Cover the lesser/UV near the black hole with oxygenated plants for 24 hours.
Earth's ionosphere is mainly two because the day and night worlds are of opposite charge.
Cover the lesser/UV near the black hole with oxygenated plants for 24 hours.
Earth's ionosphere is mainly two because the day and night worlds are of opposite charge. When the six twin skeletal planetary reactors renew one after the other every month for six months, twin Earths are formed each time using their opposing weak twin magnetic fields.The ends of these magnets are twin quasars or twin reactors. Because these twin worlds have oxygen-producing organisms, each of their twin fields spins with opposite charges.Because the breathing of the living world also has a power. This energy is what spins the twin nebula twin pulsars from the quasar or the twin field of the Earth.If the whole world is Chinese Japanese Korean technology and the West is a heavy mechanical electric and armory factory or like New York, London, Paris, Dhaka then where will the living world be.Can some thin human breathless black hole magnet spin in their breathless urban civilization? These skinny autistic people run their territories in reverse black hole twin spins. Which runs on technology taught by Nicholas Tesla, Planck Einstein, Alfred Nobel Hawking... .
The antimagnetic twin field in the core region of the black hole gradually grew to form dwarf twin planets. As they grow larger, the ozone layer in their area shrinks or the ozone layer becomes net-like. This void means that the rings of a skeletal twin planet Saturn are leaking opposite field charge beams from this ozone layer like a net. The two formations are a nebula twin that moves at night and a pulsar twin that spins in opposite directions during the day and night.
Those who drive spaceships, those who fly planes, and so on, are consuming negative and positive charges. As a result, the hot black hole's ionosphere expands through the net. They are called ultraviolet twin rays.When the earth is night, does the sun or the earth have a breathing field in the city area that is creating this night? 95℅ of its chemical soil layer is unable to fission and fusion of oxygen to nitrogen, thus inhibiting oxygen ventilation. Which may be more due to machine or technology movement.Can the ionosphere now produce oxygen or ozone? The ozone layer has been depleted. It is seen as the sun on the day side of the opposite earth. The sun will give ultraviolet rays or what to do?
Because when twin Paris takes twin oxygen from the Pole Star or from the twin Moon at night in such conditions, what will be the condition of the Pole Star? Saturn's twin rings will send more dust beams than it will send oxygen. They will send positive streams of tiny twin photon beams breaking off the twin asteroid beam .It is the ultraviolet rays that have fooled civilization into making everyone in their urban and unscientific CERN and CERN-like countless faculty labs.
Saturn's twin fields flow over 12 regions of our Earth every month. Each of the skeletal 6 twin planets is thus made a bed of 6 months of the polar ring. For the next six months, the magnetic field rotates completely. This is called the change of asteroid and Kuiper belt twin.The inhabitants of the twin fields of dwarf planets are called scientists. Their number cannot be counted.
Four years ago, when the corona virus was created, it was asked to reduce the mechanical era of consuming oxygen and fill these plants that can produce oxygen in the day and night world.This is why it was said that the holes in the ozone layer should be closed. But instead it turned Mars blue. The state of the nighttime ionosphere has become so dire that the machinations, technology, weapons manufacturing and electricity consumption festivals are underway.
At that time it was said that these ultraviolet rays are becoming more concentrated because people are given the corona vaccine. Scientists have twisted the original theme by fooling civilization. Now this respiratory disease has increased in wide areas. And where the corona virus gave a higher rating, this UV twin ray is now becoming a twin laser beam.
Ultraviolet rays produce higher concentrations of lasers. Its anti-field will now also throw rocks off the ionosphere. The land will collapse. The anti-field direct body of the planets will be larger than the Earth's surface. Which started to grow golden. Lithium uranium has grown in many countries.
Bacteria will increase energy demand. Clean it with soap. They mix with water in the soil and move away from the earth. As a result, the polar circle is losing ice. This circle has to be enlarged due to the use of AC fridges to cool the hot areas. Therefore, Aurora has captured China.
