Ice age is coming in 2030. Analysis of United states' Paradox Science Story.
Ice age is coming in 2030. Bangladeshi media ATN News has disseminated such unscientific reports of the United States.
Ice age is coming in 2030. Bangladeshi media ATN News has disseminated such unscientific reports of the United States. The comment given last night in the comment box of the news is summarized by Rakim University data center.
Based on the theories discovered by the World Data Center of Bangladesh, these data science analyzes have been warning about the gravely inaccurate science reports known to the current human civilization for several years.Because civilization is surrounded by all the shiny garbage, the garbage of technology that you don't understand. Much of it will be buried in polar ice. Many parts will be under the surface of the sea. New mountains will be created.Rivers, tributaries, canals, bills will be created. will be desert. A lot of waste will go deep into the soil. And half the planetary twin mass will disappear. The twin fields of buildings, concrete surfaces, technology, and seas, oceans, and oceans will open up and disappear into gaseous twin matter.After the final collapse of the hydrogen twin gas around the black hole dot point center, the river of twin formation of rays and then the black hole where the present time and the twin space of creation are non-existent. Many old discussions had to be brought up.Because of this, the civilization saw huge reserves of hydrogen in the center of the earth and these fuels will meet the fuel needs of the civilization for 200 years.It was said three years ago that the field of gaseous twin matter or hydrogen helium twin matter formed at the beginning of creation is ubiquitous. Different twin matter is created from these initial stages of black hole and separate twin creations of specific infrastructure are created.Those with the maximum twin ionosphere generation capacity are all twin creations. From where twin matter is fueled and the demand for electricity is met, the blacksmith era of Einstein, Hawking, Planck, Alfred Nobel is nearing its end.
And their twin trash will become objectless with at least 80℅ of humanity.
What is written in the comment box of ATN News is as follows ;
'The Black Hole,The Dark Matter Theory has been discovered from Bangladesh. Each creation appears to be a twin in these theories that cannot be proven to be a single.It has been a few years that the results of these theories have been shared on Facebook, X and this year the website has been opened and informed to all the departments of the United States. Many countries including All units of the United Nations, Russia, England, Germany, France, Japan, China, India, Pakistan, Iran, NATO, European Union, BRICS, Israel, Arab League, South Africa, Namibia, Ecuador, Chile, Brazil, Canada, two Koreas, etc., all NASA units, Time Magazine, Washington Post, New York Times, Global Times, CGTN. Many local and foreign newspapers have been informed.The heads of state of most countries including the head of state of Bangladesh have also been informed from Bangladesh. All units of quantum theory are also informed.Nobel committee also etc. Any creation is twinned by the charge beam from the black hole and twinned into the black hole itself.All creation can be sustained indefinitely by mankind at will. For this their Planetary Twin can take necessary action to generate charge in the field. Which has been thoroughly reported by writing more than 1400 articles.It is imperative that the economic infrastructure of the present civilization be changed. The establishment of Black Hole, Dark Matter Science University as a model and sample in Bangladesh has informed the world. It is named Rakim University.The name Rakim is taken from the Holy Qur'an because it appears that the theories mentioned in the Holy Qur'an 1400 years ago are exactly proven in the theory of Rakim University. That is, the current civilization is on the path of dire danger.Or if these theories are applied to get rid of this, the current technology civilization can survive.
