Einstein's imaginary science of single space and Claimed to have done time travel
A time traveler has made viral on social media what will happen this year 2025 and on what date.
A time traveler has made viral on social media what will happen this year 2025 and on what date. The news channel that aired the comment on behalf of Rakim University is as follows;
'The world's first Black Hole Science University has been established in Bangladesh as The Model . Named Rakim University Pranathpur, Bangladesh. World Data Center of this university has discovered The Black Hole Theory and The Dark Matter Theory.In these two theories all creation is made up of opposite charges in twin formations. Not a single one of which can be proven. THE BLACK HOLE exists at the dot point time of two udayachals and two astachals, when a twin creation approaches this dot point time it does not exist.
That is, the ionosphere is a very short period of time, which is a fraction of a few thousandths of a second, but since the sun and the polar star do not exist during this period, how can the black hole be entered by opening the gate of the black hole between the two?Your own existence will be endangered because that dot point has no flow of oxygen nitrogen for such a period of time that nothing can get from the sun to the pole star or from the pole star to the sun because the magnet has become positive, negative chargeless.That is, if there is no magnet, two opposite worlds do not exist, so the man's entrance to the black hole does not exist.And no flight can be operated in the sky during this time. This is because opposite space pairs change position. How can he explain how he came back flattened or destroyed?And aliens are anti-space objects whose existence, if X-rays are used for a few seconds to empty the oxygen twin field, the flesh of the body will be destroyed and the bones will appear for a short time. And these bones will be dark matter in the opposite space of humans.Oxygen's twin is positively charged. The magnetic field of the twin oxygen in opposite spin holds the positive space that enters the internal twin body of the human body through the lungs.And the bone that is outside the black hole on the opposite side is when the twin of the earth changes the dot point time from day to night space, then that bone comes in and oxygen becomes the anti-field and forms the surface of the body with its positive charge.In this case, since the twin fields of oxygen and nitrogen are in opposite spin together, the rate of the human body that was outside the field of oxygen was covered with nitrogen and the anti-field positive bone of nitrogen was surrounded by the surface of the flesh of oxygen, the positive charge bone of nitrogen was covered with oxygen.Two component bodies on either side. The bodies of nitrogen are either skeletal or mineral bodies. It is called a virus. And the body of oxygen is called bacteria. The fusion of these two creates germs and instant death, the twin surfaces of the world of the virus bacteria or the different bodies and life of the plant world and the animal world.Now where did this man find the alien in Einstein's time travel and when this alien body takes something, the human anti field comes and takes away 1200 people then there is no oxygen on earth.