The DNA RNA code of the twin surface-sky of all creation is different.

All creations are distinguished by the ability of each species individual DNA RNA twin black hole fields to spin against each other in the opposite charge beam to produce a separate maximum twin midday, midnight twin charge volume.


All creations are distinguished by the ability of each species individual DNA RNA twin black hole fields to spin against each other in the opposite charge beam to produce a separate maximum twin midday, midnight twin charge volume. Lifelong student of Bangladesh Saiful Islam Yuvraj's discovery of black hole theory, dark matter theory, all creations are created in twin format. No single creation can be proved. Study these and enter the paradox-free world of real science.

Our twin planetary fields of amoeba algae on one side, amoeba minerals on the opposite side, its tiny atmosphere. Again the mineral side of the algae is connected to the atmosphere of the amoeba. The air side of the alga is connected to the amoeba mineral. Surface-sky and sky-surface became.As it is also a twin, day and night are formed on opposite sides. There is always sky and surface as anti-field with flora or fauna but we don't see the mineral that is with the sky or the sky that is with the mineral/surface is as dark matter.

These minerals are seen across the opposite ionospheric boundary of the twin ionosphere of the day-night contrast. Or if the dark matter creates an atmosphere by making holes in the surface/minerals, we can see those minerals or planets. Here there is life in seven color twins between different colors of algae and amoeba, which is the twin world where fission and fusion of oxygen and nitrogen are approximately 21℅ and 78℅.We know that oxygen comes only from natural greens.

Any space outside the specified percentage is anti-Earth space. So your twin space needs to be kept at 21℅ and 78℅ day, 78℅ and 21℅ night, oxygen nitrogen and nitrogen oxygen floor environment around 30 miles.

Students, teachers and alumni of University Studies of Modern Civilization have no area of ​​the world. Current mining and mining civilizations like selling their body's kidneys lungs heart brain pancreas etc. to get rich. Valuable minerals Europe, North America, Japan, China, etc. countries are now going wherever these minerals are available, extracting them like a human body operation and making our planetary twin fields sick.A separate species within the Twin Field Universe's Twins brought about half of its operations to the current civilization. Just as humans are not capable of living in the body of a monkey, it is also not possible to turn a horse into a human by operating on it.

Again, it is not possible to suddenly make a 200 kg fat person 70 kg, just as the twin earth's midday and midnight maximum fission fusion is consuming today, it is not possible to suddenly increase the twin charge beam by 1/4 tomorrow.Then two north and two south fission, fusion reactor fuel or minerals should be increased. That is, 1/4 of the additional amoeba algae must be born.The fission fusion that will be created from this will make the death of all our species on this twin earth inevitable. Because in order to catch so many cells in the twin body, the twin body has to grow by 1/4 overnight by maintaining the twin code of DNA RNA. Therefore, to increase the charge concentration, the transformer capacity of Twin Moon should be increased by 1/4 of the volume. Which is not possible at all. Tomorrow, the total twin of the earth's surface will be filled with amoeba algae by causing opposite twin spin fusion of virus bacteria all around.That means the twin Earths together will be 1/4 larger than today. Or our planetary twin field will become 1/4 larger at the mid-day and mid-night time points as elasticity at this rate. That is, which is not possible at all. The current fake science theory universities have destroyed the environment in which the amoeba algae were born.

If light traveled straight, all space would be one.There was no such thing as creation. Suppose Einstein's busy weird brain or Planck's weird theory holds day and night. Then the Sun is opposite to the Pole star. They will never move again. Or think that all species could be kept alive forever.Even then, if the half-night sun and the candle are illuminated with the light of electricity, the darkness or night will be illuminated by the light of that electricity and those who were on the earth of the fixed stars during the day will see the eclipse of the sun in the sky.

