Balancing Earth's Twin Black Hole Fields for Life and Virus Control

Earth’s twin black hole fields, influenced by magnetic and gaseous interactions, impact life and virus creation. Proper oxygen-nitrogen balance is essential. Studying Rakim University’s black hole magnet theories could offer solutions.


Topic 1:- Covid-19 black hole field and anti field magnet just opposite cholera world of germs twin field of earth. Topic 2:- The world of germs, including cholera, in Earth's twin fields. Topic 3:- Any one field create twin disease of twin earth. Topic 4:- Gaining knowledge about the alignment of these diseased magnet beams is called science.

The twin magnetic black hole twin field and anti-field of the planetary system by the living things of insects, animals, living things, sometimes organic or inorganic means. If there is no life, the oxygen nitrogen and antioxygen nitrogen will connect with the spin of the black hole? Assume that the black hole field beam spins with metals, nonmetals.In that case, the human body will not be able to create the black hole field spin of oxygen nitrogen through the intake of organic and inorganic matter. As a result, these two gaseous matter in the breath will not connect the black hole field engine. The organismic existence of the body will disappear.

Earth is a structure where organisms and viruses are connected by beams of twin magnets of the black hole field and twin magnets of the anti-field. If the organisms are allowed to survive, the flow of oxygen and nitrogen will flow into the circulation of the organism.

The black hole field of all the planets that is twinned in the Earth's soil and surface systems is exactly the opposite of the dark matter twin virus. (Negative on one side and positive or non-metallic black hole spinning on one side, metallic spinning on the opposite side. And these two opposite beams of living body and non-living body are provided by transmission line of black hole field magnet)

The fact is that when a human child is born on earth, he comes to earth as a magnet of a south-north, north-south twin black hole system. And when it goes, it goes north-south, south-north. That is, his body was buried facing north to south, while he was born facing south to north.

There was a time when my fourth generation very likely my paternal grandfather gave the cholera formula. There was no shortage of oxygen and nitrogen in the world. There was a shortage of viruses. The magnetic field of the other planet's black hole on Earth's twin surface has helped humans create microbes. For example, the magnetic fields of Uranus and Venus drive microbes into water and ice in black hole beams.

All this was done by the western civilization. Because they began to travel by sea and there began to dump human bodies. From these particles, the black hole magnetic field splits germs and fuses them into viruses. As the non-metal splits, it creates a charge and the metal magnet moves in the opposite direction. which creates a virus shortage.

Father's grandfather Mr. Gari discovered salt water saline and food saline for temporal system. His handwritten book has not yet been recovered.

Now civilization has created virus (metal) particle beams using different chemicals to destroy germs and sent anti-particle beams or germ beams in the opposite field. Now human civilization is using telescopes to find germs in the opposite field.

Sometimes seeing different animals in the sky. In reality, the fish is also seen from the sky. This is not ignorance. This is due to not knowing the definition of science to create technology. Aren't all the university degree holders created a burden on society and responsible for the environmental disaster?

Ban the use of pesticides completely. Magnets of bacteria and viruses will not produce toxicity unless the virus is abundant in nature or an exact covid-19 black hole field is created. Physics and physics related faculty are making viruses, and any chemical engineering or chemist or biologists are making anti-microbe magnets in the name of virus destruction. The difference between when cholera arrived and now is that the anti-field of the covid-19 black hole field was then.

Without knowing this, medical science is applying chemical medicine in an attempt to save people and animals by rotating the magnet with chemical medicine.++ Farmers run the society and the country. Now the farmers' sons and daughters study in the burden of the world. They have almost stopped the survival of civilization including themselves. In the West, the magnetic black hole field of reproduction or germs has moved. Breeding is about to become extinct. This demand is being met by immigrants.

Study the theories of Rakim University urgently. Mislearned about virus theory, germ theory. Alignment of all these can be determined through black hole field magnet theory.

Let the inhabitants of artificial worlds of self-made artificial black holes learn to make organisms, learn to make oxygen and nitrogen, and hope that these artificial technologies will be effective, they will not disappear.


