Without any mechanical power lock down the cataclysm is going out of reach
Oxygen shortage due to artificial chemical fission fusion. The Twin Fields of Earth are formed by the breath of life, including humans. If there is certain regulation to ensure the flow of oxygen and nitrogen, the biosphere exists.
Oxygen shortage due to artificial chemical fission fusion. The Twin Fields of Earth are formed by the breath of life, including humans. If there is certain regulation to ensure the flow of oxygen and nitrogen, the biosphere exists. The biosphere is made up of viruses and bacteria.Its magnetic twin field is regulated by Earth's twin field. If the earth's surface is removed, Mercury, Mars, Jupiter, Saturn, Uranus, Pluto are seen as poles on the anti-field surface of these 6 planets.
Einstein Hawking Tesla Planck Theory Civilization Check All Earth's Twin Surfaces See How They Removed Earth From Your Surface With Their Theory. The surface of most areas of the United States is rocky, some areas are red, some areas are sandy, etc.Too close or the Earth's surface has thinned out or these skeletons are visible outside. It didn't just happen in the United States. See Europe Japan South Korea Singapore Taiwan Hong Kong Israel. Now look at China. The per capita income source stands on the UV ray twin field surface of the dwarf twin planet.The region defined by the UV twin field near the twin core region of the black hole is approximately the twin spinning outside the Earth. Gradually their own artificial magnetic twin field drifts apart. What a dangerous civilization! Hundreds of billions of scientists of world civilization are distracted by what is happening in California and the twin space of the United States. The United States will never single-handedly disappear from the map of the twin planetary fields into the black hole. The said territory must be on the Extinction List in its entirety.But with this half of the sea ocean polar region is disappearing. Which is the anti-field of each planet's twin field inside and outside the surface of this earth's twin means two opposite skies and two opposite surfaces. And by the daily day and night of the Twin Earth they charged the Twin in reverse.which becomes the beamless ash of the twin quasars from the nebula pulsar twin. Again it flares up and becomes the pulsar nebula. But wouldn't this be unscientific if the dwarf twin planets became half of the twin worlds?
At the beginning of January in Los Angeles, the earth's crust was very thin. Due to which the UV twin (or the corona virus affected area four years ago) became more concentrated and the black hole spin of the laser twin started the fire. The positive twin side of the oxygen twin field also lightens, exemplifying the decaying thin rings of Saturn's rings if Saturn's twin is now in connection with the twin field in that area. Each ionosphere has a solid surface beam attached to it.The twin field near the black hole is covered by the twin surface of the planet. When viewing the anti-field of any twin planet from its surface, its inner part is visible outside the ionosphere of the opposite sky. For example, the Sun and the Pole star alternately come from the 6 twin planets.Which appears alien to Earth.
The current uneducated civilization has discovered this alien and set up a university fair to talk to it and is intoxicated with the latest technology. And like baba vanga prophesying that one day humans will definitely meet aliens. In fact, when aliens are like present-day Robort, our mechanical vehicles, the human anti-field is dangerously advancing. In the absence of oxygen, the ionosphere or anti-magnetic field has been created in the opposite direction of the human body like an X-ray plate. If you see these anti-fields somewhere, you will understand that the laser twin X-ray twin fence is coming from the black hole. This laser beam is deflected from a nearby source and collides with the opposite space black hole, causing the opposite space to appear and burn into the hydrogen twin gas, producing rays closer to the black hole.That is, by destroying the alien twin body with the black hole, the photon twin with the black hole has created the anti-black hole field by becoming the twin of the gas with the black hole. What follows is a mini twin quasar of twin ashes in the black hole twin fields of skeletal planets.
I took another picture yesterday with the pictorial pic of the Los Angeles Extension San Diego fire 71 television report, but I'm analyzing that picture in today's article along with another picture.I hope you will find these two pictures attached to the article.
The image on the left shows a daytime comet that formed the Sun. A very close peak is collected from the collector's surface field of the pole star near the fure place.But it is very possible that the photo was taken from someone. Where the sun was seen as a dot again when taken from a distance of the sun comet photograph. Linked to yesterday's article. Now the surface of the Earth opposite the center of the fire of this comet San Diego has become like this.Because the opposite pulsar field of the comet bends the fire caused by burning any solid surface with fairly large craters. That image is provided here from a segment of the 71 Television pictorial that is linked to the article.Some of the oxygen flows between the twin burning fields in the vicinity of the black hole, so the two opposing skies of the twin fields of the black hole create rivers of fire in two opposite directions. Thus the recent fires are taking place.This is despite the fact that the two images were not taken on the same day, thus maintaining the bent spin of the mini nebula mini pulsar. If the speed of light were straight then the spotter would have taken the picture from a mini pulsar or from a spot in the middle of the flare.