The business of mass planting of foreign fruit and flower seedlings to increase the respiration rate of the organism is also booming. But these exclusive plants produce ultraviolet radiation. Which has become dangerous for many areas. The laser beam that burned Los Angeles did not burn many palm trees.This means that they provide oxygen day and night. Because the twin Earths' magnetic fields create their own ozone layer, weak laser beams or concentrated ultraviolet rays cannot penetrate. The radioactive fields of these tiny palm tree black hole twins were covered with oxygen nitrogen. Juboraj/2025.01.21
ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি লেজার/ইউভি ২৪ ঘন্টা অক্সিজেন দেওয়া উদ্ভিদে ঢেকে দিন।
পৃথিবীর আয়নোস্ফেয়ার প্রধানত দুটি যেহেতু দিনের ও রাতের পৃথিবী পরস্পর বিপরীত চার্জের। যখন যে ছয়টি টুইন স্কেলেটাল গ্রহের চূল্লি ছয় মাস ধরে প্রতি মাসে একটির পর একটি নতুন করে আসে তাদের বিপরীত দূর্বল টুইন ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে ব্যবহার করে টুইন পৃথিবী তৈরি হয় প্রত্যহ। এই ম্যাগনেট গুলোর প্রান্তভাগ টুইন কোয়েসার বা টুইন চূল্লি। এই টুইন পৃথিবীতে অক্সিজেন তৈরির জীব জগত আছে বলে ওদের প্রত্যেকটির টুইন ফিল্ড পরস্পর বিপরীত চার্জে স্পিন করছে। কেননা জীবজগতের শ্বাস প্রশ্বাস চলারও একটি শক্তি আছে। এই শক্তিই কোয়েসার থেকে টুইন নেবুলা টুইন পালসারকে বা পৃথিবীর টুইন ফিল্ডকে স্পিন করাচ্ছে। সমগ্র পৃথিবী যদি চাইনিজ জাপানিজ কোরিয়ান প্রযুক্তির হয় আর পশ্চিমা ভারি যান্ত্রিক ইলেক্ট্রিক আর অস্ত্রাগারের কারখানা হয় কিংবা নিউইয়র্ক, লন্ডন, প্যারিস, ঢাকার মতো হয় তাহলে জীবজগত থাকবে কোথায়। এদের নিঃস্বাস শহুরে সভ্যতার কিছু রোগা মানুষের নি:স্বাসে ব্ল্যাক হোল ম্যাগনেট স্পিন করাতে পারবে? এসব রোগা অটিস্টিক অঞ্চলের মানুষগুলো তাদের টেরিটোরিগুলো উল্টো ব্ল্যাক হোল টুইন স্পিনে চালায়। যা নিকোলাস টেসলা, প্ল্যাঙ্ক আইনস্টাইন আলফ্রেড নোবেল হকিংদের.... শেখানো প্রযুক্তিতে চলে।
ব্ল্যাক হোলের কোর এলাকার এন্টি ম্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড ধীরে ধীরে বড় হয়ে বামণ টুইন গ্রহ তৈরি হয়েছে। এরা যতো বড় হচ্ছে তাদের এলাকার ওজোন লেয়ার ততো ছোট হচ্ছে বা ওজোন লেয়ার নেটের মতো ফাঁক হচ্ছে। এটি ফাঁকা হওয়ার অর্থ একটি স্কেলেটাল টুইন গ্রহ শনির বলয় এই ওজোন লেয়ারের বিপরীত ফিল্ডের চার্জ বিমও নেটের মতো ফুটো হচ্ছে। এই দুটির ফর্মেশন একটি নীহারিকা টুইন যা রাতে চলে আর পালসার টুইন যা দিনে রাতের বিপরীত ডাইরেকশনের স্পিনে চলে।
স্পেস শীপ চালায় যারা প্লেন চালায় যারা এসব যা উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যায় না এরা নেগেটিভ পজিটিভ চার্জ খেয়ে ফেলছে। ফলে নেটের ভিতর দিয়ে উত্তপ্ত ব্ল্যাক হোলের আয়নস্ফেয়ার বেড় হয়ে আসে। এদের আলট্রাভায়োলেট টুইন রে বলে। রাত যখন পৃথিবী হয় তখন এই রাত যে সূর্য তৈরি করছে শহর এলাকায় সে সূর্যে বা পৃথিবীতে শ্বাস চলাচলের ফিল্ড থাকে? এর ৯৫℅ কেমিক্যাল মাটির আস্তরন অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ফিশন ফিউশন করতে পারে না বলে অক্সিজেনের ভেন্টিলেশনে বাধা হয়েছে। যা যন্ত্র বা প্রযুক্তি চলাচলের কারণে আরও বেশি পরিমাণ হতে পারে। এখন এর আয়নোস্ফেয়ার কি অক্সিজেনের বা ওজোন তৈরি করতে পারবে? ওজোন লেয়ার খেয়ে ফেলেছে। বিপরীত পৃথিবীর দিনের দিকে সূর্য হিসাবে একে দেখা যাচ্ছে। সেই সূর্য আলট্রাভায়োলেট রে দিবে নাতো কি করবে?
