া আর এ‍্যামোনিয়ার টুইন ফিশনে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেনের এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে এবং এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে তৈরি হচ্ছে যা টুইন ম‍্যাগনেট দেখালে NH ও HN বলা যায়।

আবার পানির টুইন ফিল্ডের একটিকে ফিশন ঘটালে অক্সিজেন হাইড্রোজেনের এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে ও এন্টি এক্সিস্ট স্পেস ওয়ে তৈরি হলে ম‍্যাগনেট HO ও OH তৈরি হয়। বিপরীত ফিল্ডের পানির টুইন ফিল্ডের জন‍্য হয় OH ও HO হয় ।

এখানে NH3 (+ -) এবং H20 (+ -) এর ফিশন ফিউশন একটি হচ্ছে না। এই ফিউশন টুইন ম‍্যাটারও টুইন হওয়ায় ম‍্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড NH3(-+) ও H2O(-+)। ফলে উত্তর দক্ষিণ তৈরি হওয়ায় দুদিক থেকেই ফিশন ফিউশন ঘটছে। শুধু পার্থক্য এক ম‍্যাগনেটের মেরু যখনই ফিশন ঘটায় বিপরীত মেরু ফিউশন তৈরি করছে। আর ফিউশন ঘটালে এর বিপরীত ফিশন তৈরি করছে।

যে কোনো টুইন সৃষ্টির শুরুতে ব্ল‍্যাক হোলের সবচেয়ে নিকটবর্তী অঞ্চল গ‍্যাসীয়াস ধোঁয়ার আগুণ দ্বারা চারিদিক থেকে ভিতর ও বাহিরে বেষ্টন অবস্হায় সব কিছু। এর জাস্ট বাহিরে ১৪ টি ফিল্ডের দুই বিপরীত ফিল্ডে পানি। আর ১২ টি ফিল্ড যার ৬ টি টুইন বডি নাইট্রোজেন তৈরি করছে। যে পানির টুইন ফিল্ড ইউরেনাস ও ভেনাস প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের বৃহত্তম টুইন অবজেক্ট। যা ক্ষুদ্রতর থেকে বৃহত্তরও জীবণের ক্ষেত্রেও একইরকম এবং বিপরীতভাবে অবস্হান করছে। জীবদেহের বেশিরভাগ অংশ টুইন জড় পদার্থ বা স্কেলেটাল টুইন। যান্ত্রিক সভ‍্যতা এমন অন্ধভাবে অবৈজ্ঞানিক চর্চা করে নিজেদের বডির বা সারফেসের ও যেখানে বসবাস বা চলাচল করছে সেই বডির টুইন সারফেসের সাথে চারিদিকে এবং বিপরীত চারিদিকে অক্সিজেনের টুইন ফিল্ড বা নেগেটিভ টুইন চার্জের প্রধান এই আইটেম ঠিকমতো তৈরি করতে পারছে কি না ভ্রুক্ষেপ নেই।

সাইন্সের যে কোনো ফ‍্যাকাল্টি এতো গবেষণার টুলস ব‍্যবহার করছে যে তাদের পরিবেশে পৃথিবী হারিয়ে গেছে অনেক আগে। সামান‍্য টুইন পৃথিবী লেখে আছে এজন‍্য যে, যে মানুষগুলো এসব গবেষণাগার চালায় তারা নিজেরাও ভাইরাস ব‍্যাকটেরিয়ার টুইন আঁধার ও জীবাণুর বডি দ্বারা টুইন পৃথিবী। যে বডি ডোয়ার্ফ টুইন প্ল‍্যানেটের সাথে স্পিন করে বসবাস করছে। এই ডোয়ার্ফ টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের স্পিনিং যে টুইন চার্জের টুইন ফিল্ডে নির্মিত এখানে অক্সিজেনের টুইন তৈরি হয় না বলে ওর জীবাণুর টুইন বডি টুইন ৭টি চাঁদ, টুইন সাত সূর্য ও টুইন সাতটি উর্ষা মেজর স্টারের (টুইন সপ্তর্ষীমন্ডল ) সাথে টুইন আকাশ পথে কানেক্টেড হয়ে ওর টুইন বডির শ্বাস প্রশ্বাস চালাতে পারছে।