This is that current civilizations have artificially lit or urbanized creating twin charges of anti-space killing the amoeba algae, thereby creating anti-twin Earths or anti-twin planetary dwarfs.This dwarf twin world has become so large that if a total solar eclipse ever occurs from the 12.00 noon to sunset period, half of the planetary twin trash world will disappear with this six-hour twin opposition. Because the total twin planetary field including the dwarf will lose charge production.And the twin dwarf pentagons of all technologies will not let anyone blast any cantonment weapons including the Kremlin, all technologies will lose the exist space and drag the black hole to show the anti-exist space in the anti-spinning.Most notably, the sun will rise in the west and set in the east. In no time half of the planetary twin that was the junk of fake science theory will separate and burn in the near region of the black hole. And this region will be invisible in the antispace of half the twin naturals. Juboraj/2025.03.22


সব সৃষ্টির টুইন সারফেস-আকাশ এর ডিএনএ আরএনএ কোড পৃথক

প্রত‍্যেকটি স্পেসিস পৃথক ডিএন আরএনএ টুইন ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডে পরস্পর বিপরীতে স্পিন করে বিপরীত চার্জ বিমের আলাদা ম‍্যাক্সিমাম টুইন মধ‍্য দিবস, মধ‍্য রাতের টুইন চার্জ ভলিয়ম তৈরি করার সামর্থের কারণে সব সৃষ্টি পৃথক হয়ে আছে। বাংলাদেশের আজীবন ছাত্র সাইফুল ইসলাম যুবরাজের আবিস্কার ব্ল‍্যাক হোল থিওরি, ডার্ক ম‍্যাটার থিওরিতে সব সৃষ্টি টুইন ফর্মেটে সৃষ্টি। কোনো সৃষ্টি সিঙ্গেল প্রমাণ করা যায় না। এসব স্টাডি করুন আর প‍্যারাডক্স মুক্ত বাস্তব সাইন্স ওয়ার্ল্ডে প্রবেশ করুন

আমাদের অ‍্যামিবা শৈবালের টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড এক দিকে অ‍্যামিবার খনিজ বিপরীত দিকে এর টিনি বায়ুমন্ডল। আবার শৈবালের যে দিকে খনিজ তা কানেক্টেড অ‍্যামিবার বায়ুমন্ডলের সাথে। শৈবালের যে দিকে বায়ুমন্ডল তা অ‍্যামিবার খনিজের সাথে কানেক্টেড। সারফেস-আকাশ ও আকাশ-সারফেস হয়ে গেলো। এটিও টুইন হওয়ায় দিবস ও রাত বিপরীত দিকে তৈরি হয়। সব সময় আকাশ ও সারফেস থাকছে উদ্ভিদ বা প্রাণীজগতের সাথে এন্টি ফিল্ড হয়ে কিন্তু আকাশের সাথে যে খনিজ থাকছে তা দেখছি না বা খনিজের/ সারফেসের সাথে যে আকাশ থাকছে তা ডার্ক ম‍্যাটার হিসাবে থাকছে।

এসব খনিজকে দেখা যাচ্ছে দিবস ও রাতের পার্থক্যের টুইন আয়নোস্ফেয়ারের বিপরীত আয়নোস্ফেয়ারের সীমানা জুড়ে। বা সারফেসে/খনিজ গর্ত করে গুহা বানিয়ে ডার্ক ম‍্যাটার বায়ুমন্ডল তৈরি করলে সেই খনিজ বা প্ল‍্যানেট দেখতে পাচ্ছি। এখানে শৈবালের রঙ ও অ‍্যামিবার বিভিন্ন রঙের মধ‍্যে সাতটি রঙের টুইনের মধ‍্যে জীবণ আছে যা অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ফিশন ফিউশন ২১℅ ও ৭৮℅ মোটামুটি যেখানে হচ্ছে সেটিই টুইন পৃথিবী।