How close is this region of California to the black hole? As oxygen is wasted due to robotic machine monsters of USA and Earth, this mini twin pulsar or mini twin nebula twin flame or black hole twin field will continue to grow in the near future. Other states of the United States should bring mechanical and technological lock down, just as the world civilization should also lock down and stop the electrical machinery for a few days.Then if the fires are stopped by increasing the label of oxygen, it is possible to avoid the catastrophe of the unscientific civilization if the pruning process of the mechanized age of the world civilization is changed overnight.
The current state of America is hastening the time of many dire calamities for the entire world. Any mechanical electrification of the current world civilization requires an emergency lock down to be effective at times. Also oxygen growth is not possible.And the ability to deal with the coming catastrophe is going out of reach.
Juboraj / 25.01.2025
যে কোনো যান্ত্রিক বিদ্যুতের লক ডাউন ছাড়া মহাবিপর্যয় নাগালের বাহিরে চলে যাচ্ছে
অক্সিজেন সংকট কৃত্রিম ক্যামিক্যাল ফিশন ফিউশনের কারণে। মানুষসহ জীবজগতের শ্বাস প্রশ্বাস দ্বারা পৃথিবীর টুইন ফিল্ড গঠিত। সেখানে নির্দিষ্ট নিয়মে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের প্রবাহ নিশ্চিত করতে পারলে জীবজগত থাকে। জীবজগত ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া দ্বারা গঠিত। এর ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড নিয়ন্ত্রিত হয় পৃথিবীর টুইন ফিল্ডের সাথে। পৃথিবীর সারফেস সরিয়ে নিলে বুধ,মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি,ইউরেনাস, প্লুটো এই ৬টি গ্রহের এন্টি ফিল্ড সারফেসে খুঁটি হিসাবে দেখা যায়।
আইনস্টাইন হকিং টেসলা প্লাঙ্ক থিওরির সভ্যতা সমস্ত পৃথিবীর টুইন সারফেসে চেক করে দেখুন ওরা থিওরি দিয়ে আপনার সারফেস থেকে পৃথিবী কিভাবে সরিয়ে দিয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ এলাকার সারফেস পাথুরে,আবার কোনো এলাকার লাল, কোনো এলাকার বালি ইত্যাদি। খুব কাছাকাছি বা পৃথিবীর সারফেস পাতলা হয়ে গেছে অথবা এসব কঙ্কাল বাহিরে দেখা যাচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে শুধু হয়নি। ইউরোপ জাপান দক্ষিণ কোরিয়া সিঙ্গাপুর তাইওয়ান হংকং ইসরাইল কে দেখুন। এখন দেখুন চীনকে। মাথা পিছু আয়ের উৎস দাঁড়িয়ে আছে বামণ টুইন গ্রহের ইউভি রের টুইন ফিল্ড সারফেসের উপর। ব্ল্যাক হোলের টুইন কোর এলাকার কাছাকাছি ইউভির টুইন ফিল্ডের মধ্য দিয়ে উল্লেখিত টেরিটোরি প্রায় টুইন পৃথিবীর বাহির দিয়ে স্পিন করছে। ক্রমেই এদের নিজস্ব কৃত্রিম ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড সরে যাওয়ার ব্যবধান বৃদ্ধি হচ্ছে। কি বিপদজনক সভ্যতা! ক্যালিফোর্নিয়ায় কি হচ্ছে আর যুক্তরাষ্ট্রের টুইন স্পেসের ভয়াবহ বিপদে নির্লিপ্ত বিশ্ব সভ্যতার অগণিত বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্র কখনো এককভাবে টুইন প্ল্যানেটারি ফিল্ডের মানচিত্র থেকে ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্ত হবে না। উল্লেখিত টেরিটোরি অবশ্যই বিলুপ্তির তালিকায় সম্পূর্ণভাবে। কিন্তু এর সাথে অর্ধেক সাগর মহাসাগর পোলার রিজিয়ন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। যা প্রত্যেকটি গ্রহের টুইন ফিল্ডের এন্টি ফিল্ড এই পৃথিবীর টুইনের সারফেসের অভ্যন্তর ও বাহির দিয়ে দুই বিপরীত আকাশ ও দুই বিপরীত সারফেস বুঝায়। এবং টুইন পৃথিবীর নিত্যদিনের দিবস ও রাত দ্বারা ওরা টুইন বিপরীতভাবে চার্জ করে নিতো। যা নীহারিকা পালসার টুইন থেকে টুইন কোয়েসারের বিমলেস ছাইয়ে পরিণত হয়। আবার তা জ্বলে উঠে পালসার নীহারিকা হচ্ছে। কিন্তু এসব আর হবে না অবৈজ্ঞানিক এই ডোয়ার্ফ টুইন প্ল্যানেটে যদি টুইন পৃথিবীর অর্ধেক হয়ে যায়?
