California wildfires from twin fields near the black hole
Today's article is being published with deep condolences from Rakim University, Prannathpur, Santahar, Bangladesh (World's First Prototype Black Hole University).
Today's article is being published with deep condolences from Rakim University, Prannathpur, Santahar, Bangladesh (World's First Prototype Black Hole University).
The Black hole, The Dark matter Theory was discovered a few years ago. The theory that has been proven to be the opposite of everything has been reported to universities around the world as the Twin Universe Theory.The whole world means those who claim the world ranking the most and which is still ongoing.
Those with world rankings have seen recent devastating fires in Quebec, Hawaii, Spain, Iceland, Texas.The world is heading towards catastrophe due to non-implementation of the mentioned theory discovered by the Bangladeshi scientist.
If either of these two opposite space ionosphere labels is suddenly reduced, the opposite space is approaching. The instantaneous state of opposite space is such that state of state is taking place. Analysis of these theories has been said for a long time. They do not have a headache even if those countries spin dangerously close to the black hole due to not understanding or fear of losing the wrong economic subject matter or index of mechanical, electrical, civil society. In the larger environment near the black hole, rivers of lava, or volcanic lava twinning, have begun to erupt together at times. which are past wildfires and ongoing California wildfires.
Many examples of twin Earth magnetic field effects have been given in the past. Beneath the polar ice are also twin reactors to generate magnetic fields that are understood to be present. And if it is the organizational field of the world anywhere in the world, it is the same kind of small twin field.
Now suppose the polar ice caps are lifted up and the magnetic field is simultaneously changed to create the same condition for the entire twin Earth. That is, the object below is pushed out from below the surface.Suppose it was made by humans. What will happen then? The opposite field of the dark matter magnet or the other of the magnet's twin must also change. What will your condition show? Aliens will show you. But this skeletal object will join the river of rays and the Earth will move in reverse. So if that person is you, then you will be the object of the Ray River associated with the black hole. In front of you will also be the Ray River, California's ongoing wildfire field. That field will create day and night environment.California's wildfires went from night to day in the west, but other nearby states saw snowmelt on the surface.
Earth will never come near this alien body. There would have been an anti-matter world of two types of day and night charge beams, being rivers of water and freezing into ice.This is hypothetical but theoretically realistic.The Black hole, thus creating two opposing fields of spin.
This black hole twin field scientifically survives creation with incredible beauty. It creates a twin field beam of viruses and bacteria where life and animal life, including humans, are emerging. In fact, everything in the animal world has been able to survive using the anti-field of the Earth's magnetic field.As death occurs, the oxygen-nitrogen magnet rotates creating an anti-field. That is, nitrogen is breathed in and oxygen is exhaled. In this, the field of the body is reversed, creating a field of twin beams of particles and becoming part of the matter of the planetary twin field.
Juboraj/2025.01.11
ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি টুইন ফিল্ড থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানল
