New York City's sky matter on the surface and surface matter on the sky

The tendency to get rich by extracting skeletal minerals has created the economy of modern civilizations. Minerals are matter that is anti-field matter of planets.


The tendency to get rich by extracting skeletal minerals has created the economy of modern civilizations. Minerals are matter that is anti-field matter of planets. This is the surface of the two worlds of the living world, day and night.Civilization has now created dignity by removing the soil underfoot and the soil in the sky and turning the wheel of economy to annihilate mankind.

Chemical components are made up of planets or minerals. So is physics. The biological body is also repaired with the planet's skeletal twin matter.Soil Science Soil has alternately represented earth soil and sky soil. No department of engineering can run without minerals.

They have created their own definition of science. As much of its paradox as Einstein Hawking Planck or Tesla's paradox has created paradox science.Again, the Nobel Prize in the teaching of paradoxes has made these activities encouraging and addicting to human civilization. Where is the world around us in the end? The world of two hundred years ago is now available in museums. Einstein taught the false theory of the speed of light that you can go back and forth one day by riding a time machine.

That hope is also false. It is not possible to live in the world of 200 years ago. The only way is to throw out the Einstein Nikolas Teslas and dispose of their trash.Without all the continents working together to repair the planetary twin fields, no matter how big the title of superpower, the veto power holders at the UN are first on the list of black hole extinction. However, Russia is somewhat different in that its territory is much larger.But in those areas that survive,maximum 20℅ people will survive. 

The agro industry should be managed by the state either at the private level or by acquiring the state in advance of the planetary twin field repair.When the main driving force of the economy will be the wealth produced by creating the magnetic field of the twin surfaces made up of flora and fauna. No mineral or planetary skeleton such as gold, copper, oil gas, coal etc. is an asset.They are the main source of viruses and bacteria and debilitate and destroy the ecosystem. Which has been subjected to thorough proof beyond the paradox of black hole theory and dark matter theory.

Stop urbanization fast. Countries with veto power are on the brink of extinction into a black hole. You are putting yourself in danger by sending nuclear bombs and their warheads to other countries with the fear of war.The economy of earning foreign exchange with these is gradually taking you closer to the black hole. +

The twin fields of the planets are arranged in the twin earth in such a way that its heavenly bodies move to earth and earthy bodies to heaven. Which can be understood by looking at the appearance of New York, Washington, London Paris, Shanghai, Beijing, Moscow. Seeing these places, the city civilization created from urbanization like these is now a pile of garbage in the twin skies.

The silent burning smell of the anti-charge production of these unnatural artificial twin black hole fields permeates space. Even though educated in wrong education, those who are coming out in space understand. They themselves are making anti-asteroid and anti-comet junk to make these odors.

Decide quickly what to do.

Juboraj/ 2024.12.27


নিউইয়র্ক শহরগুলোর আকাশের ম‍্যাটার ভূভাগে আর ভূভাগের ম‍্যাটার আকাশে  

স্কেলেটাল খনিজ তুলে ধনী হওয়ার প্রবণতা বর্তমান সভ‍্যতার অর্থনীতি তৈরি করেছে। খনিজ এমন বিষয় যা গ্রহের এন্টি ফিল্ড ম‍্যাটার। এটিই জীব জগতের দুই পৃথিবী দিন ও রাতের সারফেস। সভ‍্যতা পায়ের নীচের মাটি ও আকাশের মাটি সরিয়ে দিয়ে অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে মানবজাতিকে বিলুপ্ত করে দেওয়ার শিক্ষা এখন মর্যাদা তৈরি করেছে।

রসায়নের কম্পোনেন্ট তৈরি হয়েছে প্ল‍্যানেট বা খনিজ দিয়ে। ফিজিক্সও তাই। বায়োলজিক‍্যাল বডিও মেরামত হয় প্ল‍্যানেটের কঙ্কাল টুইন ম‍্যাটার দিয়ে। সয়েল সাইন্স সয়েল উলট পালট করে পৃথিবীর ভূমি ও আকাশের ভূমি প্রতিস্হাপন করেছে। ইঞ্জিনিয়ারিং যে কোনো বিভাগ খনিজ ছাড়া চলে না।

নিজেদের ইচ্ছামতো সাইন্সের সংজ্ঞা তৈরি করেছে। এর  যতখানি প‍্যারাডক্স তা আইনস্টাইন হকিং প্ল‍্যাঙ্ক কিংবা টেসলার প‍্যারাডক্স দিয়ে সংশোধন করেও প‍্যারাডক্স সাইন্সই তৈরি করেছে। 