এই ডোয়ার্ফ টুইনে বসবাস করে এরা এদের ফিল্ড পৃথিবীতে প্রতিদিন বড় করার জন‍্য ছুটে চলেছে। প্রশাসনিকভাবে সকলে মিলে এসব কাজ করছে । উদ্ভিদের ও প্রাণীজগতের সাথে যাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে তারাও প্রতিদিন পরিবেশ বিরোধী কাজ করছে কথিত কেমিস্ট্রি, ফিজিক্স, বায়োলজিক‍্যাল ফর্মূলায়। এর মধ‍্যে নয়া উপদ্রুপ প‍্যারিসে AI টেকনোলজিকে গ্লোবালাইজেশন করার প্রয়াস চলছে। অত‍্যাধুনিক অলস এই ৮০℅ মানবজাতি আইসিইউতে চলে যাচ্ছে। এদের ভাগ‍্যে অচিরেই অক্সিজেনের শ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে। যা তাদের এসব নষ্ট অর্ধেক টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড নিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এখনও লস এঞ্জেলেসকে যেমন সময়ের ব‍‍্যবধানে বসবাস উপযোগী করা যাবে যদিও অক্সিজেন শূন‍্যতায় এই ডোয়ার্ফ টুইন শহর ধ্বংস হয়েছে । এই শহরটি টুইন পৃথিবীর টুইন ফিল্ডের অক্সিজেন সাপ্লায় রেঞ্জের মধ‍্যে ছিলো বলে এর প্রবাহ তৈরি হওয়ায় আগুণ নিভে গিয়েছিলো। দাবানল নিভে যাওয়ার আগে বন‍্যার পূর্বাভাস আসা এন্টি স্পেস থেকে অক্সিজেন এসে এর টুইন ফিল্ড বৃদ্ধি তা প্রমাণ করে।

এই অবস্হা প‍্যারিসসহ ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, চীন জাপান দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, তাইওয়ান আর যারা নষ্ট আবর্জনা তৈরি করেছে টুইন চাঁদে ও অন‍্যান‍্য টুইন গ্রহের ফিল্ডে এরা অর্ধেক হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে কিভাবে পালিয়ে পৃথিবীতে যাবেন। আপনার পালিয়ে যাওয়ার যানবাহন ঐ মুহুর্তে আপনি জীবিত থাকলেও যানটি স্টার্ট হতে অক্সিজেনের চার্জ টানবে আর অক্সিজেনের ভ‍্যাকুয়াম তাৎক্ষনিক তৈরি হওয়ায় বিচ্ছিন্ন অংশের সাথে আপনাকে নিয়ে যাবে যেখানেই থাকুন না কেনো।

কাজেই আপনার চারিপাশে ডিপ টিউবওয়েল বসিয়ে পানি তুলতে কেনো হচ্ছে? যে চাঁদ বা ভেনাস ও নেপ্চুন দেখেন তা আপনার পরিবেশ তৈরি করছে না। পৃথিবী যেখানে এখনও প্রবাহিত হচ্ছে সেখান থেকে আসছে টুইন বিপরীত আকাশের পালসার বা নীহারিকার টুইন চার্জ বিম তৈরি করে। আপনি এই পালসারে থাকলে নীহারিকা দেখেন নীহারিকায় থাকলে পালসার দেখেন। এদের দেখা মানে আপনার টুইন সারফেস ইনডাইরেক্টলি AI টেকনোলজির হয়ে গেছে বলে। এসব এন্টি স্পেস দেখা মানে এলিয়েন বডি দেখছেন। যা ডার্ক ম‍্যাটার হিসাবে থাকলে আপনার স্পেসে দাবানল বা ডিজাস্টার দেখা দিবে না। আপনি গভীর নলকূপ বসিয়ে যে পানি আনছেন তা এন্টি ফিল্ড পৃথিবীর। আপনার নলকূপ বসানো এলাকার নয়।

সেই পৃথিবী আপনার হবে যদি সেখানে পানির রিজার্ভার তৈরি করেন। আর ওর চারিপাশে উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের পচন দিয়ে সারফেস তৈরি করে সেখানে দিন ও রাতের দুই বিপরীত পৃথিবীতে অক্সিজেন তৈরি করতে পারে এমন উদ্ভিদএর বিন‍্যাসযুক্ত খাবারের উদ্ভিদের চাষাবাদ তৈরি ও প্রাণী জগতকে সেই পরিবেশে নিয়ে আসতে পারেন। তাহলে পানি কখনো শুকাবে না।

শহর থেকে পালিয়ে গ্রামে আসার পথও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেকোনো কৃত্রিম বা আর্টিফিশিয়াল যানবাহন বা এধরনের ইন্ডাস্ট্রি পরিচালনা বন্ধ করুন।খনিজ উত্তোলন টোটালি বন্ধ করুন। শহর ও গ্রামের মধ‍্য দিয়ে পৃথিবী প্রবাহিত করুন। আইসিইউ থেকে নরমাল বেডে আসুন। হাসপাতাল তবেই রিলিজ দেবে। যুবরাজ /১৫.০২.২০২৫।