রাকীম ইউনিভার্সিটি, প্রান্নাথপুর, সান্তাহার, বাংলাদেশ (পৃথিবীর প্রথম একটি নমুনা ব্লাক হোল ইউনিভার্সিটি) থেকে গভীর সমবেদনাসহ আজকের আর্টিকেল প্রকাশ করা হচ্ছে।
ব্ল্যাক হোল, ডার্ক ম্যাটার থিওরি আবিস্কার করা হয়েছে কয়েক বছর হলো। যে থিওরিতে প্রমাণিত হয়েছে সব কিছুর বিপরীত আছে যা টুইন ইউনিভার্স থিওরি হিসাবে সমগ্র পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অবহিত করা হয়েছে। সমগ্র পৃথিবী বলতে যারা ওয়ার্ল্ড র্যাঙ্কিং দাবীদার তাদের সবচেয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রচারিত হয়েছে এবং যা এখনও চলমান রয়েছে ।
ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংধারী যারা তারা কুইবেক হাওয়াই, স্পেন, আইসল্যান্ড,টেক্সাসে সাম্প্রতিককালের ভয়াবহ দাবানল দেখেছে। পৃথিবী মহাবিপর্যয়ের পথে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর আবিস্কৃত উল্লেখিত থিওরির প্রয়োগ না করার কারণে।
এসব দুই বিপরীত স্পেসের আয়নোস্ফেয়ার লেবেলের যে কোনো একটি হঠাৎ কমানো হলে বিপরীত স্পেস এগিয়ে আসছে। সেই বিপরীত স্পেসের তাৎক্ষনিক অবস্হা যেরকম সেই অবস্হার কার্যকারণ সংঘটিত হচ্ছে।
দীর্ঘ সময় ধরে বলে আসা হচ্ছে এসব থিওরের বিশ্লেষন। বুঝতে না পারায় অথবা ম্যাকানিক্যাল,ইলেক্ট্রিক্যাল, সিভিল সোসাইটির ভুল অর্থনৈতিক সাবজেক্ট ম্যাটার বা সূচক লস হয়ে যাওয়ার ভয়ে সেসব দেশ ব্ল্যাক হোলের বিপদজনক কাছাকাছি দিয়ে স্পিন করলেও তাদের কোনো মাথা ব্যাথা নেই। ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি বৃহত্তর পরিবেশে যে রের নদী বা আগ্নেয় লাভা টুইনভাবে প্রজ্জ্বলিত হচ্ছে তা এক সাথে বেড়িয়ে আসা শুরু হয়েছে মাঝে মাঝে। যা ইতিপূর্বের দাবানল এবং চলমাণ ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানল।
টুইন পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড কার্যকরের বহু উদাহরন দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে। মেরুর বরফের নীচেও ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরির টুইন চুল্লি বসানো আছে যা বুঝানো হয়েছে। এবং তা পৃথিবীর যেকোনো স্হানে পৃথিবীর সাংগঠনিক ফিল্ড হলে একই ধরনের ছোট বড় টুইন ফিল্ড।
এখন ধরুন মেরুর বরফকে নীচে দিয়ে চূল্লি উপরে তোলা হলো এবং সমগ্র টুইন পৃথিবীর ক্ষেত্রে একই অবস্হা তৈরি করে ম্যাগনেটিক ফিল্ড এক সাথে পরিবর্তন করা হলো এভাবে। অর্থাৎ সারফেসকে নীচে দিয়ে নীচের অবজেক্টকে বাহিরে দেওয়া হলো। ধরুন এটি মানুষই করে দেখালো। তাহলে কি অবস্হা হবে? এর বিপরীত ফিল্ড ডার্ক ম্যাটার ম্যাগনেট বা ম্যাগনেটের টুইনের অপরটিও পরিবর্তন হবে নিশ্চয়। আপনার অবস্হা কি দেখাবে। আপনাকে এলিয়েন দেখাবে। তবে এই স্কেলেটাল অবজেক্ট রশ্মির নদীতে মিশবে আর পৃথিবী চলে যাবে বিপরীতে। তাহলে সেই মানুষটি যদি আপনিও হোন তবে ব্ল্যাক হোল যুক্ত রের নদীর অবজেক্ট হবেন। আপনার সামনেও থাকবে রের নদী, ক্যালিফোর্নিয়ার চলমান দাবানলের ফিল্ড।
ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানল রাত থেকে পশ্চিম দিয়ে অস্তাচলে গিয়ে দিনের উদয় দেখতো কিন্তু আশে পাশের অন্য কয়েকটি স্টেটের বরফের যোগফলের সারফেসের পৃথিবী দেখতো।যে ফিল্ড দিবস ও রাতের পরিবেশ তৈরি করবে।
পৃথিবীর আর কখনো আসবে না এই এলিয়েনের বডির কাছে। রের নদী হওয়া ও বরফে ঠান্ডা হওয়ার এই দুই ধরনের দিবস ও রাতের চার্জ বিমের এন্টি ম্যাটার পৃথিবী থাকতো। এই বিষয়টি কাল্পনিক কিন্তু থিওরিটিক্যালি বাস্তবতা দেখায়। ব্ল্যাক হোল, সৃষ্টিতে এভাবে পরস্পর বিপরীত দুই ফিল্ডের স্পিন সৃষ্টি করে চলছে।
এই ব্ল্যাক হোল টুইন ফিল্ড বৈজ্ঞানিকভাবে সৃষ্টিতে টিকে আছে অপরূপ সৌন্দর্য নিয়ে।যা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার টুইন ফিল্ড বিম তৈরি করে যেখানে মানুষসহ জীবজগত ও প্রাণীজগতের আগমণ ঘটছে। আসলে বিষয়টি এমন যে প্রাণী জগতের যেকোনো কিছু পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের এন্টি ফিল্ড ব্যবহার করে জীবণের অধিকারী হয়েছে। মৃত্যু যখন ঘটছে তখন অক্সিজেন নাইট্রোজেন ম্যাগনেট এন্টি ফিল্ড তৈরি করে ঘুরে যায়। অর্থাৎ নাইট্রোজেন নি:শ্বাসে আসা আর অক্সিজেন বেড়িয়ে যাওয়া।এতে দেহের ফিল্ড উল্টা হয়ে পার্টিকেলের টুইন বিমের ফিল্ড তৈরি করে প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের ম্যাটারের অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। যুবরাজ /১১.০১.২০২৫