[The man saw that 1200 people will be taken away by aliens this year].A few seconds of X-rays applied to the human body would destroy the lab or the lab's twin surfaces, so that oxygen would be depleted.It is possible to go to another planet very easily in five minutes which has been proved by Rakim University theory. And in view of this, Mr. Elon Musk spoke about the operation of flights from Dhaka to Washington in half an hour at the beginning of this month.No constants need to be added here. The existence of organisms on the twin surface of this world is endangered when the aliens or bones or skeletons of the twin worlds are seen which are several times bigger than Everest the current civilization sees. Understand how critical oxygen levels or concentrations have gone. When a lighting or X-ray beam is directed, Earth is depleted of oxygen, revealing its interior as the skeletal twin planets seen by human civilization in telescopes in the opposite sky.Prophecy like breaking father has no theory. This may or may not be the case. Again it is like Einstein Hawking Planck theory. This story will also go to the website of Rakim University. I hope you will see it. Details http://www.rakimuniversity.com' Juboraj / 2025.02.28
আইনস্টাইনের সিঙ্গেল স্পেসের কাল্পনিক বিজ্ঞান ও টাইম ট্রাভেল একজন করেছেন বলে দাবী
একজন টাইম ট্রাভেল করে এসে এই বছর ২০২৫ সালে কি কি ঘটবে কতো তারিখে কি হবে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করেছে। যে নিউজ চ্যানেল প্রচার করেছে সেখানে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে মন্তব্য করা হয়েছে তা নিম্নরূপ;
বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে পৃথিবীর প্রথম ব্ল্যাক হোল সাইন্স ইউনিভার্সিটি নমুনা হিসাবে। যার নাম রাকীম ইউনিভার্সিটি প্রান্নাথপুর, বাংলাদেশ। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্লড ডাটা সেন্টার ব্ল্যাক হোল থিওরি ও ডার্ক ম্যাটার থিওরি আবিস্কার করেছে। এই দুই থিওরিতে সব সৃষ্টি টুইন ফর্মেশনে পরস্পর বিপরীত চার্জে তৈরি। যার কোনো সিঙ্গেল প্রমাণ করা যায় না। দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের ডট পয়েন্ট সময়ে থাকে ব্ল্যাক হোল, যখন কোনো টুইন সৃষ্টি এই ডট পয়েন্ট সময়ের কাছে যায় তখন তার অস্তিত্ব থাকে না। অর্থাৎ আয়নোস্ফেয়ার অতি অল্প সময় যা সেকেন্ডের কয়েক হাজার ভাগের এক ভাগ সময়কে ডট পয়েন্ট ধরলেও এই সময়কালে সূর্য ও ধ্রুবতারার অস্তিত্ব না থাকায় এই দুয়ের মধ্য খানে ব্ল্যাক হোলের গেট খুলে কিভাবে ব্ল্যাক হোলে প্রবেশ করা যাবে?