জীবন ও ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের জন্য পৃথিবীর দুইটি ব্ল্যাক হোল ক্ষেত্রের ভারসাম্য

বিষয় ১:- কোভিড-১৯ ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ড ম‍্যাগনেটের জাস্ট বিপরীত ‍বিষয় ২:- কলেরাসহ জীবাণুর জগত পৃথিবীর টুইন ফিল্ড। বিষয় ৩:- যে কোনো একটি ফিল্ড ক্রিয়েট যুগল অসুখ টুইন পৃথিবীর। বিষয় ৪:- এদের ম‍্যাগনেটের এলাইনমেন্ট সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনকে বিজ্ঞান বলে।

কীটপতঙ্গ জীব জন্তু জীবন্ত যা কিছু এসবের বসবাস দ্বারা প্ল‍্যানেটারী সিস্টেমের যে টুইন ম‍্যাগনেটিক ব্ল‍্যাক হোল টুইন ফিল্ড ও এন্টি ফিল্ড তাই কখনো অর্গানিক কখনো ইনঅর্গানিক বুঝায়। জীবদের বসবাস না থাকলে অক্সিজেন নাইট্রোজেন ও এন্টি অক্সিজেন নাইট্রোজেন কার সাথে ব্ল‍্যাক হোলের স্পিন সংযোগ ঘটাবে? ধরলাম ধাতব, অধাতবের সাথে ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড বিম স্পিন করবে। সেক্ষেত্রে মানবদেহ অর্গানিক এবং ইনঅর্গানক ম‍্যাটারের খাদ‍্য গ্রহন ব‍্যতিত অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড স্পিন তৈরি করাতে পারবে না। ফলে নিঃশ্বাসে এই দুটি গ‍্যাসিয়াস ম‍্যাটার ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ইঞ্জিন কানেক্ট করবে না। বডির অর্গানিজম অস্তিত্ব অদৃশ‍্য হয়ে যাবে।

পৃথিবী সৃষ্টিতে এমন একটি স্ট্রাক্চার যেখানে জীবানু এবং ভাইরাস এই দুইয়ের মধ‍্যে কানেক্ট করা হয়েছে ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের টুইন ম‍্যাগনেট ও এন্টি ফিল্ডের টুইন ম‍্যাগনেটের বিম দিয়ে। জীবগুলোকে বেঁচে থাকতে দিলে অক্সিজেন নাইট্রোজেনের প্রবাহ জীব জগতের বিচরন ক্ষেত্রে প্রবাহিত হবে।

সকল গ্রহের যে ম‍্যাগনেটের ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড পৃথিবীর সয়েল এবং সারফেস সিস্টেমে টুইন করা হয়েছে ঠিক তার বিপরীত ডার্ক ম‍্যাটার টুইনের ভাইরাসকে রাখা হয়েছে। (এক দিকে নেগেটিভ অপরদিকে পজিটিভ বা অধাতব ধাতব ধর্মী ব্ল‍্যাক হোলের স্পিনিং একদিকে, বিপরীত দিকে ধাতব ধর্মী স্পিনিং। এবং এরাই জীবণ যুক্ত বডি ও জীবন হীন বডির দুই বিপরীত ধর্মী বিম ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ম‍্যাগনেটের ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে সরবরাহ করছে )

বিষয়টি এমন যখন একজন মানব সন্তান পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছে তখন সে দক্ষিণ-উত্তর,উত্তর-দক্ষিণ ম‍্যাগনেট হয়ে পৃথিবীতে আসে। আর যখন চলে যায় তখন উত্তর-দক্ষিণ,দক্ষিণ- উত্তর হয়ে চলে যায়। অর্থাৎ তার লাশ দাফন করা হয় উত্তর দক্ষিণ করে।

একটি সময় ছিলো যখন আমার চতূর্থ স্রজন্ম খুব সম্ভব আমার বাবার দাদা, কলেরার ফর্মূলা দিয়েছিলেন। অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ঘাটতি ছিলো না পৃথিবীতে। ঘাটতি ছিলো ভাইরাসের। পৃথিবীর টুইন সারফেসে অন‍্যান‍্য গ্রহের যে ব্ল‍্যাক হোলের ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড সেসব স্হানে জীবাণু তৈরি করতে সহায়তা করেছে মানুষ। যেমন ইউরেনাস ও ভেনাসের ম‍্যাগনেটিক ফিল্ড ব্ল‍্যাক হোল বিমে পানি ও বরফে জীবাণু প্রবেশ করায়।