আমরা জানি যে শুধু ন‍্যাচারাল সবুজ থেকে অক্সিজেন আসে।

উল্লেখিত শতাংশের বাহিরে যে কোনো স্হান পৃথিবীর এন্টি স্পেস। এজন‍্য আপনার টুইন স্পেসকে ৩০ মাইল চারিদিকে ২১℅ ও ৭৮℅ দিনে, রাতে ৭৮℅ ও ২১℅, যথাক্রমে অক্সিজেন নাইট্রোজেন ও নাইট্রোজেন অক্সিজেন ফ্লোর পরিবেশে রাখতে হবে।

বর্তমান সভ‍্যতার বিশ্ববিদ্যালয় স্টাডির ছাত্র শিক্ষক ও প্রাক্তন ছাত্রদের কারো এলাকায় পৃথিবী নেই। নিজের দেহের কিডনি ফুসফুস হার্ট ব্রেইন প‍্যানক্রিয়াস ইত‍্যাদি বিক্রি করে ধনী হওয়ার মতো বর্তমান খনিজ উত্তোলনকারী ও ব‍্যবহারকারী সভ‍্যতা। মূল‍্যবান খনিজ ইউরোপ উত্তর আমেরিকা জাপান চীন ইত‍্যাদি দেশ শেষ করে এখন যেখানেই এই খনিজ পাওয়া যাচ্ছে সেখানে গিয়ে মানবদেহ অপারেশনের মতো উত্তোলন করছে আর অসুস্হ করে ফেলছে আমাদের প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড। যে টুইন ফিল্ড মহাবিশ্বের টুইনের মধ‍্যে একটি পৃথক স্পেসিস তার অর্ধেক অপারেশনের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে বর্তমান সভ‍্যতা। বানরের দেহে যেমন মানুষ বসবাস করতে সক্ষম নয় আবার ঘোড়াকে অপারেশন করে মানুষ বানানোও সম্ভব নয় ব‍্যাপারটি এমন।

আবার হঠাৎ করে কোনো ২০০ কেজি ফ‍্যাট মানুষকে ৭০ কেজি বানানো যেমন সম্ভব নয় ঠিক তেমনি টুইন পৃথিবীর মধ‍‍্য দিবস ও মধ‍্য রাতের সর্বোচ্চ ফিশন ফিউশন আজকে যা কনজিউম করছে কালকে হঠাৎ করে ১/৪ অংশ টুইন চার্জ বিম বৃদ্ধিও সম্ভব নয়। তাহলে দুই উত্তর ও দুই দক্ষিণের ফিশন, ফিউশন চূল্লির জ্বালানি বা মিনারেলস বৃদ্ধি করতে হবে। অর্থাৎ ১/৪ অংশ অতিরিক্ত অ‍্যামিবা শৈবালের জন্ম হতে হবে।

এ থেকে যে ফিশন ফিউশন তৈরি হবে তা আমাদের যতো স্পেসিস এই টুইন পৃথিবীতে আছে সবার মৃত‍্যু অনিবার্য হয়ে যাবে। কেননা এতো কোষ টুইন বডিতে ধরতে হলে টুইন বডিকে রাতারাতি ১/৪ অংশ বৃদ্ধি হতে হবে ডিএনএ আরএনএর টুইন কোড মেইনটেন করে। যেজন‍্য চার্জ কনসেন্ট্রেশন বৃদ্ধির জন‍্য টুইন চাঁদের ট্রান্সফর্মার ক‍্যাপাবিলিটি ভলিয়ম ১/৪ অংশ বৃদ্ধি করতে হবে। যা আদৌ সম্ভব নয়। আগামীকাল আসলে চারিদিকে ভাইরাস ব‍্যাকটেরিয়ার পরস্পর বিপরীত টুইন স্পিন ফিউশন ঘটিয়ে অ‍্যামিবা শৈবালে ভর্তি হয়ে যাবে টোটাল টুইন পৃথিবীর সারফেস। অর্থাৎ টুইন পৃথিবী এক সাথে ১/৪ ভাগ আজকের চেয়ে বড় হবে। বা আমাদের প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড এই হারে ইলাস্টিসিটির মতো মধ‍্য দিবস ও মধ‍্য রাতের সময় বিন্দুতে ১/৪ অংশ বড় হয়ে যাবে। অর্থাৎ যা আদৌ সম্ভব নয়। অ‍্যামিবা শৈবাল জীবজগতের বসবাসের স্হানে জন্ম নেওয়ার পরিবেশ ধ্বংস করে ফেলেছে বর্তমান ফেক সাইন্স থিওরির ইউনিভার্সিটিগুলো।