জানুয়ারীর শুরুতে লজ এঞ্জেলেস শহরে পৃথিবীর আবরন ছিলো খুবই পাতলা। যে কারণে ইউভি টুইন (বা করোনা ভাইরাস উপদ্রত এলাকা চার বছর আগের) বেশি কনসেন্ট্রেটেড হয়ে লেজার টুইনের ব্ল্যাক হোল স্পিনের আঘাতে দাবানল শুরু হয়। অক্সিজেনের টুইন ফিল্ডের পজিটিভ টুইন পাতও হালকা হয়েছিলো যা শনির রিংয়ের ক্ষয়ে যাওয়া পাতলা রিংয়ের উদাহরণ দেওয়া যায় যদি এখন শনির টুইন অত্র এলাকার টুইন ফিল্ডের কানেকশনে থাকে। প্রতিটি আয়নোস্ফেয়ারের ধনাত্বক শক্ত সারফেস বিম সংযুক্ত থাকে। ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী টুইন ফিল্ড সেই গ্রহের টুইন সারফেস দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। যে কোনো টুইন গ্রহের সারফেস থেকে ওর এন্টি ফিল্ড দেখতে গেলে ওর ভিতরের পার্ট বিপরীত আকাশের আয়নোস্ফেয়ারের ভিতরটা বাহিরে দেখা যায়। যেমন সূর্য ও ধ্রুবতারা পর্যায়ক্রমে আসে ৬টি টুইন গ্রহ থেকে। যা পৃথিবীর ক্ষেত্রে এলিয়েন দেখা যায়।
বর্তমান অশিক্ষিত সভ্যতা এই এলিয়েন আবিস্কার করে ওর সাথে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেলা বসিয়েছে আর নতুন নতুন প্রযুক্তির নেশায় ছুটে চলেছে। এবং এমনভাবে বাবা ভাঙ্গার মতো ভবিষ্যতবাণী দিচ্ছে যে একদিন অবশ্যই এলিয়েনের সাথে মানুষের দেখা হবে।
আসলে এলিয়েন যখন বর্তমান রোবর্ট এর মতো, আমাদের যান্ত্রিক যানের মতো তখন তা মানুষের এন্টি ফিল্ড বিপদজনকভাবে সামনে চলে আসছে। অক্সিজেনের শূন্যতায় এই এক্সরে প্লেটের মতো মানবদেহের বডির উল্টা আয়নোস্ফেয়ার বা এন্টি ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয়েছে। এসব এন্টি ফিল্ড কোথাও দেখা গেলেই বুঝতে হবে লেজারের টুইন এক্স রের টুইন বেড় হচ্ছে ব্ল্যাক হোল থেকে। এই লেজার রশ্মি বাঁকিয়ে কাছাকাছি কোনো উৎস থেকে বিপরীত স্পেসের ব্ল্যাক হোলের সংযুক্তি ঘটিয়েছে আর এজন্য বিপরীত স্পেস দেখা যাচ্ছে এবং তা হাইড্রোজেন টুইন গ্যাস হয়ে পুড়ে ব্ল্যাক হোলের আরও নিকটবর্তী রে তৈরি করছে। অর্থাৎ ব্ল্যাক হোলযুক্ত এলিয়েন টুইন বডিকেও ধ্বংস করে ব্ল্যাক হোলযুক্ত গ্যাসের টুইন হয়ে ব্ল্যাক হোলযুক্ত ফোটন টুইন এন্টি ব্ল্যাক হোল ফিল্ড তৈরি করেছে। যা পরবর্তীতে টুইন ছাইয়ের মিনি টুইন কোয়েসার হচ্ছে স্কেলেটাল ব্ল্যাক হোলযুক্ত টুইন গ্রহের ফিল্ডে।
গতকালকে লসএঞ্জেলেস এক্সটেনশন সান দিয়েগো শহরের দাবানল খবরের ৭১ টেলিভিশনের সচিত্র প্রতিবেদনের পিকের সাথে যে ছবি দিয়েছিলাম সেখানে আর একটি ছবি তুলেছিলাম কিন্তু সেই ছবিটার বিশ্লেষন আজকের আর একটি ছবির সাথে এখনকার আর্টিকেলে বিশ্লেষন তুলে ধরছি। এই ছবি দুটি, আর্টিকেলের সাথে সংযুক্তিতে মিলিয়ে নিবেন আশা করি।