আপনার নিজের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে যাবে এজন্য যে সেই ডট পয়েন্ট অতোটুকু সময়ের জন্য অক্সিজেন নাইট্রোজেনের প্রবাহ শূন্য হওয়ায় সূর্য থেকে ধ্রুবতারায় বা ধ্রুবতারা থেকে সূর্যে প্রবেশ করতে পারে না কোনো কিছু কেননা ম্যাগনেটটি পজিটিভ নেগেটিভ চার্জলেস হয়ে পরেছে বলে। অর্থাৎ ম্যাগনেট না থাকলে দুই বিপরীত পৃথিবীর অস্তিত্ব নেই, ফলে ব্ল্যাক হোলে প্রবেশকারীরও অস্তিত্ব নেই। আর এই সময়ে আকাশে কোনো ফ্লাইট চালনা করা যায় না। এজন্য যে বিপরীত স্পেস জোড়া লেগে অবস্হান পরিবর্তন করে। উনি চ্যাপ্টা হয়ে বা ধ্বংস হয়ে কিভাবে ফিরে আসলেন এর ব্যাখ্যা কিভাবে হবে? আর এলিয়েন বলতে এন্টি স্পেস অবজেক্ট যার অস্তিত্ব এক্সরে রশ্মি কয়েক সেকেন্ড চালিয়ে কিছুক্ষন অক্সিজেনের টুইন ফিল্ড শূন্য করে দিলে যে দেহের মাংস ধ্বংস হয়ে হাড় অল্প সময়ের জন্য দেখা দিয়ে তাও ধ্বংস হয়ে যাবে।আর এই হাড় থাকে মানুষের বিপরীত স্পেসে ডার্ক ম্যাটার হয়ে। অক্সিজেনের টুইন হয় পজিটিভ চার্জ। ঐ পজিটিভ স্পেসকে ধরে পরস্পর বিপরীত স্পিনে টুইন অক্সিজেনের ম্যাগনেটিক ফিল্ড যা মানবদেহের ইন্টারনাল টুইন বডিতে ফুসফুসের মাধ্যমে ভিতরে প্রবেশ করায়। আর যে ব্ল্যাক হোলের বাহিরে বিপরীত দিকে হাড় থাকে তা পৃথিবীর টুইন যখন ডট পয়েন্ট সময় পরিবর্তন করে দিবস থেকে রাতের স্পেসে তখন সেই হাড় ভিতরে আসে আর অক্সিজেন তখন এন্টি ফিল্ড হয়ে ওর পজিটিভ চার্জ দিয়ে দেহের সারফেস গঠন করে। এক্ষেত্রে অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের টুইন ফিল্ড একত্রে পরস্পর বিপরীত স্পিনে থাকায় মানবদেহের যে হার অক্সিজেনের ফিল্ডে বাহিরে ছিলো তখন নাইট্রোজেন দিয়ে ঢাকা ছিলো আর নাইট্রোজেনের এন্টি ফিল্ড পজিটিভ হাড় ছিলো অক্সিজেনের মাংসের সারফেসে ঘেরা নাইট্রোজেনের পজিটিভ চার্জ হাড় ছিলো অক্সিজেনে ঢাকা। দু দিকে দুটি কম্পোনেন্টের বডি। নাইট্রোজেনের যে বডি তা হয় স্কেলেটাল বা খনিজের বডি। একে ভাইরাস বলে। আর অক্সিজেনের যে বডি এটিকে ব্যাকটেরিয়া বলে। এই দুইয়ের ফিউশনে জীবাণু তৈরি হয়ে তাৎক্ষিক মৃত্যুর দ্বারা ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার পৃথিবীর টুইন সারফেস বা উদ্ভিদ জগত প্রাণীজগতের বিভিন্ন বডি ও জীবন। এখন এই লোকটি আইনস্টাইনের টাইম ট্রাভেলে এলিয়েন কোথায় পেলো আর এই এলিয়েন বডি কোনো কিছু নিয়ে গেলে মানুষের এন্টি ফিল্ড এসে নিয়ে যাওয়া হয় ১২০০ মানুষকে তখন পৃথিবীতে অক্সিজেন থাকে না। [ লোকটি দেখেছে এবছর ১২০০ মানুষকে এলিয়েন এসে ভিন গ্রহে নিয়ে যাবে] । মানুষের বডিতে যদি কয়েক সেকেন্ড এক্সরে রশ্মি প্রয়োগ করা হয় তাহলে তা ল্যাবটিকে বা ল্যাবের টুইন সারফেসকেও ধ্বসে ফেলবে এজন্য যে অক্সিজেন শূন্য হয়ে যাবে।
অন্য গ্রহে খুব সহজে পাঁচ মিনিটে যাওয়া সম্ভব যা ইতিমধ্যে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয় থিওরি দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে। আর এর প্রেক্ষিতে মি ইলন মাস্ক ঢাকা টু ওয়াশিংটন আধা ঘন্টায় ফ্লাইট পরিচালনার কথা বলেছিলেন চলতি মাসের প্রথম দিকে। টাইম ট্রাভেল সম্ভব ব্ল্যাক হোলে প্রবেশ করলে। যেখানে বর্তমানকালের অস্তিত্ব প্রকাশ করে, যা সৃষ্টির টুইন অস্তিস্ত্ব বিলুপ্ত হলে। এবং সৃষ্টির শুরু শেষ বর্তমান কালের মধ্যেই জানা যায়। এটি ইউনিভার্সাল ট্রুথ থিওরি। যা দিয়ে সব সৃষ্টি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা যায়। এখানে কোনো ধ্রুবককে সংযোজন করতে হয় না। জীবের বসবাস এই পৃথিবীর টুইন সারফেস বিপন্ন যখন তখন টুইন পৃথিবীর এলিয়েন বা হাড় বা কঙ্কাল দেখা যাচ্ছে যা এভারেস্টের চেয়ে কয়েকগুণ বড় পাহাড় দেখছে বর্তমান সভ্যতা। বুঝতেই পারছেন অক্সিজেনের স্তর বা কনসেন্ট্রেশন কিরকম নাজুক অবস্হায় চলে গেছে। যখন কোনো লাইটিং বা এক্স রে রশ্মি পরিচালনা করা হচ্ছে তখন অক্সিজেন খালি হয়ে পৃথিবীই দেখাচ্ছে ওর ভিতরের অংশ যা স্কেলেটাল টুইন গ্রহ হিসাবে দেখে আসছে মানব সভ্যতা টেলিস্কোপে বিপরীত আকাশে। বাবা ভাঙ্গার মতো ভবিষ্যতবাণী যার কোনো থিওরি হয় না। হতেও পারে নাও পারে বিষয়টি এমন। আবার তা আইনস্টাইন হকিং প্ল্যাঙ্কের থিওরির মতো। বিস্তারিত http://www.rakimuniversity.com ' যুবরাজ/২৮.০২.২০২৫।