এসবও হয়েছিলো পাশ্চাত‍্য সভ‍্যতার দ্বারা। কেননা ওরা সমুদ্র পথে বেড়াতে শুরু করে এবং সেখানে মানব দেহের পয়: ফেলা শুরু করে। এসব পয়: থেকে ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ম‍্যাগনেট জীবাণু স্প্লিট করে আর ফিউশন করে ভাইরাস। অধাতব স্প্লিট করে বলে জীবাণু তৈরি করে আর ধাতব ম‍্যাগনেট বিপরীতে চলে যেতে থাকে। যা ভাইরাস শর্টেজ তৈরি করে। তখনও বাবার দাদা মি. গড়ি ট‍্যাম্পুরারি সিস্টেমের লবন পানির স‍্যালাইন ও খাবার স‍্যালাইন আবিস্কার করেছিলেন। তাঁর নিজ হস্তে লিখিত বইটি এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এখন সভ‍্যতা জীবাণুকে ধ্বংস করে ফেলতে বিভিন্ন ক‍্যামিক‍্যাল প্রয়োগ করে ভাইরাস (ধাতব ) পার্টিকেল রশ্মি তৈরী করেছে ও এন্টি পার্টিকেল রশ্মি বা জীবাণু রশ্মি বিপরীত ফিল্ডে পাঠিয়েছে। এখন মানব সভ‍্যতা টেলিস্কোপ দিয়ে জীবাণু খুঁজে পাচ্ছে বিপরীত ফিল্ডে।

মাঝে মাঝে আকাশে বিভিন্ন প্রাণীদের দেখছে। বাস্তবে আকাশ থেকে মাছ পরাও দেখছে। এসব অশিক্ষা নয়। প্রযুক্তি তৈরি করতে হলে বিজ্ঞানের সংজ্ঞা না জানার ফলে এমন হয়েছে। যতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী তৈরি হয়েছে তারা সমাজের বোঝা এবং এরাই পরিবেশ বিপর্যয়ের জন‍্য দায়ী নয় কি?

কীট নাশক প্রয়োগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করুন। ব‍্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের ম‍্যাগনেট বিষক্রিয়া তৈরি করবে না যদি ভাইরাস বেশি প্রকৃতিতে না থাকে বা এক্সাক্টলি কোভিড-১৯ ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড সৃষ্টি হবে না । ফিজিক্স ও ফিজিক্স রিলেটেড অনুষদ ভাইরাস তৈরি করছে, আর যে কোনো কেমিক‍্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা রসায়ন বা বায়োলজিষ্টরা ভাইরাস ধ্বংসের নামে জীবাণুর বিপরীত ম‍্যাগনেট তৈরি করছে। কলেরা আসার সময় এবং বর্তমান সময়ের পার্থক‍্য কোভিড -১৯ ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের এন্টি ফিল্ড ছিলো সেই সময়।

এসব না জেনেও মেডিকেল সাইন্স কেমিক‍্যাল ঔষধ দিয়ে ম‍্যাগনেট ঘুরিয়ে মানুষ, পশুপাখীকে বাঁচানোর চেষ্টায় কেমিক‍্যাল ঔষধ প্রয়োগ করছে। চাষারা চালিয়েছে সমাজ ও দেশ । এখন চাষার ছেলে মেয়েরা পৃথিবীর বোঝা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ওরা নিজেরাসহ সভ‍্যতার বেঁচে থাকার পথ বন্ধ করে দিয়েছে প্রায়। পাশ্চাত‍্যে প্রজননের বা জীবাণুর ম‍্যাগনেটিক ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ঘুরে গেছে। বংশ তৈরি হওয়া বিলুপ্ত হতে চলেছে। ইমিগ্র‍্যান্ট দিয়ে এই চাহিদা মেটানো হচ্ছে।

রাকীম বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওরিগুলো জরুরি স্টাডি করুন। ভাইরাস তত্ব,জীবাণু তত্ব সম্পর্কে ভুল শেখা হয়েছে। এসবের এলাইনম‍্যান্ট ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ড ম‍্যাগনেট থিওরির মাধ‍্যমে দেখে ঠিক করুন ।

নিজস্বভাবে তৈরি কৃত্রিম ব্ল‍্যাক হোলের কৃত্রিম পৃথিবীর বাসিন্দারা অর্গানিজম তৈরি করতে শিখুক, অক্সিজেন নাইট্রোজেন তৈরি করতে শিখুক আর এসব কৃত্রিম প্রযুক্তির বিরতি কার্যকর হোক, ওরা বিলুপ্ত না হোক প্রত‍্যাশা।