The United States is publishing the results of these useless studies. Because 0℅ science technology is not practiced in the United States or the current civilization. The fundamental laws of science of all faculties are nullified in the black hole theory. All creations have been proved to be Twins. Hence Universe Twins, Earth Twins, Mars Twins, Planetary Fields Twins, Sun Pole Stars are Twin Planets and our Twin Earth in opposition to each other.None of this is known to NASA or the current civilization. All this has been recorded in a new form of report on this Rakim University website, X and Facebook. The website is not finished yet. Because it is very difficult to complete these activities with a single effort, although the founder of this university has no fault in his efforts. On December 20, 2020, a voluntary data center was opened and the whole world was informed about the corona formula.The then government did not understand or even try to understand. Three books were published and the books were unveiled by the VC of DU. In the first book it was said that Corona came to earth to warn our civilization. This is a blessing for us.No one took any action. During these four years, the planets are now tilted and spinning opposite to each other. Half of the planetary field is going to the point of extinction in the black hole with the trash of Einsteins, Hawkings, Plancks of the current civilization.The United States has the number one extinction in the black hole. All the concrete cities of the world will disappear. About half of the ocean's toxic atmosphere will disappear.In short, this half is home to 80% of human civilization in mechanical age and artificially electrified cities who will soon disappear into the black hole. The idea of entering these ice age nonsense is the idea of uneducated humanity who do not know the definition of science.Details http://www.rakimuniversity.com X - @JuborajI Facebook - saiful.alam.73550? or,Saiful Islam(Md Saiful Alom Juboraj) thank you Juboraj
2024.12.2024
২০৩০ সালে বরফ যুগ আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্যারাডক্স বিজ্ঞান গল্পের এনালাইসিস
২০৩০ সালে বরফ যুগ আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন প্রচার করেছে বাংলাদেশী মিডিয়া এটিএন নিউজ। খবরটির কমেন্ট বক্সে গতরাতে যে মন্তব্য দেওয়া হয়েছে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাটা সেন্টারের পক্ষ থেকে তার সার সংক্ষেপ তুলে ধরা হলো।