আবার প‍্যারাডক্সের শিক্ষায় নোবেল পূরস্কার এসব কর্মকান্ডকে উৎসাহী ও আসক্তি তৈরি করেছে মানব সভ‍্যতাকে। শেষকালে দেখা যাচ্ছে আমাদের চারিপাশে পৃথিবী কোথায়? দুই 'শ বছর আগের পৃথিবী এখন যাদুঘরে পাওয়া যাচ্ছে। আইনস্টাইন আলোর গতির ভূয়া তত্বে শিখিয়ে গেছে টাইম মেশিনে চড়ে সামনে পিছনে যাওয়া যাবে একদিন। 

সেই আশাও ভূয়া।২০০ বছর আগের পৃথিবীতে বসবাস করাও যাবে না। উপায় একটাই আইনস্টাইন নিকোলাস টেসলাদের ছুঁড়ে ফেলে ওদের আবর্জনা সরিয়ে ফেলতে হবে। প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড মেরামত করতে সকল মহাদেশকে একযোগে কাজ করা ছাড়া যতো বড় পরাশক্তির খেতাবধারী রাষ্ট্র হোন না কেনো ব্ল‍্যাক হোলে বিলুপ্তির তালিকায় সবার আগে জাতিসংঘে ভেটো ক্ষমতার অধিকারীরাই সবার আগে। তবে রাশিয়া একারণে কিছুটা ব‍্যতিক্রম যে তাদের ভূভাগ অনেক বড়। কিন্তু যেসব ভূভাগ টিকে থাকবে সেসবে খুববেশি হলেও ২০℅ মানুষ বেঁচে যাবে। 

প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড মেরামতের পূর্ব প্রস্তুতির শুরুতে এগ্রো ইনডাস্ট্রি ব‍্যক্তিগত পর্যায়ে অথবা রাষ্ট্রকে অধিগ্রহন করে রাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত করতে হবে। যখন অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হবে উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত দিয়ে তৈরি টুইন সারফেসের ম‍্যগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে উৎপাদিত পূূণ‍্যই হবে সম্পদ। কোনো খনিজ বা প্ল‍্যানেটারি কঙ্কাল যেমন স্বর্ণ, কপার, তেল গ‍্যাস, পাথর কয়লা ইত‍্যাদি সম্প্দ নয়। এরা ভাইরাস ও ব‍্যাকটেরিয়ার প্রধান উৎস এবং জীবজগতকে রোগা করে ধ্বংস করে দেয়। যা ব্ল‍্যাক হোল থিওরি ও ডার্ক ম‍্যাটার থিওরির প‍্যারাডক্সের বাহিরে পূঙ্খানূপৃঙ্খ প্রমাণ সাপেক্ষ। 

নগরায়ন দ্রুত ষ্টপ করুন। ভেটো ক্ষমতার অধিকারী দেশগুলো ব্ল‍্যাক হোলে বিলুপ্তির চরম পরিণতির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আপনারা পরমাণু বোমা ও এদের ওয়‍্যার হেড ভিন্ন দেশে  কৌশলে যুদ্ধের ভয় দেখিয়ে পাঠাতে গিয়েও নিজেদেরই বিপদ ডেকে আনছেন। এসব দিয়ে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনের যে অর্থনীতি তা ক্রমশ ব্লাক হোলের কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে সবার আগে আপনাদের। 

প্ল‍্যানেটগুলোর টুইন ফিল্ড এমনভাবে বিন‍্যাসিত হয়েছে টুইন পৃথিবীতে যে এর আকাশের বস্তু মাটিতে আর মাটির বস্তু আকাশে চলে গেছে। যা নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, লন্ডন প‍্যারিস, সাংহাই, বেইজিং, মস্কোর চেহারা দেখলেই বোঝা যায়। এসব স্হান থেকে এসবের মতো নগরায়ন থেকে সিটি সভ‍্যতা এখন আবর্জনার স্তুপ দুই আকাশে । এসবের অপ্রাকৃত কৃত্রিম টুইন ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের এন্টি চার্জ উৎপাদনের নীরব পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে গেছে স্পেসে। ভুল শিক্ষায় শিক্ষিত হলেও মহাকাশে যারা বেড়িয়ে আসছেন তারা বুঝতে পারছেন। তারা নিজেরাও এসব গন্ধ তৈরির এন্টি এস্টরয়েড ও এন্টি ধূমকেতুর আবর্জনা তৈরি করছে।

এসবের অপ্রাকৃত কৃত্রিম টুইন ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের এন্টি চার্জ উৎপাদনের নীরব পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে গেছে স্পেসে। ভুল শিক্ষায় শিক্ষিত হলেও মহাকাশে যারা বেড়িয়ে আসছেন তারা বূঝতে পারছেন। তারা নিজেরাও এসব গন্ধ তৈরির এন্টি এস্টরয়েড ও এন্টি ধূমকেতুর আবর্জনা।

কি করবেন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন। 

যুবরাজ /২৭.১২.২০২৪