যদি আলো সোজা চলতো তাহলে সব স্পেস একটি হতো। সৃষ্টি বলতে কোনো কিছু থাকতো না। ধরুন আইনস্টাইনের ব‍্যস্ত আজগুবি ব্রেইন বা প্ল‍্যাঙ্কের আজগুবি থিওরিতে দিবস রাত স্হির করে রাখা হয়েছে। তাহলে সূর্য যেদিকে বিপরীত দিকে ধ্রুবতারা। এরা কখনো আর নড়াচড়া করবে না। বা সব স্পেসিস স্হির থেকেও জীবিত রাখা গেলো মনে করুন। এরপরও বিদ‍্যুতের আলো দিয়ে যদি যে অর্ধেক রাতের সূর্য এবং ওকে জ্বালিয়ে আলোকিত করা হলে সেই বিদ‍্যুতের আলোতে অন্ধকার বা রাত আলোকিত হয়ে যাবে আর দিনের ধ্রুবতারার পৃথিবীতে যারা ছিলো তারা আকাশে সূর্যে গ্রহণ লাগা দেখবে।

এই যে বর্তমান সভ‍্যতার কৃত্রিম আলো জ্বালানো বা এন্টি স্পেসের টুইন চার্জ তৈরি করে নগরায়ন করা হয়েছে অ‍্যামিবা শৈবালকে মেরে ফেলে, এর ফলে এন্টি টুইন পৃথিবী বা এন্টি টুইন প্ল‍্যানেটারি ডোয়ার্ফ তৈরি করা হয়েছে। এই ডোয়ার্ফ টুইন পৃথিবী এতো বড় হয়ে গেছে যদি দুপুর ১২.০০টা থেকে সূর্যাস্ত সময়কাল পর্যন্ত কখনো পূর্ণাঙ্গ সূর্যগ্রহণ চলে এই ছয় ঘন্টার টুইন বিপরীতসহ অর্ধেক প্ল‍্যানেটারি টুইন আবর্জনার পৃথিবী বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কেননা ডোয়ার্ফসহ টোটাল টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড চার্জ উৎপাদন হারিয়ে ফেলবে। আর সব প্রযুক্তির টুইন ডোয়ার্ফ পেন্টাগণ ক্রেমলিনকে সহ যতো ক‍্যান্টনমেন্টের ওয়েপন কাউকে আর ব্লাস্ট করতে দিবে না সব প্রযুক্তি এক্সিস্ট স্পেস হারিয়ে এন্টি স্পিনিংয়ে এন্টি এক্সিস্ট স্পেস দেখাতে দেখাতে ব্ল‍্যাক হোল টেনে নিয়ে যাবে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ‍্য হলো সূর্য পশ্চিম দিয়ে উঠে পূর্বে অস্ত যাবে। মুহুর্তে অর্ধেক প্ল‍্যানেটারি টুইনে যা ফেক সাইন্স থিওরির আবর্জনা ছিলো তা সেপারেট হয়ে ব্ল‍্যাক হোলের নিকটবর্তী অঞ্চলের আগুণে জ্বলতে থাকবে। এবং এই অঞ্চলটি অর্ধেক টুইন ন‍্যাচারালের এন্টি স্পেসে অদৃশ‍্য হয়ে থাকবে। যুবরাজ /২২.০৩ ২০২৫।