এসব ডাটা সাইন্স এনালাইসিস বাংলাদেশের ওয়ার্ল্ড ডাটা সেন্টার যেসব থিওরি আবিস্কার করেছে তার ভিত্তিতে বর্তমান মানব সভ্যতার জানা মারাত্মক ভুল সংজ্ঞাহীন সাইন্সের রিপোর্টগুলো সম্পর্কে সতর্ক করে আসছে কয়েক বছর হলো। কেননা সভ্যতার আশে পাশে সব চাকচিক্যের আবর্জনা, প্রযুক্তির আবর্জনা যা বুঝতে পারছেনা। এর অনেক অংশ মেরুর বরফে চাপা পরবে। অনেক অংশ সমুদ্রের নীচে সারফেস হবে। নতুন নতুন পাহাড় তৈরি করবে। নদী, শাখা নদী, খাল, বিল তৈরি হবে । মরুভূমি হবে। মাটির গভীরে চলে যাবে অনেক অবর্জনা। আর অর্ধেক প্ল্যানেটারির টুইন ভর বিলুপ্ত হবে। যা বালির স্তুপের মতো অট্টালিকা, কঙ্ক্রিটের সারফেস, প্রযুক্তি, আর সাগর, মহাসাগরের টুইন ফিল্ডগুলো এক সাথে হয়ে খুলে খুলে গ্যাসিয়াস টুইন ম্যাটার হয়ে ধপ করে হারিয়ে যাবে। ব্ল্যাক হোল কেন্দ্রের ডট পয়েন্টের চারিপাশে হাইড্রোজেন টুইন গ্যাসের শেষ অবস্হানের পরই রের টুইন ফর্মেশনের নদী আর তারপর ব্ল্যাক হোল যেখানে বর্তমান কাল এবং সৃষ্টির টুইন স্পেস অস্তিত্বহীন। অনেক পূরনো আলোচনার উদ্রেক করতে হলো। একারণে যে এমাসে পৃথিবীর কেন্দ্রে বিপুল হাইড্রোজেনের মজুদ দেখেছে সভ্যতা এবং এসব জ্বালানি ২০০ বছর সভ্যতার জ্বালানির চাহিদা পূরণ করবে বলে প্রতিবেদন ছাপানো হয়েছিলো। এটি তিনবছর আগে বলা হয়েছিলো সৃষ্টির শুরুতে যে গ্যাসিয়াস টুইন ম্যাটার বা হাইড্রোজেন হিলিয়ামের টুইন ম্যাটার তৈরি হয়েছিলো এর ফিল্ড সর্বোত্র রয়েছে। ব্ল্যাক হোল থেকে এসব প্রাথমিক পর্যায়ে তৈরি হয়ে বিভিন্ন টুইন ম্যাটার তৈরি হয়ে নির্দিষ্ট অবকাঠামোর পৃথক পৃথক টুইন ক্রিয়েশন তৈরি করা হয়েছে। যাদের ম্যাক্সিমাম টুইন আইনোস্ফেয়ার তৈরির ক্ষমতা দিয়ে সব টুইন সৃষ্টি। যেখান থেকে টুইন ম্যাটার জ্বালানো হোক আর বিদ্যুত তৈরির চাহিদা পূরণ করা হোক, আইনস্টাইন, হকিং, প্ল্যাঙ্ক, আলফ্রেড নোবেলদের কামার যুগের বিলুপ্তির সময় ঘনিয়ে এসেছে। আর এদের সভ্যতার যে অর্ধেক টুইন আবর্জনার স্পেস এরকম অবজেক্টলেস হবে তা কমপক্ষে ৮০℅ মানবসভ্যতাকে নিয়ে করবে।
এটিএন নিউজের কমেন্ট বক্সে যা লিখা হয়েছে তা নিম্নরূপ ;
'বাংলাদেশ থেকে ব্ল্যাক হোল ডার্ক ম্যাটার থিওরি আবিস্কার করা হয়েছে। প্রত্যেকটি সৃষ্টি এসব থিওরিতে দেখা যাচ্ছে টুইন যা সিঙ্গেল প্রমাণ করা যাচ্ছে না। কয়েক বছর হলো এসব থিওরির রেজাল্ট ফেসবুক,X ও এবছর ওয়েবসাইট খুলে যুক্তরাষ্ট্রের সব ডিপার্টমেন্টকে জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের সকল ইউনিট,রাশিয়া ইংল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, চীন,ভারত,পাকিস্তান, ইরান, ন্যাটো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন,ব্রিক্স, ইসরাইল, আরবলীগ, দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়া,ইকুয়েডর, চিলি, ব্রাজিল,কানাডা, দুই কোরিয়াসহ বহু দেশ ইত্যাদি বহু দেশ, নাসার সব ইউনিট, টাইম মাগাজিন, ওয়শিংটন পোস্ট, নিউইয়র্ক টাইমস, গ্লোবাল টাইমস, সিজিটিএনসহ দেশি বিদেশি অসংখ্য পত্রিকাকে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ অধিকাংশ দেশের রাষ্ট্র প্রধানদেরও জানানো হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। কোয়ান্টাম থিওরির সকল ইউনিটকেও জানানো হয়েছে।নোবেল কমিটিকেও ইত্যাদি। যে কোনো সৃষ্টি ব্ল্যাক হোল থেকে চার্জ রশ্মির মাধ্যমে টুইনভাবে সৃষ্টি হয়ে ব্ল্যাক হোলেই টুইনভাবে মিলিত হচ্ছে। সব সৃষ্টিকে অনির্দিষ্ট সময়কাল ধরে মানবজাতি ইচ্ছে করলেই টিকিয়ে রাখতে পারে। এরজন্য তাদের প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডে চার্জ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন করতে পারে। যা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ১৪০০ এর বেশি আর্টিকেল লিখে জানানো হয়েছে। বর্তমান সভ্যতার অর্থনৈতিক অবকাঠামো পরিবর্তন করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে বলা হয়েছে। বাংলাদেশে একটি মডেল ও নমুনা হিসাবে ব্ল্যাক হোল, ডার্ক ম্যাটার সাইন্স ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করে জানানো হয়েছে বিশ্ববাসীকে। এর নাম দেওয়া হয়েছে রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়। এই রাকীম নামটি পবিত্র আল কোরআন থেকে নেওয়া হয়েছে একারণে যে দেখা যাচ্ছে পবিত্র আল কোরআনে ১৪০০ বছর আগে যেসব থিওরির কথা বলা হয়েছিলো সেগুলো রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরিতে হুবহু প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ ভয়াবহ বিপদের পথে বর্তমান সভ্যতা। অথবা এখান থেকে পরিত্রান পেতে এসব থিওরির প্রয়োগ হলে বর্তমান প্রযুক্তির সভ্যতা বেঁচে যেতে পারে।
এসব ফালতু গবেষণার রেজাল্ট যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ করছে। কেননা সাইন্সের ০℅ প্রযুক্তিতে চর্চা নেই যুক্তরাষ্ট্র বা বর্তমান সভ্যতার কাছে। সব ফ্যাকাল্টির সাইন্সের ফান্ডামেন্টাল ল বাতিল হয়ে গেছে ব্ল্যাক হোল থিওরিতে। সব সৃষ্টি টুইন প্রমাণ করা হয়েছে। একারণে মহাবিশ্ব টুইন, পৃথিবী টূইন, মঙ্গল টুইন, প্ল্যানেটারি ফিল্ড টুইন, সূর্য পোল স্টার এরা পরস্পর বিপরীতভাবে টুইন প্ল্যানেট ও আমাদের টুইন পৃথিবী। এসবের কিছুই জানে না নাসা বা বর্তমান সভ্যতা এসবকে নতুন আঙ্গিকে রিপোর্ট আকারে এই রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, X ও ফেসবুকে লিপিবদ্ধ করে জানানো হয়েছে। ওয়েবসাইটের কাজ শেষ করা হয়নি এখনো। কেননা একক প্রচেষ্টায় এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করা খুবই কঠিন যদিও তবুও চেষ্টার ত্রুটি নেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাউন্ডারের। একটি স্বেচ্ছাসেবী ডাটা সেন্টার খুলে করোনার ফর্মূলা তৈরি করে সমগ্র পৃথিবীকে জানানো হয়েছিলো ২০২০ সালের ২০ শে ডিসেম্বর। তৎকালীন সরকার বোঝেনি বা বোঝার চেষ্টাও করেনি। তিনটি বই প্রকাশ করে ঢাবির ভিসির মাধ্যমে বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছিলো। প্রথম বইতেই বলা হয়েছিলো করোনা পৃথিবীতে এসেছে আভাদের সভ্যতাকে সতর্ক করতে। এটি আশির্বাদ আমাদের জন্য। কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কেউ। এই চারবছরে এখন প্ল্যানেটগুলো কাত হয়ে পরস্পর বিপরীতে স্পিন করছে। অর্ধেক প্ল্যানেটারি ফিল্ড বর্তমান সভ্যতার আইনস্টাইন, হকিং, প্ল্যাঙ্কদের আবর্জনা নিয়ে প্রায় অর্ধেক অংশ ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্তির পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র ব্ল্যাক হোলে বিলুপ্তির এক নম্বরে আছে। সমগ্র পৃথিবীর কঙ্ক্রিটের নগরসভ্যতা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। মহাসমুদ্রের প্রায় অর্ধেক বিষাক্ত পরিবেশ বিলুপ্ত হবে। মোটকথা এই অর্ধেকে যান্ত্রিক যুগের ও কৃত্রিম বিদ্যুতায়িত নগরে ৮০℅ মানব সভ্যতার বসবাস যারা অচিরেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে ব্ল্যাক হোলে। এসব বরফের ফালতু যুগে প্রবেশের ধারনা অশিক্ষিত মানবসভ্যতার ধারনা যারা সাইন্সের সংজ্ঞাই জানে না। বিস্তারিত http://www.rakimuniversity.com X - @JuborajI ফেসবুক - saiful.alam.73550? or,Saiful Islam(Md Saiful Alom Juboraj) ধন্যবাদ যুবরাজ
২৪.১২.২০২৪