কেননা টুইন প্যারিস যখন এরকম পরিস্হিতিতে রাতে টুইন অক্সিজেন পোল স্টার থেকে বা চাঁদ থেকে নিবে তখন পোল স্টারের অবস্হা কি হবে। যতটা টুইন অক্সিজেন পাঠাবে তার চেয়ে বেশি শনির টুইন বলয়ের গুঁড়ার বিম পাঠাবে। এরা টুইন এস্টরয়েড থেকে ভেঙ্গে ছোট ছোট টুইন ফোটন রশ্মির বিমের পজিটিভ স্রোতধারা পাঠাবে। এটিই আলট্রাভায়েলেট রে যা প্রত্যেকে তাদের শহুরে ও অবৈজ্ঞানিক সার্ন ও সার্ন জাতীয় অগণিত বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির ল্যাবে তৈরি করে সভ্যতাকে বোকা বানিয়েছে।
শনির টুইন ফিল্ড আমাদের পৃথিবীর ১২ টি অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রতিমাসে প্রবাহিত হয়। স্কেলেটাল ৬ টি টুইন গ্রহের প্রত্যেকে এভাবে পোলার রিং ৬ মাস করে খাট বানানো হয়েছে। পরের ছয় মাস ম্যাগনেটিক ফিল্ড সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে ঘুরছে। যাকে এস্টরয়েড ও কাইপার বেল্ট টুইনের পরিবর্তন বলে। বামণ গ্রহের টুইন ফিল্ডের বাসিন্দাগণকে বিজ্ঞানী বলে। এদের সংখ্যা গণনা করে শেষ করা যাবে না।
চার বছর আগে করোনা ভাইরাস তৈরি হওয়ার সময় অক্সিজেন খেয়ে ফেলার যান্ত্রিক যুগকে কমিয়ে ফেলতে বলা হয়েছিলো আর দিবস ও রাতের পৃথিবীতে অক্সিজেন তৈরি হতে পারে এসব উদ্ভিদে ভরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছিলো। এজন্য বলা হয়েছিলো যে ওজোন লেয়ারের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। কিন্তু তা না করে মঙ্গল গ্রহকে নীল করে ফেলেছে। রাতের আয়নোস্ফেয়ারের অবস্হা এতটা ভয়াবহ করে ফেলেছে যে যন্ত্র, প্রযুক্তি, অস্ত্র তৈরি ও ইলেক্ট্রিসিটি ব্যবহারের মহোৎসব চলছে।
সেই সময় বলা হয়েছিলো এসব আল্ট্রাভায়োলেট রে আরও বেশি কনসেন্ট্রেড হচ্ছে মানুষ করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ায়। বিজ্ঞানীরা সভ্যতাকে বোকা বানিয়ে মূল থিমকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। এখন এই শ্বাস কষ্টের রোগ আরও বেড়ে গেছে বিস্তৃত অঞ্চলে। আর যেখানে করোনা ভাইরাস বেশি রেটিং দিয়েছিলো সেখানে এই ইউভি টুইন রে এখন লেজার টুইন রশ্মি হয়ে বেড় হচ্ছে।
আলট্রা ভায়োলেট রের বেশি কনসেন্ট্রেশন লেজার তৈরি করে। এর এন্টি ফিল্ড এখন পাথরও আয়নোস্ফেয়ার উপর থেকে ফেলবে। ভূমি ধ্বস হবে। গ্রহগুলোর এন্টি ফিল্ডের ডাইরেক্ট বডি পৃথিবীর সারফেস থেকে বেড় হবে। যা স্বর্ন বেড় হওয়া শুরু হয়েছে। লিথিয়াম ইউরেনিয়াম বেড় হয়েছে বহু দেশে।
ইনার্জির চাহিদা বৃদ্ধি করবেন জীবাণু লাগবে। একে সাবান দিয়ে পরিস্কার করবেন এরা মাটিতে পানিতে মিশে পৃথিবী থেকে সরে যাচ্ছে। ফলে পোলার সার্কেল বরফ হারাচ্ছে। এই সার্কেল বড় করতে হচ্ছে উত্তপ্ত অবস্হা ঠান্ডা করতে এসি ফ্রিজ ব্যবহারের কারণে। এজন্য অরোরা চীনকে ধরে ফেলেছে।
জীবের শ্বাস প্রশ্বাস চালানো বৃদ্ধি করতে গিয়ে গণহারে বিদেশি ফল ফুলের চারা রোপনের ব্যবসা জমজমাট। কিন্তু এসব একচেটিয়া উদ্ভিদ আলট্রাভায়োলেট রেডিয়েশন তৈরি করে। যা বহু এলাকার জন্য বিপদজনক হয়ে গেছে। লস এঞ্জেসেস পুড়েছে যে লেজার রশ্মি বেড় হয়ে সেখানে কিন্তু অসংখ্য পাম ট্রি গুলো পোড়েনি। এর অর্থ হলো ওরা দিন ও রাতে অক্সিজেন দেয়।যা টুইন পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে থাকে বলে সেসবের নিজস্ব ওজোন লেয়ার ক্ষীণ লেজার রশ্মি বা কনসেন্ট্রেটেড আলট্রাভায়োলেট রে ভেদ করতে পারেনি। এসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাম ট্রির ব্ল্যাক হোল টুইনের তেজস্ক্রিয় ফিল্ড অক্সিজেন নাইট্রেজেন দিয়ে ঢাকা ছিলো।
যুবরাজ /২১.০১.২০২৫