বামদিকের ছবিটি দিনের বেলা একটি ধূমকেতু তৈরি করেছে যা সূর্যকে তৈরি করেছে। খুবই নিকটবর্তী ঐ পিক সংগ্রহকারীর ধ্রবতারার সারফেস ফিল্ড থেকে সংগৃহীত। কিন্তু খুব সম্ভব কার থেকে তোলা ছবি। যেখানে সূর্যের ধূমকেতু ছবি তোলার কিছুটা দূর থেকে তোলা সূর্য আবার বিন্দুর মতো দেখা যাচ্ছিলো।গতকালকের আর্টিকেলের সাথে সংযুক্ত। এখন এই ধূমকেতু সান দিয়াগোর দাবানলের মধ্যবর্তী স্হানের বিপরীত পৃথিবীর সারফেসও এরকম হয়ে গেছে। কেননা ধূমকেতুর বিপরীত পালসার ফিল্ড বাঁকিয়ে দাবানল সৃষ্টি হওয়া কোনো শক্ত সারফেসও পুড়ছে মোটামুটি বড় রকমের গর্ত করে। সেই ছবিটি ৭১ টেলিভিশনে সচিত্র প্রচারের অংশ থেকে এখানে দেওয়া হয়েছে যা আর্টিকেলের সাথে সংযুক্ত। ব্ল্যাক হোলের নিকটবর্তী এলাকার টুইন জ্বলন্ত ফিল্ডের মাঝে কিছুটা অক্সিজেনের প্রবাহ চলছে বিধায় এই ব্ল্যাক হোলের টুইন ফিল্ডের দুই বিপরীত আকাশ কিছুটি দূর দিয়ে আগুনের প্রবাহ নদী তৈরি করেছে দুই বিপরীত ডাইরেকশনে। এভাবে সাম্প্রতিক কালের দাবানলগুলো সংঘটিত হচ্ছে। যা একই দিনের ছবি দুটি না হওয়া সত্বেও এরকমভাবে মিনি নীহারিকা মিনি পালসারের বাঁকানো স্পিন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যদি আলোর গতি সোজা হতো তাহলে যিনি স্পট থেকে ছবি তুলেছেন তিনি মিনি পালসার থেকে বা দাবানলের মধ্যবর্তী ছবির স্হান থেকে ছবি তুলতে হতো।
ব্ল্যাক হোলের কতো কাছাকাছি দিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার এই অঞ্চল। অক্সিজেনের অপচয় যতো হবে যুক্তরাষ্ট্র ও পৃথিবীর রোবটিক যন্ত্র দানবের কারণে ততো এই মিনি টুইন পালসার বা মিনি টুইন নীহারিকার টুইন জ্বালামুখ বা ব্ল্যাক হোল টুইন ফিল্ড বড় হতে থাকবে কাছাকাছি ভবিষ্যতে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য স্টেটে যান্ত্রিক ও প্রযুক্তিতে লক ডাউনে নিয়ে আসতে হবে যেমন তেমনি বিশ্ব সভ্যতারও উচিত হবে লক ডাউন দিয়ে বিদ্যুতের যান্ত্রিকতা কয়েকদিনের জন্য থামিয়ে দেওয়া।তাহলে অক্সিজেনের লেবেল বাড়িয়ে দাবানল বন্ধ হলে বিশ্বসভ্যতার যান্ত্রিক যুগের ছাঁটাই প্রক্রিয়া রাতারাতি পরিবর্তন করলে অবৈজ্ঞানিক সভ্যতার মহাবিপদ এড়ানো সম্ভব।
আমেরিকার বর্তমান অবস্হা সমগ্র পৃথিবীর জন্য নানা ধরনের ভয়াবহ দূর্যোগের সময়কে ত্বরান্বিত করছে। বর্তমান বিশ্ব সভ্যতাকে যে কোনো যান্ত্রিক বিদ্যুতায়িত অবস্হার দ্বারা লক ডাউন ব্যতিত অক্সিজেনের বৃদ্ধি সম্ভব নয়। আর আসন্ন ভয়াবহতা মোকাবেলা করার ক্ষমতা নাগালের বাহিরে চলে যাচ্ছে।
যুবরাজ /২৫.০১.২০২৫